অনন্য উচ্চতায় সাকিব - খেলাধুলা - Dainikshiksha


অনন্য উচ্চতায় সাকিব

দৈনিকশিক্ষা ডেস্ক |

যেখানে শেষ সেখান থেকে অঙ্ক কষা শুরু। প্রাপ্তি-অপ্রাপ্তির হিসাবটা মিলিয়ে দেখার এই প্রচলন ক্রিকেটীয় ঐতিহ্যেরই অংশ। দ্বিপক্ষীয় সিরিজ বা টুর্নামেন্ট শেষে এই হিসাব মেলানো ক্রিকেটে বহুল চর্চিত। এবারও তাই ফিরে দেখার চেষ্টা। এই দেখা শুধু চর্মচক্ষু দিয়ে নয়, গাণিতিক পরিসংখ্যানের দিক থেকেও। সমর্থকদের কাছে যদি জানতে চাওয়া হয়, এবারের বিশ্বকাপে কেমন খেলেছে বাংলাদেশ? কাগজ-কলমে জরিপ না করেও বলে দেওয়া যায়, সিংহভাগ টিকই পড়বে মোটামুটির ঘরে। যদিও পরিসংখ্যান আর মাঠের প্রতিদ্বন্দ্বিতা মিলিয়ে টাইগারদের পারফরম্যান্সের গ্রাফটা মোটামুটির চেয়েও ভালো দেখাচ্ছে। কারণ আগের কোনো বিশ্বকাপেই এভাবে বুক টান করে, প্রতিপক্ষের খেলোয়াড়দের চোখে চোখ রেখে লড়াই করতে দেখা যায়নি টাইগারদের। যদিও অধিনায়ক মাশরাফি বিন মুর্তজার দাবি, ভালোমন্দ মিলে ইংল্যান্ড বিশ্বকাপটা মিশ্র একটা জায়গায় শেষ করল বাংলাদেশ। তবে বড় প্রাপ্তি সাকিব আল হাসানের রেকর্ডময় পারফরম্যান্স।

সেরা ১০ দল নিয়ে হচ্ছে এবারের বিশ্বকাপ। যেখানে প্রথম রাউন্ডের খেলা হয় রাউন্ড রবিন লীগ পদ্ধতিতে। এই নিয়মে প্রত্যেকে প্রত্যেকের সঙ্গে ম্যাচ খেলার সমান সুযোগ পায়। এক মাস আট দিন ধরে চলা লীগ পর্ব শেষ হচ্ছে আজ ভারত-শ্রীলংকা ও অস্ট্রেলিয়া-দক্ষিণ আফ্রিকার ম্যাচ দিয়ে। বাংলাদেশের অভিযান শেষ হয়ে গেছে গতকাল লর্ডসে পাকিস্তানের কাছে হার দিয়ে। এই অভিযানে টাইগারদের পারফরম্যান্স বিশ্লেষণে প্রাপ্তিকে খুব বড় করে দেখাচ্ছে না রেকর্ডবুক। নয় ম্যাচ খেলে মাত্র তিনটিতে জয় বাংলাদেশের। পরিত্যক্ত ম্যাচ থেকে প্রাপ্তি এক পয়েন্ট। মোট সাত পয়েন্ট নিয়ে পয়েন্ট টেবিলের সপ্তম স্থানে থেকে শেষ করল আইসিসির দ্বাদশ আর নিজেদের ষষ্ঠ বিশ্বকাপ। সাদা চোখে দেখলে এ আর এমন কী? এ রকম পারফরম্যান্স তো ১৯৯৯, ২০০৭, ২০১১ এবং ২০১৫ খ্রিষ্টাব্দের বিশ্বকাপেও দেখা গেছে। ২০০৭ আর ২০১৫ বিশ্বকাপকে হয়তো এরচেয়ে ভালোও বলবে অনেকে। কারণ ২০০৭ খ্রিষ্টাব্দের বিশ্বকাপে ভারত ও দক্ষিণ আফ্রিকার মতো ক্রিকেট পরাশক্তির বিপক্ষে জিতেছে। আর ২০১৫-এর বিশ্বকাপে মাশরাফির নেতৃত্বেই প্রথমবার কোয়ার্টার ফাইনাল খেলাটা রেকর্ডবুকে বিশেষ জায়গা করে নেয়।

