সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষা নিয়ে কী ভাবছেন শিক্ষার্থীরা - ভর্তি - দৈনিকশিক্ষা


সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষা নিয়ে কী ভাবছেন শিক্ষার্থীরা

দৈনিকশিক্ষা ডেস্ক |

আগামী শিক্ষাবর্ষ থেকে সমন্বিত পদ্ধতিতে ভর্তি পরীক্ষা নেয়ার কথা জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন। যদিও বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়সহ স্বায়ত্তশাসিত ৪টি বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়) এখনো সম্মত হয়নি। সমন্বিত পরীক্ষায় অনেক কষ্ট যেমন লাঘব হবে, তেমনি এটি সফল করতে মোকাবিলা করতে হবে অনেক চ্যালেঞ্জ। শিক্ষার্থীরা কী ভাবছেন? রোববার (২ ফেব্রুয়ারি) প্রথম আলো পত্রিকায় প্রকাশিত সাক্ষাৎকারে এ তথ্য জানা যায়। সাক্ষাৎকারের বিস্তারিত-

১.

শিক্ষার্থীদের কষ্ট লাঘব হবে
রাত্রি সরকার
প্রথম বর্ষ, আইন ও বিচার বিভাগ, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়

সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষায় শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক কষ্ট লাঘব হবে বলে আমার মনে হয়। যাঁদের নানা জেলায় ঘুরে ভর্তি পরীক্ষা দেওয়ার মতো সামর্থ্য নেই, তাঁদের জন্য এটা একটা বড় সুযোগ হতে পারে। সারা দেশে অভিন্ন প্রশ্নপত্রে ভর্তি পরীক্ষার ফলে ভিন্ন ভিন্ন ভার্সিটির ফরম কেনা ও যাতায়াত বাবদ যে ১৫-২০ হাজার টাকা খরচ করতে হতো, সেই খরচ কমে যাবে। মূলত এই সামর্থ্যের অভাবেই অনেক মেধাবী শিক্ষার্থী পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সুযোগ পেতেন না। সমন্বিত পরীক্ষায় ধনী-গরিব সবাই সমান সুযোগ পাবেন।

সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষায় শিক্ষার্থীরা যেন নিজ জেলা বা আশপাশের জেলা থেকে ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারেন, সেই বিষয়ও বিবেচনা করা যেতে পারে। অন্যদিকে এ পরীক্ষায় দুর্নীতির আশঙ্কাও উড়িয়ে দেয়া যাচ্ছে না। ভর্তি জালিয়াতির বিষয়টি তো আছেই। মেডিকেলে যখন সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষা শুরু হলো, তখন কিন্তু অনেক অনিয়ম আমরা দেখেছি, যেটা এখন আর হয় না। অতএব এত শিক্ষার্থীর পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে নিতে হলে আগে থেকেই প্রস্তুতি নিতে হবে। আবার একজন শিক্ষার্থী এই একটি পরীক্ষা যদি অসুস্থতা বা অন্য কারণে দিতে না পারেন, তাহলে তিনি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সুযোগ হারিয়ে ফেলবেন। তাঁর জন্য কি কোনো বিকল্প ব্যবস্থা থাকবে? আবার বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়, বিশেষ করে যেগুলো স্বায়ত্তশাসিত (ঢাবি, জাবি, রাবি, চবি), সেই প্রতিষ্ঠানগুলোর স্বকীয়তা নষ্ট হয়ে যায় কি না, সেটাও বোধ হয় বিবেচনা করা উচিত।

২.

সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষার সুফল পেয়েছি
জেমিমা বিনতে জাহিদ
কৃষি অর্থনীতি ও গ্রামীণ সমাজবিজ্ঞান অনুষদ, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়

গত বছরই প্রথমবারের মতো কৃষি ও কৃষির প্রাধান্য থাকা সাতটি সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষা হলো। এর সুফল আমি পেয়েছি। ছোটবেলা থেকেই মেডিকেলের পর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ছিল আমার প্রথম পছন্দ, কিন্তু কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর অবস্থান দেশের বিভিন্ন জায়গায় হওয়ায় সব কটিতে গিয়ে পরীক্ষা দেয়া আমার জন্য খুব কঠিন ছিল। ঢাকায় বড় হয়েছি, ঢাকার বাইরে খুব একটা যাওয়াও হয়নি। তাই কীভাবে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে গিয়ে পরীক্ষা দেব, তা নিয়ে একধরনের ভীতি ছিল। বড় আপুদের দেখেছি, ঢাকার বাইরে ভর্তি পরীক্ষা হলে পরিবারের সবাই মিলে যেত।

সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষার কথা শুনে সব ভয় আর সংশয় চলে যায়। আমার সিট পড়ে বাসার পাশের শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে। রিকশায় করে গিয়ে পরীক্ষা দিয়েই আমার বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সুযোগ হয়ে গেল, সারা দেশ আর ঘোরার প্রয়োজন পড়েনি। প্রতিটি কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য আলাদা করে প্রস্তুতিও নিতে হয়নি। সব মিলিয়ে আমার কাছে সমন্বিত ভর্তি পদ্ধতিই বেশি সুবিধাজনক মনে হয়েছে। সব বিশ্ববিদ্যালয় মিলে যদি একটি সুন্দর নিয়মতান্ত্রিকভাবে সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষা নিতে পারে, আশা করি শিক্ষার্থীরা উপকৃত হবেন।

৩.

অনেক প্রশ্নের উত্তর দরকার
মুসাররাত তাসমিয়া রহীম
দ্বিতীয় বর্ষ, ইসলামিক স্টাডিজ, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়

২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষে সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষার মাধ্যমে একটি মাত্র পরীক্ষা দিয়েই দেশের ৪৬টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের যে কোনো একটিতে ভর্তির সুযোগ পাবেন একজন শিক্ষার্থী। এটি দারুণ উদ্যোগ। একজন শিক্ষার্থী তিনটি বিশ্ববিদ্যালয়ে পরীক্ষা দিতে চাইলে তাঁকে তিন রকমের প্রস্তুতি এবং সময় ব্যয় করতে হয় এখন। অনেক সময় একই তারিখে পড়ে যায় একাধিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষা। কিছু বিশ্ববিদ্যালয়ে বিজ্ঞান, ব্যবসা এবং কলা অনুষদে আলাদা ইউনিটভিত্তিক পরীক্ষা হয়, আবার কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রতিটি বিষয়ে আলাদা করে পরীক্ষা হয়। এসব ভর্তি পরীক্ষার ফরম বিক্রি থেকে শুরু করে যাতায়াতব্যবস্থায় বিপুল পরিমাণ অর্থ, সময়, শ্রম ব্যয় হয়। এটি সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হলে দরিদ্র শিক্ষার্থীদের ভোগান্তি কমবে।

কিন্তু বেশ কিছু বিষয়ে প্রশ্ন রয়ে গেছে। সব বিশ্ববিদ্যালয়ে সব বিষয় নেই, যেমন আরবি, উর্দু, ফারসি বিষয়গুলো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে থাকলেও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে নেই। এ ক্ষেত্রে কি সব বিশ্ববিদ্যালয়ে একই রকম বিষয় চালু হবে? সব বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুষদগুলো কি এক রকম করা হবে? তা ছাড়া পরীক্ষা কোন বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ন্ত্রণ করবে? কোনো কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রকৌশলের বিষয়গুলো পড়ানো হয়, আবার প্রকৌশল পড়ানোর জন্য বিশেষায়িত বিশ্ববিদ্যালয়ও আছে। যিনি প্রকৌশলে পড়তে চান, তাঁর জায়গা নির্ধারণ কীভাবে হবে? এমন অনেক বিষয় রয়েছে, যার উত্তর এখনো কেউ জানে না।

৪.

