শিক্ষক আন্দোলন ও প্রাপ্তির হিসেব নিকেশ - মতামত - Dainikshiksha


শিক্ষক আন্দোলন ও প্রাপ্তির হিসেব নিকেশ

অধ্যক্ষ মুজম্মিল আলী |

অতি সম্প্রতি দেশে দু'টো সফল আন্দোলন আমরা প্রত্যক্ষ করেছি । একটি কোটার আর অন্যটি নিরাপদ সড়কের । এ দু'টো আন্দোলন কেবল দেশের মানুষকে আলোড়িত করেনি। সারা পৃথিবীকে তাক লাগিয়ে দিয়েছে । কোটা আন্দোলন ও নিরাপদ সড়কের আন্দোলন থেকে আমাদের শেখার অনেক কিছু আছে । এ দু'টো আন্দোলন আমাদের দেখিয়ে দিয়েছে কীভাবে ন্যায়সঙ্গত ও ন্যায়ত যে কোনো দাবি স্বতঃস্ফুর্ততা লাভ করে সাফল্যের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে থাকে । আমাদের প্রিয় মাতৃভুমি চিরসবুজের বাংলাদেশ বরাবর  আন্দোলন সংগ্রামের এক উর্বর সুতিকাগারই শুধু নয় ,  সফল পরিসমাপ্তির তীর্থস্থান ও বটে । 

ভাষা আন্দোলন , উনসত্তরের গণজোয়ার , মহান মুক্তিযুদ্ধের মতো গৌরবমন্ডিত আন্দোলন পৃথিবীর আর কোথায় ,কখন সংগঠিত হতে পেরেছে ?     দেশে শিক্ষক আন্দোলনের ইতিহাস ও ঐতিহ্যকে খাটো করে দেখার অবকাশ নেই । ভাষা আন্দোলন , গণ অভ্যুত্থান ও মুক্তিযুদ্ধে যেমন শিক্ষক সমাজের সগৌরব উপস্থিতি ও অংশগ্রহণ ছিলো তেমনি নিজেদের পেশাগত দাবি দাওয়া আদায়ের আন্দোলন সংগ্রামে আপোষহীন মনোভাব , ইস্পাত কঠিন সুদৃঢ় ঐক্য ও নির্লোভ পেশাদারী নেতৃত্ব বার বার তাদের সাফল্যের প্রান্তসীমায় পৌঁছে দিয়েছে। আজকের এ লেখার প্রতিপাদ্য মুলতঃ বেসরকারি স্কুল কলেজের শিক্ষক আন্দোলন প্রসঙ্গে । 

আজকের অবস্থানে এসে পৌঁছুতে তাদের পর্যায়ক্রমে ধাপে ধাপে বহু কাঠখড় পোড়াতে হয়েছে । আন্দোলন সংগ্রামের ধারাবাহিকতায় তারা এখন শত ভাগ স্কেলে বেতন পেয়ে থাকেন । একসময় কুড়ি-পঁচিশ টাকা মাত্র গ্রান্ট ছিলো । দু'তিন মাস জমিয়ে এক সাথে পঞ্চাশ বা পঁচাত্তর পেতেন  । অবশেষে একদিন তারা স্কেলের মুখটি দেখতে পেলেন । স্কেলের ষাট  , সত্তুর , আশি , নব্বই শতাংশ করে করে আজ শত ভাগ । এক সময় এটিকে 'অনুদান' বলে উপহাস করা হতো । এখন সেটি 'বেতন ভাতার সরকারি অংশ' । 

অবশ্য এখনো কেউ কেউ খেয়ালে অথবা বেখেয়ালে 'অনুদান'র অনুশীলন করতে চান । মর্যাদার জন্যে অনুদানের পরিবর্তে এ শব্দগুলো প্রতিস্থাপন করাতে ও শিক্ষকদের আন্দোলন সংগ্রাম কম করতে হয়নি । নিজেদের ব্যাংক একাউন্ট ছিলো না।সবার টাকা একটিমাত্র একাউন্টে আসতো । সেটি ছিল প্রতিষ্ঠানের একাউন্টে । বাড়ি ভাড়া ও চিকিৎসা ভাতার নামে কিছুই ছিলো না । আজ যেটুকু যা পাওয়া গেছে দ্বিগুণ (!)  পাঁচগুণ (!) যে যা বলেন না কেন তা ও শিক্ষকদের ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন ও তাদের যোগ্য নেতৃত্বের কারণে সম্ভব হয়েছে । 

