আমাদের সঙ্গে থাকতে দৈনিকশিক্ষাডটকম ফেসবুক পেজে লাইক দিন।


ক্যাডারভুক্ত না করলে আইনের আশ্রয় নেয়ার হুমকি তালিকাভুক্ত কলেজ শিক্ষকদের

নিজস্ব প্রতিবেদক | সেপ্টেম্বর ১৩, ২০১৭ | কলেজ

নতুন করে জাতীয়করণ হতে যাওয়া ২৮৩টি কলেজের শিক্ষকদের বিসিএস সাধারণ শিক্ষা ক্যাডারের অন্তর্ভূক্ত না করলে  আইনি পদক্ষেপ নেয়ার হুমকি দিয়েছে জাতীয়করণের তালিকাভুক্ত কলেজ শিক্ষক পরিষদ।

বুধবার (১৩ই সেপ্টেম্বর) রাজধানীর ঢাকা রিপোটার্স ইউনিটি (ডিআরইউ) মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনে এ ঘোষণা দেন পরিষদের নেতৃবৃন্দ। সংবাদ সম্মেলনে ডিড অব গিফট (দানপত্র) সম্পন্ন হওয়া জাতীয়করণকৃত কলেজ সমূহের দ্রুত জিও (সরকারি আদেশ) ও গেজেট জারির দাবিসহ ৫ দফা দাবি জানানো হয়।

অন্যান্য দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে সরকারি ও জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিধি মোতাবেক নিয়োগপ্রাপ্ত সব শিক্ষককে (অনার্স-মাস্টার্স, ডিগ্রির ৩য় শিক্ষক, এমপিও এবং নন-এমপিও) ক্যাডারভুক্ত করে আত্তীকরণ করা, ইফেক্টিভ শতভাগ সার্ভিস গণনা করে জ্যেষ্ঠতা নির্ধারণ করা, জিও জারির তিন মাসের মধ্যে নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে ৬ মাসের মধ্যে চাকরি নিয়মিতকরণ করা এবং বেসরকারি কলেজের নিয়োগ স্থায়ীকরণ হলে সরকারি হওয়ার পর তা বহাল রাখা।

জাতীয়করণ তালিকাভুক্ত কলেজ শিক্ষক পরিষদের আহ্বায়ক মোঃ ফারুক হোসেন তার লিখিত বক্তব্যে বলেন, ‘ক্যাডারভুক্ত না করে জাতীয়করণকৃত কলেজের শিক্ষকদের  প্রস্তাবিত ‘আত্তীকরণ বিধিমালা ২০১৭’ অনুমোদন দেয়া হলে চরম বৈষম্যের সৃষ্টি হবে। একই কলেজে একই সাথে চাকরি করে কেউ ক্যাডার কেউ নন-ক্যাডার হলে সামাজিকভাবে, মানসিকভাবে আমরা অনেক পিছিয়ে পড়ব।’ 

অতীতের ধারাবাহিকতায় জাতীয়করণকৃত কলেজের শিক্ষকদের বিসিএস সাধারণ ক্যাডারভুক্ত করার দাবি জানান তিনি এসময়। ১০ শতাংশ কোটায় নিয়োগপ্রাপ্তরা কোনো বিনা বাধায় বি সি এস ক্যাডারভুক্ত হচ্ছেন। উপ-সচিব পদে শিক্ষা ক্যাডার কর্মকর্তা নিয়োগ পাচ্ছেন কোনো পরীক্ষা ছাড়াই। পাবলিক পরীক্ষায় সরকারি কলেজের তুলনায় বেসরকারি নটরডেম, ভিকারুননিসা, আইডিয়ালসহ শত শত কলেজের ফলাফল ভালো।

সংবাদ সম্মেলনে জাতীয়করণের তালিকাভুক্ত কলেজের শিক্ষক মো: আতাউর রহমান,  মো: ইসমাইল হোসেন, শাহাব উদ্দিন, মো: নসরুল আলম, আহাম্মদ মল্লিক, আনিসুর রহমান, সোলায়মান, মাজহারুল ইসলাম, হেলাল উদ্দিন, আবদুল্লাহ মামুন, রিয়াজ উদ্দিন, মাসুদুর রহমান মিলন, খন্দকার আলিম উপস্থিত ছিলেন।

বক্তারা বলেন, উপজেলাভিত্তিক কলেজগুলো জাতীয়করণের আওতায় আসায় প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর মধ্যে আনন্দের সুবাতা্স বইছে। তাদের শিক্ষার্থীরা কম টাকায় পড়াশোনা করতে পারবে। শিক্ষাব্যবস্থা উন্নত হবে, শিক্ষকদের মর্যাদাও বৃদ্ধি পাবে। কিন্তু মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার এ সুমহান উদ্যোগকে নস্যাৎ করার অপকৌশল চালাচ্ছে ঘাপটি মেরে থাকা সরকার বিরোধী চক্র।

সরকারি কলেজবিহীন উপজেলা সদরে একটি করে কলেজ জাতীয়করণ করছে সরকার। তবে ওই সব কলেজের শিক্ষকেরা শিক্ষা ক্যাডারভুক্ত হবেন, নাকি ‘নন-ক্যাডার’ হবেন, সেটি এখনো ঠিক করতে পারছে না শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এ নিয়ে বিসিএস সাধারণ শিক্ষা ক্যাডারভুক্ত শিক্ষকদের সঙ্গে জাতীয়করণ হতে যাওয়া শিক্ষকদের দ্বন্দ্ব তৈরি হয়েছে। শিক্ষা ক্যাডারের কর্মকর্তারা বলছেন, তাঁরা কলেজ জাতীয়করণের বিপক্ষে নন। তবে জাতীয়করণ হওয়া কলেজশিক্ষকদের ক্যাডারে অন্তর্ভুক্ত হওয়া তাঁরা কোনোভাবেই মানবেন না। প্রয়োজনে তাঁরাও আইনি ব্যবস্থা নেবেন।

