শিক্ষাখাতে বরাদ্দ হোক কল্যাণমুখী বাজেট - মতামত - Dainikshiksha


শিক্ষাখাতে বরাদ্দ হোক কল্যাণমুখী বাজেট

মাছুম বিল্লাহ |

জাতীয় সংসদে পেশ করা হয়েছে আমাদের ২০১৮-১৯ অর্থবছরের বাজেট। এবারকার বাজেট প্রস্তাবের স্লোগান ছিল ‘সমৃদ্ধ আগামীর পথযাত্রায় বাংলাদেশ’। জনগণকে করের চাপ না দিয়ে ৪ লাখ ৬৪ হাজার ৫৭৩ কোটি টাকার বাজেট প্রস্তাব করেছেন অর্থমন্ত্রী। জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে ভোটারদের মন জয় করতে আয়-ব্যয়ে কিছুটা ঝুঁকি নিয়েই ঘোষণা করেছেন এই বিশাল বাজেট। এতে আয় ধরা হয়েছে ৩ লাখ ৩৯ হাজার ২৮ কোটি টাকা, আর ঘাটতি এক লাখ ২৫ হাজার ২৯৩ কোটি টাকা। আমরা জানি, ২০১৮-১৯ অর্থ বছরের বাজেট হবে মূলত তিন সরকারের বাজেট। বিদ্যমান সরকার নির্বাচনকালের পূর্ব পর্যন্ত, নির্বাচনকালীন সরকার নতুন সরকার গঠিত হওয়া পর্যন্ত এবং নতুন সরকার গঠন হওয়া থেকে অর্থবছরের বাকি সময় পর্যন্ত ২০১৮-১৯ অর্থবছরের বাজেট বাস্তবায়নের দায়িত্বে থাকবে। অতএব বাজেটটি হবে সতর্কতামূলক এবং ধাপে ধাপে বাস্তবায়নের কারণে ও স্বার্থে অসম্প্রসারণমূলক এবং শুধু বাস্তবায়নযোগ্য। এই বাজেট আর একটি কারণে গুরুত্বপূর্ণ। সেট হলো, বর্তমান সরকারের দ্বিতীয় মেয়াদের সর্বশেষ বাজেট এটি। কাজেই অর্থমন্ত্রীকে অনেক কিছু মাথায় রেখে বাজেটটি পেশ করতে হয়েছে। 

অর্থমন্ত্রীর বাজেট বক্তব্যে অনেক সফলতার মধ্যে বিভিন্ন খাতে হতাশার চিত্রও ফুটে উঠেছে। দেশে যে সুশাসন প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব হয়নি, শিক্ষার মানে যে অগ্রগতি হয়নি, এ বিষয়গুলো তিনি স্বীকার করেছেন। সবার জন্য গুণগত শিক্ষা নিশ্চিত করতে এই খাতে বাজেটের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বরাদ্দ রাখা হয়েছে, যার পরিমাণ ৫৩ হাজার ৫৪ কোটি টাকা। প্রতিবছর যেখানে ২০ লাখ তরুণ কর্মবাজারে প্রবেশ করে, সে খাতে গত দশ বছরে সরকারের উদ্যোগে মাত্র এক লাখ ৮২ হাজার ৭৫৬ জনকে প্রশিক্ষণ দেওয়া সম্ভব হয়েছে। তবে শিক্ষাখাতে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বরাদ্দের কথা বলা হলেও প্রকৃতপক্ষে বিগত নয় বছরের মধ্যে আনুপাতিকহারে কিন্তু ব্যয় বাড়েনি। ৫৩ হাজর ৫৪ কোটি টাকা মানে জিডিপির প্রায় দুই শতাংশ এবং জাতীয় আয়ের ১১ দশমিক ৪১শতাংশ। অথচ মানসম্মত শিক্ষার জন্য জিডিপির ৬ শতাংশ এবং জাতীয় বাজেটের বিশ শতাংশ শিক্ষাখাতে ব্যয় করার কথা। এদিক থেকে গরীব দেশ নেপালও আমাদের চেয়ে এগিয়ে আছে। জিনিসপত্রের মুল্যবৃদ্ধির ফলে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির কারণে জাতীয় বাজেটের পরিমাণ প্রতিবছরই বাড়ছে, কিন্তু সে হারে শিক্ষাখাতে বাজেট বাড়ছে না। 

