সাইফুর’স-এর সবগুলো শাখা চলছে, থেমে নেই ‘বাণিজ্য’ - অবৈধ প্রতিষ্ঠান - Dainikshiksha


সাইফুর’স-এর সবগুলো শাখা চলছে, থেমে নেই ‘বাণিজ্য’

দৈনিক শিক্ষা ডেস্ক |

4

ইংরেজিতে জিরো থেকে হিরো, ৩০ দিনে ইংরেজি শিখুন, ইংরেজি না জানলে দেশে চাকরি নেই, হাতে কলমে ইংরেজি শেখার মেথড, দক্ষ হ্যাকার তৈরিসহ বিভিন্ন লোভনীয় বিজ্ঞাপন দিয়ে দীর্ঘদিন ধরে ছাত্রছাত্রীদের আকর্ষণ করে আসছে একটি কোচিং সেন্টার। সাইফুর’স কোচিং সেন্টার। রাজধানীর লালমাটিয়ায় যার মূল শাখা।

ইংলিশ কোচিংয়ের নামে দীর্ঘদিন ধরেই এই প্রতিষ্ঠান নানা ‘ভণ্ডামি’ ও ‘প্রতারণা’ করে আসছে বলে অভিযোগ। এদেশের জনসাধারণের ইংরেজিতে দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে তারা ‘হাতিয়ে নিয়েছে’ কোটি কোটি টাকা। এছাড়াও এই কোচিং সেন্টারটির বিরুদ্ধে নানান সময় পাওয়া গেছে প্রশ্নফাঁসের অভিযোগও। এ নিয়ে প্রায়ই সরগরম হতে দেখা গেছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম।

সবশেষ দক্ষ হ্যাকার হতে হলেও যে ইংরেজি শিখতে হবে, তা নিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের অর্থচুরি বিষয়ে একটি বিজ্ঞাপন প্রকাশ করে প্রতিষ্ঠানটি। তারা লেখে ‘ইংলিশ-এর ভুলে বাংলাদেশ ব্যাংকের ১৬০ কোটি ডলার হ্যাকারদের হাতছাড়া’। এ বিজ্ঞাপন প্রকাশের পর থেকেই সাইফুর’স-এর বিরুদ্ধে ব্যাপক সমালোচনা শুরু হয়। প্রতিক্রিয়া দেখায় প্রশাসনও।

শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ সাইফুর’সকে ‘চোরের রাজা’ বলেও আখ্যায়িত করে এর শেষ দেখবেন বলে জানান। এর বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে শিক্ষা সচিবকে লিখিত নির্দেশ দিয়েছেন বলেও জানান মন্ত্রী। মামলা করা হয় প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে, যা বর্তমানে দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) তদন্তাধীন। কিন্তু এসব ঘটনার পর প্রায় তিন মাস পার হলেও এখনও বহাল তবিয়তে চলছে প্রতিষ্ঠানটির সবক’টি শাখা। আগের মতোই রমরমা সাইফুর’স-এর ব্যবসা।

সরেজমিনে দেখা যায়, প্রতিষ্ঠানটির মূল শাখা লালমাটিয়ায়। এছাড়া ঢাকা ও ঢাকার বাইরে আরো বেশকয়েকটি শাখা রয়েছে প্রতিষ্ঠানটির। প্রতিটি শাখাতেই ক্লাস রুমের সংখ্যা ১০ থেকে ১২টি। পান্থপথ ও ফার্মগেটসহ প্রতিটি ক্যাম্পাস ঘুরে দেখা গেছে একই চিত্র।

পান্থপথ শাখায় লিফট থেকে নামতেই চোখে পড়ে বিভিন্ন ধরনের বিজ্ঞাপনের পোস্টার। পোস্টারে কোচিং সেন্টারটির সাফল্য, সব কোর্স ও ভর্তির নিয়মাবলী উল্লেখ করে বিজ্ঞাপন দেওয়া হয়েছে। প্রত্যেকটি শাখাতেই রয়েছে ভর্তির জন্য একটি তথ্য কেন্দ্র। সেখানে প্রতিটি কোর্স সম্পর্কে জানাতে কাজ করছেন ৮-১০ জন কর্মকর্তা। তাদের গলায় ঝোলানো রয়েছে সাইফুর’স-এর আইডি কার্ড।