মন্তব্যঃ ৬২টি
  1. সায়েম says:

    কতটা নিলজ্জ হলে এমন দাবী করা যায়,,,,,

    • মোঃ নাজিম উদ্দিন says:

      শিক্ষার মানোন্নয়নে পূর্বের ন্যায় জাতীয়করণে ক্যাডারভুক্তকরণ অধিকার, শুধু দাবী হবে কেন? বকা না দিয়ে বোঝার চেষ্ঠা করুন। যোগ্যতার ঘাটতি থাকলে লজ্জাতো লাগবেই।

      • রহিম শেখ says:

        আজ যশোর এবং খুলনা জেলার অন্তত চারজন অধ্যক্ষ মোল্লা সাহেবের সাথে অর্থ লেনদেনের জন্য ঢাকায় গিয়েছিলেন। আজ তারা কেউ কলেজে উপস্থিত হননি। সারা দেশ থেকে নিশ্চয় এমন আরও অনেক অধ্যক্ষই মোল্লা সাহেবের সাথে লেনদেনে ব্যস্ত ছিলেন। এই ব্যাপারে দৈনিক শিক্ষা একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে জাতীকরণের তালিকাভুক্ত শিক্ষকদের উপকার করবেন কি?

  2. Shahed says:

    Such kind of activities may dishearten honourable Prime Minister. Honourable PM will take the right decision. We should avoid such kind of activities before publishing GO.

  3. মহিউদ্দিন says:

    কতটা নির্লজ্জ হলে জাতীয়কৃত কলেজ শিক্ষকদের শূন্য ক্যাডার পদে নিয়োগ নিয়ে ” NO BCS, NO CADRE” বলা যায়, ভেবেছেন কি? জাতীয়কৃত দের ক্যাডারে অন্তর্ভুক্তি একটি আইনি প্রক্রিয়া । এটা নিয়ে কারো বিতর্ক সৃষ্টির কোন অবকাশ নাই। পারলে কোর্টে গিয়ে এদের নন ক্যাডার করুন।ক্যাডারভৃক্তি তাদের ন্যায্য দাবি।

  4. মহিব উল্লাহ, প্রভাষক, বাংলা , সোনাইমুড়ী কলেজ says:

    এ দাবি মানতে হবে
    মেনে নাও

  5. Masum mukul says:

    সরকারকে মামলার ভয় দেখালে পুরো জাতীয়করণ বুমেরাং হয়ে যাবে!

  6. জুয়েল says:

    আপনাদের মতে, বেসরকারি কলেজের ফলাফল ভালো, তাই আপনারা ক্যাডার হওয়ার শখ বাদ দিয়ে সরকারের কাছে বেসরকারি হিসেবে থেকে যাওয়ার আবেদন করতে পারেন। আপনারা তো দেখি মহা পন্ডিত, কিভাবে উপসচিব হতে হয় তাও জানেন না। একটু বলি, উপসচিব কোন ক্যাডারের নিজস্ব পদ নয়। এটি সরকারের পদ। এতে প্রশাাসন ক্যাডার থেকে ৭৫% এবং অন্যান্য ক্যাডার থেকে ২৫%। এতে পরীক্ষা দেওয়ার কোন বিধান নেই। আপনাদের আবদার কতটুকু যুক্তিসঙ্গত তা বিবেকের কাছে প্রশ্ন রাখুন। আপনারা বসতে দিলে শুতে চান- বিষয়টি এরকম নয় কি? বর্তমান সরকার আপনাদের চকুরি সরকারিকরণের ব্যবস্থা নিচ্ছে, আর আপনারা আন্দোলনের ভয় দেখাচ্ছন।

  7. Mizan says:

    ক্যাডার দাবি করে নয়, পরীক্ষার মাধ্যমে যোগ্যতার প্রমাণ দিয়ে হতে হয়।

  8. ইব্রাহিম says:

    ক্যাডার করলে তো আপনারা উপজেলার এই কলেজসমূহে থাকবেননা।বরং বদলি হয়ে বড় কলেজ বা অফিসে চলে যাবেন।ফলে জাতীয়করণের উদ্দেশ্যই ব্যাহত হবে।সরকারি করা হচ্ছে জনস্বার্থে।কাজেই জনস্বার্থেই আপনাদেরকে নন-ক্যাডার রাখতে হবে।আর মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আপনাদের এই বিষয়(ক্যাডার হওয়ার মাধ্যমে অন্যত্র চলে যাওয়ার ধান্ধা)টি বুঝতে পেরেই নন-ক্যাডার করার নির্দেশনা দিয়েছেন।

  9. জুয়েল says:

