ক্ষমতাধর দারোয়ানের বিরুদ্ধে ৫২ শিক্ষক - স্কুল - Dainikshiksha


ধানমন্ডি গভ: বয়েজ হাইস্কুলক্ষমতাধর দারোয়ানের বিরুদ্ধে ৫২ শিক্ষক

নিজস্ব প্রতিবেদক |

রাজধানীর ধানমণ্ডি গভ: বয়েজ হাই স্কুলের দুর্নীতিবাজ দারোয়ান (এমএলএসএস) লোকমান হোসেনকে গত বছরের ১০ অক্টোবর আরমানীটোলা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে বদলি করা হয়েছিল। গত ৩ সেপ্টেম্বর দারোয়ান লোকমান হোসেন পুনরায় ধানমণ্ডি গভ: বয়েজ হাই স্কুলে বদলি হয়ে আসেন। টাকার বিনিময়ে শিফট ও ভর্তি বাণিজ্যের দালাল হিসেবে পরিচিত লোকমানের বদলির আদেশের খবর শুনে ক্ষুদ্ধ হয়েছেন উঠেছেন এই প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকরা। দুর্নীতিবাজ লোকমানকে প্রত্যাহারের জন্য মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের কাছে আবেদন করেছেন ৫২শিক্ষক। গতকাল লোকমান যোগদান করতে গেলে বাধার মুখে পড়েন বলে জানা যায়। 

দৈনিক শিক্ষার কাছে পাঠানো অভিযোগে বলা হয়, ২০১৭ খ্রিস্টাব্দের ১০ অক্টোবর ধানমণ্ডি গভ: বয়েজ হাই স্কুলে কর্মরত দারোয়ান (এমএলএসএস) লোকমান হোসেনকে বিভিন্ন অভিযোগের ভিত্তিতে আরমানীটোলা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে বদলি করা হয়েছিল। কিন্তু ২০১৮ খ্রিস্টাব্দের ৩ সেপ্টেম্বর দারোয়ান লোকমানকে পুনরায় ধানমন্ডি বয়েজ হাই স্কুলে বদলি করা হয়।

৫২ জন শিক্ষক স্বাক্ষরিত আবেদনে বলা হয়, দারোয়ান লোকমান হোসেন একজন দালাল হিসেবে ছাত্র শিক্ষক ও অভিভাকদের কাছে সুপরিচিত। বিভিন্ন সময় ভর্তি প্রক্রিয়ায়, শিক্ষার্থীদের শিফট পরিবর্তনসহ অন্যান্য বিষয়ে টাকা লেনদেনের মাধ্যমে বিদ্যালয়ের প্রশাসনকে বিব্রতকর পরিস্থিতিতে ফেলে তদবির করেন তিনি।

বিভিন্ন সময়ে বিসিএস পরীক্ষা ও নিয়োগ পরীক্ষায় উদ্দেশ্যমূলকভাবে আসনবিন্যাস পরিবর্তনসহ পরীক্ষার্থীদের কাছ থেকে টাকার বিনিময়ে নানাভাবে অবৈধ সহযোগিতা করেছেন দারোয়ান লোকমান। বিভিন্ন সময়ে এসব অবৈধ কাজের সাথে বিদ্যালয়ের কিছু কর্মচারী অভিযুক্ত হয়েছেন। এ ধরণের কার্যক্রমের সাথে পূর্ব থেকেই জড়িত থাকার হোতা হিসেবে লোকমানের বিরুদ্ধে অনেক অভিযোগ রয়েছে।

অভিযোগে আরও বলা হয়, বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের সাথে অসৌজন্যমূলক ও ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচরণ করতেন দারোয়ান লোকমান হোসেন। দারোয়ান হিসেবে নিয়োগপ্রাপ্ত হয়েও প্রধান শিক্ষকের পাশের চেয়ারে বসে বিভিন্ন কাজ করতেন লোকমান। তিনি সকল শিক্ষকের সাথে অবজ্ঞা ও শিষ্টাচার বর্হিভূত আচরণ করতেন। একজন দারোয়ান হয়ে এমন বেপরোয়া ও ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচরণে বিদ্যালয়ের সকল শিক্ষক ক্ষুব্ধ। 




পাঠকের মন্তব্য দেখুন
‘শিক্ষকদের অবসর-কল্যাণ সুবিধার তহবিল বন্ধ করে পেনশন চালু করতে হবে’ - dainik shiksha ‘শিক্ষকদের অবসর-কল্যাণ সুবিধার তহবিল বন্ধ করে পেনশন চালু করতে হবে’ প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের প্রথম ধাপের পরীক্ষা ১০ মে - dainik shiksha প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের প্রথম ধাপের পরীক্ষা ১০ মে এসএসসির ফল ৫ বা ৬ মে - dainik shiksha এসএসসির ফল ৫ বা ৬ মে চাঁদা বৃদ্ধির পরও ২১৬ কোটি টাকা বার্ষিক ঘাটতি : শরীফ সাদী - dainik shiksha চাঁদা বৃদ্ধির পরও ২১৬ কোটি টাকা বার্ষিক ঘাটতি : শরীফ সাদী একাদশে ভর্তির নীতিমালা জারি, আবেদন শুরু ১২ মে - dainik shiksha একাদশে ভর্তির নীতিমালা জারি, আবেদন শুরু ১২ মে সেহরি ও ইফতারের সময়সূচি - dainik shiksha সেহরি ও ইফতারের সময়সূচি ২০১৯ খ্র্রিস্টাব্দের স্কুলের ছুটির তালিকা - dainik shiksha ২০১৯ খ্র্রিস্টাব্দের স্কুলের ছুটির তালিকা জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের নামে খোলা সব ফেসবুক পেজই ভুয়া - dainik shiksha জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের নামে খোলা সব ফেসবুক পেজই ভুয়া please click here to view dainikshiksha website