আমাদের সঙ্গে থাকতে দৈনিকশিক্ষাডটকম ফেসবুক পেজে লাইক দিন।


কোচিং বাণিজ্য ও প্রশ্ন ফাঁসে জড়িত শিক্ষকদের তালিকা হচ্ছে

বিভাষ বাড়ৈ  | আগস্ট ১২, ২০১৭ | বিবিধ

অবৈধ কোচিং বাণিজ্য, প্রশ্নপত্র ফাঁসসহ বিভিন্ন অনিয়মের সঙ্গে জড়িত শিক্ষকদের তালিকা তৈরি করছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতর (মাউশি)। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে সারাদেশের এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের যেসব শিক্ষক এসব অনৈতিক কাজে জড়িত তাদের প্রতিষ্ঠানের নামসহ তালিকা পাঠাতে শিক্ষা অফিসার, প্রধান শিক্ষক, অধ্যক্ষদের কাছে নির্দেশ পাঠানো হয়েছে। অধিদফতরের নয়টি আঞ্চলিক শিক্ষা অফিসে দেয়া হচ্ছে বিশেষ চিঠি। কোন শিক্ষক কোথায় কোচিং করান, কতজন শিক্ষার্থী পড়ান, কে কোচিং সেন্টার খুলে ব্যবসা করছেন, শিক্ষার্থীদের জিম্মি করে কোন শিক্ষক কোচিংয়ে আসতে বাধ্য করছেন-এসব প্রশ্নের লিখিত উত্তর নিচ্ছে সরকার।

কোচিং বাণিজ্যে জড়িত শিক্ষকদের খোঁজে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) অভিযানের খবরের মধ্যেই সারাদেশের কোচিংবাজ শিক্ষকদের তালিকা করার বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে অধিদফতর। শিক্ষার্থীদের জিম্মি করে শিক্ষকরা কোন কোন এলাকায় কোচিং করাচ্ছেন বা কোচিং-এ গিয়ে পড়াচ্ছেন তার বিস্তারিত তথ্য নির্ধারিত একটি ছকে জানাতেও বলা হয়েছে। অধিদফতরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ড. এস এম ওয়াহিদুজ্জামান শুক্রবার তাদের পদক্ষেপের বিস্তারিত তুলে ধরে বলেছেন, আমরা কোচিংবাজ শিক্ষকের তালিকা করা শুরু করেছি। বৈধভাবে হোক আর অবৈধভাবেই হোক প্রথমত আমরা কোচিং করছেন এমন সকল শিক্ষকের তালিকা করতে চাই। ইতোমধ্যেই আমরা অনেক শিক্ষকের তালিকা পেয়েও গেছি। আমরা প্রতিষ্ঠান প্রধানদের কোচিংয়ে জড়িত সকল শিক্ষকের তালিকাসহ তথ্য দিতে বলেছি। এছাড়া জেলা ও উপজেলা শিক্ষা অফিসারদের কাছেও একই আদেশ যাচ্ছে। মাঠ পর্যায়ের সকল কর্মকর্তার মাধ্যমে তালিকা আনা হচ্ছে যাতে পরে ভালভাবে যাচাই বাছাই করা যায়। সকল তালিকা মিলিয়ে দেখা হবে বলে জানান মাউশির মহাপরিচালক।

জানা গেছে, মাউশির সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের ডেকে সারা দেশের কোচিং সেন্টারের নাম, অবস্থান, মালিক, পরিচালক ও এর সঙ্গে জড়িত শিক্ষকদের নাম ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নামসহকারে তালিকা করতে নির্দেশ দিয়েছেন মহাপরিচালক। অধিদফতরের দেশের নয়টি আঞ্চলিক শিক্ষা অফিসের পরিচালকদের কাছেও এ বিষয়ে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। আদেশের পর দু’একটি অঞ্চলের কর্মকর্তা মাউশির কাছে কোচিং সেন্টারের নাম পাঠিয়েছেন। নির্দেশের পর কাজ সমন্বয়ের জন্য মাউশির সংশ্লিষ্ট বিভাগের সহকারী পরিচালক পদমর্যাদার একজন কর্মকর্তাকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। কোচিং সেন্টারের নাম, অবস্থান, ওইসব কোচিং এ কোন কোন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষকরা কোচিং করান, তাদের নাম ও স্কুল-কলেজ ও মাদ্রাসার নামের একটি ফরমেট তৈরি করা হয়েছে। চিঠি আকারে ওই ফরমেটটি অঞ্চলে পাঠানো হচ্ছে। জানতে চাইলে এ বিষয়ে অধিদফতরের পরিচালক (মাধ্যমিক) অধ্যাপক এলিয়াছ হোসেন বলেন, কোচিংবাজ শিক্ষকের তালিকা করতে ইতোমধ্যে আমরা মৌখিক নির্দেশনা দিয়েছি। দু’একটি অঞ্চল মাত্র কয়েকটি কোচিং সেন্টারের নাম পাঠিয়েছে। একটি ফরমেট তৈরি করা হয়েছে। সেখানে কোচিংবাজ শিক্ষকদের তালিকা করা হবে।

