আমাদের সঙ্গে থাকতে দৈনিকশিক্ষাডটকম ফেসবুক পেজে লাইক দিন।


অবশেষে ধর্ম ও বিজ্ঞান বই পেলো কমলনগরের শিক্ষার্থীরা

বেলাল হোসেন জুয়েল, কমলনগর প্রতিনিধি | জানুয়ারি ৬, ২০১৬ | বই

দৈনিক শিক্ষায় সংবাদ প্রকাশের পর অবশেষে ধর্ম ও বিজ্ঞান বিষয়ের পাঠ্যবই হাতে পেয়েছে লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলার চতুর্থ ও পঞ্চম শ্রেণির ১১ হাজার শিক্ষার্থী। বরাদ্দ পাওয়ার সাথে সাথেই বুধবার (৬ জানুয়ারি) সকাল থেকে সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ তাদের মাঝে বইগুলো বিতরণ করেন। এর আগে বই উৎসবের দিন (১ জানুয়ারি) বরাদ্দ না পাওয়ায় ওই দুই শ্রেণির ইসলাম ও নৈতিক শিক্ষা, হিন্দু ধর্ম ও নৈতিক শিক্ষা এবং প্রাথমিক বিজ্ঞান বিষয়ের বই তাদের হাতে তুলে দেওয়া সম্ভব হয়নি।

বিষয়টি নিশ্চিত করে উপজেলা শিক্ষা অফিসার (চলতি দায়িত্ব) খগেন্দ্র চন্দ্র সরকার জানান, বরাদ্দ না পাওয়ায় বই উৎসবের দিন উপজেলার সবকটি বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির ছয় হাজার ৫০০ এবং পঞ্চম শ্রেণির চার ৫০০ জন শিক্ষার্থীর মাঝে ইসলাম ও নৈতিক শিক্ষা, হিন্দু ধর্ম ও নৈতিক শিক্ষা এবং প্রাথমিক বিজ্ঞান বিষয়ের বই বিতরণ করা যায়নি। তবে, মঙ্গলবার (৫ জানুয়ারি) বিকেলে অধিদপ্তর থেকে বই বরাদ্দ পাওয়ার পর বুধবার ভোরেই তা সকল বিদ্যালয়ে পৌঁছে দেওয়া হয়। পরে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ শিক্ষার্থীদের মাঝে বইগুলো বিতরণ করেন।

বাংলাদেশ প্রাথমিক সহকারি শিক্ষক সমাজের কমলনগর উপজেলা শাখার আহ্বায়ক আবদুস সহিদ সুমন জানান, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ ও পঞ্চম শ্রেণির ১১ হাজার শিক্ষার্থী বই না পাওয়ার খবরটি ১ জানুয়ারি দৈনিক শিক্ষাডটকমে প্রকাশিত হওয়ার পর সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্তা ব্যক্তিরা নড়েছড়ে বসে। খুব দ্রুত এ সঙ্কট সমাধানে উদ্যোগ নিয়ে তারা বুধবার সকালেই উপজেলার বিদ্যালয়গুলোতে বই পৌঁছে দেন।

ওই তিন বিষয়ের বই পেয়ে তিনিও তার বিদ্যালয়ের (দক্ষিণ চরফলকন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়) চতুর্থ ও পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের মাঝে বইগুলো বিতরণ করেছেন বলে জানান।

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি ও পূর্ব চরফলকন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক কামরুল হাসান জানান, বুধবার সকালে বই বরাদ্দ পেয়ে দুপুরের মধ্যেই তিনি ছাত্রছাত্রীদের মাঝে বিতরণ করে দিয়েছেন। ফলে তার বিদ্যালয়ে আর কোনো বইয়ের সঙ্কট নেই।

উল্লেখ্য, শুক্রবার (১ জানুয়ারি) দৈনিক শিক্ষাডটকমে ‘কমলনগরের শিক্ষার্থীরা ধর্ম ও বিজ্ঞান বিষয়ের বই পায়নি’ শিরোনামে একটি সংবাদ প্রকাশ হয়। প্রকাশিত সংবাদটি দেখে সংশ্লিষ্ট দপ্তর দ্রুত সঙ্কট সমাধানের উদ্যোগ নেন।

আপনার মন্তব্য দিন