বাজেটে শিক্ষায যে বরাদ্দ দেওয়া হবে, তার বড় বড় অংশই যাবে বেতন-ভাতা ও ভবন নির্মাণে। শিক্ষার উপকরণ কেনা, ল্যাব নির্মাণ, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণে পর্যাপ্ত বরাদ্দ রাখা প্রয়োজন। অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকরা অর্থাভাবে আনুতোষিকের টাকা পাচ্ছেন না। শিক্ষার গুণগত মান ও পরিধি বাড়াতে প্রয়োজন উদ্যোগ। শিক্ষা ও স্বাস্থ্য মৌলিক অধিকার। স্বাস্থ্যের কারণে কেউ দারিদ্র্যসীমার ওপরে উঠে যাবে আবার অসুখ হলে সে দারিদ্র্যসীমার নিচে চলে যাবে না--বিষয়টিকে এভাবে চলতে দেওয়া যায় না। আফ্রিকার দেশগুলোও প্রত্যেক নাগরিকের স্বাস্থ্য ঠিক রাখতে আমাদের চেয়ে তিনগুণ বেশি অর্থ ব্যয় করে। শিক্ষা ও স্বাস্থ্যের মধ্যে রয়েছে একটি নিবিড় সম্পর্ক। একজন শিক্ষার্থী অসুস্থ্ হলে কিন্তু সে পড়াশোনা করতে পারে না, তার পড়াশোনায় মারাত্মক ব্যাঘাত ঘটে। অসুস্থ্ ব্যক্তি নিজে কাজ করতে পারে না, পরিবার ও সমাজের জন্য সে তেমন কিছু দিতে পারে না। তাই এই দুটোই একজন নাগরিকের মৌলিক অধিকার।

শিক্ষাখাতে তাই বরাদ্দ প্রতিবছরই বাড়ানো উচিত। যেসব পরিবার সন্তানদের পড়ালেখার জন্য অর্থ খরচ করে, তাদের আয়ের এক লাখ বিশ হাজার টাকা পর্যন্ত কর অব্যাহতি দেওয়ার কথা চিন্তা করা যেতে পারে। কোন পরিবার যদি তাদের সন্তানদের পড়ালেখার জন্য অর্থ খরচ করে, তাহলে সরকারের উচিত তাদের সহায়তায় এগিয়ে আসা। এমন ছাড় পেলে পরিবারগুলোও শিক্ষার পেছনের অর্থ খরচে উৎসাহী হবে। আর শিক্ষার জন্য বিনিয়োগই তো সর্বোত্তম বিনিয়োগ, এটি আমরা মুখে বলি, কিন্তু কাজে তা করি না। করাটা উচিত যদিও এই বিনিয়োগের লাভ আসে একটু পরে। 

শিক্ষাখাতে এবার  মোট ৫৩ হাজার ৫৪ কোটি টাকার মধ্যে প্রাথমিক ও গণশিক্ষাখাতে ২২ হাজার ৪৬৬ কোটি টাকা এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচচশিক্ষা বিভাগে ২৪ হাজার ৮৮৮ টাকা, কারিগরি ও মাদ্রাসা বিভাগে ৫ হাজার ৭০০ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এসব অর্থে এক হাজার প্রাথমিক বিদ্যালয় স্থাপন, উপবৃত্তি, পাঠ্যপুস্তক ও শিক্ষা উপকরণ বিতরণ, স্কুল ফিডিং কার্যক্রম ইত্যাদির পরিধি বাড়ানো হবে। পাশাপাশি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে উন্নত শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করতে ছেলে ও মেয়েদের জন্য পৃথক ওয়াশ ব্লকসহ সাত হাজার প্রাথমিক বিদ্যালয় নির্মাণ, ৬৫ হাজার  শ্রেণিকক্ষ, ১০ হাজার ৫০০ শিক্ষককক্ষ, ৫ হাজার বিদ্যালয়ের সীমানাপ্রাচীর  নির্মাণ ও ৩০ হজার খেলার সামগ্রী বিতরণ করা হবে। নতুন করে আরও একহাজার প্রাথমিক বিদ্যালয় স্থাপন করা হবে বিদ্যালয়হীন এলাকায়। তবে এর আগে সঠিক ম্যাপিং করে নিতে হবে। তা না হলে রাষ্ট্রীয় অর্থের অপচয় হবে। কারণ আমরা মিডিয়ার মাধ্যমে দেখলাম, অনেক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৩০ থেকে ৪০ জন শিক্ষার্থী রয়েছে। রাজনৈতিক বিবেচনায় এবং শিক্ষকদের কাছ থেকে উৎকোচ গ্রহণ করে চাকরি দেওয়া হয়েছে সরকারি বিদ্যালয়ে। অথচ পাশাপাশি স্কুল স্থাপিত হওয়ায় শিক্ষার্থী পাওয়া যাচ্ছে না। বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে সাংসদদের স্কুল ও মাদ্রাসা ভবন নির্মাণে একাধিক প্রকল্প রয়েছে। সরকারের অগ্রাধিকারে বড় নয়টি প্রকল্পে সাড়ে ৩২ হাজার কোটি টাকার বরাদ্দ রাখা হয়। এটি রাজনৈতিক ও ভোটপ্রাপ্তির সুবিধার  জন্য করা হয়েছে বলে মনে করা হয়। 

