আমাদের সঙ্গে থাকতে দৈনিকশিক্ষাডটকম ফেসবুক পেজে লাইক দিন।


কওমি সনদ স্বীকৃতির আইন শিগগিরই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক | নভেম্বর ১২, ২০১৭ | কওমি মাদ্রাসা

বর্তমান সরকার ইসলাম ও কোরআন-হাদিসবিরোধী কোনও কাজ করেনি বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল। তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী কওমি মাদ্রাসার সনদকে এমএ পর্যন্ত স্বীকৃতি দিতে শিগগিরই সংসদে আইন পাস করা হবে।’ শনিবার দুপুরে রাজধানীর ইস্কাটনে ‘জামিয়া ইসলামিয়া দারুল উলুম দিলু রোড মাদ্রাসা’র ১০তলা ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘বর্তমানে দেশে আলেমরা সঠিক ইসলামের প্রচারের কারণে সমাজ থেকে সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ অনেকাংশে কমে এসেছে। প্রচারের এ ধারা আলেম সমাজকে অব্যাহত রাখতে হবে। আলেমরা দেশের সব সমস্যায়ই আমাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন। আশা করি ভবিষ্যতেও থাকবেন। তাই প্রধানমন্ত্রী নিজেই আলেমদের সমস্যা সমাধানের দায়িত্ব নিজে নিয়েছেন।’ তিনি আরও বলেন, ‘বিনা কারণে বা অপপ্রচারের মাধ্যমে বাড়িঘরে হামলা তো দূরের কথা, কোনও মুসলিম কারণ ছাড়া কোনও লোকের গাছের পাতা পর্যন্ত ছিঁড়েন না। তাই বার বার রংপুর, ফরিদপুর, রামুসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় কেন অন্য ধর্মের মানুষের ওপর হামলা হচ্ছে তা আলেমদেরই খতিয়ে দেখতে হবে। যারা আইন হাতে তুলে নিয়ে বিনা কারণে অন্যের বাড়িতে হামলা ও লুটতরাজ করে তারা ইসলামের শত্রু। তাই ইসলামের স্বার্থেই এই শত্রুদের খুঁজে বের করতে হবে আলেম সমাজকেই। এসব ইসলামবিরোধী নানা অপপ্রচারের মাধ্যমে ইসলামি বিশ্বকেই বিভ্রান্ত করে দিচ্ছে।’

রংপুরে ফেসবুকে মিথ্যা প্রচারণার মাধ্যমে বসতবাড়িতে অগ্নিসংযোগ ও হামলাকারীদের অতি দ্রুত খুঁজে বের করে আইনের আওতায় আনা হবে বলেও জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘রংপুরের হামলায় জড়িতদের অবশ্যই কঠোর শাস্তি দিতে হবে।’

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন মাদ্রাসার মুহতামিম মুফতি সালাহ উদ্দীন, রমনা থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও মাদ্রাসা কমিটির সভাপতি মুখলেছুর রহমান, বাংলাদেশ কওমি মাদ্রাসা বোর্ডের সহ-সভাপতি মো. আশরাফ আলী প্রমুখ।

মন্তব্যঃ ৫টি
  1. এমএফই says:

    সমাজে কওমি সনদ স্বীকৃতির বাস্তবতা কতটুকু। যাদের ঈমান-আক্বীদা পুরোপুরি এলোমেলো। যাদের পিছনে একজন সাধারণ মুসলমানও নামাজে আদায় করতে চায় না। যারা ঠিকমত বাংলা-ইংরেজিও জানে না। এক সময় তারা ও তাদের মুরব্বিরা বলত এমনকি এখনও বলে যাচ্ছেন যে বাংলা-ইংরেজি নাকি বিদয়াত, এইগুলি নাকি ইহুদি ধারার শিক্ষা। তাদের দ্বারা সমাজ কি উপকার পাবে?

  2. এমএফই says:

    সরকারের এই উদ্দ্যোগ মহৎ কিন্তু আসলে কি এই মহতী চিন্তাধারা কোনদিন সুফলের মুখ দেখবে? কথায় আছে- কুকুরের লেজ বাঁশের চুঙ্গীতে যতক্ষণ ভরে রাখা যাবে ততক্ষণ। বের করে ফেললে পুনরায় আগের অবস্থানে। সুতরাং ভোটের আশায় করলে এই সিদ্ধান্ত নিছক হবে নিঃসন্দেহে। তাই ভালভাবে বুঝে এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা উচিৎ।

  3. Nayan says:

    সরকারের এই উদ্দ্যোগ মহৎ কিন্তু আসলে কি এই মহতী চিন্তাধারা কোনদিন সুফলের মুখ দেখবে? কথায় আছে- কুকুরের লেজ বাঁশের চুঙ্গীতে যতক্ষণ ভরে রাখা যাবে ততক্ষণ। বের করে ফেললে পুনরায় আগের অবস্থানে। সুতরাং ভোটের আশায় করলে এই সিদ্ধান্ত নিছক হবে নিঃসন্দেহে। তাই ভালভাবে বুঝে এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা উচিৎ।

  4. Md.Akram Ali Assistant Teacher English Moupara High School Mohanpur Rajshahi. says:

    What a wrong decision it is! They don’t read and write proper syllabus rather they will get recognization of their certificate. What a country it is!

  5. মোঃ আবু ইউসুফ সহকারি শিক্ষক ইসলামী আদর্শ দাখিল মাদ্রাসা কালিয়া নড়াইল । says:

    সংবাদ ভাল কিন্তু বাস্তবে কি সম্ভাব ?

আপনার মন্তব্য দিন