মাউশির হঠাৎ কঠোর অবস্থানের বিষয়ে কর্মকর্তারা বলছেন, সম্প্রতি শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ তার এক নোটে সারাদেশের কোচিংবাজ শিক্ষক ও কোচিং সেন্টারের নামের তালিকা করতে মাউশির মহাপরিচালকে নির্দেশ দেন। মহাপরিচালকের কাছে পাঠানো ওই নোটে শিক্ষামন্ত্রী লিখেছেন, শিক্ষকরা আমাদের মূল শক্তি, নিয়ামক শক্তি। তাদের ভূমিকা ছাড়া কোন লক্ষ্য অর্জন করা সম্ভব নয়। কিন্তু দুঃখের বিষয় হচ্ছে কিছু অসৎ লোক মহান এই পেশায় ঢুকে পড়েছেন। এসব শিক্ষক তাদের নিজেদের শিক্ষক হিসেবে পরিচয় দেয়ার যোগ্যতা হারিয়ে ফেলেছেন। দুর্নীতি, প্রশ্ন ফাঁস, টাকার বিনিময়ে পরীক্ষার হলে শিক্ষার্থীদের প্রশ্নের উত্তর বলে দেয়া, ক্লাসে না পড়িয়ে প্রাইভেট কোচিংয়ে বাধ্য করা, প্রাইভেট না পড়লে শিক্ষার্থীদের ক্ষতি করার হীন অসৎ পথে চলেছেন।

মন্ত্রী আরও বলেন, গুটিকয়েক শিক্ষকের কারণে আমাদের শ্রদ্ধেয় শিক্ষকদের সম্মানহানি হচ্ছে। শিক্ষকদের মর্যাদা চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে। শিক্ষকদের মর্যাদা রক্ষার জন্য এসব দুর্নীতিবাজ শিক্ষকদের তালিকা করে ব্যবস্থা গ্রহণ করা খুবই জরুরী। এ ধরনের শিক্ষকদের সবার তালিকা করতে হবে। মন্ত্রী তার নোটে দেশের সংশ্লিষ্ট অঞ্চলে স্থায়ী কোচিং সেন্টারের ঠিকানা, মালিক-পরিচালক ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষকের নাম ও তথ্য সংগ্রহ করে মন্ত্রণালয়ে জমা দেয়ার নির্দেশ দেন।

মন্ত্রীর নির্দেশের পরই কোচিংবাজ শিক্ষক ও কোচিং সেন্টারের তালিকা তৈরি করতে শুরু করেছে মাউশি। এই মুহূর্তে মহাপরিচালক নিজেই এ বিষয়ে সার্বক্ষণিক তদারকি করছেন বলে মাউশির কর্মকর্তারা জানিয়েছেন। মহাপরিচালক প্রফেসর ড. ওয়াহিদুজ্জামান বলেন, যেসব শিক্ষক কোচিং ব্যবসায় জড়িয়ে পড়ছেন, তাদের তালিকা করতে মাঠ পর্যায়ে নির্দেশনা পাঠানো হচ্ছে। যারা এ তালিকায় পড়বেন, কাউকে এবার ছাড় দেয়া হবে না। তালিকা করে শিক্ষামন্ত্রীর কাছে পাঠানো হবে। মন্ত্রণালয় এ বিষয়ে ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। তবে কি ধরনের ব্যবস্থা নেয়া হবে জানতে চাইলে এ বিষয়ে তিনি বলেন, নীতিমালা অনুযায়ী তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে। এক প্রশ্নের জবাবে মহাপরিচালক বলেন, প্রথমত তালিকা চাই। কারণ আমাদের হিসেবটা জরুরী। কারণ আজ যদি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কাছে কোচিং করানো শিক্ষকের তালিকা চান তাহলে আমরা দিতে পারবো না। তাই প্রথমেই একটা তালিকা হচ্ছে। যে যেভাবেই কোচিং করাক না কেন তালিকায় নাম আসবে। নীতিমালা মেনে করলেও নাম আসবে। নাম আসার পর দেখা হবে কে কিভাবে কোচিং করান। দুদক অভিযান চালাচ্ছে বলে বলা হচ্ছে। এ বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে মহাপরিচালক বলেন শুনেছি। কিন্তু প্রথমেই তালিকা দরকার। দুদকের পক্ষ থেকেও আমাদের কাছে বিভিন্ন সময় তালিকা চাওয়া হয়। তবে আমাদের তালিকা তৈরির সঙ্গে দুদুকের পদক্ষেপের কোন সম্পর্ক নেই। দুটি আলাদা পদক্ষেপ।