    আপনাদের মতে, বেসরকারি কলেজের ফলাফল ভালো, তাই আপনারা ক্যাডার হওয়ার শখ বাদ দিয়ে সরকারের কাছে বেসরকারি হিসেবে থেকে যাওয়ার আবেদন করতে পারেন। আপনারা তো দেখি মহা পন্ডিত, কিভাবে উপসচিব হতে হয় তাও জানেন না। একটু বলি, উপসচিব কোন ক্যাডারের নিজস্ব পদ নয়। এটি সরকারের পদ। এতে প্রশাাসন ক্যাডার থেকে ৭৫% এবং অন্যান্য ক্যাডার থেকে ২৫%। এতে পরীক্ষা দেওয়ার কোন বিধান নেই। আপনাদের আবদার কতটুকু যুক্তিসঙ্গত তা বিবেকের কাছে প্রশ্ন রাখুন। আপনারা বসতে দিলে শুতে চান- বিষয়টি এরকম নয় কি? বর্তমান সরকার আপনাদের চাকুরি সরকারিকরণের ব্যবস্থা নিচ্ছে, আর আপনারা আন্দোলনের ভয় দেখাচ্ছেন।

  10. আবুল কালাম, বাগেরহাট says:

    আশা করছি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা 283 কলেজের সরকারি ও জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিধি মোতাবেক নিয়োগপ্রাপ্ত সকল শিক্ষকদের পূর্বের ন্যায় শিক্ষা ক্যাডারে অন্তর্ভুক্ত করে এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করবেন ।

  11. ইব্রাহিম says:

    আদালতে মামলা করে আটকে দিলে তো সরকারিকরণ ঝুলে গেল।তাতে ক্ষতি আপনাদের।আর লাভ অন্য সকলের।

  12. আসাদ says:

    যারা বিসিএস পরীক্ষার আপ্লিকেশন কিভাবে করতে জানে না, তারা আবার ক্যাডার হবে। সরকারীকরণই হল না আবার আন্দোলন করতে চাই। লজ্জা থাকা দরকার।

  13. শামীম; সিলেট says:

    জাতীয়কৃত কলেজ শিক্ষকদের ক্যাডারে আত্মীকরণের মাধ্যমে ক্যাডার পদ তৈরি করা না হলে বিসিএস পাশ করে ক্যাডার ভাইদের আজ প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক হতে হত। এজন্য তাদের প্রতি আপনাদের কোন কৃতজ্ঞতা আছে কি?

  14. পাভেল says:

    আগে জাতীয়করণ হোক তারপর ক্যাডার ননক্যাডার প্রশ্ন। জাতীয়করণ শুধু শিক্ষকরা হবে না তার সাথে অশিক্ষক কর্মচারীদের সার্থও জড়িত আছে। ক্যাডার ভুক্তির দাবীর প্রেক্ষিতে যদি পুরো জাতীয়করণ প্রক্রিয়াটাই প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে পড়ে তার দায় কে নেবে? কাজেই আগে জিও, আন্দোলন সংগ্রাম যৌক্তক হলে পরেও করা যাবে।

  15. s.c. says:

    একতাই শক্তি ; একতাই বল
    সবাই একত্রিত হয়ে মাননীয় প্রধাণমন্ত্রীর নিকট আমাদের প্রনের আকুতি জানালে তিঁনি নিশ্চয় ই সদয় হবেন। তিনিতো শান্তি তে নোবেলপুরস্কার পেতে চলছেন।

  16. No BCS No Cadre says:

    শেষে আম ছালা দুটোই হারাতে হবে ৷

  17. পাভেল says:

    আগে জাতীয়করণ হোক তারপর ক্যাডার ননক্যাডার প্রশ্ন। জাতীয়করণ শুধু শিক্ষকরা হবে না তার সাথে ডেমোনেস্টেটর ক্রিড়া শিক্ষক গ্রন্থাগারিক অশিক্ষক কর্মচারী এঁদের স্বার্থও জড়িত আছে।শিক্ষার প্রসারে তাদের অবদানকে ছোটো করে দেখা যাবে না। ক্যাডার ভুক্তির দাবীর প্রেক্ষিতে যদি পুরো জাতীয়করণ প্রক্রিয়াটাই প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে পড়ে তার দায় কে নেবে? কাজেই আগে জিও, আন্দোলন সংগ্রাম যৌক্তক হলে পরেও করা যাবে।

  18. মোঃ সুজন মাহমুদ, ict শিক্ষক 01710002705 says:

    এই দেশে শিক্ষা খাতে সবি হয়, শুধু হয় না শুধু ict শিক্ষক দের mpo এটাই হল ডিজিটাল বাংলা দেশ।

  19. rohan says:

    মনে হয় দূরভিসনধি আছে।

  20. ইমদাদুল হক মিলন says:

    কোন দুটি কলেজ বাদ পড়ল?
    ২৮৫ থেকে ২৮৩

  21. এভাবে ঝামেলা করেন আর গরীব ছাত্ররা কষ্টে বেতন দিয়ে পড়াশুনা করুক। says:

    নতুন যে কলেজগুলা সরকারিকরন করেছে অতি তারাতারি তা পুর্নাঙ্গ রুপে সরকারি করা।আর যেন ছাত্রছাত্রী দের কাছ থেকে যেন বেতন না নেয়।

  22. মোঃ মোবারক করিম খান, ফরিদগঞ্জ বঙ্গবন্ধু ডিগ্রি কলেজ, ফরিদগঞ্জ, চাঁদপুর ০১৭৮৪০৬৮৩৬৩ says:

    right

  23. সোহেল রানা রতন,বগুড়া says:

    সরকারি কলেজে যোগ্যতা অনুযায়ী সবাই পূর্বের ন্যায় ক্যাডার হবে,এটাই স্বাভাবিক। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এমনটাই করবেন,আমাদের দৃঢ় বিশ্বাস।এটা মর্যাদার বিষয়,সম্মানের বিষয়,ন্যায্য অধিকার।যারা বাধা প্রদান করছেন,বিষয়টি বোঝার চেষ্টা করুন।প্রধানমন্ত্রী এবং আইন কেউই আপনাদের ছাড় দেবে না।

  24. robi khan says:

    পূর্বে শিক্ষক মহোদয়গন নন ক্যাডার ই ছিলেন
    সেতো বেশি দিন আগের কথা নয়…
    শিক্ষা ক্যাডার আত্মীয়করনের মাধ্যমেই হয়েছে…
    শিক্ষা ক্যাডারভুক্ত রা নিজেদের ব্রাহ্মণ ভাবার কোন কারণ নেই বরং ক্যাডার গুলোর মধ্যে ইহা হরিজনই বটে…

  25. আশরাফুল ইসলাম says:

    প্রয়োজন হলে জিও জারির পর বিসিএস এর আদলে পিএসসি একটিী পরীক্ষা নিতে পারে।সে ক্ষেত্রে চিরিৎকার করে করে গলা ফাটানো তথাকথিত বি see এস দের বলার কিছু থাকবে না।কিন্তু সব কিছু হতে হবে জিও জারির পর।
    আর কোন কিছু বিচার না করে ঢালাও নন- ক্যাডার করলে ফল কখনো ভাল হবে না।
    একই কলেজে ক্যাডার নন- ক্যাডার থাকলে দ্বন্দ্ব হতে থাকবে, চলবে নিরন্তর। ধ্বংস হবে শিক্ষার পরিবেশ।আমি challenge দিয়ে বলতে পারি তথাকথিত বিসিএস শিক্ষক দের মারমুখী যে আচরণ দেখা যাচ্ছে তাতে অবস্থা কখনো ই ভাল হবেনা।কারন তারা নিজেদের কুলীন মনে করে।আর এই শ্রেণীর একজন দুজন প্রথম দিকে যখন এ ধরনের উপজেলা ভিত্তিক কলেজে নিয়োগ পাবে তারা তখন ইতস্তত বোধ করবে, লেখা পড়া কোন দিন ই হবে না,হবে বিভেদ আমি মনে করি এ সব কিছুই এই দায়িত্ব প্রাপ্ত রা জানে এবং জেনে বুঝেই এ অকর্ম টি করছে।দেশের লেখা পড়া র প্রতি নজর দেয়ার চেয়ে এরা নিজের প্রতি নজর দিতে আগ্রহী বেশি।যাহোক নতুন করে জাতীয় করন হওয়া এ সমস্ত কলেজের শিক্ষক রা এখন তাকিয়ে আছে জাতির জনকের কন্যা মাননীয় প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনার দিকে।তিনিইই পারেন এ সমস্ত শিক্ষক দের সম্মান রক্ষা করতে।

  26. ড. মোঃ হাসানুজ্জামান জুয়েল সহকারী অধ্যাপক, আদিতমারী কলেজ, লালমনিরহাট। says:

    জাতীয়করণের তালিকাভুক্ত ২৮৩ টি কলেজের শিক্ষকগণকে পূর্বের ন্যায় শিক্ষা ক্যাডারে আত্ত্বীকরণের বিরোধীতা করে বিসিএস শিক্ষা ক্যাডার সমিতি গং যেভাবে স্বজাতি শিক্ষকদের হেয় প্রতিপন্ন করার চেষ্টা করছেন, তা দুঃখজনক। সারাদেশের যেসকল উপজেলায় সরকারি কলেজ ও স্কুল নেই, সেসকল উপজেলায় একটি করে কলেজ ও হাই স্কুল জাতীয়করণের উদ্যোক্তা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। অথচ, একটি মহল সরকারের এই মহতী উদ্যোগকে ব্যাহত করতে ব্যাক্তিস্বার্থকে প্রাধাণ্য দিয়ে নন-ক্যাডার, ক্যাডার বিতর্ক তুলছেন। বাংলাদেশে শুধু এই ২৮৩টি কলেজেই জাতীয়করণ হচ্ছে না। দীর্ঘ ৪০ বছরে যেসকল কলেজ জাতীয়করণ হয়েছে, সেসকল কলেজের শিক্ষকদের যাদের যোগ্যতা ছিল, তারা নিশ্চয় শিক্ষা ক্যাডারে অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন। আর ২৮৩টি কলেজের শিক্ষকগণ কী অপরাধ করলেন যে, তাদেরকে নীতিমালা পরিবর্তন করে নন-ক্যাডার করতে হবে? বিসিএস শিক্ষা ক্যাডারের শিক্ষকগণ কী জাতীয়করণকৃত শিক্ষকগণকে ক্যাডারভুক্ত করাকে ভয় পান? আত্ত্বীকৃত শিক্ষকগণ বিভাগীয় পরীক্ষা পাস না করেই প্রমোশন পাবেন, এমনটি কী মনে করেন? তাহলে প্রতিহিংসার আগুনে জ্বলে নন-ক্যাডার চাইছেন? কলেজ শিক্ষকগণ ইতোপূর্বে নন-ক্যাডারভুক্ত ছিলেন? তাহলে সরকারি কাজে বাধা দেয়ার চেষ্টা করাটা অমূলক। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতীয়করণকৃত কলেজ সমুহের শিক্ষকগণকে কখনই হেয় করবেন না। আপনারা যতই গোপন বৈঠক করুন, নীতিমালার খসরা করে দিয়ে প্রতিবন্ধকতার সৃষ্টি করার চেষ্টা করুন, কোনো লাভ হবে না। ২০০০ সালের পূর্বে জাতীয়করণকৃত শিক্ষকদের আত্ত্বীকরণ নিয়ে অনেক বিতর্কের সৃষ্টি করেও শিক্ষা ক্যাডারে অন্তর্ভুক্তি ঠেকাতে পারেননি। এবার নতুন করে নন-ক্যাডার করার ষড়যন্ত্র সফল হবে না।

