আমাদের সঙ্গে থাকতে দৈনিকশিক্ষাডটকম ফেসবুক পেজে লাইক দিন।


দুই প্রতিষ্ঠানে চার শিক্ষকের চাকরির তথ্য ফাঁস

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি | আগস্ট ১৩, ২০১৭ | কলেজ

ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ মাহতাব উদ্দীন ডিগ্রি কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আবদুল মজিদ মণ্ডল  অন্যের পায়ে কুড়াল মারলেন। এবার সংবাদ সম্মেলন করে তিনি নিজেই ফাঁস করলেন শহীদ নুর আলী কলেজের তিনজন ও এক সরকারি প্রাথমিক স্কুলের শিক্ষিকাসহ চারজনের একই সঙ্গে মাহতাব উদ্দীন ডিগ্রি কলেজে চাকরি করার ঘটনা। এ নিয়ে কালীগঞ্জে আবার নতুন করে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে। সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মজিদ মণ্ডল জানান, শিক্ষক সুব্রত কুমার নন্দি, তার স্ত্রী মিতা বিশ্বাস, ফাতেমা আক্তার ও অমিত কুমার সেন খণ্ডকালীন নয়, বরং স্থায়ীভাবেই মাহতাব উদ্দীন কলেজে নিয়োগ পেয়েছেন। তবে তারা কলেজ থেকে বেতন পান না।

মজিদ মণ্ডলের ভাষ্যমতে, চার শিক্ষক নিয়মিত কলেজও করেন। এখন প্রশ্ন উঠেছে, তিন কলেজ শিক্ষক সুব্রত কুমার নন্দি, ফাতেমা আক্তার ও অমিত কুমার সেন শহীদ নুর আলী কলেজ থেকে সরকারি বেতন নেন। তাহলে কেন তারা মাহতাব উদ্দীন কলেজে ক্লাস নেবেন। তাহলে কি তারা নুর আলী কলেজকে ফাঁকি দেন? সুব্রত নন্দির স্ত্রী মিতা বিশ্বাস সরকারি প্রাথমিক স্কুলে চাকরি করেন। তিনিও একই সময়ে কীভাবে দুই প্রতিষ্ঠানে ক্লাস নিচ্ছেন? এসব প্রশ্নের উত্তর দিতে পারেননি ভারপ্রাপ্ত মজিদ মণ্ডল। কলেজ থেকে দেওয়া একটি প্রতিবাদ লিপিতেও ওই চার শিক্ষকের নাম ও স্বাক্ষর আছে। এতেই প্রমাণিত হয়, চার শিক্ষক জালিয়াতি, অনিয়ম ও স্বেচ্ছাচারিতার মাধ্যমে দুই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে চাকরি করে সরকারি আইন ভঙ্গ করে যাচ্ছেন।

অবৈধভাবে অধ্যক্ষের চেয়ার দখল, জাতীয়করণ ঘোষণার আগে গোপনে শিক্ষক নিয়োগসহ ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আবদুল মজিদ মণ্ডলের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ উত্থাপিত হয় । এ নিয়ে ব্যাপক সমালোচনা শুরু হলে নিজের চাকরি বাঁচাতে বৃহস্পতিবার এই সংবাদ সম্মেলন ডাকেন মজিদ মণ্ডল।

তিনি দাবি করেন, মাহতাব উদ্দীন ডিগ্রি কলেজে যাদের নিয়োগ দেওয়া হয়েছে তাদের কাছ থেকে কোনো টাকা নেওয়া হয়নি। তিনি অধ্যক্ষ ড. মাহবুবুর রহমানের বিরুদ্ধে একুশ লাখ টাকা আত্মসাতের তথ্য ও তদন্ত প্রতিবেদন তুলে ধরেন।

মন্তব্যঃ ১৬টি
  1. জিয়া রহমান says:

    অনুদান না পেলে কি করবে । জীবনতো বাচাতে হবে।

  2. MD.Zamal uddin says:

    এরাই ভালো ,,,,,,,,,,

  3. ছাদেকুর রহমান says:

    দারুন

  4. কাজী নজরুল ইসলাম্, সহ:শিক্ষক-গণিত,শেখপাড়া মাদ্রাসা -জয়পুরহাট। says:

    এরচেয়ে যারা প্রকাশ্যে অপরাধ করছে।তাদের ব্যবস্তা হওয়া দরকার।

  5. মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান (প্রভাষক), ইংরেজি, দক্ষিণ সুরমা কলেজ, সিলেট । says:

    এক সাথে দুই প্রতিষ্টানে স্থায়ী নিয়োগে চাকরী করে দুই প্রতিষ্ঠান থেকেই বেতন-ভাতা নিচ্ছেন , এ রকম একজন হলেন——- নজির হোসেন (প্রভাষক), যুক্তিবিদ্যা । তিনি এক সাথে দয়ামীর ডিগ্রী কলেজ ও বুরুঙ্গা ইকবাল আহমদ হাই স্কুল এন্ড কলেজ ( ওসমানীনগর, সিলেট ) এ চাকুরী করছেন ।

  6. নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক, কলেজ শিক্ষক says:

    বোঝা গেল আগের এবং বর্তমান ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ উভয়কেই ম্যানেজ করে উক্ত চারজন অন্যত্র চাকরীরত থেকেও মাহাতাব উদ্দিন ডিগ্রী কলেজে চাকরি নিয়েছেন যাতে কলেজ সরকারি হলে সহজেই একটি সরকারী কলেজের অধ্যাপক হয়ে যেতে পারেন। কিন্তু আইনে আছে এমপিওভুক্ত হোক বা না হোক একই সংগে একাধিক প্রতিষ্ঠানে চাকুরি করলে উভয় প্রতিষ্ঠান প্রধান দায়ী থাকবেন। জালিয়াতির আশ্রয় নিলে উক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে শাস্তির ব্যাবস্থা আছে। এরকম অনেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানেই দ্বৈত চাকরির শিক্ষক থাকতে পারে। অচিরেই সরকারের এবিষয়ে তদন্ত করা দরকার।

  7. প্রবির কুমার হওলাদার says:

    সমাজে সবখানে চোর আর বাটপারদের রাজত্ব। মাহাতাব উদ্দিন ডিগ্রী কলেজের চেয়ার দখল করা মজিদ মন্ডল আর শহীদ নুর আলী কলেজের রাশেদ সাত্তার তরু দুটোই গদি দখল করা মানুষ। একজন ড. মাহবুবকে ল্যাং মেরে আরেকজন কায়দা করে ম্যানেজ করে অধ্যক্ষ। এই নপুংশকদের এক সময় বিচারের কাঠগড়ায় দাড়াতে হবে। কারণ তারা উভয় দুর্ণীতি আর প্রথা ভঙ্গের জন্য দায়ী। এক সময় হয়তো স্থানীয় এমপির প্রভাব থাকবে না। তখন ওদের অফিসে অফিসে অডিট কাটতে পায়ের সুতো ছিড়ে যাবে।

  8. আঃ হক says:

    এরাই ভালো মানুষ

  9. শাহ্‌ আলম (চলনবিল থেকে) says:

    এরকম অনেক শিক্ষক আবার অনেক নন এমপিও প্রতিষ্ঠানে বিনা বেতনে দু একটি ক্লাস নিয়ে ছাত্র-ছাত্রীদের উপকার করছেন এই আশায় যে তারা নিম্ন স্কেল থেকে কোন একদিন উচ্চতর স্কেলে এমপিওভুক্ত হবেন। এদের ক্ষেত্রে কি বলবেন? যারা দুই প্রতিষ্ঠান থেকেই সরকারি বেতন নেন তারা অন্যায় করছেন তা সবারই জানা।

  10. Pilot says:

    Job ace salary nai. Salary ace responsibility nai. Its our government working rules.

  11. RASEL, Hajigonj says:

    eta grohonjoggo noy, deshe chakrir jonno nibondon darider hahakar, sekhane tara ekadik protisthane chakri korcen, eta onnay, ovijog sotto hole.tader borkhast kora uchit.

  12. রুবেল গাজী says:

    শিক্ষা খাত দূনীতি বাজদের দখলে।বিচার কি কখনো হবে!হবে না।

  13. Jakir hossain says:

    ঐ চার জনকে চাকরি থেকে চিরস্থায়ী বহিষ্কার করা সহ কঠোর শাস্তি দেয়া হোক।

  14. হুমায়ুন, ধামতী says:

    ফাঁস না হলে হয়ত আরেকটা চাকুরী করার চিন্তা করত একা হয়ে গেল…………..হায়!

  15. ইন্তাজুল ইসলাম says:

    ড মাহবুবুর রহমান একজন অত্যন্ত মেধাবি বুধিমান ও জ্ঞানি মানুষ।
    তাকে ষড়যন্ত্রমুলকভাবে , স্বার্থ চরিতার্থ করার জন্য সরানো হয়েছে।
    আমরা তার স্বপদে বহাল দেখতে চাই।

আপনার মন্তব্য দিন