মন্তব্যঃ ৬৭টি
  1. মোঃ হবিবর রহমান, প্রভাষক .বীরগঞ্জ ডিগ্রী কলেজ. দিনাজপুর says:

    এমপিওভুক্ত কোচিংবাজ শিক্ষকদের পাশাপাশি সরকারী কলেজের বিসিএস ক্যাডারভূক্ত কোচিংবাজ শিক্ষকদের তালিকাও তৈরী করতে হবে।

    • মো: কামাল উদ্দিন , সহকারি শিক্ষক, কুটামনি উচ্চ বিদ্যালয়,নারিকেলী, জামালপুর । says:

      সরকারের এমন উদ্যোগের সাথে আমিও একমত কিন্তুু তার আগে ভাবা দরকার কেন তারা এ বাণিজ্য করছে। এটা বন্ধ করতে শুধুমাত্র এসব শিক্ষকদের ধরাশয়ী করাই কী একমাত্র পথ , না কি অন্য কোন পথ আছে ? যখন তারা ঠিকমত সংসার চালাতে হিমসিম খায়, একজন সন্তান ভলো প্রতিষ্ঠানে পড়াতে পারে না তখন কি শুধুই স্বল্প বেতনের উপর নির্ভর করতে পারে ? না অন্য কিছু করতে হবে ? আর যখন করতে হয় তখন একজন শিক্ষক হিসেবে শিক্ষার পেশাটিই বেছে নেয়। তা হলে তেমন দোষের কি। কোচিং বাণিজ্য বন্ধ হোক আমিও চাই তবে আমার মতে শিক্ষকদের বেতন এবং মর্যাদার দিকটা বিবেচনা করা দরকার। মনে পড়ে গেল “বন্কিম চন্দ্রের লেখা কমলাকান্তের দাস” উপন্যাসের কাহিনী। যাতে লিপিবদ্ধ করা হয়েছে “বিড়াল কেন দুধ খায়” ? “চুর কেন চুরি করে ?” লেখক বুঝাতে চেয়েছেন , বিড়াল কিংবা চুরের কোন দোষ নেই ।কারণ উভয়ই পেটের দায়ে করেছে। আশাকরি বুঝতে আর বাকি নাই।

  2. md.rashid says:

    যাদের দায়িত্ব দিয়েছেন তারাতো ভাগ খায়,তালিকা দিবে না ১০০% ।

  3. মোঃ সাইফুল ইসলাম says:

    ননএমপিও শিক্ষকদের এমপিওর ব্যবস্হা করতে শিক্ষা মন্ত্রীর অসুবিধা কোথায় ? তাহলে তো প্রাইভেট কোচিং বন্ধে সরকারের প্রশ্নের সম্মুখীন হতে হতোনা।

  4. এমদাদুল হক এখলাছ says:

    seqaep act দের parmanent করলে coaching এমনিতে ই বন্ধ হয়ে যাবে।

  5. মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান চৌঃ, অধ্যক্ষ, দেওগাঁও বকুলতলা কলেজ, বোচাগঞ্জ, দিনাজপুর। says:

    আর কথা নয়, কাজ করে দেখালে ভাল লাগবে। কোচিং বাণিজ্যে কর্তৃপক্ষ যেন অসহায়। কোন বলিষ্ঠ ভূমিকা দৃষ্টিগোচর হয় না। শিক্ষকরা নিজেদের পেশার প্রতি উদাসীন থেকে কোচিং বাণিজ্যে এত বেশি সক্রীয় থাকে, যা দেখলে কষ্ট লাগে।

    • Mofiz says:

      এত ভালো সাজার কি দরকার। আপনি আপনার বিষয়টা ক্লাসে ভালো ভাবে বুঝিয়ে দিলেই তো আপনার ছাত্র/ছাত্রীরা ঐ বিষয়ে কোচিং এ যাবে না। ডাক্তাররা তো ডাক্তারদের বিরুদ্ধে বলে না। কাক ও তো কাকের মাংস খায় না। আর আমরা শিক্ষক হয়ে কি করছি, একবার নিজেকে প্রশ্ন করবেন।

  6. নূরে আলম সিদিকী says:

    সকল হেডদের জবাব দিহিতায় আনলে সব বের হবে।

    • Mofiz says:

      চিকিৎসা মন্ত্রণালয়কে জবাব দিহিতায় আনলে সকল ডাক্তারদের সমস্যা বের হবে, এটাও সাথে কেন বলছেন না, এটা বলার সাহস কি আপনাদের নেই?