তবে এবার বাজেট বক্তৃতায় অর্থমন্ত্রীর এই বিষয়টিকে প্রশংসা না করে পারছি না। ঢাকা শহরে ছাত্র-ছাত্রীদের যাতায়াতের জন্য অধিকাংশ স্কুলেই কোন স্কুলবাস নেই। ফলে যেসব অভিভাবকের ব্যক্তিগত গাড়ি রয়েছে, তারা সন্তানদের সেসব গাড়িতে করে স্কুলে নিয়ে যায়। এর ফলে পুরো ঢাকা শহরে যেসব কারণে যানজট সৃষ্টি হয়, এটি তার মধ্যে অন্যতম একটি কারণ। রাজধানীর বিদ্যালয়গুলো যখন বন্ধ থাকে, তখন এই পার্থক্যটি সহজেই বোঝা যায়। উন্নত দেশগুলোর মতো যদি ‘ডেডিকেটেড স্কুল বাস সার্ভিস’ চালু করে যানজট নিরসন এবং শিক্ষার্থীদের স্কুলে যাতায়াত সহজতর ও নিরাপদ করার জন্য কোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বা এজেন্সি স্কুলবাস সার্ভিস চালুর আগ্রহ প্রকাশ করে, বিশেষ শুল্ক সুবিধায় তাদের বাস আমদানির সুবিধা দেওয়া হবে। এটি একটি চমৎকার দিক। এ সুবিধা শুধু স্কুলগুলোই পাবে। যানজট ছাড়াও একদল শিক্ষার্থী নিজ গাড়িতে করে স্কুলে আসছে আর একদল পায়ে হেঁটে, বৃষ্টিতে ভিজে কিংবা রিকসায় স্কুলে আসছে। এর ফলে তাদের মধ্যে একটি শ্রেণিবিভেদ তৈরি হচ্ছে, যা প্রকৃত শিক্ষার্জনের পথে একটি বাধাস্বরূপ।