  27. রবিউল says:

    যোগ্যতা সম্পন্ন শিক্ষকদের ২০০০ বিধিমালা অনুসারে অবশ্যই ক্যাডার করতে হবে। শিক্ষা ব্যবস্থায় গুণগত পরিবর্তন আনতে যোগ্যতমদের যথাযথ মূল্যায়ন করতে হবে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী যে লক্ষ্য উদ্দেশ্য নিয়ে কলেজ জাতীয়করণ করেছেন। তা বাস্তবায়নে শুরু থেকে গভীর ষড়যন্ত্র চলছে। কতিপয় হিংসুক, কতিপয় অধ্যক্ষ, কাম্য যোগ্যতা নেই এমন কিছু সংখ্যক শিক্ষক এবং যারা শিক্ষার টেকসই উন্নয়ন চায় না। তারা এই ষড়যন্ত্রে লিপ্ত। এই ষড়যন্ত্রকারীরা ক্যাডারের বিপক্ষে। এরা মূলত জাতীয়করণের বিরুদ্ধে শুরু থেকে সক্রিয়। এদের প্রতিহত করতে হবে। এরা ভুলে গেছে, প্রধানমন্ত্রী যেকোন ষড়যন্ত্র মোকাবেলা করে প্রতি উপজেলায় একটি করে কলেজ জাতীয়করণ করার জন্য কাজ করে যাচ্ছেন। এ কাজ অনেকদূর এগিয়েছে। ডিট অব গিফট সম্পন্ন হয়েছে এখন জিও জারির অপেক্ষায়। এর মধ্যে ষড়যন্ত্রকারীরা মাথাচারা দিয়ে উঠেছে। যোগ্যতম শিক্ষকদের নন ক্যাডার করার প্রস্তাব দিয়ে, শিক্ষা ব্যবস্থাকে ধ্বংস করার অপচেষ্টা করে যাচ্ছে। আশাকরি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সকল ষড়যন্ত্র মোকাবেলা করে কাম্য যোগ্যতা সম্পন্ন শিক্ষকদের ক্যাডারভুক্ত করবেন।

  28. ‌মোঃ আ‌নিসুর রহমান, প্রভাষক (ব্যবস্থাপনা), জুরানপুর আদর্শ ক‌লেজ, দাউদকা‌ন্দি, কু‌মিল্লা। says:

    জয় হোক জাতীয়করণ হ‌তে যাওয়া ২৮৩ ক‌লে‌জের শিক্ষক‌দের। নিপাত যাক ষড়যন্ত্রকারীরা।

  29. মোঃ হবিবর রহমান, প্রভাষক, বীরগঞ্জ ডিগ্রী কলেজ, দিনাজপুর। says:

    বিসিএস পাস করে কেউ ক্যাডার আর কেউ নন ক্যাডার হয়ে সরকারি হাই স্কুলের সহকারী শিক্ষক কিংবা প্রাইমারী স্কুলের হেড মাষ্টার। এর মানে হলো বিসিএস পাস করার সংগে ক্যাডার হওয়ার সম্পর্ক নাই। অন্যদিকে ক্যাডারভূক্তির সংগে শুধু বিসিএস পাস সম্পর্কিত নয়। বিসিএস পাস করেও ক্যাডার হওয়া যায় আবার আত্মীকরণের মাধ্যমেও ক্যাডার হওয়া যায়। যেমন প্রেসিডেন্টের 10% কোটায় অনেকে বিসিএস পাস না করেও ক্যাডার হয়েছে। এভাবে ভাল, যোগ্য এবং মানসম্মত বিবেচনায় সরকারের সিদ্ধান্তে আত্মীকরণের মাধ্যমে ক্যাডার করা হয়েছে। এ সবই বাংলাদেশে আইনসিদ্ধ। তাই প্রচলিত আইনে ক্যাডারভূক্তি চাওয়া তো অপরাধ নয়। বরং দীর্ঘদিনের ধারাবাহিক এই অধিকার থেকে যখন কাউকে বঞ্চিত করার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে তখন আন্দোলন এবং আইনের আশ্রয়ের প্রসংগ তো আসবেই।

  30. পলাশ কুমার মন্ডল, পাইকগাছা পৌরসভা, খুলনা। says:

    সায়েম ভাই শুধু বিসিএস পাশ করলে মানুষ হওয়া যায় না। মানুষ হতে হলে মানসিকতা সঠিক থাকা দরকার।

  31. মোঃ হবিবর রহমান, প্রভাষক, বীরগঞ্জ ডিগ্রী কলেজ, দিনাজপুর। says:

    বর্তমানকালে বিসিএস পাস শিক্ষা ক্যাডারের স্যারদের যদি অপসন দেয়া হয় যে আপনারা শিক্ষা ক্যাডারে থাকবেন নাকি প্রশাসন ক্যাডারে যাবেন? এটা সত্যি যে শিক্ষা ক্যাডার নীল করে দিয়ে তারা প্রশাসন ক্যাডারের যাবেন। অথচ আত্মীকরণের মাধ্যমে ক্যাডার ভূক্তিতে তাদের অনেক আপত্তি। এদের হীনমন্যতাকে নিয়েই হয়ত কবি লিখেছিলেন ঃ
    কেরোসিন শিখা বলে মাটির প্রদীপে
    ভাই বলে ডেকো যদি দিব গলা টিপে
    হেনকালে আকাশেতে উঠিলেন চাঁদা
    কেরোসিন শিখা বলে এসো মোর দাদা।

  32. সোহেল ; সিলেট says:

    মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সরাসরি হস্তক্ষেপের মাধ্যমে জাতীয়কৃত সকল কলেজ শিক্ষকদের পূর্বের ন্যায় ক্যাডারভৃক্ত করে শিক্ষকদের উদ্বেগ উৎকন্ঠা দূর করার জন্য বিনীত আহ্বান জানাচ্ছি। জাতীয়কৃতদের ক্যাডারভৃক্ত করা হলে শুধু তারা ক্যাডার মর্যাদা পাবেন না , প্রধানমন্ত্রীর এই কালজয়ী সিদ্ধান্তে শিক্ষা ক্যাডারে একসংগে 14000/15000 ক্যাডার পদ সৃষ্টির এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপিত হবে।

  33. আবুল কালাম, বাগেরহাট says:

    মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সরাসরি হস্তক্ষেপের মাধ্যমে জাতীয়কৃত সকল কলেজ শিক্ষকদের পূর্বের ন্যায় ক্যাডারভৃক্ত করে শিক্ষকদের উদ্বেগ উৎকন্ঠা দূর করার জন্য বিনীত আহ্বান জানাচ্ছি। জাতীয়কৃতদের ক্যাডারভৃক্ত করা হলে শুধু তারা ক্যাডার মর্যাদা পাবেন না , প্রধানমন্ত্রীর এই কালজয়ী সিদ্ধান্তে শিক্ষা ক্যাডারে একসংগে 14000/15000 ক্যাডার পদ সৃষ্টির এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপিত হবে।

  34. মাহবুবুল করিম কামাল says:

    পক্ষে বিপক্ষে লাফালাফি না করে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী যে সিদ্ধান্ত দিবেন সেটাই আমাদের সবার মানা উচিত ।সরকারিকরনের উদ্যোগটা প্রধানমন্ত্রীর নিজের ।তাই উনাকে সম্মান দেখানো উচিত ।

  35. তারেক says:

    যে সকল শিক্ষক নেতারা এত বড় গলায় কথা বলেন বা যারা ক্যাডারভুক্ত হওয়ার জন্য এতো মন্তব্য করছেন তাদের সকলের উদ্দেশ্যে একটি প্রশ্ন – আপনারা কি কখনো বিসিএস পরীক্ষা দিয়েছেন? উত্তর: অব্শ্যই দিয়েছেন। কি জন্য দিয়েছেন? কারণ আপনারা ক্যাডার হতে চেয়েছিলেন নিশ্চয়ই। কিন্তু বিসিএস হার্ডল আপনারা অতিক্রম করতে পারেননি। কারণ আপনাদের যোগ্যতার যথেষ্ট ঘাটতি ছিল। আবার হয়তো অনেকের বিসিএস দেয়ার যোগ্যতাটুকুও নেই। যে কোন কারণে হোক আপনারা বিসিএস পরীক্ষায় উর্ত্তীণ হয়ে ক্যাডার হতে পারেননি তাই এখন আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর উপর এধরণের হীন চাপ সৃষ্টি করে ক্যাডার হতে চাচ্ছেন যা আপনাদের নীতি নৈতিকতার দৈন্যতাই প্রকাশ করে। আর যে শিক্ষকের নীতি নৈতিকতার অভাব আছে তিনি কখনোই একজন ভাল মানের শিক্ষক হতে পারেন না। এধরনের শিক্ষকদের কারণেই শিক্ষার মান আজ নিন্মমুখী। আপনারা বলেন বেসরকারি কলেজের ফলাফল সরকারি কলেজের চেয়ে ভালো হয়। এ ভালো ফলাফল কীভাবে হয় তা আমরা যারা বেসরকারি কলেজে চাকুরী করি তা ভালো করেই জানি। পরীক্ষার হলে হয় উত্তর সরবরাহ করেন না হয় কেন্দ্র কেন্দ্র লিয়াজো করে ছাত্র-ছাত্রীদেরকে সমবায় পদ্ধতিতে অর্থাৎ একজনের খাতা দেখে বাকি সবাই লিখবে আর আপনারা বেসরকারি কলেজের শিক্ষকগন দাড়িয়ে দাড়িয়ে পাহাড়া দেন অফিসার আসে কিনা তা দেখার জন্য। এধরনের শিক্ষকতা করে আপনারা আবার ক্যাডার হতে চান। সত্যিই অদ্ভুত!!