  7. মোঃ হাফিজুল ইসলাম। সহঃশিঃ (আইসিটি)তেলীপাড়া উচ্চ বিদ্যালয়, নড়িয়া, শরীয়তপুর। says:

    যাদের দিয়ে ভুত ছাড়াবেন তাদেরকেই ভুতে ধরে আছে।

  8. এস,এম আকাশ says:

    প্রতিষ্টান প্রধান কি তথ্য দিবে? কারণ এখন তো স্কুল, কলেজের মধ্যেই কোচিং ও প্রাইভেট পড়ানো হয়?

  9. মোঃ হাফিজুল ইসলাম।সহকারি শি(আইসিটি) তেলীপাড়া উচ্চ বিদ্যালয়, নড়িয়া, শরীয়তপুর।01713829992 says:

    কাকে কি বলব ভাল মানুষ খুঁজে পাওয়া কঠিন।

  10. শ‌ফিউল আলম says:

    খুব ভালো উ‌দ্যোগ । ত‌বে সৃষ্টপ‌দের শিক্ষক‌দের অবশ্যই এম‌পিও দেওয়া উ‌চিত ।

  11. শ‌ফিউল আলম says:

    খুব ভালো উ‌দ্যোগ । ত‌বে সৃষ্টপ‌দের শিক্ষক‌দের অবশ্যই এম‌পিও দেওয়া উ‌চিত ।।

  12. Debendro sarker says:

    বিল বেতন পেও,কোচিং বানিজ্য চালিয়ে যায়,অনেক বেকার যুবকের চাকুরি নাই,কোচিং নাই ঘরে বসে আছে,সরকারএকটু নজর দেয়না? শুনি কোচিং বন্ধ হবে।

  13. মুহাম্মদ শাহ আলম says:

    কোচিং সেন্টারগুলোকে অবশ্যই একটা নীতিমালার মধ্যে আনা উচিত।

  14. Md. Zakaria Masum says:

    বন্ধ ক‌রেন এরপর বে‌শি বে‌শি কথা ব‌লেন, ধুমপান বন্ধ কর‌তে ব‌লেন কিন্তু তামাক চা‌ষের জন্য সরকার উচ্চ হা‌রে ঋণ দি‌চ্ছেন।

  15. Md.Monir Hossain Kaciyara Girls High School. Motlob(South). chandpur. says:

    Good.

  16. তারিক সালাউদ্দিন মামুন says:

    সরকার কর্তৃক “সকল ধরণের কোচিং, প্রাইভেট, এবং কোচিং বাণিজ্য বন্ধের একটি প্রজ্ঞাপন জারি হলেই সকলে তা মেনে চলবে বলে আশা রাখি।

  17. ASIM KANTI TALUKDER says:

    বি সি এস শিক্ষা ক্যাডাররা কি ধুয়া তুলসী পাতা ?

  18. কামাল সাদি says:

    এই প্রচেষ্টা সফল হবে বলে মনে হয় না কারন জেলা উপজেলা পর্যায়ে প্রতিষ্ঠান প্রধান কোন তথ্য দিবে না, এমনকি অনেক জায়গায় প্রতিষ্ঠান প্রধান কোচিংবাজ শিক্ষকদের নিকট থেকে টাকা পয়সার ভাগ বাটোয়ারা নিয়ে থাকেন।

  19. সুভাষ, দক্ষিণ বল্লভপুর উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ, ছাগলনাইয়া,ফেনী says:

    কোচিং বানিজ্য গ্রামের তুলনায় শহরে হাজার গুনে বেশি চলে

  20. মনির says:

    কোচিং টো ভালো, কিন্তু স্কুলের ভিতরে যারা প্রইভেট পড়ায় তাদের বিরুদ্বেই তো ব্যবস্থা নেওয়া হয়না। কিন্তু কেন?

  21. Ehasnul says:

    কোচিংবাজি শিক্ষক ধরার আগে ৩০০০-৪০০০ টাকার বেতন দিয়ে যারা বেকার যুবককে দিয়ে, দিনমজুরের মত খাটাচ্ছে সেসব প্রধাণ শিক্ষকদের তালিকা করেন। যেদেশে গর্মেন্টস শ্রমিকের বেতন নিম্নে ৬০০০ – ৭০০০ হাজার টাকা আর অনারেবল শিক্ষকের বেতন ৩০০০-৪০০০ টাকা। এসব দেখেন না!