একটা সময় ঈদ বোনাস তো এক পাই কিংবা এক আনাও ছিলো না । সিকি ভাগ আর যাই  যেটুকু পাওয়া গেছে সে কেবল আন্দোলন সংগ্রামের ফসল । এক সময় বয়স পেরুলে ছাতি আর লাঠি নিয়ে শিক্ষকদের বাড়ি ফিরে যেতে হতো । সেটি আর এখন নেই । আজ অবসর সুবিধা ও কল্যাণ ট্রাস্ট তাদের জন্যে অন্ততঃ শেষ বয়সের একটু হলে ও ভরসার জায়গা । সে সব কী এমনি এমনি পাওয়া ? নতুন প্রজন্মের অনেক শিক্ষক এসব জানেন না । তাদের জানার কথা ও নয় । বেসরকারি স্কুল-কলেজের শিক্ষকরা আন্দোলন সংগ্রাম ছাড়া কোনদিন কোনো কিছু পেয়েছেন বলে আমার জানা নেই ।                                     
বেসরকারি স্কুল-কলেজের শিক্ষকদের আন্দোলন সংগ্রামে আজকাল  আগের সে গতি এখন নেই । সিকি আনা ঈদ বোনাস বেসরকারি শিক্ষদের জন্যে নির্লজ্জ উপহাস । বাড়ি ভাড়া এক হাজার দিয়ে উঠোন ভাড়া ও পাওয়া মুশকিল । বদলি-পদোন্নতি কিচ্ছু নেই। টাইমস্কেল উঠিয়ে দেয়া হয়েছে । ইনক্রিমেন্ট দেবার নাম গন্ধ নেই । নামকা ওয়াস্তে যেটি ছিল সেটি ও এখন মরহুম । বোশেখি ভাতা যেন বেসরকারি শিক্ষকদের জন্যে চার মাজহাবে হারাম হয়ে আছে । চিকিৎসা ভাতার নামে যেটি দেয়া হয় তা দিয়ে কবিরাজি কিংবা হোমিও চিকিৎসা ও চালানো ভার । আজকাল মসজিদের ইমাম থেকে ও একটু তেল পড়া, তাবিজ কিংবা ফু নিলে  কম করে পাঁচশ' টাকা হাদিয়া দেয়া লাগে ।  অবসর ও কল্যাণ ট্রাস্টের নামে বয়স্ক মুরুব্বি স্যারদের সাথে কত রকমের দুরাচার ও দুর্ব্যবহার করা হয় সে খবর অনেকেরই অজানা । 

বর্তমান সময়ে বেসরকারি শিক্ষকরা বৈষম্য ও বঞ্চনার যেরুপ শিকার হয়ে আছেন এর আগে অতীতে কখনো এরুপ হননি । সে সব বঞ্চনা নিয়ে কোনো ফলপ্রসু আন্দোলন শিক্ষকরা সরকারের শেষ সময়টাতে এসে ও করতে পারেননি । এর কারণ আজ খতিয়ে দেখা একান্ত অপরিহার্য হয়ে ওঠেছে । বোশেখি ভাতা , ৫ শতাংশ ইনক্রিমেন্ট ও শতভাগ বোনাস এবং সর্বোপরি জাতীয়করণের মতো ইস্যুতে ও আন্দোলন জমি জমি করে ও জমে ওঠতে পারেনি । এর দায় কী কারো নেই ? এতো সব গুরুত্বপুর্ণ ইস্যু এবং আন্দোলন করে দাবি আদায়ের একটা উপযুক্ত সময় ও পরিবেশ পেয়ে ও বেসরকারি শিক্ষকরা এই ক' বছরে এক ইঞ্চি দাবি ও কেন আদায় করতে পারেননি সে বিষয়টি খতিয়ে দেখার জন্যে আজকের এ ক্ষুদ্র প্রয়াস।