2

সরেজমিনে আরো জানা যায়, সাইফুর’স বর্তমানে সারা দেশে ২৯ টি শাখার মাধ্যমে ‘কোচিং বাণিজ্য’ চালাচ্ছে। এর মধ্যে শুধু ঢাকা বিভাগেই রয়েছে ১৭টি শাখা। এগুলো হল- গ্রিনরোড (কর্পোরেট হেডঅফিস), ফার্মগেট, নীলক্ষেত, মিরপুর-১০, যাত্রাবাড়ি, লালমাটিয়া, সিদ্ধেশ্বরী, মৌচাক, বনানী, পুরান ঢাকা, মধ্যবাড্ডা, সাভার, উত্তরা, গাজীপুর, নারায়ণগঞ্জ, ময়মনসিংহ ও মানিকগঞ্জ শাখা।

এছাড়াও চট্টগ্রাম বিভাগে রয়েছে তিনটি- চকবাজার, জিইসি মোড় ও কুমিল্লা শাখা। খুলনা বিভাগে দু’টি শাখা, শামসুর রহমান রোড ও দৌলতপুরে। সিলেট বিভাগে তিনটি -সিলেট, জল্লারপাড়, আম্বরখানা ও শিবগঞ্জপয়েন্ট। রাজশাহী বিভাগে রয়েছে তিনটি শাখা। বাটা মোড়, রংপুর ও বগুড়ায়।

এই শাখাগুলোর মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ে অনার্স ও মাস্টার্সে ভর্তির প্রস্তুতি কোচিং, ইংরেজি উচ্চারণ, লেখা ও গ্রামার, আইইএলটিএস, টোফেল, জিআরই, জিম্যাট, বিসিএস প্রস্তুতি কোচিং, বিভিন্ন দেশের ল্যাঙ্গুয়েজ কোর্স, ব্যাংকের চাকরির প্রস্তুতি কোচিংসহ বিভিন্ন কোর্সের ছাত্র-ছাত্রীদের পড়ানো হয়।

3

সাইফুর’স-এর পান্থপথ শাখায় তথ্য কেন্দ্রে গিয়ে শিক্ষার্থী পরিচয়ে কথা হয় তথ্য কর্মকর্তা মো. আরাফাতের সঙ্গে। তিনি জানান, বর্তমানে সারা দেশে ২৯টি ব্র্যাঞ্চের মাধ্যমে তারা এই কোচিং সেন্টারটি পরিচালনা করছেন। তাদের সব ব্র্যাঞ্চই চালু রয়েছে। তিনি আরো বলেন,‘ আমরা অত্যন্ত দক্ষ শিক্ষক দিয়ে আমাদের কোচিং পরিচালনা করে থাকি। এখানে যে সকল শিক্ষকরা পাঠদান করে থাকেন তারা বেশিরভাগ পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক এবং ছাত্র। এছাড়া অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের চেয়ে আমরা অনেক কম টাকা নিয়ে থাকি।’

বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘ইউসিসি কোচিংয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির জন্য ৮ হাজার টাকা নিয়ে থাকে। সেখানে আমরা নিচ্ছি মাত্র সাড়ে ৫ হাজার থেকে ৬ হাজার টাকা।’ লোভনীয় বিজ্ঞাপন ও হ্যাকিংয়ের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘বিজ্ঞাপন তো সব কোচিং সেন্টারই দিয়ে থাকে। আর হ্যাকিংয়ের বিষয়টি একটি ভুল বোঝাবুঝি মাত্র।’