  22. শাহিনুর says:

    স্কুল কলেজ বন্ধ করে দেন, সরকারিভাবে কোচিং সেন্টার দেন। স্কুল কলেজে পড়শোনার মান ভালো না।

  23. মইনুল ইসলাম says:

    আগে নন এম পি ও শিক্ষকদের এম পি ও দেওয়ার ব্যবস্থা করুন। তাহলে এমনিতেই বন্ধ হবে

  24. মো: জাহিদুল ইসলাম, চুয়ডাঞ্জা says:

    নন এমপিও শিক্ষক দের আগে এমপিও করা উচিত।

  25. মোঃরফিকুল ইসলাম,সহকারী শিক্ষক,আল-মাদানী দাখিল মাদ্রাসা,আশাশুনি, সাতক্ষীরা। says:

    খুব ভাল একটা পদক্ষেপ।

  26. মো: জাহিদুল ইসলাম, চুয়ডাঞ্জা says:

    ননএমপিও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কি পাপ করেছে যে তাদের এমপিও করা হয়না?

  27. মো: জাহিদুল ইসলাম, চুয়াডাঞ্জা says:

    ননএমপিও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কি পাপ করেছে যে তাদের এমপিও করা হয়না?

  28. নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক says:

    নেত্রকোনায় কোন শিক্ষক প্রাইভেট পড়ানো বন্ধ করেছেন এমন কোন তথ্য আমার জানা নাই।স্কুল কলেজের শিক্ষকরা আগের মতই যথারীতি নিয়ম অমান্য করে প্রাইভেট ও কোচিং ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছেন।বেশির ভাগ প্রতিষ্ঠান প্রধান কেউ প্রাইভেট কোচিং করাননা এমন গদবাধা তথ্য দিয়ে যাচ্ছেন।

  29. Ali highder b.s.d mohila alim madrasah says:

    অভিভাবক সচেতন করুন তহলেই কোচিং বন্ধ হয়ে ডাবে।

  30. হুমায়ুন কবির says:

    ‘ব্যবসায়ী শিক্ষক’ পাকড়াও অবশ্যই ভালো উদ্যোগ। কিন্তু একই সাথে বিদ্যালয়ে বসে যেসব শিক্ষা ব্যবসায়ী পঞ্চম ও অষ্টম শ্রেণির তথাকথিত “ডিটেনশন ক্লাশ” এর নামে শিক্ষার্থীদের শিক্ষা জীবন ও অভিভাবকদের জিম্মী করে জোরপূর্বক নানা অপকৌশল খাটিয়ে-ধোঁকাবাজী করে আঙুল ফুলে কলা গাছ হচ্ছে তাদের বিরুদ্ধেওতো কঠোর ব্যবস্থা নেয়া জরুরি। নাকি ক্ষমতাবানরা এর সাথে জড়িত বলে দেখেও না দেখার ভান করা হচ্ছে? আর “যত দোষ নন্দ ঘোষ”- শুধু শিক্ষকদের পাকড়াও করতেই যতো ব্যবস্থা!

  31. Farhad Hossain,Lecturer (MIDC),Parbatipur,Dinajpur: says:

    Before coming national election such type of activity will fling government in danger to get support rather ensure some rules as fruitful in education.The teachers involved in publishing question of public exam must be under punishment but all the teachers engaged in private practice should not be seen in the same angle as they are compelled for financial crisis . Only nationalisation of all non-govt. academic institutions can be the solution otherwise it’s not possible as the non-govt. teachers aren’t in good condition comparing with day labours doing adjust to the present market condition. If the govt. provide the teachers all facilities like the judge, there will be no inhuman activity.

  32. তপন কুমার রায় says:

    এহসানুলকে বলছি আপনি যেসব প্রধান শিক্ষকদের কথা বলছেন , তারা যদি আপনাকে ওই কাজটুকু না দিত তবে হয় চুরি করতেন না হয় ডাকাতি করতেন । তাই কোন কিছু মন্তব্য করার আগে ভেবে নেয়া ভাল। ৪০০০ টাকাতো দুরের কথা ৪ টাকাও কেউ কাউকে দেয় না। সেখানে থেকেই ভাল কিছু খুজেন , দেখবেন সব ঠিক হয়ে গেছে ।

  33. মানিক চান কর,সহকারী অধ্যাপক,কটিয়াদি কলেজ,কটিয়াদি, কিশোরগঞ্জ। says:

    মান্ধাত্মার আমলের প্রাইভেট কোচিং নিমিশেই শেষ হয়ে যাবে,তা আমি বিশ্বাস করিনা।যত আইনই করা হোক না কেন প্রাইভেট,কোচিং বন্ধ করা যাবেনা। বাৎসরিক যে সকল ছুটি যেমন: ঈদুল ফিতর,ইদুল আযহা,পূজা। psc,jsc,jdc,ssc,hsc and degree পরীক্ষার কেন্দ্র এসব কারনে ৩/৪ মাস স্কুল কলেজ বন্ধ থাকে। এই অল্প সময়ে সিলেবাস শেষ করাও অসম্ভব। তাই আমার বিশ্বাস করতে কষ্ট হয় যে কোচিং প্রাইভেট এত সহজেই বন্ধ হয়ে যাবে। তবে যা মঙ্গল তাই যেন হয়, সরকার তাই যেন করে।

