আমাদের সঙ্গে থাকতে দৈনিকশিক্ষাডটকম ফেসবুক পেজে লাইক দিন।


প্রাথমিকে ২৬ হাজার শিক্ষক নিয়োগ শিগগিরই

নিজস্ব প্রতিবেদক | অক্টোবর ১২, ২০১৭ | আবশ্যক

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিগগিরই ২৬ হাজার সহকারী শিক্ষক নিয়োগ দেয়া হবে। ইতোমধ্যে শিক্ষক নিয়োগে নতুন পদ সৃষ্টি করা হয়েছে। আগামী তিন মাস পরে নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু হবে। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

সূত্র জানায়, ইতোমধ্যে জাতীয়করণের দুটি ধাপে গেজেট প্রকাশ করা হয়েছে। তৃতীয় ধাপে শিক্ষকদের গেজেট প্রকাশের কাজ শেষ পর্যায়ে। নভেম্বরে তা প্রকাশ করা হবে। এ ধাপে বিভিন্ন জেলার ৫৭০টি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে। প্রতিটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চারজন করে শিক্ষক রয়েছেন। তৃতীয় ধাপের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে ইউএনডিপির আওতাভুক্ত তিন পার্বত্য জেলার ৩১০ বিদ্যালয়ের শিক্ষকরাও। গত ২৯ এপ্রিল তৃতীয় ধাপের খসড়া গেজেট প্রকাশ করা হয়।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব এফ এম মনজুর কাদির  বলেন, সম্প্রতি জাতীয়করণকৃত ২৬ হাজার ১৯৩টি বিদ্যালয়ে চারজন শিক্ষকের পদ রয়েছে। নতুন আরও একজন করে সহকারী শিক্ষকের পদ সৃষ্টি করা হয়েছে। প্রতিটি স্কুলে একজন করে সহকারী শিক্ষক নিয়োগ দেয়া হবে।

তিনি বলেন, প্রাক-প্রাথমিক স্কুলে শিক্ষকতার মান বাড়াতে জাতীয়করণকৃত স্কুলগুলোতে চার থেকে পাঁচজন শিক্ষকের পদ সৃষ্টি করা হয়েছে। এসব পদে নতুনভাবে নিয়োগ দেয়া হবে। দ্রুতই এ নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু করা হবে।

নিয়োগ সংক্রান্ত বিষয়ে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত মহাপরিচালক মো. রমজান আলী বলেন, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় জাতীয়করণকৃত বিদ্যালয়ে সৃষ্ট পদের তালিকা চূড়ান্ত করেছে। শিক্ষক তালিকা তৈরি করতে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় সেটি আমাদের কাছে পাঠিয়েছে। আমরা তালিকা তৈরির কাজ শেষ করেছি। আগামী সপ্তাহে সে তালিকা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে।

মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব এফ এম মনজুর কাদির বলেন, অধিদফতর থেকে শিক্ষকদের তালিকা আসলে আমরা তা আবারও জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়ে দেব। সেখান থেকে পাস হলে অর্থ ছাড়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন পেলেই ২৬ হাজার ১৯৫ স্কুলে শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু করা হবে।

উল্লেখ্য, ২০১৩ সালে সরকার ২৬ হাজার ১৯৩টি বিদ্যালয় জাতীয়করণের ঘোষণা দেয়। এসব বিদ্যালয়ে ১ লাখ ৩৮৪৫ শিক্ষকের চাকরি তিন ধাপে জাতীয়করণের সিদ্ধান্ত হয়। এর মধ্যে প্রথম ধাপের শিক্ষকদের চাকরি ২০১৩ সালের জানুয়ারি থেকে, দ্বিতীয় ধাপের ২০১৩ সালের জুলাই থেকে এবং তৃতীয় ধাপের শিক্ষকদের চাকরি ২০১৪ সালের জানুয়ারি থেকে জাতীয়করণের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

মন্তব্যঃ ৩৮টি
  1. মুন্নাফ হোসেন, সহকারী শিক্ষক(ইংরেজী), মোহাম্মদনগর উচ্চ বিদ্যালয়, ফুলবাড়ীয়া, ময়মনসিংহ। says:

    good job…..