 শিক্ষকদের মধ্যে অনৈক্য ও বিভক্তি এবং নেতৃত্বের স্বার্থপরতার কারণে দেশের সাধারণ শিক্ষকরা আজ চরমভাবে হতাশ হয়েছেন ।আগেকার সময়ের মতো বেসরকারি শিক্ষক সমাজের মধ্যে যেমন ঐক্য নেই , তেমনি নিঃস্বার্থ শিক্ষক নেতা আজ খুঁজে পাওয়া কঠিন । আজ শিক্ষা ও শিক্ষক বান্ধব নেতার অভাবে কেবল শিক্ষকরাই নন দেশের শিক্ষা ব্যবস্থা ও নানা ভাবে মার খেয়ে চলেছে । দেশে বেসরকারি শিক্ষকদের মোট কতটি সংগঠন আছে সেটির সঠিক হিসেব মনে হয় কারো জানা নেই । শিক্ষক নেতাদের কথা কী আর বলবো ?  বেশিরভাগ ক্ষেত্রে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকরা সমিতির ও সংগঠনের সভাপতি নয়তো সেক্রেটারী । ইনক্রিমেন্ট কিংবা বোনাসে তাদের কিছু যায় আসে না । জাতীয়করণে তাদের কী লাভ ?  পদ-পদবীটাই তাদের সব । তাই অনেকে পদ আঁকড়ে বসে আছেন । সাধারণ শিক্ষকরা তাদের কিছু বলতে ও পারেন না আবার সইতে ও পারেন না । এ হয়েছে এক বড় সমস্যা । আরেক সমস্যার কথা বলি । শিক্ষক নেতাদের অনেকেই কেউ আওয়ামী লীগ , কেউ বিএনপি , কেউ জামাত, কেউ জাতীয় পার্টি । মনে মনে যে কেউ যে কোনো দল সমর্থন করতেই পারে । কিন্তু , আমাদের অনেক শিক্ষক নেতা শুধু মনে মনে নন । মাঠে ময়দানে মরিয়া হয়ে আওয়ামী লীগ না হয় বিএনপির জন্যে কাজ করেন । তারা মার্কা মারা বলে তাদের দেয়া কোনো কর্মসুচিই সার্বজনীনতা কিংবা গ্রহণযোগ্যতা অর্জন করতে পারে না । দিনে দিনে তাদের স্বার্থটা বড় হয়ে সবার কাছে ধরা পড়ে । মাঠে মারা পড়ে শিক্ষক আন্দোলন । সাধারণ শিক্ষকরা খালি হাতে ঘরে ফেরেন । এ রকম অনেকবার হয়েছে । জাতীয় কিংবা স্থানীয় নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন ও সমর্থন পাবার জন্যে এসব নেতারা সাধারণ শিক্ষকদের ব্যবহার করেন । অমুক দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত ঘরে ফিরবো না, তমুক দাবি আদায় না হলে বাড়ি ফিরবো না বলে সাধারণ শিক্ষকদের রাজপথে  নামিয়ে নিজেদের মতলব হাসিলের পাঁয়তারা করেন। 

সাধারণ শিক্ষকদের রাজপথে রেখে একদিন চুপি চুপি তারা নিজেদের বাড়ি ঘরে ফিরে যান ঠিকই । নিজেদের কোনো নেতা কিংবা সামান্য ঊর্ধতন কাউকে দিয়ে এক- আধ গেলাস পানি অথবা শরবত খাইয়ে সাধারণ শিক্ষকদের ঘর বাড়িমুখো করে দিয়ে নিজেদের ফেসবুকে শরবত খাওয়ানোর দৃশ্য ও মিথ্যে আশ্বাসের ঝুড়ি আপলোড করে ভাইরাল হবার চেষ্টা দৃশ্যত প্রতীয়মান হয় । লাইক ,কমেন্ট ও শেয়ার দেখাতে দেখাতে একদিন সে সব দৃশ্য ফেসবুকেই অদৃশ্য হয়ে যায় । সাধারণ শিক্ষকরা এসব ধান্ধাবাজি আপাততঃ এক আধটু বুঝতে পারলে ও এক সময় সব ভুলে গিয়ে নিজ কর্তব্য কাজে লেগে পড়েন । সাম্প্রতিক এক দু'বছর ধরে বেসরকারি শিক্ষকদের কতো কর্মসুচি এভাবে মাঠে মারা গিয়েছে সে খবর কেবল শিক্ষক নেতারাই বলতে পারেন ।                                     

আরেকটি বিষয় আছে । জেলায় উপজেলায় প্রতিষ্ঠান প্রধানরাই শিক্ষক নেতা । কেন্দ্রীয় পর্যায়ে তো তাই বটে । কমিটি, প্রশাসন , এমপি ও মন্ত্রী-মিনিস্টারদের কাছে নানা ভাবে তাদের ধরা খাওয়া আছে । তাদের নেতৃত্বে আন্দোলন কিংবা যে কোনো কর্মসুচি অনেক সময় মাঝ পথে ছন্দ হারিয়ে ফেলে । কমিটি , প্রশাসন কিংবা মন্ত্রী, এমপিরা আন্দোলনের লাগাম টেনে ধরলে এসব নেতাদের অনেকের তখন করার আর কিছু থাকে না । আরেকটা বিষয়ে সকলে একমত না হয়ে উপায় নেই । সেটি হলো শহরের স্কুল-কলেজ সমুহের আর্থিক স্বচ্ছলতার বিষয়। প্রায় স্কুল-কলেজের ফান্ড কোটি কোটি টাকা । সম্পদ ও তাদের বিস্তর । এরা শিক্ষক-কর্মচারীদের সরকারি হিসেবে বাড়ি ভাড়া , বোনাস, চিকিৎসা ভাতা , ইনক্রিমেন্ট, বোশেখি ভাতা, পিভি সবই দিয়ে থাকে । এসব প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের ইনক্রিমেন্ট, বোশেখি ভাতা এমনকি জাতীয়করণের আন্দোলনে কতটুকু আগ্রহ থাকতে পারে , সে আজ আরেক বড় প্রশ্ন । 