  34. মোঃরফিকুল ইসলাম,সহকারী শিক্ষক,আল-মাদানী দাখিল মাদ্রাসা,আশাশুনি, সাতক্ষীরা। says:

    বন্ধ করুন।

  35. সমর কান্তি দাস says:

    সবচেয়র বেশী কোচিং বাণিজ্যে জড়িত সরকারী স্কুলের শিক্ষকরা একেকজন শিক্ষক এক জায়গায় জনম জনম থেকে যাচ্ছে আর বাণিজ্যের সাথে মিছে যাচ্ছে.যদিও বদলী হয় দেখা যায় এক সপ্তাহের মধ্যে আবার আগের জায়গায়

  36. মোঃ হায়দার আলী says:

    শিক্ষক দোষি হলে, ডাক্তারাও দোষী।

  37. মোঃ হায়দার আলী says:

    শিক্ষা মন্ত্রী মহোদয়, শি্ক্ষক দোষি হলে, ডাক্তারাও দোষী।

  38. Ibrahim khalil asst teacher in english .Uttarda High School Laksam says:

    সরকারী কলেজের বিসিএস ক্যাডারভূক্ত কোচিংবাজদের পাশাপাশি এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের ও তালিকা করতে হবে। রাজধানীর বিভিন্ন অলিতে গলিতে কোচিং সেন্টার বৃষ্টির মত ছড়িয়ে আছে যেগুলোর সাথে এম্ পি ,মন্ত্রী ও অন্যান্য সরকারি কর্মীরা জড়িত। শুধুমাত্র কথা বললে হবেনা কাজ করে দেখান।

  39. সুশীল চন্দ্র মিস্ত্রী,সভাপতি,বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতি,কাঠালিয়া,ঝালকাঠি। says:

    কোচিং বানিজ্য বন্ধ করলেই সব সমস্যার সমাধান হবে? না,হবে না। সরকারি-বেসরকারি বৈশম্য যে ভাবে দিন দিন বারছে, তাতে সমস্যা আর বেশী হবে এবং শিক্ষার মান নিম্নমূখী হবে। জনবল কাঠামো বাস্তবমূখী, অবকাঠামো উন্নয়ণ,সরকারি -বেসরকারি বৈশম্য দূর করতে হবে। পরিপ্ত্র দিয়ে বা আইন করে বা জোর করে শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়ণ করা সম্ভব নয়।

  40. মোঃআবদুর রাজ্জাক says:

    শুধু এম,পি ও ভুক্তদের কেন,সরকারীদের ও তালিকা করতে হবে।তারা পারলে এম,পি ও ভুক্তরা পারবে না কেন।

  41. রুপন শ্রী বড়ুয়া says:

    যাদের দায়িত্ব দেয়া হল তাদের ছেলেমেয়ে কোথাও কোচিং বা প্রাইভেট পড়ে কি না তাদের তালিকা কে করবে?

  42. মোঃ আশরাফুল ইসলাম says:

    কোচিং বাণিজ্য করলেই যদি এমপিও ভুক্ত শিক্ষকদের তালিকা হয়, শিক্ষক দোষী হয়। তাহলে ডাক্তারাও দোষী। ডাক্তারদেরও তালিকা করতে হবে। সকালে আর বিকালে একজন ডাক্তার কত জন রোগী দেখেন আর কত টাকা ফি নেন??

  43. মোঃ জিয়াউল হক says:

    শুধু শিক্ষকরা কেন সরকারি ডাক্তারা যে চেম্বার খুলে বসে আছে তাদের কি হবে?

  44. লুৎফর রহমান says:

    শিক্ষা জাতির মেরুদন্ড, গুরুজনেরা বলেন। তাহলে সেই শিক্ষায় একজন শিক্ষক অবসর সময়ে কেন জ্ঞান চর্চা করতে পারবেন না। একজন ডাক্তার যদি অবসর সময়ে রোগী দেখতে পারেন, তাহলে শিক্ষকরাও জ্ঞান চর্চা করতে পারবেন। (কতৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষন করছি) ।

  45. mubarak says:

    Narsingdi sarkari school er sakul teacher coaching karan and prostuti coaching per month 8 lakh taka hatia nan babastha nin

  46. rubel mia says:

    অাপনারা যারা কোচিং প্রাইভেট বন্ধ করতে চাচ্ছেন প্রথমেই অাপনার সন্তানকে প্রাইভেট পরানো বাদ দিন। অার টাকা খেয়ে নিয়োগ বন্ধ করুন।

  47. Dr. Md. Fazlul Haque Rokon says:

    Coaching jodhi karap kisu hoy, ta hole sara desh theke sob dhoroner coaching center er sgin board khule din- vorthi coaching , model test jathio nana dhoroner coaching bondho kore din.
    Sarkar jeno sob dosh chapie dite chychen MPO vuktho sikkhok der upor. kintu basthobotha hosse MPO vuktho sikkhokray ajo deshe siikhar alo jalie rakhar chesta korche.