সামনে চ্যালেঞ্জ অনেক
মো. সাইয়েদ বিন আবদুল্লাহ
তৃতীয় বর্ষ, আইন বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

স্বায়ত্তশাসিত চারটি বিশ্ববিদ্যালয়কেও সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষার আওতায় আনতে পারলে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের ভোগান্তি অনেকটাই কমবে।

তবে সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষা আয়োজনের পথে চ্যালেঞ্জ কম না। প্রথমত, প্রতিটা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বকীয়তা আছে। সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষার নামে সব বিশ্ববিদ্যালয়কে এক ছাতার নিচে নিয়ে এলে সেই স্বকীয়তা নষ্ট হতে পারে বলে মত অনেকের। আবার সব বিশ্ববিদ্যালয়ের মানও এক রকম নয়। বিশেষ করে দেশের প্রথম সারির বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ভর্তি পরীক্ষায় যে মানের প্রশ্ন করা হয়, ঠিক সেই ক্যাটাগরির প্রশ্নপত্র নতুনভাবে গড়ে ওঠা বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সঙ্গে খাপ খাবে বলে মনে হয় না। দ্বিতীয়ত, মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষা নেওয়াটা তুলনামূলকভাবে সহজ। কারণ প্রতিটা মেডিকেল কলেজের বিষয়বস্তু এক। কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয় ধারণাটা অনেক বেশি বিস্তৃত। এখানে কোনো একক বিষয়বস্তু নিয়ে কাজ করা হয় না। প্রতিটা বিশ্ববিদ্যালয়েই অনেকগুলো বিভাগ, অনুষদ। কাজেই সবগুলো বিভাগের ভেতর সমন্বয় সাধন করাটা হবে অনেক বড় চ্যালেঞ্জ। বিশেষায়িত বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে প্রাথমিকভাবে সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষার প্রক্রিয়া নেয়া যেতে পারে। যেমন, সব কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা হয়তো একসঙ্গে হলো, যেমনটি ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষে হয়েছে।

তৃতীয়ত, আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর নির্ধারিত কোনো ক্রম নেই। যেমন ধরুন চট করে আমরা বলতে পারি না যে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ই মানের দিক থেকে ওপরে, নাকি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়। আবার বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সব বিভাগও সমানভাবে বিকশিত নয়। হয়তো দেখা যায় একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি বিভাগ খুব বেশি ঐতিহ্যসমৃদ্ধ নয়, আবার একই বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্য একটা বিভাগ খুব ভালো করছে। কাজেই এই সব দিক মিলিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মানের পদক্রম করাটা শুধু দুরূহই নয়, অসম্ভবও। এইসব সমস্যার সমাধান করতে না পারলে ভর্তিপ্রক্রিয়াটা ভজকট হয়ে যেতে পারে।

সব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে পারলে সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষায় শিক্ষার্থীরা সত্যিই উপকার পাবে বলে বিশ্বাস করি।

৫.

বুমেরাং যেন না হয়
মো. শরিফুল ইসলাম
দ্বিতীয় বর্ষ, গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগ, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়।

বিশ্বের আর কোথাও বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির জন্য শিক্ষার্থীদের এমন ‘দেশ ভ্রমণে’ বের হতে হয় কি না, আমার জানা নেই। বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা একটা মানুষের জীবনে ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ। এই ২-৩ ঘণ্টার পরীক্ষা দিয়েই তো বাকি জীবনের পথটা তৈরি হয়। অথচ অনেক শিক্ষার্থীকেই এই পরীক্ষা দেওয়ার জন্য ৮-১০ ঘণ্টার পথ পাড়ি দিয়ে, না ঘুমিয়ে পরীক্ষার হলে চলে যেতে হয়। শেষ পর্যন্ত সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষা বাস্তবায়ন হবে কি না, জানি না। কিন্তু দেরিতে হলেও সরকারের উচ্চপর্যায় থেকে যে সমস্যাটা নিয়ে ভাবা হচ্ছে, এটাই আমার কাছে ইতিবাচক মনে হচ্ছে। যেহেতু কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয় এখনো বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের সঙ্গে একমত হয়নি, আগামী বছর থেকেই সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষা চালু হবে কি না, সেটা নিশ্চিত নয়। কিন্তু একটা না একটা সমাধান তো করতে হবে। বছরের পর বছর শিক্ষার্থীরা কেন এই কষ্ট করবেন?

