সন্তান প্রসবের ৩০ মিনিট পরেই পরীক্ষা দিলেন এই নারী - বিবিধ - Dainikshiksha


সন্তান প্রসবের ৩০ মিনিট পরেই পরীক্ষা দিলেন এই নারী

দৈনিকশিক্ষা ডেস্ক |

ইথিওপিয়ায় এক নারী সন্তান জন্ম দেওয়ার ৩০ মিনিটের মাথায় হাসপাতালের বিছানায় বসেই মাধ্যমিক পরীক্ষায় অংশ নিয়েছেন। পশ্চিম ইথিওপিয়ার মেতু অঞ্চলে ২১ বছর বয়সী এই নারীর নাম আলমাজ ডেরেস। তিনি আশা করেছিলেন সন্তান প্রসবের আগেই তিনি হয়তো পরীক্ষা শেষ করে ফেলতে পারবেন।

কিন্তু রমজান মাসের কারণে মাধ্যমিক স্কুলের পরীক্ষা পিছিয়ে দেওয়া হয়েছিল। এর মধ্যেই প্রসবের ব্যথা উঠলে সোমবার তিনি হাসপাতালে ভর্তি হন এবং সেদিনই তার পরীক্ষা শুরু হওয়ার কথা ছিল। বৃহস্পতিবার (১৩ জুন) বিবিসির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা যায়।

এর মধ্যে তিনি সন্তান প্রসব করেন এবং তার আধ ঘণ্টার মধ্যেই পরীক্ষা শুরু হলে তিনি হাসপাতালের বেডেই পরীক্ষার খাতায় উত্তর লিখতে শুরু করে দেন।

মিজ আলমাজ বলেছেন, গর্ভকালীন অবস্থায় পড়ালেখা করতে তার তেমন অসুবিধা হয়নি। তবে তার জীবনের এরকম একটি ঘটনার কারণে এবারের পরীক্ষায় অংশ নেওয়া থেকেও তিনি বিরত থাকতে চাননি। তিনি বলেছেন, তাহলে তাকে আরও একটা বছর অপেক্ষা করতে হতো।

সোমবার তিনি তিনটি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছেন- ইংরেজি, আমহেরিক এবং গণিত। বাকি পরীক্ষাগুলো তিনি আগামী দু’দিনে পরীক্ষা কেন্দ্রে গিয়েই দেবেন বলে তিনি জানিয়েছেন। "পরীক্ষায় বসার জন্যে আমি খুব উদগ্রীব ছিলাম। বাচ্চা জন্ম দেওয়াটা খুব একটা কঠিন ছিল না," বলেন তিনি।

তার স্বামী টেডেস টুলু বলেছেন, এরকম অবস্থায় স্ত্রীর স্কুল যাতে হাসপাতালেই পরীক্ষার ব্যবস্থা করে সে জন্যে স্কুল কর্তৃপক্ষকে বুঝিয়েছিলেন। ইথিওপিয়াতে পড়ালেখা শেষ করার আগেই ছাত্রীদের স্কুল থেকে ঝড়ে পড়া একটি সাধারণ ঘটনা।

মিজ আলমাজ বলছেন, তিনি এখন দুই বছরের একটি কোর্সে ভর্তি হতে আগ্রহী এবং এরপর তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ে উচ্চতর শিক্ষা গ্রহণ করতে চান। তিনি খুব খুশি যে তার পরীক্ষা ভালো হয়েছে। একই সাথে তার নবজাতক শিশুটিও ভালো আছে।




পাঠকের মন্তব্য দেখুন
১৬তম শিক্ষক নিবন্ধনে আবেদনের সময় বাড়ছে না - dainik shiksha ১৬তম শিক্ষক নিবন্ধনে আবেদনের সময় বাড়ছে না প্রশ্নফাঁসের প্রমাণ পেলে শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা বাতিল হবে: গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী - dainik shiksha প্রশ্নফাঁসের প্রমাণ পেলে শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা বাতিল হবে: গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী পাবলিক পরীক্ষায় পাস নম্বর ৪০ করার উদ্যোগ - dainik shiksha পাবলিক পরীক্ষায় পাস নম্বর ৪০ করার উদ্যোগ ৫ বছরে পৌনে দুই লাখ শিক্ষক নিয়োগ দেয়া হবে - dainik shiksha ৫ বছরে পৌনে দুই লাখ শিক্ষক নিয়োগ দেয়া হবে প্রাণসহ ৫ কোম্পানির নিষিদ্ধ পণ্য বিক্রি, সাত প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে মামলা - dainik shiksha প্রাণসহ ৫ কোম্পানির নিষিদ্ধ পণ্য বিক্রি, সাত প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে মামলা কলেজের নবসৃষ্ট পদে এমপিওভুক্তির নির্দেশনা - dainik shiksha কলেজের নবসৃষ্ট পদে এমপিওভুক্তির নির্দেশনা জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের নামে খোলা সব ফেসবুক পেজই ভুয়া - dainik shiksha জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের নামে খোলা সব ফেসবুক পেজই ভুয়া please click here to view dainikshiksha website