তবে এবার জয়ের দিক থেকে প্রাপ্তি বেশি না হলেও পুরো টুর্নামেন্টে ভালোই খেলেছে টাইগাররা। ইংল্যান্ডের মতো কন্ডিশনে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ২১ রানের জয় দিয়ে শুরু করে মিশন। যে ম্যাচে প্রথমে ব্যাটিংয়ে নেমে ৩৩০ রান করে বাংলাদেশ। নিউজিল্যান্ড ও ভারতের বিপক্ষে জয়ের সম্ভাবনা জাগিয়েও শেষ পর্যন্ত হেরে যায়। ওভালে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ২৪৪ রান করেও জয়ের কাছে চলে যেতে সক্ষম হয়। নিশ্ছিদ্র ফিল্ডিং করতে পারলেই জেতা যেত ম্যাচটি। ফেভারিট ভারতকে ৩১৪ রানে বেঁধে ফেলে ব্যাটিংয়ে তুমুল প্রতিদ্বন্দ্বিতা গড়ে প্রশংসা কুড়ায় টাইগার বাহিনী। যদিও ভারতের কাছে হারের মধ্য দিয়েই সেমিফাইনাল খেলার স্বপ্ন বিসর্জন দিতে হয় টেমস নদীতে। টুর্নামেন্টে কেবল ইংল্যান্ডের বিপক্ষেই সেভাবে লড়াইটা জমাতে পারেনি। পেস বোলাররা সেরা ছন্দ দেখাতে না পারায় মূলত ইংল্যান্ড ৩৮৬ আর অস্ট্রেলিয়া ৩৮১ রানের স্কোর করে। তবে রান পাহাড় দেখেও হাল ছেড়ে দেয়নি টাইগাররা। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সাকিব আল হাসান একা লড়ে সেঞ্চুরি (১২১ রান) হাঁকান। মুশফিকুর রহিমের হার না মানা সেঞ্চুরি (১০২) ও মাহমুদুল্লাহর হাফ সেঞ্চুরিতে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে শেষ দিক পর্যন্ত মাঠে ছিল টাইগাররা। অসিদের বিপক্ষে ৮ উইকেটে করা ৩৩৩ রানই বাংলাদেশের ইনিংস সর্বোচ্চ। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ৭ উইকেটে জয়টা ছিল রোমাঞ্চকর। ক্যারিবীয়দের ৩২১ রানের জবাবে বাংলাদেশ ৩২২ রান করে ৪১.৫ ওভারে ৩ উইকেটে। সাকিব আল হাসান ও লিটন কুমার দাস ১৮৯ রানের হার না মানা জুটি গড়েন। সাকিব ১২৪, লিটন ৯৪ রান তুলে বীরদর্পে মাঠ ছাড়েন। ভারতের বিপক্ষে প্রবল প্রতিরোধ গড়ে তোলা আফগানিস্তানের কোনো হুমকি-ধমকি ধোপে টেকেনি সাকিবের অলরাউন্ড পারফরম্যান্সের সামনে। ভারতের যুবরাজ সিংয়ের পর সাকিব দ্বিতীয় অলরাউন্ডার হিসেবে বিশ্বকাপ ম্যাচে হাফ সেঞ্চুরি (৫১) ও ৫ উইকেট শিকার করেন। আফগানদের বিপক্ষে মুশফিকের ৮৩ রানের ইনিংসটাও ছিল প্রশংসনীয়।