  36. জহিরুল, নাটোর says:

    বিসিএস (শিক্ষা ) ক্যাডার হওয়ার বিভিন্ন পদ্ধতি —
    1, মেধা
    2, প্রশ্ন ফাঁস
    3, কোটা
    4, রাজনৈতিক তদবির
    5, 10%
    6, আর্থিক লেনদেন
    7,মামুখালু
    8, প্রদর্শক
    9, আত্মীকরণ
    10, স্পেশাল বিসিএস
    আপনি কোন পদ্ধতির মাধ্যমে ক্যাডার হয়েছেন নীচের কমেন্ট বক্সে কমেন্ট করুন। দয়া করে কেউ চাপাবাজি করবেন না। সবার কমেন্ট আশা করছি ।

  37. ফারুক says:

    মাননীয় প্রধানমন্ত্রী অবুঝ না যে, তিনি কোন পঁচা ফুল উপহার দেবেন । অপূর্ণ থাকবে না তার ইচ্ছা ? তিনি কিছু দিলে অবশ্যই পূর্ণাঙ্গভাবে দিবেন । ক্যাডার ভাইয়েরা আসলেই সরকারকে হুমকি দিচ্ছেন, শহীদ মিনারে জুতা পায়ে দিয়ে সমাবেশ করছেন । মনে হচ্ছে আপনারা সরকারেরও উর্ধ্বে । না-কি দেশের অনাগরিক। দেশের শহীদ মিনারকে যারা জুতা পায়ে অপবিত্র করে, সরকারকে হুমকি দেয় তারা তো রাষ্ট্র বিরোধী তৎপরতায় লিপ্ত । এদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে না কেন এটাইতো বুঝতে পারছি না। আর যারা নিজেদের অতি মেধাবী হিসেবে জাহির করছেন, তাদের মেধা কি কুচক্রান্তের জন্য বেশি, না-কি দেশের কল্যাণে লাগছে, বুঝতে পারছি না । ক্যাডার ভাইদের ইজ্জতের হানি হলে চাকুরী ছেড়ে দিয়ে ঘরে বসে উপবাস করুন ।

  38. রফিকুল ইসলাম, চান্দসি, ঘাটাইল says:

    বিসিএস মাধ্যমে পরিক্ষা নিয়েই ভালোদের ক্যাডার, বাকিদের ননক্যাডার,প্রত্যাশিত গোগ্যতাহিনদের এমপিও রাখলে মান বাড়তো।নতুন করে জমি বরাদ্দকৃত জমিতে প্রতিষ্ঠান করে বিশেষ বিসিএস থেকে শিক্ষক নিলে মানসম্মত শিক্ষক পেতাম,বেকাররা চাকরি পেতো, এতো সভাসমাবেশও হতো না।সবাই এখন সচিব হতে চায়।

  39. M. Islam (Lecturer of physics). says:

    নন ক্যাডার করলে জাতীয়করণ প্রয়োজন নেই, স্বাধীনতাটা অন্তত থাকবে।।
    মেধাবী ক্যাডার গণ ক্লাস নিবেন, ফেলনা নন ক্যাডার গণ কেরানীগিরি করবেন।।
    বাহ কি নীতি!!!

  40. জহিরুল ইসলাম,প্রভাষক হিসাববিজ্ঞান বিভাগ,কদম রসুল কলেজ says:

    যারা অন্যের ভাল সহ্য করতে পারেন না তাদের মত মানুষ শিক্ষকতার মত মহান পেশায় কেন আসছে। অতীতে ক্যাডারভুক্ত করা হয়েছে তাই তারা ক্যাডারের দাবি জানাতেই পারে।সরকার যদি মনে করে তাহলে ক্যাডারভুক্ত করবে না হলে না।এটা নিয়ে কিছু শিক্ষক এমন আচরন করছেন যেন সরকার তাদের চেয়ে কম বোঝে।

  41. শাহরিয়ার,প্রভাষক,আফতাবগন্জ ডিগ্রি কলেজ,দিনাজপুর। says:

    এ সম্মেলন অনেটা চিলের পেছনে কান খোজার মত নয় কি?

  42. মোঃ হবিবর রহমান, প্রভাষক, দিনাজপুর। says:

    আত্মীকরনের পূর্বেই আত্মীয়করন হয়ে গেছে। আত্মীয়ের সার্থ সর্বাগ্রে। শোনা যায় দুজন অধ্যক্ষের নিকটাত্মীয় সরকারের বড় মাপের দুই পদে কর্মরত। সেই আত্মীয়তার সূত্র ধরেই নাকি শিক্ষকদের নন ক্যাডারের বিনিময়ে ভারসাম্য রক্ষা করা হলো। দূঃখ এখানেই যে শিক্ষকের চাঁদায় অধ্যক্ষরা নিজের চেয়ার ঠিক রেখে সেই শিক্ষকদেরকেই রোহিঙ্গা বানিয়ে দিচ্ছে। তবে ঘটনা যেদিকে গড়াচ্ছে অনেক চাঁদাবাজ অধ্যক্ষ এবং তাদের ক্যাডাররা সাধারণ শিক্ষকদের হাতে নাজেহাল হতে পারে।

  43. কৃষিবিদ মোঃ সুলতান মাহমুদ,প্রভাষক,কৃষি শিক্ষা ধামইরহাট এম,এম ডিগ্রি কলজ,ধামইরহাট, নওগাঁ। says:

    জাতীয়করণ কৃত কলেজ শিক্ষক পরিষদের দাবী শতভাগ সঠিক। অবশ্যই যোগ্যতার ভিত্তিতে সকলকে শিক্ষা ক্যাডারভুক্ত করা সময়ের দাবী। শিক্ষা ক্যাডারে যে কয়জন জামাত শিবির রাজাকার ঘাপটি মেরে ঢুকে আছে তারাই জাতীয়করণ কৃত কলেজের শিক্ষকদের নন ক্যাডার করার মাধ্যমে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকারের যুগান্তকারী সিদ্ধান্তকে নস্যাত করার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত। এদেরকে এখনই চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনার অনুরোধ করছি।