কথা হয় সাইফুর’স কোচিং সেন্টারের পান্থপথ শাখার শিক্ষার্থী আব্দুল-আল মামুনের সঙ্গে। তিনি বলেন, ‘আমি বিসিএস-এর কোর্স করতে সাইফুর’স-এ ভর্তি হয়েছি। প্রতিষ্ঠানটির বিজ্ঞাপন দেখে ও বন্ধুদের পরামর্শে ভর্তি হলেও এখন ক্লাস করে খুব একটা ভালো মনে হচ্ছে না। ভর্তির আগে ৫ হাজার টাকা অগ্রিম দেয়ায় এখনও ক্লাস চালিয়ে যাচ্ছি।’

পান্থপথ থেকে বেরিয়ে আসা হয় সাইফুর’স-এর ফার্মগেট শাখায়। ফার্মগেট শাখায় ঢুকতেই দেখা মেলে এক শিক্ষার্থীর। তিনি সরকারি তিতুমীর কলেজের অনার্স প্রথম বর্ষের ছাত্র। নাম আরিফুর ইসলাম। তিনি জানান, ইংরেজিতে দুর্বল হওয়ায় স্পোকেন কোর্সে ভর্তি হয়েছেন। কোর্সটি ৩ মাসের। ভর্তি হওয়ার সময় সাড়ে ৪ হাজার টাকা দিয়ে ভর্তি হয়েছেন। ক্লাসে কেমন পড়ায় জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘খুব ভালো নয়। মোটামুটি।’

একটু সামনে যেতেই দেখা মেলে তথ্য কেন্দ্রের। ভেতরে ঢুকে কথা হয় ব্রাঞ্চের ইনচার্জ মো. বুলবুল হোসেনের সঙ্গে। তিনি বলেন, ‘রাজধানীর অন্যান্য কোচিং সেন্টারের চেয়ে আমাদের শিক্ষার মান অনেক ভালো। আমরা আমাদের আন্তরিকতার সবটুকু দিয়ে প্রতিটি কোর্স করানোর চেষ্টা করে থাকি।’
‘আপনাদের প্রতিষ্ঠানটি বিভিন্ন ধরনের বিজ্ঞাপন দিয়ে সমালোচনার সম্মুখীন হয়েছে।

এছাড়া হ্যাকিংয়ের বিষয়টি আলোচনার তুঙ্গে’- প্রতিবেদকের এমন প্রশ্নর জবাবে তিনি বলেন, ‘প্রতিষ্ঠানটির অবস্থান ভালো হওয়ায় এটি ধ্বংসের জন্য ষড়যন্ত্র চলছে।’ তিনি বলেন, ‘আপনারা জানেন, কোচিং সেন্টারটির প্রতিষ্ঠাতা হচ্ছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষক সাইফুর রহমান স্যার। এ বিষয়ে এর চেয়ে বেশি কিছু বলার নেই।’

ottt

সাইফুর’স কোচিং সেন্টারের ফার্মগেট ও পান্থপথ শাখা থেকে বের হয়ে তাদের প্রতিষ্ঠানটি সম্পর্কে আরো তথ্য জানতে ও সরেজমিনে দেখতে যাওয়া হয় লালমাটিয়া শাখায়। এটি সাইফুর’স-এর প্রধান শাখা। লালমাটিয়া শাখায় ঢুকতেই রিসেপশনে প্রথমে ভর্তির তথ্য জানতে চাইলে তারা ভেতরে মোহাম্মদ জামানের সঙ্গে কথা বলতে বলেন। পরে শিক্ষার্থী পরিচয়ে কথা হয় তথ্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ জামানের সঙ্গে।

এ সময় ভর্তির বিষয়ে তিনি প্রতিবেদককে তথ্য দিতে থাকেন। প্রতিবেদক স্পোকেন ইংলিশ কোর্স করতে চান এমনটি জানালে তিনি কোর্স সম্পর্কে ধারণা দেন। কথা বলার এক পর্যায়ে সাইফুর’স-এর বিষয়ে একাধিকবার প্রশ্নপত্র ফাঁস এবং অবৈধভাবে ভর্তির ফরম বিক্রির কথা জিজ্ঞাসা করতেই ভারি হয়ে ওঠে তথ্য কর্মকর্তার মুখ।