লক্ষণীয় যেটা, বাংলাদেশ এই বিশ্বকাপে বড় দলের মতো খেলল। এর প্রমাণ আট ইনিংসের তিনটিতেই তিনশ' প্লাস রান তুলতে সক্ষম হয় তারা। যে ইনিংসগুলো তিনশ' রান স্পর্শ করেনি, সেখানেও লড়াই ছিল। আড়াইশ'র নিচে খেলা ইনিংস দুটি নিউজিল্যান্ড ও পাকিস্তানের বিপক্ষে। এর মধ্যে ২৪৪ রান নিয়েও নিউজিল্যান্ডের সঙ্গে লড়াই করে। আর আফগানদের বিপক্ষে ২৬২ করেও ম্যাচ জেতে বড় ব্যবধানে। ইংল্যান্ড আর ভারতের বিপক্ষে হারলেও ২৮০ ছোঁয়া স্কোরে প্রতিদ্বন্দ্বিতা ছিল। অস্ট্রেলিয়া, ভারত, ইংল্যান্ড ও নিউজিল্যান্ড ছাড়া বাকি দলগুলোর ব্যাটিংয়ে এত ধারাবাহিকতা দেখা যায়নি। বাংলাদেশের দুর্বলতার জায়গা বলতে বোলিং। একটু বেশিই পিছিয়ে ছিল পেস বোলিং ইউনিট। কোনো ম্যাচেই সেরা ছন্দ দেখাতে পারেননি মাশরাফি বিন মুর্তজা, মুস্তাফিজুর রহমান, রুবেল হোসেন ও মোহাম্মদ সাইফউদ্দিনরা। তবে স্পিন বিভাগ তুলনামূলক ভালো করে। একমাত্র অস্ট্রেলিয়ার ম্যাচ ছাড়া সাকিবের ধারাবাহিকতা ঈর্ষণীয়। আট ম্যাচে বোলিং করে ১১ উইকেট তার। অফস্পিনার মেহেদী হাসান মিরাজের বোলিং ইকোনমি দুর্দান্ত। উইকেট না পেলেও ইকোনমি দিয়েই দলের সেরা তিনি। অলরাউন্ডার মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত দলের প্রয়োজন মিটিয়ে গেছেন বল হাতে। যদিও ব্যাটিংয়ে ব্যক্তিগত পারফরম্যান্স আরও ভালো হতে পারত। ওপেনিং জুটিতে তামিম ইকবাল ও সৌম্য সরকার বড় শুরু এনে দিতে পারেননি কোনো ম্যাচেই। এই বিশ্বকাপে রীতিমতো ব্যর্থ তামিমের ব্যাট। আট ইনিংসে ২৩৫ রান তার। বাঁহাতি এ ওপেনার একটি মাত্র হাফ সেঞ্চুরি ইনিংস খেলেন অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে। সৌম্যর পারফরম্যান্সের গ্রাফ আরও নিচের দিকে। গত বিশ্বকাপের দুই সেঞ্চুরিয়ান মাহমুদুল্লাহ পাঁচ ইনিংস ব্যাট করে হাফ সেঞ্চুরি করেন একটি। আর নামের প্রতি সুবিচার করতে পারেননি মোসাদ্দেক হোসেন, লিটন কুমার দাস বা মোহাম্মদ মিঠুনরা। এর পরও বাংলাদেশ দল হিসেবে যেটুকু ভালো করল, এর নেপথ্য নায়ক সাকিব ও মুশফিক। ব্যাট হাতে এই দু'জনই সেরা ছন্দ দেখান টুর্নামেন্টজুড়ে।

এদিক থেকে বলা যায়, ইংল্যান্ড বিশ্বকাপ যতটা না বাংলাদেশের এর চেয়ে বেশি সাকিবের। আট ম্যাচ খেলে ৬০৬ রান ও ১১ উইকেট বিশ্বসেরা এ অলরাউন্ডারের। বিশ্বকাপের ইতিহাসে পাঁচশ' রান ও ১০ উইকেট শিকার করা প্রথম অলরাউন্ডারও তিনি। আগের তিন বিশ্বকাপে সাকিবের রান ছিল ৫৪০, ইংল্যান্ড বিশ্বকাপে সেখানে ছয়শ'র বেশি রান বাঁহাতি এ ব্যাটসম্যানের। আট ইনিংসের সাতটিতেই পঞ্চাশছোঁয়া ইনিংস খেলেন, যেখানে দুটি সেঞ্চুরি লেখা হয় নামের পাশে। সাকিবের জন্য রেকর্ডের ডালা সাজিয়ে অপেক্ষায় ছিল বিশ্বকাপ দেবতা। টানা চার বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম ম্যাচে হাফ সেঞ্চুরি করার রেকর্ড দিয়ে শুরু তার। এরপর একেকটি রেকর্ডের ধাপ স্পর্শ এবং অতিক্রম করে বিশ্বকাপের সেরা খেলোয়াড় হওয়ার দৌড়ে জোরালো আলোচনায় থাকলেন। গতকাল লর্ডসে পাকিস্তানের বিপক্ষেও পেলেন হাফ সেঞ্চুরি। এই রেকর্ড তাকে বসাল কিংবদন্তি শচীন টেন্ডুলকারের পাশে। এক বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ সাতটি পঞ্চাশছোঁয়া ইনিংস খেলার কৃতিত্ব কেবল এই দুই গ্রেটের। তিনি যে চ্যাম্পিয়ন ক্রিকেটার সেটা বোঝা যায় বাংলাদেশের জয়ের ম্যাচগুলোতে ম্যাচসেরার পুরস্কার জেতায়। মুশফিক এক সেঞ্চুরি ও দুটি হাফ সেঞ্চুরিতে ৩৬৭ রান করেন ৮ ইনিংস খেলে। তিনিও নিজের আগের তিন বিশ্বকাপকে ছাপিয়ে গেছেন ইংল্যান্ডে। চার বিশ্বকাপ খেলে মুশফিকের রান ৮৭৭। যেখানে আগের তিন বিশ্বকাপে ৫১০ রান ছিল তার। টুর্নামেন্টের শুরুতে বোলার মুস্তাফিজ ছন্দ না পেলেও শেষদিকে এসে ভারত ও পাকিস্তানের বিপক্ষে পাঁচ উইকেট করে নিয়ে বিশ্বকে দেখালেন, ফর্মে থাকলে কতটা ভয়ঙ্কর তিনি। ৮ ম্যাচে ২০ উইকেট নিয়ে লীগ রাউন্ডে সেরা বোলারদের একজন বাঁহাতি এ পেসার। অলরাউন্ডার সাইফউদ্দিন পুরো টুর্নামেন্টেই মোটামুটি ছন্দে থেকে বোলিং করে গেছেন। সাত ইনিংসে ১৩ উইকেট তার।

