অবৈধভাবে কর্মচারীর এমপিওভুক্তি, প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু - এমপিও - Dainikshiksha


অবৈধভাবে কর্মচারীর এমপিওভুক্তি, প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু

নিজস্ব প্রতিবেদক |

কক্সবাজার জেলার চকরিয়ায় কিশলয় আদর্শ শিক্ষা নিকেতনে অবৈধভাবে অফিস সহকারী এস এম সেলিমকে নিয়োগ দিয়ে এমপিওভুক্ত করা হয়েছে। এ অভিযোগে প্রতিষ্ঠানটির সাবেক ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক নুরুল কবিরের বিরুদ্ধে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ সূত্র দৈনিক শিক্ষাকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

জানা গেছে, কক্সবাজার জেলার চকরিয়ায় কিশলয় আদর্শ শিক্ষা নিকেতনে অবৈধভাবে অফিস সহকারী এস এম সেলিমকে নিয়োগ দিয়ে এমপিওভুক্ত করা হয়েছে বলে অভিযোগ আসে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে। অভিযোগে বলা হয়, এমপিও নীতিমালা ও জনবল কাঠামো নির্দেশিকা অনুসারে অফিস সহকারী পদে কোনো প্রাপ্যতা না থাকা সত্ত্বেও ২০১১ খ্রিষ্টাব্দের ১৩ জানুয়ারি উচ্চমান সহকারী পদে পত্রিকায় নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। সে প্রেক্ষিতে এস এম সেলিম নামে একজনকে উচ্চমান অফিস সহকারী পদে নিয়োগ দেয়া হয়। কিন্তু, জনবল কাঠামো নির্দেশিকা অনুসারে মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে উচ্চমান সহকারী নামে কোনো পদের অস্তিত্ব নেই।

অভিযোগে আরও বলা হয়, ২০১১ খ্রিষ্টাব্দে প্রতিষ্ঠানটিতে রফিকুল ইসলাম নামে একজন নিম্নমান অফিস সহকারী এমপিওভুক্ত ছিলেন। ২০১৮ খ্রিষ্টাব্দে ১২ এপ্রিল অফিস সহকারী রফিকুল ইসলাম অবসর গ্রহণ করেন। এরপর ম্যানেজিং কমিটির কোনো সিদ্ধান্ত ছাড়াই ভুয়া তথ্য প্রদান করে সাবেক ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক নুরুল কবির অফিস সহকারী এস এম সেলিমকে এমপিওভুক্ত করাতে অনলাইনে আবেদন অগ্রায়ন করেন। ২০১৮ খ্রিষ্টাব্দের নভেম্বরে তাকে এমপিও করা হয়। 

অভিযোগটি আমলে নিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ থেকে শিক্ষা অধিদপ্তরকে অভিযোগটি তদন্তের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। অভিযোগটি তদন্ত করে ১৫ কর্মদিবসের মধ্যে মন্ত্রণালয়ে প্রতিবেদন পাঠাতে বলা হয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরকে। 

এ বিষয়ে প্রতিষ্ঠানটির সাবেক ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক নুরুল কবিরের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি বিষয়টি অস্বীকার করে বলেন, `এস এম সেলিমের নিয়োগ আমার সময় হয়নি। আমার আগের প্রধান শিক্ষক তাজুল ইসলাম তাকে নিয়োগ দিয়েছেন'। কিন্তু তার সময়ে এস এম সেলিমের এমপিও আবেদন অগ্রায়ন করা হয়েছে জানালে নুরুল ইসলাম বলেন, `প্রাপ্যতার বিষয়টি জানা না থাকায় আবেদন অগ্রায়ন করেছি। উপজেলা শিক্ষা অফিস, জেলা শিক্ষা অফিস, অঞ্চলিক উপপরিচালকের অফিস হয়ে এমপিও আবেদন গিয়েছে। তাদের আবেদন যাচাই করার কথা। তাহলে কিভাবে তিনি এমপিওভু্ক্ত হলেন'। 




পাঠকের মন্তব্য দেখুন
Admission going on at Navy Anchorage School and College Chattogram - dainik shiksha Admission going on at Navy Anchorage School and College Chattogram একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির আবেদন করবেন যেভাবে - dainik shiksha একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির আবেদন করবেন যেভাবে please click here to view dainikshiksha website