মাধ্যমিক পর্যাযে মানসম্মত শিক্ষার জন্য সরকারি কলেজে বিজ্ঞান শিক্ষার সুযোগ সম্প্রসারণ এবং সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় মাল্টিমিডিয়াসহ শ্রেণিকক্ষ, ল্যাঙ্গুয়েজ-কাম-আইসিটি ল্যাব, হোস্টেল নির্মাণ ও প্রয়োজনীয় আসবাব সরঞ্জামাদি সরবরাহ করা হবে। ২৬ হাজার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ৪৬ হাজার ৩৪০টি মাল্টিমিডিয়া শ্রেণিকক্ষ এবং দুই হাজার ১২০টি স্মার্ট শ্রেণিকক্ষ তৈরির কার্যক্রম শুরু হয়েছে। প্রশ্নপত্র প্রণয়নে গোপনীয়তা নিশ্চিত করতে সব শিক্ষা বোর্ডের সমন্বিত উদ্যোগে প্রশ্নব্যাংক তৈরির চেষ্টা চলছে। বিগত অর্থবছরে শিক্ষাখাতে মোট বরাদ্দ ছিল ৫০ হাজার ৪৩২ কোটি টাকা। চলতি অর্থবছরে উন্নয়ন ও অনুন্নয়ন খাত মিলিয়ে এই বরাদ্দ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫৩ হাজার ৫৪ কোটি টাকায়। শিক্ষাখাতের বাজেট বরাদ্দের বেশির ভাগই অনুন্নয়ন খাত অর্থাৎ শিক্ষকদের বেতন-ভাতায় ব্যয় হয়। শুধু এমপিওভুক্ত প্রায় পৌণে পাঁচ লাখ শিক্ষক-কর্মচারীর বেতনভাতায়, একইভাবে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রায় পাঁচ লাখ শিক্ষকের বেতন ভাতার পেছনে ব্যয় হয় বরাদ্দের বড় অংশ। ফলে শিক্ষার  মানোন্নয়নে এই বরাদ্দ দিয়ে খুব একটা কাজ করা যাচ্ছে না বলে মত দিয়েছেন অনেক শিক্ষাবিদ। 

২৯টি দেশ নিয়ে পরিচালিত গ্লোবাল প্যারেন্টস সার্ভে-২০১৭ থেকে জানা যায়, অনেক দেশে অভিভাবকগণ তাদের সন্তানদের কল্যাণে কী চান, কী ভাবেন, সেইসব অভিভাবকগণ শিক্ষকের উন্নয়ন ও মর্যাদাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিতে আগ্রহী। সন্তানের জন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নির্বাচন করেন মানসম্পন্ন শিক্ষক দেখে। একজন অভিভাবক ঘরে ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে তার সন্তানের লেখাপড়া, শারীরিক, মানসিক ও সাংস্কৃতিক বিকাশের জন্য কতটুকু সময় দেন এবং কীভাবে দেন। জরিপের ফলে তা দেখা যায়। এ বিষয়টি আমাদের দেশে চালু করা যেতে পারে।

কাঙ্ক্ষিত হারে না হলেও প্রতিবছর শিক্ষাখাতে অন্যান্য বাজেটের সাথে বরাদ্দ বাড়ছে, শিক্ষাক্ষেত্রে বিভিন্ন পরিবর্তনও হচ্ছে। কিন্তু কয়েকটি বিষয়ের সমাধান হচ্ছে না। শিক্ষাখাতের বিভিন্ন প্রকল্পের টাকা হরিলুট, অপব্যয় এবং আমলা ও অপ্রাসঙ্গিক ব্যক্তিবর্গের শিক্ষা ভ্রমণের নামে ঘন ঘন বিদেশ সফর কিন্তু কমছে না। কে বহন করবে তাদের এই বিলাসভ্রমণের খরচ? এগুলো শিক্ষার নামেই ব্যয় হয়, কিন্তু শিক্ষার জন্য কোন উপকার বয়ে আনছে না। এই বিষয়টি দেখতে হবে। আর একটি হচ্ছে শিক্ষার্থীদের অযথা পেরেশানি। স্কুল থেকে শিক্ষকের বাসা, শিক্ষকের বাসা থেকে কোচিং, কোচিং থেকে বাসায় এসে হোমওয়ার্ক নামক কাজের বোঝা শিক্ষার্থীদের জীবন বিষিয়ে তুলছে। যাদের জন্য এত আয়োজন, দেশের সে ভবিষ্যৎ নাগরিকদের আনন্দের মাধ্যমে শিক্ষাদানের বিষয়টি কিন্তু কোনভাবেই এগোচ্ছে না। গ্রাম ও শহরের মধ্যে শিক্ষাগ্যাপ কমছে না। গ্রাম এলাকায় ভাল শিক্ষক পাওয়া যায় না। ভাল শিক্ষকদের গ্রামীণ জনপদের বিদ্যালয়ে শিক্ষাদান করার জন্য এক ধরনের ’অর্থনৈতিক প্রণোদনা’ থাকা উচিত আমাদের বাজেটে। তাহলে গ্রামীণ এলাকার শিক্ষার্থীরা উপকৃত হবে, কমে আসবে গ্রাম ও শহরের মধ্যেকার আকাশসম ব্যবধান।