অথচ বিশ্বকাপ শুরুর আগে বাংলাদেশকে নিয়ে বাজি ধরার লোক এই বিশ্বে তেমন একটা খুঁজে পাওয়া যায়নি। উল্টো নিউজিল্যান্ডের সাবেক অধিনায়ক ম্যাককুলাম এক টুইটবার্তায় লেখেন– বিশ্বকাপে বড়জোর একটা ম্যাচ জিতবে বাংলাদেশ। ম্যাককুলামের মতো নিন্দুককে ভুল প্রমাণ করে সাকিবরা প্রশংসায় ভাসছেন। ভারতের কিংবদন্তি ব্যাটসম্যান শচীন টেন্ডুলকার ইন্ডিয়া টুডেকে এক সাক্ষাৎকারে যেমন বলেছেন- 'আমরা বাংলাদেশি ব্র্যান্ডের ক্রিকেট নিয়ে কথা বলি; কিন্তু আমার দেখা সেরা বাংলাদেশ দল এটাই। এই টুর্নামেন্টে দারুণ ক্রিকেট খেলেছে তারা। একটা-দুটো ম্যাচ নয়, ধারাবাহিকভাবে ভালো খেলেছে তারা। প্রশংসা পাওয়ার মতো একটি দল হয়ে উঠেছে তারা।' ভারতের আরেক সাবেক কিংবদন্তি সুনীল গাভাস্কার তার কলামে লিখেছেন- 'এই বিশ্বকাপ ও গত কয়েক বছরে বাংলাদেশের ধারাবাহিক পারফরম্যান্স সব ধারণা বদলে দিয়েছে। এখন পাকিস্তানের সঙ্গে ভারতের দ্বৈরথের চেয়ে বাংলাদেশের সঙ্গে জমে বেশি।' পাকিস্তানের সাবেক ফাস্ট বোলার শোয়েব আখতার তো টুর্নামেন্ট শুরুর আগেই মাশরাফিকে ইংল্যান্ড বিশ্বকাপের সেরা অধিনায়কের তকমা দিয়ে দেন। তবে ব্যক্তিগত পারফরম্যান্সের জন্য সাবেক বিশ্বতারকাদের প্রশংসায় ভাসেন সাকিব। অস্ট্রেলিয়ার সাবেক ব্যাটসম্যান মাইক হাসির দৃষ্টিতে, 'সাকিব আল হাসান এখন বিশ্ব ক্রিকেটের অন্যতম সেরা অলরাউন্ডারদের তালিকায় চলে এসেছেন। এই বিশ্বকাপের সেরা ক্রিকেটার সাকিব আল হাসান।' ভারতের আরেক সাবেক ক্রিকেটার মুরালি কার্তিক বলেছেন, 'তিন ফরম্যাটেই এভাবে টানা এক বা দুইয়ে থাকা কঠিন, ক্যারিয়ার শেষে সেরা অলরাউন্ডারদের তালিকায় তার নাম থাকবে, এটা নিশ্চিত।' ভিভিএস লক্ষ্মণ তার টুইটারে লিখেছেন, 'সাকিব যেভাবে কাজ করেন সেটা আমি ভালোবাসি। এত পাওয়ার পরও বিনয়ী ও ভদ্র একজন ক্রিকেটার তিনি।' সৌরভ গাঙ্গুলীও লক্ষ্মণের সঙ্গে সহমত জানিয়ে রি-টুইট করেছেন। উইন্ডিজ কিংবদন্তি ক্লাইভ লয়েড যেমন বলেছেন- বাংলাদেশ এখন আগের মতো নেই। গেল দুই বছর ধরে চমৎকার ক্রিকেট খেলছে বাংলাদেশ।' ইংলিশ ক্রিকেটার মাইকেল ভনের মতে, 'ব্যাটিং দল হিসেবে বাংলাদেশ দারুণ।' আর অস্ট্রেলিয়ার সাবেক অধিনায়ক স্টিভ ওয়াহর দৃষ্টিতে- বাংলাদেশ এখন আর দুর্বল প্রতিপক্ষ নয়, তারা জিততে শিখে গেছে। সাবেক বিশ্বতারকাদের এত এত প্রশংসাই প্রমাণ করে, ইংল্যান্ড বিশ্বকাপে দারুণ খেলেছে বাংলাদেশ।




