র‌্যাগিংয়ের দায়ে ৭ মেডিকেল শিক্ষার্থী বহিষ্কার - মেডিকেল ও কারিগরি - দৈনিকশিক্ষা


র‌্যাগিংয়ের দায়ে ৭ মেডিকেল শিক্ষার্থী বহিষ্কার

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি |

র‌্যাগিং ও শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগে সাতক্ষীরা মেডিকেলের সাত শিক্ষার্থীকে ছয় মাসের জন্য বহিষ্কার ও ১১ শিক্ষার্থীকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। মেডিকেল কলেজের একাডেমিক কাউন্সিল ও শৃংখলা কমিটির জরুরি সভায় ১৭ মার্চ এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

বহিষ্কৃত শিক্ষার্থীরা হলেন, এমবিবিএস দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী অনিক সাহা, জয় সরকার, মোহাম্মদ হানিফ, মাহফুজা ইসলাম দিনা, প্রেয়সী রাণী রায়, ফারহা শামান্ত রহমান ও শারমিন ফাহরিয়া।

জানা গেছে, মেডিকেল কলেজে গত ৯, ১০, ১১ ও ১২ জানুয়ারি নতুন ভর্তি হওয়া প্রথম বর্ষের এমবিবিএস শিক্ষার্থীদের র‌্যাগিং করেন দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষর্থীরা। নতুন এসব শিক্ষর্থীদের শারীরিক ও মানষিক নির্যাতন করা হয়। বিষয়টি প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থীরা কলেজ কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযোগ করেন। এ ঘটনায় ১৫ জানুয়ারি মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর ডা. কাজী হাবিবুর রহমান কলেজের অর্থোপেডিক সার্জারি বিভাগের প্রধান ডা. এএইচ এস.এম কামরুজ্জামান ও শিশু বিশেষজ্ঞ ডা. খান গোলাম মোস্তফাকে সদস্য সচিব করে আট সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেন। দীর্ঘ তদন্ত করে গত ৯ মার্চ ১৮ শিক্ষার্থীকে দোষী সাব্যস্ত করে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেয় কমিটি।

পরবর্তীতে ১৭ মার্চ কলেজের একাডেমিক কাউন্সিল ও শৃংখলা কমিটি একটি জরুরি সভায় অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় ১৮ জন শিক্ষার্থীকে বিভিন্ন মেয়াদে শাস্তি প্রদান করে। এরমধ্যে সাত শিক্ষার্থীকে শিক্ষা কার্যক্রম স্থগিত করে ছয় মাসের জন্য বহিষ্কার করা হয়। বাকি ১১ শিক্ষার্থীকে পাঁচ হাজার টাকা করে জরিমানা করে সতর্ক করা হয়।

সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর ডা. কাজী হাবিবুর রহমান জানান, র‌্যাগিংয়ের সঙ্গে জড়িত ও শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় চার ছাত্রী ও তিন ছাত্রকে ছয় মাসের জন্য বহিষ্কার করা হয়েছে। বহিষ্কৃত এসব শিক্ষার্থীদেরকে কলেজ হোস্টেল ছাড়তে বলা হয়েছে। তাদের একাডেমিক সকল কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এছাড়া ১১ শিক্ষার্থীকে পাঁচ হাজার টাকা করে জরিমানা করে সতর্ক করা হয়েছে।

তিনি বলেন, ভবিষ্যতে কলেজে যে এ ধরনের কার্যক্রম যেন না হয় সেজন্য সকল শিক্ষার্থীকে সতর্ক করা হয়েছে। কলেজে কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা সহ্য করা হবে না।




পাঠকের মন্তব্য দেখুন
প্যানেলে শিক্ষক নিয়োগে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ দাবি - dainik shiksha প্যানেলে শিক্ষক নিয়োগে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ দাবি ‘টেনশনে’ হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে আহমদ শফীর মৃত্যু, দাবি ছেলের - dainik shiksha ‘টেনশনে’ হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে আহমদ শফীর মৃত্যু, দাবি ছেলের শিক্ষা জাতীয়করণে কার বেশি লাভ? - dainik shiksha শিক্ষা জাতীয়করণে কার বেশি লাভ? ২৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সংসদ টিভিতে ডিপ্লোমা-ভোকেশনাল ক্লাসের রুটিন - dainik shiksha ২৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সংসদ টিভিতে ডিপ্লোমা-ভোকেশনাল ক্লাসের রুটিন চাকরি সরকারি অবসর বেসরকারি: সরকারিকৃত কলেজ শিক্ষকদের বোবাকান্না - dainik shiksha চাকরি সরকারি অবসর বেসরকারি: সরকারিকৃত কলেজ শিক্ষকদের বোবাকান্না হাটহাজারী মাদরাসা পরিচালনায় সিনিয়র ৩ শিক্ষক - dainik shiksha হাটহাজারী মাদরাসা পরিচালনায় সিনিয়র ৩ শিক্ষক শিক্ষার ক্ষতি পোষাতে বিশেষ প্রকল্প - dainik shiksha শিক্ষার ক্ষতি পোষাতে বিশেষ প্রকল্প please click here to view dainikshiksha website