শিক্ষার্থীরা ভাল ফল করেই শহরের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভর্তির জন্য ছোটাছুটি করবে না, এলাকার কলেজেই ভর্তি হবে যদি সেখানে ভাল শিক্ষকের ব্যবস্থা আমরা করতে পারি। সবশেষে যেটি প্রয়োজন তা হচেছ, আমাদের উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো  (মেডিক্যাল, ইঞ্জিনিয়ারিং, সাধারণ বিশ্ববিদ্যালয়) মাধ্যমিক ও উচচমাধ্যমিকে জিপিএ-৫ না পেলে ভর্তির দরখাস্ত করা যাবে না নামের যে যোগ্যতালাইন স্থির করে রেখেছে। এর ফলে সব শিক্ষার্থী ও অভিভাবক মূল পড়াশোনা বাদ দিয়ে  ছুটছে জিপিএ-৫ প্রাপ্তির পেছনে। এই জিপিএ-৫ প্রাপ্তির জন্য শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও অভিভাবকদের অনেকেই অনৈতিক পথও অবলম্বন করছেন সন্তানের ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে। নির্দিষ্ট কয়েকটি প্রশ্ন ও কতিপয় টেকনিক অবলম্বন করে এই জিপিএ-৫ পাওয়ার যে প্রবণতা দেশে চালু হয়েছে, এ থেকে জাতিকে বেরিয়ে আসতে হবে। পাবলিক পরীক্ষাগুলোতে আমাদের প্রশ্নপত্র প্রণয়ন ও গোটা পরীক্ষা পদ্ধতি আন্তর্জাতিক মানের নয়। তাই উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে বিষয়টি মাথায় রেখে শিক্ষার্থী ভর্তির শর্ত স্থির করতে হবে। এসব বিষয় চিন্তা না করলে শিক্ষাখাতে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বরাদ্দ রাখা হয়েছে বলে তৃপ্তির ঢেঁকুর তোলার অবকাশ নেই।

লেখক : শিক্ষা বিশেষজ্ঞ, গবেষক ও ব্র্যাক শিক্ষা কর্মসূচিতে কর্মরত।



পাঠকের মন্তব্য দেখুন
স্কুল-কলেজে চাকরিতে প্রবেশের সর্বোচ্চ বয়স ৩৫ বছর - dainik shiksha স্কুল-কলেজে চাকরিতে প্রবেশের সর্বোচ্চ বয়স ৩৫ বছর এমপিও নীতিমালা ২০১৮ জারি - dainik shiksha এমপিও নীতিমালা ২০১৮ জারি চতুর্দশ শিক্ষক নিবন্ধনের মৌখিক পরীক্ষা ২৪ জুন - dainik shiksha চতুর্দশ শিক্ষক নিবন্ধনের মৌখিক পরীক্ষা ২৪ জুন নিবন্ধন পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের তথ্য চেয়ে গণবিজ্ঞপ্তি - dainik shiksha নিবন্ধন পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের তথ্য চেয়ে গণবিজ্ঞপ্তি দাখিল-২০২০ পরীক্ষার মানবণ্টন প্রকাশ - dainik shiksha দাখিল-২০২০ পরীক্ষার মানবণ্টন প্রকাশ ইবতেদায়ি সমাপনীর মানবণ্টন প্রকাশ - dainik shiksha ইবতেদায়ি সমাপনীর মানবণ্টন প্রকাশ জেএসসির চূড়ান্ত সিলেবাস ও মানবণ্টন প্রকাশ - dainik shiksha জেএসসির চূড়ান্ত সিলেবাস ও মানবণ্টন প্রকাশ জেএসসির বাংলা নমুনা প্রশ্ন প্রকাশ - dainik shiksha জেএসসির বাংলা নমুনা প্রশ্ন প্রকাশ একাদশে ভর্তির আবেদন ও ফল প্রকাশের সময়সূচি - dainik shiksha একাদশে ভর্তির আবেদন ও ফল প্রকাশের সময়সূচি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের নামে খোলা সব ফেসবুক পেজই ভুয়া - dainik shiksha জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের নামে খোলা সব ফেসবুক পেজই ভুয়া please click here to view dainikshiksha website