তিনি বলেন, ‘অভিযোগ সত্য নয়। আপনি যাচাই করে দেখতে পারেন। আমাদের এখানে যারা কোর্স করান সবাই বিভিন্ন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক। এছাড়া অনেকে বিদেশ থেকে বিভিন্ন বিষয়ের উপর ডিগ্রি নিয়েছেন।’

হ্যাকিংয়ের বিজ্ঞাপনের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘এ বিষয়ে আমার কোনো তথ্য জানা নেই। আপনার সঙ্গে এত কথা বলতে পারবো না।’আমি ভর্তি হতে এসেছি, তথ্য জানতে চাইতেই পারি’- প্রতিবেদকের এমন কথা শুনে এরপর বিব্রত বোধ করেন ওই কর্মকর্তা।

বিষয়টি নিয়ে কথা বলতে ফোনে যোগাযোগ করা হয় সাইফুর’স কোচিং সেন্টারের প্রতিষ্ঠাতা ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষক সাইফুর রহমানের সঙ্গে।

‘ইংরেজির ভুলে বাংলাদেশ ব্যাংকের ১৬০ কোটি টাকা হ্যাকারদের হাতছাড়া- এমন একটি বিজ্ঞাপন দিয়েছিল সাইফুর’স কোচিং সেন্টার। আপনি বিষয়টি জানেন কি না’- এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘এ ধরনের একটি বিজ্ঞাপন দেয়া হয়েছিল। কিন্তু এটি নিয়ে যে ধরনের বিভ্রান্তি ছড়ানো হয়েছে, আসলে সে অর্থে বিজ্ঞাপনটি দেয়া হয়নি।’

এ বিজ্ঞাপনের জন্য পত্রিকায় ক্ষমা চেয়ে বা ভুল স্বীকার করে কোনো বিজ্ঞাপন দেওয়া হয়েছিল কি না এমন প্রশ্নের জবাবে সাইফুর রহমান বলেন, ‘আমি তো আগেই বলেছি এটি একটি ভুল বোঝাবুঝি। এখানে দুঃখ প্রকাশের বিষয়টি অবান্তর।’

বিষয়টি নিয়ে কথা হয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিকের সঙ্গে। তিনি বলেন, ‘কোচিং সেন্টারটির প্রতিষ্ঠাতা সাইফুর স্যার। সেহেতু এ ব্যাপারে আমাদের কোনো এখতিয়ার নেই। এটা সরকার ও সাইফুর’স কোচিং সেন্টারের বিষয়।’

সাইফুর’স কোচিং সেন্টারের এই বিষয়গুলো নিয়ে এরপর কথা হয় জজ কোর্টের আইনজীবী সাজেদুর রহমানের সঙ্গে। তিনি বলেন, ‘কোনো কোচিং সেন্টার যদি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস, অবৈধভাবে ভর্তির ফরম বিক্রি ও কোনো ধরনের লোভনীয় বিজ্ঞাপন দিয়ে মানুষকে খারাপ কাজ করতে উৎসাহ দিয়ে থাকে তবে সবই রাষ্ট্রদ্রোহী ও ফৌজদারি অপরাধের মধ্যে পড়ে।

তিনি বলেন, ‘এই বিষয়গুলো ফৌজদারি অপরাধ হওয়ায় সরকার চাইলে প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে যে কোনো মুহূর্তে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারে।’

এর আগে বাংলাদেশ ব্যাংকের অর্থ লোপাটের ঘটনার মধ্যেই দক্ষ ‘হ্যাকার তৈরির বিজ্ঞাপন’ দিয়ে গত মার্চে আলোচনায় আসে সাইফুর’স কোচিং সেন্টার। এরপর গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক সমালোচনা শুরু হলে তারা ‘চোর বানানোর বিজ্ঞাপন’ দিয়ে মানুষকে বিভ্রান্ত করেছে দাবি করে শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ কোচিং সেন্টারটির বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেয়ার হুঁশিয়ারি দেন।

