আমাদের সঙ্গে থাকতে দৈনিকশিক্ষাডটকম ফেসবুক পেজে লাইক দিন।


জাতীয়কৃত কলেজ-শিক্ষকদের চাকরিকাল

মাহবুবুল হক ইকবাল | ডিসেম্বর ৭, ২০১৭ | মতামত

জাতীয়করণের তালিকাভুক্ত ২৮৫টি কলেজের শিক্ষকগণ এক বা একাধিক কলেজে চাকরি করলেও কার্যকর চাকরিকাল এমপিওভুক্তির তারিখ থেকে গণনা না করে সরকারিকৃত কলেজে সরকারিকরণের অব্যবহিত পূর্বে একাধিকক্রমে ৪ বছর বা তদুর্ধ্ব চাকরিকালের অর্ধেক গণ্য হবে বলে খসড়া সরকারিকৃত কলেজ-শিক্ষক ও কর্মচারী আত্মীকরণ বিধিমালা ২০১৭-এর ২.৭ নং অনুচ্ছেদে উল্লেখ করা হয়েছে। যদিও ৯.৩ নং অনুচ্ছেদে শিক্ষকদের জ্যেষ্ঠতা নির্ধারণে কোনো জটিলতা দেখা দিলে এই সম্পর্কে প্রয়োজনীয় স্পষ্টীকরণ নির্দেশনা জারির কথা উল্লেখ করা হয়েছে।

জটিলতা দৃশ্যমান। ধরা যাক, জনাব ক x কলেজে এমপিওভুক্ত হয়ে প্রভাষক হিসাবে ১২ বছর চাকরি করে y কলেজের উপাধ্যক্ষ হন। y কলেজে ১০ বছর চাকরি করে z কলেজের অধ্যক্ষ হন। z কলেজটি সদ্য সরকারিকৃত। z কলেজে জনাব ক-এর সরকারিকরণের অব্যবহিত পূর্বে চাকরির বয়স মাত্র ৩ বছর। জনাব ক-এর মোট চাকরির বয়স ৩টি কলেজে ২৫ বছর। কিন্তু ২.৭ অনুচ্ছেদের বিধানমতে জনাব ক-এর প্রথম x এবং দ্বিতীয় y কলেজের ২২ বছরের চাকরি কার্যকর চাকরিকাল হিসাবে গণ্য তো হবেই না উপরন্তু তৃতীয় অর্থাত্ সরকারিকৃত z কলেজে ৪ বছরের কম সময় (মাত্র ৩ বছর) চাকরি করার কারণে তাও গণনা করা হবে না।

অর্থাত্ এই নিয়মে জনাব ক-এর ২৫ বছরের চাকরি ‘কার্যকর চাকরিকাল’ হিসাবে গণ্য হবে শূন্য। আবার জনাব ক-এর সরকারিকরণের অব্যবহিত পরে চাকরি ৫ বছরের কম সময়ের মধ্যে বয়স ৫৯ বছর পূর্ণ হলে তাঁর চাকরি পেনশন যোগ্যও হবে না। মাননীয় শিক্ষামন্ত্রী এক মাসের মধ্যে নতুন আত্মীকরণ বিধিমালা প্রণয়নের কথা জানিয়েছেন। নতুন আত্মীকরণ বিধিমালায় কার্যকর চাকরিকাল গণনার ক্ষেত্রে শিক্ষকদের সরকারিকরণের অব্যবহিত পূর্বের এক বা একাধিক কলেজের চাকরিকাল হিসাবে আনা হলে জ্যেষ্ঠতা নির্ধারণে দৃশ্যমান জটিলতা দূর হবে।

মাহবুবুল হক ইকবাল

কাজীপাড়া লিংক রোড, দক্ষিণ আলেকান্দা, বরিশাল

[মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নন]

মন্তব্যঃ ২৮টি
  1. durmuk speaker(lecturer) says:

    সবগুলো একসাথে সরকারি করে জটিলতা দূর করে ফেলুন।

  2. আমিরুল ইসলাম, বাঞ্ছারামপুর ডিগ্রি কলেজ, বি-বাড়িয়া। says:

    এমপিওতে জ্যাষ্ঠতার বিধি অনুসরণ না করা হলে এমন সমস্যা হবে তা অবশ্যই নিরসন করা উচিত। এমপিওভুক্তির তারিখ থেকে চাকুরিকাল গননা করা উচিত, নয়তো ছাত্র সিনিয়র হয়ে যাবে। এ বিধি কোনক্রমেই মানা যায়না।

  3. আজহারুল ইসলাম says:

    তাহলে যারা বিসিএসে ঢোকার পূর্বে বেসরকারি কলেজ/বিশ্ববিদ্যালয়ে চাকুরি করেছেন তাদের বেসরকারি চাকুরিকাল কেন গণ্য হবেনা? লেখকের যুক্তি অনুযায়ী সেটাও গণ্য করা উচিৎ।

    • মু আমজাদ হোসেন, সহঃ অধ্যাপক, ইংরেজি, কফিল উদ্দিন বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ, লক্ষ্মীপুর । says:

      সেটি তারা তিরিশের পূর্বে করেছেন । এবং হয়তো দু এক বছরের জন্য মাত্র । সেটি বাদ দেয়া হলে কিসস্যূ আসে যায় না । এদিকে একজনের সারা জীবনের চাকরির অভিজ্ঞতা কেটে দিয়ে তাকে শূন্য হাতে বিদায় দেয়ার ব্যবস্থা করা হচ্ছে আর অসুস্থ Superiority Complex এ আক্রান্ত হয়ে এই জঘন্য কাজটিকেই নির্লজ্জের মতো সমর্থন করছেন । ধিক্‌ আপনাকে, আপনাদেরকে !

  4. smarajit ghosh says:

    হয়তো উপজেলা সদরে স্থাপিত কলেজগুলো পুরাতন কিন্তু ফলাফলের বিচারে অধিকাংশ কলেজগুলোর মান খারাপ।তারপরেও কলেজগুলোকে জাতীয়করণের প্রয়াস ভালো।আবার বি,সি,এস ক্যাডাররা সম্পূর্ণ বেসরকারী শিক্ষাব্যবস্থার নিয়োগ এবং মান নিয়ে কথা তুলছেন।যদিও সরকারি কলেজগুলোর থেকে বেসরকারী কলেজগুলোর ফলাফল ভালো।সব মিলিয়ে বেসরকারী সব প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকগণ মানষিক দিক দিয়ে ভালো নেই।তাই মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে আকুল আবেদন সব বেসরকারী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান একবারে জাতীয়করণ করে আমাদের মানষিক চাপ কমাতে সাহায্য করুন।

  5. মাহমুদ says:

    এম পি ও ভুক্তির তারিখ থেকে ৫৯বছর পর্যন্ত বয়স ধরে চাকরি কাল গণনা করা উচিৎ। নতুবা আধ্যক্ষ উপাধ্যক্ষদের সার্ভিস কাউন্ট হবে না।

  6. বাপন কুমার বসু says:

    জনাব আজহারুল ইসলাম, আপনার যুক্তি অবশ্যই সঠিক, তবে লেখকের যুক্তিকে ফেলে দিয়ে নয়।

  7. রফিক , ঘাটাইল , টাংগাইল says:

    এই নিয়মে সরকারি হলে পেনসনে এবং অবসরে কেমন টাকা পাবে তার হিসাবটা কেউ কি করে দেখাবেন?

  8. মো:জিয়াউল হাছান মাসুদ দোল্লাই নোয়াবপুর বিশ্ব বিদ্যালয় চান্দিনা,কুমিল্লা says:

    বিসি এস ক্যাডার করবেনা আবার চাকরি কাল অরধেক কাউন্ট করবেন এটা কি মেনে নেওয়া যায়কিনা,

  9. আমজাদ says:

    জাতীয়করণ কৃত কলেজ ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়এর শিক্ষকদের এম পি ও ভুক্তির তারিখ থেকে চাকরিকাল গননা করা হলে
    , কোর্টে রিট হবে না, অন্যথায় হবে।

  10. আমজাদ says:

    জাতীয় করণকৃত প্রতিষ্ঠানে শিক্ষকদের এমপিও ভুক্তির দিন থেকে চাকরিকাল গগণা করুণ নতুবা কোর্টে রিট হবে।

  11. মোঃ হবিবর রহমান, বীরগঞ্জ কলেজ, দিনাজপুর says:

    সবখানেই মানবাধিকার লংঘন। মামলা মোকদ্দমার ফলে হয়ত অধিকার প্রতিষ্ঠিত হবে। তবে বলতেই হবে শিক্ষকদের উপর চাঁদাবাজির প্রক্রিয়াটি অব্যাহত রাখা হলো।

  12. মোজাহারুল ইসলাম, সহকারী শিক্ষক, বদলগাছী মডেল পাইলট হাইস্কুল,বদলগাছী, নওগাঁ । says:

    যারা ননএমপিও তারা কি জাতীয়করণের আওতায় আসবে? যে কেউ জানলে দয়া করে এটা জানাবেন ।

  13. আমিন says:

    যারা জাতীয়করণ হচ্ছে তারা পৃথিবীর সবচেয়ে সৌভাগ্যবান মানুষ। রাতারাতি জিরো থেকে হিরো। টাকা, মামা, খালু, চাচার জোরে বেসরকারি চাকরিতে যোগদান করে আজ তারা সরকারি চাকুরিজীবী; আ কী মজা! তারা রাজনীতি নামে একটি সাপের মনির ছোঁয়ায় এই অমূল্য ধন পেল। তবে যোগ্যতা নিয়ে কথা বলব না। অমূল্য গুপ্তধনের স্পর্শে দস্তা ও সোনা(আসল সোনা, অন্যটা নয়) হতে বাধ্য। আশ পড়শি সবার উচিত ওদেরকে একটু ছোঁয়া যাতে সৌভাগ্য অন্যদেরকে ও ধরা দেয়।

  14. মো:হারূন উর রশীদ says:

    যেসব কলেজ পুরাতন কলেজ, সেসব কলেজ গুলো একসাথে সরকারি করা উচিত।

  15. H.K. Roy says:

    বর্তমান সরকার কিছু প্রতিষ্টান সরকারী করনের মাধ্যমে শিক্ষকদের মনে আঘাত দিয়েছেন

  16. নাম:আবু কামাল' প্রভাষক-পারখিদিরপুর ডিগ্রি কলেজ,আটঘড়িয়া,পাবনা। says:

    সকল কলেজ একসাথে জাতিয় করণ হলে,শিক্ষার উন্নয়ন ত্বরান্নিত হতো।

  17. আলহাজ্ব আবিয়ার রহমান, সাতক্ষীরা। says:

    সিনিয়রিটি বয়স অনুপাতে হয় নাকি যোগদান না কি সাবজেক্ট অনুযায়ী হয় জানাবেন?

  18. জুলকার নাইন says:

    জঘন্য চিন্তা!

  19. মোঃ জাহিদুল ইসলাম। says:

    “উত্তম নিশ্চিন্তে চলে অধমের সাথে
    তিনিই মধ্যম যিনি চলেন তফাতে।”
    এ প্রবাদবাক্য আমরা কম বেশি সকলেই জানি। মাধ্যমিক পর্যায়ে বাংলা দ্বিতীয় পত্রে ভাবসম্প্রসারণ হিসেবে পরীক্ষায় আসতো আমাদের সময়ে।এখনও মনে হয় ছাত্র-ছাত্রীদেরকে এটা পড়ানো হয়। বিশ্লেষণ হিসেবে আমরা পড়েছি; সমাজে যারা মধ্যম শ্রেণীর লোক তারা সব সময় জাতপাত নিয়ে দুশ্চিন্তাগ্রস্ত থাকে।তারা সমাজে হিসাব নিকাশ করে চলে। অপেক্ষাকৃত কুলীন কারও সাথে চলাফেরা করলে মিশলে তাদের জাত বুঝি চলে যাবে। তাই তাদের থেকে দুরে থাকে। আর মানসিক দৈন্যতা কারণে উচু শ্রেণীর লোকদের সাথেও মিশে না। তারা সব সময় হীনমন্যতায় ভোগে। আজ বিসিএস শিক্ষা ক্যাডার কর্মকর্তাদের আবস্থা সমাজের ঔ মধ্যম স্তরের লোকদের মত হয়েছে। অপেক্ষাকৃত কম যোগ্যতা সম্পন্ন জাতীয়করণের তালিকাভুক্ত কলেজের শিক্ষক সম্প্রদায়কে তাদের জাতে ভিড়ালে বিসিএস ক্যাডার শিক্ষকদের জাত যাওয়ার ভয়ে তারা তটস্থ। তাই তারা রাতের ঘুম হারাম করে দিনের খাওয়া বন্ধ করে কর্মে বিরতি দিয়ে উঠে পরে লেগেছে তাদের জাত টিকাতে। কারণ তাদের জাত অত্যান্ত ঠুনকো বলে মনে করে, হীনমন্যতায় ভোগে কোন কিছুর আঘাতে তাদের জাত যাওয়ার সম্ভাবনা আছে তাদের। এরকম মনোবৃত্তিতে এ হেন আন্দোলনে অবাক হওয়ার কিছু নেই। আর বাঙালির চিরচারিত বৈশিষ্ট পরশ্রীকাতরতা। বাঙালিদেরকে যতই শিক্ষিত করা হোক না কেন তাদের স্বভাব থেকে পরশ্রীকাতরতা দূর করা সম্ভ হবে না। বাঙালী নিজের নাক কেটে হলেও অন্যের যাত্রা ভঙ্গ করবেই। বাঙালি শিক্ষিত হয়েছে বিভিন্ন সময়ে ঘাটে ঘাটে কলোনিয়াল শাসনের অন্তরভুক্ত হয়ে ও তৎকালীন সমাজতান্ত্রিক আন্দোলনের সোভিয়েত ইউনিয়নের ও বিশ্বের অন্যান্য যায়গায় শ্রেণী বৈষম্যের নিগড় ভাঙার আন্দোলন দেখতে দেখতে। এখান থেকেই বাঙালি শিক্ষা নিয়েছে কিভাবে একটা গোষ্ঠির মধ্যে শ্রেণী বৈষম্য তৈরি করে একটা কলোনির মধ্যে জিম্মি করি শাসন শোষন করা যায়। নিজেরা সুবিধা ভোগ করা যায়। একটা সম্প্রদায়কে কিভাবে দলিত করা যায় এখান থেকেই তারা শিক্ষা নিয়েছে। নিজেদেরকে শাসকগোষ্ঠী মনে করলে এরকম পদ্ধতি অবলম্বন করা কারো পক্ষে অসম্ভব নয় নিজেদের অন্যায় আধিপত্য টিকিয়ে রাখার জন্যে। সরকারি কলেজ জাতীয়করণে এই হীন মনোবৃত্তি স্পষ্ট লক্ষনীয়। এ ধরনের বিভেদ তৈরি করলে এখন যেমন সমস্যা দেখা দিচ্ছে ভবিষ্যতে তা আরও বাড়বে। সমস্যাগুলো যেন ভবিষ্যতে মাথাচারা দিয়ে নাউঠে সে জন্য সু পরিকল্পিত উপযুক্ত পদক্ষেপ নেওয়াই বাঞ্চনিয়। বেসরকারী কলেজে জাতীয়করণ হলে শিক্ষক কর্মচারীর চাকরিকাল চার বা তধোর্ধ্ব হলেই কেবল তার অর্ধেক গণনা করা হবে তা কেন? এক কলেজ থেকে অন্য কলেজে চাকরি স্থানান্তর হলে সর্বশেষ কলেজের চাকিরিকাল চার বছর বা তধোর্ধ্ব হলে তার অর্ধেক গণনা করা হবে কেন? এগুলো আসলে কিসের ভিত্তিতে করা হবে? এই চাকরিকালের অর্ধেক বা প্রথম চার বছর কি সে কলেজে যায় নি? সে কলেজে না গিয়ে কি ঘুমিয়ে কাটিয়েছে? এমনিতে এরা পূর্বে থেকে শতভাগ বেতন পেয়ে আসছে না। সম্প্রতিকাল থেকে পেলেও বাসা ভারা, চিকিৎসা ভাতা, ইনক্রিমেন্ট, পদোন্নতি থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। তাদের উপর আবার এই খড়গ এ যেন মরার উপর খরার ঘা। জাতীয়করণের প্রতিস্রুতি পাওয়ায় যা আশা দেখেছিল তা বিভিন্ন মহলের চক্রান্তে যেন আশায় গুড়ে বালি। উদ্ভূত এই সাম্প্রতিক সমস্যা দূরিকরণের জন্য পুরো শিক্ষা ব্যবস্থাকে ক্যাডার বহির্ভূত রাখা অত্যান্ত প্রয়োজন। এখন শিক্ষা ক্যাডারে যে সমস্ত কর্মকর্তা আছে তাদেরকে অন্য ক্যাডারে স্থানান্তর করে পদ খালি থাকা সােপক্ষে।শুন্য পদে সংকুলান না হলে অন্য পদে নিয়োগ দেওয়ার প্রতিস্রুতি দিয়ে ও এস ডি করে রেখে দিয়ে সরকারী কলেজের ও প্রশাসনিক দায়িত্বে কর্মরত ক্যাডার পদগুলো এ যাবৎকালে নিবন্ধন পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের নিয়োগ দিয়ে পুরো শিক্ষা ব্যবস্থা ক্যাডার বহির্ভুত রাখলে সব সমস্যা দূর হবে। বেকার সমস্যা দুর হবে।শিক্ষা ব্যবস্থায় কোন শ্রেণী তৈরি হবে না। হীন মন্যতায় ভোগা শিক্ষা ক্যাডারের সদস্যরা সস্থি পাবে। শিক্ষা ক্যাডারদের কেউ কেউ যদি অন্য ক্যাডারে যেতে রাজি না হয় তবে ঐ সমস্ত শিক্ষকদের ক্যাডার বিহির্ভুত শিক্ষাতেই রাখার ব্যবস্থা রাখতে হবে।