  44. এম,এ,মামুন says:

    সরকার বিভিন্ন ভাবে বিভিন্ন জনকে অাইনগত ভাবে বিসিএস এর মযাদা’ দান করেছেন যেমন কখনও বিশেষ বিসিএস,বিভিন্ন কোটার মাধ্যমে মহামান্য রাষ্ট্রপতির কোটার মাধ্যমে অাত্তীকরন করে এর সাথে রয়েছে জেলা কোটা বিসিএস এ কোটা রয়েছে ৫৫% এগুলো সবই হয়েছে অাইনের মাধ্যমে পূবে’ও অনেকে ক্যাডারভুক্ত হয়েছেন শুধু এমসিকিউ পরীক্ষার মাধ্যমে তাহলে একজন বেসরকারি কলেজের শিক্ষক এমসিকিউ ও রীটেন পাস করে নিবন্ধন সাটিফিকেট’ নিয়ে অাবেদন করে তারপর জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধীর অনুমতি নিয়ে আবার প্রতিযোগিতা মুলক পরীক্ষায় অংশগ্রহন করে ও ভাইভা পরীক্ষায় চুড়ান্ত ভাবে নিবা’চিত হয়ে তারপর তিনি শিক্ষক হোন তাহলে ঐ শিক্ষক ক্যাডারে অাত্তীকরন কেন হতে পারবে না? বরং পূবে’ যারা ক্যাডারে আত্তীকরণ হয়েছেন তাদের চেয়ে বত’মানে যারা বেসরকারী কলেজের শিক্ষক হচ্ছেন তারা আরও বেশি যোগ্য তাদের কে ক্যাডারভুক্ত করতে কোন অাপত্তি গ্রহনযোগ্য হতে পারে না। তাছারা এখন দেশের নামকরা পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাসকৃত অনেকে বেসরকারি কলেজে শিক্ষক হিসেবে নিযুক্ত রয়েছেন। দু-একটি উদাহরন দিয়ে সকলকে ঢালাওভাবে খাটো করা সমীচীন হবে না exceptional is not example. সুতরাং জাতীয়করণে তালিকাভুক্ত কলেজের শিক্ষকদের ক্যাডার মযা’দা অাইনগত অধিকার কারন সংবিধানে রয়েছে অাইন সবার জন্য সমান। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী অবশ্যই সকলকে সমান মযা’দা দিয়েই আত্তীকরণ করবেন এই প্রত্যাশা সকলের।

  45. Dulal Sikder says:

    সরকারের আংশিকভাবে প্রতিষ্ঠান জাতীয়করণ না করে পুরো শিক্ষা ব্যবস্থাকে জাতীয়করণ করা উচিত।

  46. Mr.masud rana says:

    From 1977 to 31 December 2016 According to 133 and 140 (2)Dhara got Cadre but now the Same Dhara 133 and140 (2)Dhara Non-Cadre. This is Contradictable Law. We Will must go to the Honourable High Court

  47. এস এম ইলিয়াস, সিংড়া,নাটোর says:

    সরকার যদি ক্যাডারভুক্ত করে দেন তাহলে কোনো ক্ষতি নেই,এতে ক্যাডারদের সম্মানের কোনো কমতি হবেনা তাই ঝামেলা করে লাভ কি?

  48. মোঃ হবিবর রহমান, প্রভাষক, দিনাজপুর। says:

    1) No BCS – No Cadre
    2) No BCS – Yes Cadre
    3) Yes BCS – No Cadre
    4)Yes BCS – Yes Cadre
    উপরের চারটি অপশনের মধ্যে 1নং টিই বাংলাদেশে আইনত বেশি দূর্বল।

  49. মুহাম্মদ শাহ আলম says:

    আন্দোলনকারী শিক্ষক সাহেবরা এমপিও নাকি ননএমপিও আমি জানিনা যদি ননএমপিও হয়ে থাকেন আপনারা এমপিওর জন্য দাবি করেন। আর যদি এমপিওভুক্ত হয়ে থাকেন ভাই প্লিজ আগে সরকারি হোন পরে ক্যাডার ননক্যাডারের চিন্তা করেন।প্লিজ ভাই অহেতুক আন্দোলন করে সরকারিকরন কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত করবেন না।

  50. Mr.masud rana says:

    From 1977 to 31 December 2016 According to 133 and 140 (2)Dhara Cadre but now according to 133 and 140 (2)Dhara Non-Cadre. This is Contradictable Law and British Law such as “Divide and rule”.Honourable High Court direction :if same qualification there is No Obstracle.We Will must go to Honourable High court.

  51. শ্যামল কুমার ঘোষ says:

    প্রচলিত বিধি অনুসরণ করে প্রস্তাবিত কলেজগুলো অবিলম্বে সরকারিকরণ করে প্রজ্ঞাপন জারির জোর দাবি জানাচ্ছি।

  52. মুহাম্মদ শাহ আলম says:

    আন্দোলনকারী স্যারদের বলছি আগে সরকারি হবার দেন । আর যদি ক্যাডার হওয়ার খুব শখ থাকে তবে চাকরি বাদ দিয়ে বি সি এস পরীক্ষা দেন। ক্যাডার কাকে বলে বুঝবেন।

  53. Bijoy Kumar Deb says:

    The Government should curtail Education Cadre.Then all teachers will concentrate on class room activities and the standard of education will be raised overnight.

আপনার মন্তব্য দিন