পাঠকের মন্তব্য দেখুন
ঢাবির প্রশাসনিক ভবনে আজও তালা - dainik shiksha ঢাবির প্রশাসনিক ভবনে আজও তালা ভিকারুননিসার ১৪ শিক্ষকের নিয়োগ বাতিল হচ্ছে - dainik shiksha ভিকারুননিসার ১৪ শিক্ষকের নিয়োগ বাতিল হচ্ছে সরকারি হলো আরও ২ স্কুল - dainik shiksha সরকারি হলো আরও ২ স্কুল বঙ্গবন্ধুর ওপর ২৬টি বই পড়তে হবে শিক্ষার্থীদের - dainik shiksha বঙ্গবন্ধুর ওপর ২৬টি বই পড়তে হবে শিক্ষার্থীদের নতুন দুটি শিক্ষক পদ সৃষ্টি হচ্ছে সব স্কুলে - dainik shiksha নতুন দুটি শিক্ষক পদ সৃষ্টি হচ্ছে সব স্কুলে একাদশে ভর্তিকৃতদের তালিকা নিশ্চায়ন ২৫ জুলাইয়ের মধ্যে - dainik shiksha একাদশে ভর্তিকৃতদের তালিকা নিশ্চায়ন ২৫ জুলাইয়ের মধ্যে ভর্তি কোচিং নিয়ে যা বললেন শিক্ষামন্ত্রী (ভিডিও) - dainik shiksha ভর্তি কোচিং নিয়ে যা বললেন শিক্ষামন্ত্রী (ভিডিও) ১৬তম শিক্ষক নিবন্ধনের প্রিলিমিনারি পরীক্ষার প্রস্তুতি - dainik shiksha ১৬তম শিক্ষক নিবন্ধনের প্রিলিমিনারি পরীক্ষার প্রস্তুতি বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ম্যানেজিং কমিটির বিকল্প প্রয়োজন - dainik shiksha বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ম্যানেজিং কমিটির বিকল্প প্রয়োজন এমপিওভুক্ত হলেন আরও ৮০ শিক্ষক - dainik shiksha এমপিওভুক্ত হলেন আরও ৮০ শিক্ষক একাদশে ভর্তিকৃতদের অনলাইনে রেজিস্ট্রেশন ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে - dainik shiksha একাদশে ভর্তিকৃতদের অনলাইনে রেজিস্ট্রেশন ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে ডেঙ্গু জ্বরে সিভিল সার্জনের মৃত্যু - dainik shiksha ডেঙ্গু জ্বরে সিভিল সার্জনের মৃত্যু স্কুল-কলেজ খোলা রেখে বন্যার্তদের আশ্রয় দেয়ার নির্দেশ - dainik shiksha স্কুল-কলেজ খোলা রেখে বন্যার্তদের আশ্রয় দেয়ার নির্দেশ শিক্ষার্থী সংখ্যার মারপ্যাঁচে এমপিওভুক্তিতে জটিলতার আশঙ্কা - dainik shiksha শিক্ষার্থী সংখ্যার মারপ্যাঁচে এমপিওভুক্তিতে জটিলতার আশঙ্কা শিক্ষার এক্সক্লুসিভ ভিডিও দেখতে দৈনিক শিক্ষার ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন - dainik shiksha শিক্ষার এক্সক্লুসিভ ভিডিও দেখতে দৈনিক শিক্ষার ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের নামে খোলা সব ফেসবুক পেজই ভুয়া - dainik shiksha জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের নামে খোলা সব ফেসবুক পেজই ভুয়া ইয়াবাসহ গ্রেফতার ম্যানেজিং কমিটির সভাপতিকে দেখতে স্কুল ছুটি - dainik shiksha ইয়াবাসহ গ্রেফতার ম্যানেজিং কমিটির সভাপতিকে দেখতে স্কুল ছুটি please click here to view dainikshiksha website