  20. মামুন says:

    জাতীয়করণের পর ৫ বছর চাকরী থাকতে হবে এই আইন কোথায় পাইলেন ?

  21. মামুন says:

    জাতীয়করণের পর ৫ বছর চাকরী থাকতে হবে এই আইন কোথায় পাইলেন ? ১ দিন হলেও ভূতাপেক্ষভাবে পেনশন পাবেন ৷

  22. মোঃ হবিবর রহমান, বীরগঞ্জ কলেজ, দিনাজপুর says:

    আজহারুল ইসলাম সাহেব,
    আপনি যদি যথাযথ কতৃপক্ষের মাধ্যমে পরবর্তী চাকরিতে আসেন অবশ্যই সে সুযোগ পাবেন।

  23. মো: আকতারুজ্জামান says:

    সিনিয়র শিক্ষকগনকে শুন্য হাতে চাকরি হতে অবসরে যেতে হবে । যদিও বে- থাকলে সর্বশেষ স্কেলের নিয়ম অনুযায়ী একটা ভাল পরিমান অর্থ পেত ।

  24. এ টি এম আখতারুজ্জামান, প্রখাষক,ইংরেজি says:

    আরে ভাই, আগে জিও টা হোক। গাছে কাঁঠাল গোঁফে তেল। আদেও বি সি এস শিক্ষা নামক মহা/অতি মানবরা আমাদের জিও হতে দেবে কিনা তাতে যথেষ্ঠ সন্দেহ আছে। এমন এক নিতিমালা, বলিহারি।

  25. এ টি এম আখতারুজ্জামান, প্রভাষক,ইংরেজি says:

    আরে ভাই, আগে জিও টা হোক। গাছে কাঁঠাল গোঁফে তেল। আদেও বি সি এস শিক্ষা নামক মহা/অতি মানবরা আমাদের জিও হতে দেবে কিনা তাতে যথেষ্ঠ সন্দেহ আছে। এমন এক নিতিমালা, বলিহারি।

আপনার মন্তব্য দিন