দেশের ৯৮ শতাংশ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান যেমন বেসরকারি তেমনি ৯৫ শতাংশ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গাঁও-গ্রামে অবস্থিত । এদের দৈন্যদশা । এরা অনেকে তাদের শিক্ষকদের অন্য কিছু দেয়া দুরে থাক , নিয়মিত প্রাতিষ্ঠানিক বেতনের অংশটুকু ও দিতে পারে না । গ্রাম ও মফঃস্বলের বেশির ভাগ শিক্ষকের দিন লিপিটা অনেকের অজানা । তাদের কষ্টের সীমা নেই । গাঁও গেরামে ও এখন জীবন যাত্রার মান অনেক বেড়েছে । বাড়তি এ জীবন যাত্রার মানের সাথে খাঁপ খেতে গিয়ে অনেক শিক্ষকের জীবন আজ পিষ্ঠ হয়ে যাচ্ছে । তাই যে কোনো শিক্ষক আন্দোলন বা শিক্ষকদের কর্মসুচি গ্রামের বা মফঃস্বলের শিক্ষকদের যেমন বেশি আন্দোলিত করে তেমনি আন্দোলনটি যখন মাঠে মারা পড়ে তখন তারাই সর্বাধিক ব্যথিত হয়ে থাকেন ।

সরকারের শেষ সময়টাতে একটা সফল সুন্দর আন্দোলন কর্মসুচি দিয়ে বেসরকারি শিক্ষকরা নিজেদের দাবি দাওয়া অনেকটাই আদায় করে নিতে পারতেন । তাতে কেবল শিক্ষকরা নয় , গোটা জাতি উপকৃত হবার অবারিত সুযোগ হতো । আমরা কেবলি পিছিয়েই রইলাম ।                                 

লেখক: অধ্যক্ষ , চরিপাড়া উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ , কানাইঘাট , সিলেট ও দৈনিক শিক্ষার নিজস্ব সংবাদ বিশ্লেষক। 




পাঠকের মন্তব্য দেখুন
এইচএসসির টেস্ট পরীক্ষার ফল ১০ ডিসেম্বরের মধ্যে প্রকাশের নির্দেশ - dainik shiksha এইচএসসির টেস্ট পরীক্ষার ফল ১০ ডিসেম্বরের মধ্যে প্রকাশের নির্দেশ ১ জুলাই থেকে পাঁচ শতাংশ ইনক্রিমেন্ট কার্যকরের আদেশ অর্থ মন্ত্রণালয়ের - dainik shiksha ১ জুলাই থেকে পাঁচ শতাংশ ইনক্রিমেন্ট কার্যকরের আদেশ অর্থ মন্ত্রণালয়ের বিজয় দিবসে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ক্রীড়া প্রতিযোগিতার নির্দেশ - dainik shiksha বিজয় দিবসে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ক্রীড়া প্রতিযোগিতার নির্দেশ স্ত্রীর মৃত্যুতে আজীবন পেনশন পাবেন স্বামী - dainik shiksha স্ত্রীর মৃত্যুতে আজীবন পেনশন পাবেন স্বামী বদলে যাচ্ছে বাংলা বর্ষপঞ্জি - dainik shiksha বদলে যাচ্ছে বাংলা বর্ষপঞ্জি ২০ হাজার টাকায় শিক্ষক নিবন্ধন সনদ বিক্রি করতেন তারা - dainik shiksha ২০ হাজার টাকায় শিক্ষক নিবন্ধন সনদ বিক্রি করতেন তারা অকৃতকার্য ছাত্রীকে ফের পরীক্ষায় বসতে দেয়ার নির্দেশ - dainik shiksha অকৃতকার্য ছাত্রীকে ফের পরীক্ষায় বসতে দেয়ার নির্দেশ আইডিয়াল স্কুলে ভর্তি ফরম বিতরণ শুরু - dainik shiksha আইডিয়াল স্কুলে ভর্তি ফরম বিতরণ শুরু নির্বাচনের সঙ্গে পেছাল সরকারি স্কুলের ভর্তি - dainik shiksha নির্বাচনের সঙ্গে পেছাল সরকারি স্কুলের ভর্তি শিক্ষকদের অন্ধকারে রেখে দেড় লাখ কোটি টাকার প্রকল্প! - dainik shiksha শিক্ষকদের অন্ধকারে রেখে দেড় লাখ কোটি টাকার প্রকল্প! দৈনিক শিক্ষায় বিজ্ঞাপন পাঠান ইমেইলে - dainik shiksha দৈনিক শিক্ষায় বিজ্ঞাপন পাঠান ইমেইলে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের নামে খোলা সব ফেসবুক পেজই ভুয়া - dainik shiksha জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের নামে খোলা সব ফেসবুক পেজই ভুয়া please click here to view dainikshiksha website