শিক্ষা মন্ত্রণালয় রমনা থানায় এই কোচিং সেন্টারের বিরুদ্ধে জিডি করে এবং বিষয়টি তদন্ত করতে দুর্নীতি দমন কমিশনকে চিঠি দেয়। বর্তমানে দুর্নীতি দমন কমিশন এটি তদন্ত করছে। তদন্তের বিষয়ে কথা হয় দুর্নীতি দমন কমিশনের জনসংযোগ বিভাগের কর্মকর্তা প্রণব কুমার ভট্টাচার্যের সঙ্গে। তিনি বলেন, ‘তদন্ত চলছে। তদন্ত শেষে সে অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

সাইফুর’স-এর বিষয়ে কথা হয় শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদের সঙ্গে। তিনি বলেন, ‘আপনারা জানেন হ্যাকিংয়ের বিজ্ঞাপন দেওয়ার পর সাইফুর’স কোচিং সেন্টারের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। বর্তমানে মামলাটি তদন্ত করছে দুদক। প্রতিষ্ঠানটির পরিচালনা কর্তৃপক্ষকে দু’দফা ডেকে পাঠিয়েছে দুদক।’

শিক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, ‘হ্যাকিংয়ের বিজ্ঞাপন দিয়ে তারা অনৈতিক কাজ করেছে। তারা আমাদের ছেলে-মেয়েদের চোর বানাতে চায়। তারা যে দুঃসাহস দেখিয়েছে তা কোনোভাবেই কাম্য নয়। এটি কোনো কোচিং সেন্টারের নৈতিকতা হতে পারে না।’

মন্ত্রী বলেন, ‘ইতোমধ্যে ওই কোচিং সেন্টারের বিরুদ্ধে হ্যাকিংয়ের বিজ্ঞাপন, প্রশ্নফাঁসসহ বিভিন্ন অভিযোগ পাওয়া গেছে। সবগুলো অভিযোগ আমলে নিয়ে তদন্ত করা হচ্ছে। তদন্ত শেষে তাদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

হ্যাকিংয়ের মাধ্যমে বাংলাদেশ ব্যাংকের অর্থ লোপাট এবং একটি শব্দের বানান ভুলে ২ কোটি ডলার রক্ষা পাওয়ার ঘটনা বাংলাদেশের গণমাধ্যমে প্রকাশের পর গত মার্চ মাসে একটি জাতীয় দৈনিকে বিজ্ঞাপনটি দেয় সাইফুর’স।




পাঠকের মন্তব্য দেখুন
৫ শতাংশ প্রবৃদ্ধি ও বৈশাখী ভাতার ফাইল প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে - dainik shiksha ৫ শতাংশ প্রবৃদ্ধি ও বৈশাখী ভাতার ফাইল প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে দাখিল আলিম পরীক্ষায় বৃত্তিপ্রাপ্তদের তালিকা প্রকাশ - dainik shiksha দাখিল আলিম পরীক্ষায় বৃত্তিপ্রাপ্তদের তালিকা প্রকাশ মাস্টার্সের সমমর্যাদা পেল দাওয়ারে হাদিস - dainik shiksha মাস্টার্সের সমমর্যাদা পেল দাওয়ারে হাদিস এইচএসসি প্রাইভেট পরীক্ষার্থীদের রেজিস্ট্রেশনের বিজ্ঞপ্তি - dainik shiksha এইচএসসি প্রাইভেট পরীক্ষার্থীদের রেজিস্ট্রেশনের বিজ্ঞপ্তি এমপিও কমিটির সভা ২৪ সেপ্টেম্বর - dainik shiksha এমপিও কমিটির সভা ২৪ সেপ্টেম্বর তেরো এগারোর বাদপড়া শিক্ষকদের হইচই (ভিডিও) - dainik shiksha তেরো এগারোর বাদপড়া শিক্ষকদের হইচই (ভিডিও) দৈনিক শিক্ষায় বিজ্ঞাপন পাঠান ইমেইলে - dainik shiksha দৈনিক শিক্ষায় বিজ্ঞাপন পাঠান ইমেইলে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের নামে খোলা সব ফেসবুক পেজই ভুয়া - dainik shiksha জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের নামে খোলা সব ফেসবুক পেজই ভুয়া please click here to view dainikshiksha website