  48. মোঃ এরশাদুল হক, প্রভাষক (জীববিজ্ঞান ও আইসিটি), আদর্শ এতিমখানা দ্বি-মুখী সিনিয়র মাদ্রাসা। says:

    নিঃসন্দেহে ইহা ভাল উদ্যোগ। তবে ঐ সমস্ত আল্লাহর খাঁটি বান্দারা একটু বুকে হাত রেখে বলবেন কী….. আপনার আদরের সন্তানদের কী কোন কোচিং/প্রাইভেট পড়াননি বা পড়াচ্ছেন না? তবে এ ব্যাপারে আদর্শিক নীতিমালা অত্যন্ত জরুরি।

  49. Bipul Chakraborty says:

    শুধু কোচিং বানিজ্য কেন ? নোট ও গাইড বানিজ্য বন্ধ নয় কেন ? নাকি ওখান থেকে মোটা মোটা নোটের বান্ডিল পাওয়া যায়।

  50. K.M.A Alim says:

    ICT teacher der MPO taratari dan tarpor ki korben koiran ta na hole sojib wazed joy er mansanman then he na.karon tini onek beta pan kintu tar sisora MPO na……this is very sad. We are very shame (lazza)

  51. মোঃ অাজিজুল হক; প্রভাষক: অারবি, শেরপুর ইসলামিয়া ফাজিল মাদ্রাসা, নান্দাইল ময়মনসিংহ। says:

    কোচিং প্রাইভেট বন্ধের এই উদ্যোগ কে সু স্বাগত জানাই। তবে আমার মনেহয় এর কিছু নেতিবাচক প্রভাব ও কিছু শিক্ষার্থীর উপর পড়বে।* তার কারণ গ্রাম এলাকায় প্রায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানেই ইংরেজী ও গনিতে দক্ষতা সম্পন্ন শিক্ষকের অভাব (এর মূল কারণ কমিটির মাধ্যমে মামা খালু অার কালো টাকার জোরে নিয়োগ প্রাপ্ত অযোগ্য শিক্ষক।) এই অভাব টুকু পুরা করেন মফস্যল এর দক্ষ শিক্ষক বৃন্দ।যদি তাঁরা প্রাইভেট পড়ানো বন্ধ করে দেন তাহলে ঐ সমস্ত ছাত্র-ছাত্রীদের কী অবস্তা হবে ——-? *** বর্তমানে কলেজে HSC ও মাদ্রাসায় অালিম স্তরে ICT বিষয় বাধ্যতা মূলক করা হয়েছে যা অত্যন্ত কঠিন, অথচ অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানে ঐ বিষয়টি পড়ানোর মতো শিক্ষকের অভাব রয়েছে। এ বছরের এইচ এস সি. ফলা ফলে দেখা গেছে ICT বিষয়ে ফেল করা শিক্ষার্থীর সংখ্যাই বেশি। থানা পর্যায়ে হাতে গনা কয়েকজন শিক্ষক পাওয়া যায় যারা ঐ বিষয়টি ভালো পড়াতে পারেন। যাদের কাছে ঐ থানার বিভিন্ন কলেজ, মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা এই কঠিন বিষয়টির সমাধান পায়। এখন কচিং প্রাইভেট
    বন্ধের এই রেষ্ট্রিকশানে তাঁরা যদি ICT বিষয়টি পড়ানো বন্ধ করে দেন তাহলে ঐ সমস্ত শিক্ষার্থীর কী হবে তা ভাবনার বিষয়!

  52. মুবারক says:

    যারা ঙ্কুলের ব্যঞ্চ বাসায় নিয়ে হোম টিচিং করেন তাদের ধরেন।

  53. মিজানুর রহমান।। বদরগন্জ ডিগ্রী কলেজ,চুয়াডাঙ্গা। says:

    আগে অবকাঠামো ঠিক করুন,সব ঠিক হয়ে যাবে, টিচার একজন, ছাত্র ৪০০ জন, বাহ প্রহসন!!! ননএমপিও (একুশ শতকের শ্রমদাস) দের তাকান! সারাজীবন শুধু নিজের সুখই দেখলেন! একমাস বেতন বাদে চাকরী করে দেখান!!