  2. Shibubrata Mandal,Assistant Teacher (Math & Science) at Betmore Rajpara High School, Mathbaria, Pirojpur. says:

    For quality education higher authority should recruit meritorious students as teacher.

  3. আনজির হুসাইন says:

    প্রধান শিক্ষক নিয়োগ কবে নাগাদ হবে।

  4. এন. আযাদ আবু, অধ্যক্ষ, কিশোরপুর কিন্ডারগার্টেন..., সাতদরগাহ্, উলিপুর, কুড়িগ্রাম। says:

    ৪র্থ ধাপের কী হবে।

  5. অাবদুর রাজ্জাক সহঃশিক্ষক,চর অালগী ইছামুদ্দীন উচ্চ বিদ্যালয় বৈরাগীরচর,কটিয়াদী কিশোরগঞ্জ। says:

    প্রতিটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ইসলাম ধর্ম বিষয়ে শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হোক।তাহলে নৈতিক চরিত্র গঠনে সহায়ক হবে ইনশাল্লাহ।

  6. আব্দুর রউফ,উল্লাপাড়া,সিরাজগঞ্জ। says:

    good news

  7. এ কে এম সাদিকুল হক says:

    এ কথা শুনতে শুনতে বছর পার | জানি না একটা ফাইল অনুমোদন দিতে ১ টা বছর লাগে এই দেশে|

  8. আতিকুর রহমান, বগুড়া says:

    Good job……

  9. সিদ্দিকুর রহমান লেখক ও উপন্যাসিক দিরাই সুনামগঞ্জ says:

    ভালো সংবাদ, নিবন্ধন ধারীদের মধ্যে থেকে মেধা তালিকা অনুযায়ী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগ দিলেই হয়ে যায়। একদিকে পরীক্ষার ঝামেলা পেতে হবেনা, অন্য দিকে নিবন্ধন সনদধারীরাও বেকারত্বের অভিশাপ থেকে মুক্তি পেল। বিদ্যালয় গুলো মানসম্মত শিক্ষক পেল।

  10. মোঃ আলিমুল রেজা।মাহামুদপুর আজিজিয়া ফাজিল মাদরাসা।ধামইরহাট,নওগাঁ। says:

    Very good news.

  11. মাহাবুর says:

    ২০১৪ সালে যারা আবেদন করেছিল তাদের এখনও কোন পরিক্ষা হয়নি। কবে নাগাদ পরিক্ষা হতে পারে বা আদৌ হবে কিনা আপনারা যদি বিষয়টি গুরুত্ত্ব সহকারে খোজখবর নিয়ে জানাতেন তাহলে আমার মত হাজার হাজার বেকারদের উপকার হত।

  12. সরল রায় says:

    নিবন্ধন ধারিদের প্রাইমারী তে নিয়োগ দিলে হাইকর্ট এ মামলা গুলোর কিছুটা সমাধান হয়।কিন্তু এই ব্যাবস্থা করার মত কোন সহৃদয় বান ব্যাক্তি দেশে আছে কি না সন্দেহ ।

  13. আব্দুল মান্নান ১২তম নিবন্ধন ধারী says:

    আমার অনেক দিনের স্বপ্ন প্রাইমারির শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করার। মনে হয় স্বপ্ন সত্যি হতে যাচ্ছ

  14. আলহাজ্ব মুহাম্মদ আব্দুর রউফ says:

    আশা করা যায় এতে অনেক বেকার সমস্যার সমাধা হবে ।

  15. md shahidul islam says:

    নিবন্ধন ধারীদের নিয়োগ দিলে প্রতিষ্টান ভাল শিক্ষক পাবে।

  16. ডি এম নাসিম রউফ কলেজ মানিকগঞ্জ says:

    শুধু প্রাথমিক বিদ্যালয় নয়, সমগ্র শিক্ষা ব্যাবস্থার জন্য আলাদা শিক্ষা সার্ভিস কমিশন চাই।

  17. md. billal hossain says:

    আমার চাকরি নেওয়ার বয়স চলতি মাসে শেষ।
    ২০১৪ সালে প্রাইমারীতে একটি আবেদন আছে যার পরীক্ষা হয় নি।যানি না এটা আপনাদের মনে আছে কি না। এদিকে ict পদে নিয়োগ পেয়েও বেতন পাচ্ছিনা।

  18. md.manirul islam says:

    Beyond question it’s a good news but we may want it fairly. Most of the in adept candidate are appointed as a teacher for primary institutions. In this circumstance, those who have ability, the don’t get chance for this post. Because in adept candidate commit illegal task by giving bribe and they buy this post.

  19. মুহাঃ সাইফুল্লহ্ বিন জাকারিয়া. পিরোজপুর,মঠবাড়ীয়া says:

    আইসিটি শিক্ষকদের এমপিওভুক্ত করুণ

  20. মোঃ শাহিন কবির, সহকারি শিক্ষক, জামিরবাড়ীয়া খোদেজা হামিদ উচ্চ বিদ্যালয়, গাবতলী , বগুড়া। says:

    এখন মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষা ব্যাবস্থা জাতীয়করণ করুন।

  21. Latifur Rahman says:

    অনেক আগে থেকেই এ কাহিনী শুনে আসিতেছি।

  22. শেখ তাহের says:

    এই একই কথা সারা বছর শুনলাম

  23. Mohit Ray, Shariatpur, Char Filiz Joynob High School & College says:

    Good news.

  24. mosharraf hossain says:

    শিক্ষার মান উন্নয়নে অতি দ্রুত শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হোক।

  25. এম জেড খান says:

    আপনার মন্তব্য
    আমাদের দেশে অধিকাংশ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে আই সি টি পরিচালনার জন্য মান সম্মত ল্যাপটপ নাই, তাহলে আই সি টি ক্লাস নিব কি করে?

  26. বেকার জহির, রাজবারি সদর, রাজবাড়ি। says:

    খুব ভাল খবর তবে ২০১৪ সালের নিয়োগ পরিক্ষার এখনও কোন খবর নাই অথচ আবার নতুন করে সার্কুলার দেওয়া হচ্ছে। এটার একটা সমাধান চাই। না হয় চাকরিতে প্রবেশের বয়স ৩৫ করে সার্কুলার দিতে হবে।
    দৈনিক শিক্ষাকে অনুরোধ করছি বিষয়টি তুলে ধরার জন্য।

  27. বেকার জহির, রাজবারি সদর, রাজবাড়ি। says:

    প্রাথমিক বিদ্যালয়েও এখন কম্পিউটার শিক্ষক অতি জরুরি প্রয়োজন তা না হলে প্রাইমারি স্কুলগুলো যুগের সাথে তালমিলিয়ে চলতে না পেরে পিছনেই পড়ে থাকবে বা স্লো কাজ করবে। তাই সার্কুলারে কম্পিউটার জানা প্রার্থীদেরকে অগ্রাধিকার দিতে হবে।
    আরেকটু ভালো হবে যদি কম্পিউটারে যারা নিবন্ধন করে বেকার হয়ে বসে আছে তাদেরকে প্রাইমারিতে নিয়োগ দেওয়া উচিত। এতে বেকারত্ত্ব কমবে, সবাই কম্পিউটার শিক্ষার প্রতি বেশি আগ্রহ হবে, প্রাইমারি শিক্ষা আরও এগিয়ে যাবে। আর এই রকম একজন কম্পিউটারে নিবন্ধন ধারীকে প্রাইমারিতে নিয়োগ দিলে স্কুলের অন্য সকল শিক্ষক কম্পিউটার শেখার সুযোগ পাবে। বিষয়টি বিবেচনা করার জন্য অনুরোধ করছি।

আপনার মন্তব্য দিন