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষা দিতে গিয়ে আমি নিজেও খুব বিপদে পড়ে গিয়েছিলাম। পরে সিনিয়র ভাইদের সহায়তায় হলে থাকার ব্যবস্থা হয়েছে। আমি নাহয় সামলে নিয়েছি, কিন্তু আমার অনেক বন্ধুবান্ধব আছেন, যাঁদের বাসা থেকে একা এত দূরে পরীক্ষা দিতে যেতে দেয়া হয়নি। তাঁর পরিবার হয়তো ব্যাপারটা নিরাপদ মনে করেনি। সত্যিই তো, নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কা তো আছেই।

মেডিকেল ও ডেন্টাল কলেজগুলোতে সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষা চালু হয়েছে বেশ কয়েক বছর আগে। কিন্তু এই পরীক্ষাকে ত্রুটিমুক্ত করতে কিন্তু অনেক সময় লেগেছে। তাই বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতেও গুচ্ছপদ্ধতিতে সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষা চালু করতে হলে এখন থেকেই প্রস্তুতি নেয়া দরকার। না হলে একটা ভালো উদ্যোগ আমাদের জন্য বুমেরাং হয়ে যেতে পারে।




পাঠকের মন্তব্য দেখুন
করোনায় গত ২৪ ঘণ্টায় ২২ জনের মৃত্যু, নতুন শনাক্ত ২ হাজার ৩৮১ - dainik shiksha করোনায় গত ২৪ ঘণ্টায় ২২ জনের মৃত্যু, নতুন শনাক্ত ২ হাজার ৩৮১ দাখিলের ফল পুনঃনিরীক্ষার আবেদন যেভাবে - dainik shiksha দাখিলের ফল পুনঃনিরীক্ষার আবেদন যেভাবে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় পাস ৮২ দশমিক ৮৭ শতাংশ - dainik shiksha এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় পাস ৮২ দশমিক ৮৭ শতাংশ দাখিলে পাস ৮২ দশমিক ৫১ শতাংশ - dainik shiksha দাখিলে পাস ৮২ দশমিক ৫১ শতাংশ এসএসসি ভোকেশনালে পাস ৭২ দশমিক ৭০ শতাংশ - dainik shiksha এসএসসি ভোকেশনালে পাস ৭২ দশমিক ৭০ শতাংশ ১০৪টি প্রতিষ্ঠানে কেউ পাস করতে পারেনি - dainik shiksha ১০৪টি প্রতিষ্ঠানে কেউ পাস করতে পারেনি এসএসসির ফল পুনঃনিরীক্ষার আবেদন ৭ জুনের মধ্যে - dainik shiksha এসএসসির ফল পুনঃনিরীক্ষার আবেদন ৭ জুনের মধ্যে এখনই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলছে না : প্রধানমন্ত্রী - dainik shiksha এখনই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলছে না : প্রধানমন্ত্রী ৬ জুন থেকে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির প্রক্রিয়া শুরুর প্রস্তাব - dainik shiksha ৬ জুন থেকে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির প্রক্রিয়া শুরুর প্রস্তাব নন-এমপিও শিক্ষকদের তালিকা তৈরিতে ৯ নির্দেশ - dainik shiksha নন-এমপিও শিক্ষকদের তালিকা তৈরিতে ৯ নির্দেশ কলেজে ভর্তি : দৈনিক শিক্ষায় বিজ্ঞাপন পাঠান ইমেইলে - dainik shiksha কলেজে ভর্তি : দৈনিক শিক্ষায় বিজ্ঞাপন পাঠান ইমেইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছুটি বাড়ল ১৫ জুন পর্যন্ত - dainik shiksha বিশ্ববিদ্যালয়ের ছুটি বাড়ল ১৫ জুন পর্যন্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ছুটি ১৫ জুন পর্যন্ত, ৩১ মে থেকে অফিস-আদালত খুলছে - dainik shiksha শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ছুটি ১৫ জুন পর্যন্ত, ৩১ মে থেকে অফিস-আদালত খুলছে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের নামে খোলা সব ফেসবুক পেজই ভুয়া - dainik shiksha জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের নামে খোলা সব ফেসবুক পেজই ভুয়া please click here to view dainikshiksha website