  54. Sayed says:

    শিক্ষকদের নামের সাথে কোচিংবাজ, দুর্ণীতিবাজ যে সকল বিশেষণ ব্যবহার করা হচ্ছে এটা কি আদৌ সঙ্গত? ছাত্র/ছাত্রীদের মধ্যে শিক্ষকদের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ কমে যাচ্ছে। এই ধরণের শব্দ ব্যবহার শিক্ষকদের প্রতি শ্রদ্ধাবোধকে আরও কমিয়ে দেবে। দৈনিকশিক্ষার খবরের শুরুর শব্দটাই “অবৈধ কোচিং বাণিজ্য” কেন, ধরণের শব্দ কেন ব্যবহার করতে হবে। ডাক্তারদের ক্ষেত্রে তো আপনারা এ ধরণের শব্দ ব্যবহারের সাহস পান না। ডাক্তারদের চেয়ে একজন শিক্ষক অনেক কম বেতন পান। সে যদি কষ্ট করে কিছু বাড়তি আয় করে তাতে আমার শিক্ষকদের এত গা জ্বালা করে কেন? তবে যে সকল শিক্ষক ( প্রধাণত সরকারী কলেজের দুই একজন শিক্ষক) নিজ প্রতিষ্ঠানের ছাত্র/ছাত্রীদের জিম্মি করে নিজের কাছে প্রাইভেট পড়তে বাধ্য করে তাদের বিরুদ্ধে অবশ্যই ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। তাই বলে সকল শিক্ষকদের এরকম ঢালাও ভাবে অসম্মান করা ঠিক নয়।

  55. sarwar alam says:

    আপনার মন্তব্যkothay na kaj kore dekhan. parben na

  56. কল্যাণ says:

    বন্দুক তাক করতে করতে ডাকাত দল তাদের কৌশল পাল্টে ফেলবে। একজন বেতন ভুক্ত কর্মচারীর অনৈতিক কর্ম কাণ্ডের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নিতে এত সাজ সজ্জ্বা!

  57. হাফিজুল says:

    আগে ডাক্তারদের প্রাইভেট প্রাক্তটিস বন্ধ করুন। যদি খতি হয় তবে শিক্ষকদের পড়ান বন্ধ করলেও খতি হবে। ভাল করে ভেবে দেখুন। ধনিরা কিন্তু বাড়িতে শিক্ষক রাখবেই। আপনার সন্তানকে কি ছাগল বানাবেন?

  58. নাম প্রকাশে অনিছছুক says:

    আপনার মন্তব্য
    শহীদ স্মতি মধুপুর টাংগাইল কলেজ টিতে শিক্ষকদের এই ব্যবস্যা টি জমজমাট টি এন অ এবং শিক্ষা অফিসার এর সাম্নে দেদার মাল দিএ চলেছে দেখার কেউ নাই।।।

  59. নজির আহাম্মেদ says:

    আগে ঘুষ দূর্নীতি বন্ধ করুন,

  60. আব্দুল হান্নান মিয়া, সিনিয়র সহকারী শিক্ষক, বন্দর, নারায়ণগন্জ। says:

    একদিকে “ডিটেনশন” ক্লাস চালু করেছেন। অন্যদিকে কোচিং বানিজ্য বন্ধের কথা বলছেন। এভাবে কি কিছু হবে? প্রশ্ন ফাঁস রোধে কঠোর পদক্ষেপ নেয়ার অনুরোধ জানাচ্ছি।

  61. মাহমুদুল হক লেকচারার, কুলকান্দি অালিম মাদ্রাসা। says:

    ভাল

  62. kishor says:

    প্রায় প্রতিটি বিদ্যালয়েই ত প্রতিষ্টান প্রধান বিভিন্ন অযৌক্তিক যুক্তি দিয়ে বাধ্য করছে বিদ্যালয়ের অভ্যন্তরে ছাত্রছাত্রীদের কোচিং করার জন্য, তার জন্য মাউশি কার কাছ থেকে এ তালিকা সংগ্রহ করবে?? কে পাঠাবে তাদের তালিকা?

  63. সুলাইমান says:

    সরকারি কলেজের শিক্ষকদের তাহলে কোন সমস্যা নাই।এক দেশে এত নিয়ম কেন?

  64. আবিদ হাসান says:

    হা হা হা হা…………. কিছুই হবে না। আগে দুর্নীতিবাজ মন্ত্রীদের তালিকা করেন। আর আমরা অনারেবল টিচার, আমাদের নাই কোন এম পি ও,। তাই আমাদের কিছুই করতে পারবেন না।।।।। আমরা কোচিং করব, প্রাইভেট পরাব। কি করতে পারেন করেন।

আপনার মন্তব্য দিন