আমাদের সঙ্গে থাকতে দৈনিকশিক্ষাডটকম ফেসবুক পেজে লাইক দিন।


সৃজনশীল প্রশ্ন: হাটে হাঁড়ি ভাঙল মাউশি অধিদপ্তর

আমিরুল আলম খান | সেপ্টেম্বর ১৩, ২০১৭ | মতামত

এত দিন শুধু দুষ্ট লোকেরা বলত, এবার একেবারে হাটে হাঁড়ি ভাঙল খোদ মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা (মাউশি) অধিদপ্তর। দেশে অর্ধেকের বেশি (৫২.০৫%) মাধ্যমিক শিক্ষক নাকি সৃজনশীল পদ্ধতি বোঝেনই না। মাউশি অধিদপ্তরের একাডেমিক পরিদর্শন প্রতিবেদন তা-ই বলছে। গত মে মাসে ১৮ হাজার ৫৯৮টি মাধ্যমিক স্কুলে পরিদর্শন করে মাউশি তা জানতে পেরেছে। (সূত্র: দৈনিক কালের কণ্ঠ, আগস্ট ২৩, ২০১৭)। তা এক দশক ধরে এত ঢাক পিটিয়ে যে সৃজনশীল প্রশ্নপত্র চালু করা হলো, লাখ লাখ মাধ্যমিক শিক্ষককে প্রশিক্ষণ দেওয়া হলো, তারপরও অর্ধেকের বেশি শিক্ষক ‘সৃজনশীল অংশ বোঝেন না’ কেন? শিক্ষকই যদি না বোঝেন, তাহলে তাঁরা কী পড়ান? আর অবুঝ শিক্ষক যা পড়ান, তাতে শিক্ষার্থীদের পাসের হার শনৈঃশনৈঃ বাড়ে কী করে? তার সোজা মানে হচ্ছে, গোটা জাতিকে সৃজনশীলের নামে ধোঁকা দেওয়া হচ্ছে। এ দেশের সতেরো কোটি মানুষ তা বুঝতেও পারছে, প্রতিবাদ করছে। শিক্ষার নামে এই নষ্টামি বন্ধের জন্য এক দশক ধরে সামান্য বিবেক যাদের আছে, তারা আবদার, চেঁচামেচি, প্রতিবাদ, মানববন্ধন, মোকদ্দমা করেও এ থেকে পরিত্রাণ পাচ্ছে না কেন? কারণ, সৃজনশীল নামক সোনার রাজহাঁস বহু লোককে রাতারাতি আঙুল ফুলে বটবৃক্ষ বানিয়েছে, বানাচ্ছে। সৃজনশীলের নামে দেশ থেকে লেখাপড়া নির্বাসনে গেছে, স্কুল-কলেজ নিষ্প্রয়োজনীয় হয়ে পড়েছে, কোচিং সেন্টারই এখন শিক্ষার মঞ্জিল মকসুদ। এভাবে এক অশিক্ষিত, অদক্ষ, অসৎ, বিবেকহীন, নির্লজ্জ, লোভী ও আত্মপরায়ণ ভবিষ্যৎ প্রজন্ম তৈরি হচ্ছে; তবু সৃজনশীলের রথ থামছে না।

তার প্রথম কারণ আগেই উল্লেখ করা হয়েছে। দ্বিতীয় কারণ, যাঁরা সৃজনশীল শিক্ষা নিয়ে দেশ মাতাল করে দিচ্ছেন, তাঁরাই ‘সৃজনশীল কী’ তা-ই বোঝেন না। যাঁরা এই শিক্ষা মাঠপর্যায়ে নিয়ে যাওয়ার দায়িত্ব পেয়েছেন, নিয়েছেন, তাঁদের ১০ শতাংশও ‘সৃজনশীল শিক্ষা’র জন্য পাঠ্যপুস্তক কেমন হবে, কীভাবে সৃজনশীল শিক্ষা দিতে হয়, কীভাবে ‘সৃজনশীল প্রশ্ন’ করতে হয়, কীভাবে সে প্রশ্নের ‘উত্তর মূল্যায়ন’ করতে হয়, তার কিছুই যেমন নিজেরা জানেন না, তেমনি তা কাউকে শেখাতেও পারেননি। কিন্তু এ জন্য তাঁরা দেশ-বিদেশ সফর করেছেন, প্রশিক্ষণ গ্রহণ ও দানের নামে হাজার হাজার কোটি টাকা শ্রাদ্ধ করেছেন। কিন্তু যত দোষ নন্দ ঘোষ শিক্ষকদের ঘাড়ে চাপিয়ে তাঁরা সাধু হতে চাইছেন।

শিক্ষকেরা যে সৃজনশীল পদ্ধতি বোঝেন না, মাউশি এই দিব্যজ্ঞান লাভ করেছে পারফরমেন্স-বেইজড ম্যানেজমেন্ট (পিবিএম) ভিত্তিক সমীক্ষা চালিয়ে। পাঁচ শ্রেণিতে ভাগ করে এবং সাত নির্দেশকে পরিমাপ করে তারা এই সিদ্ধান্তে পৌঁছেছে। সাত নির্দেশক ছিল ১. শিক্ষণ-শিখন পরিবেশ, ২. প্রধান শিক্ষকের নেতৃত্ব, ৩. ব্যবস্থাপনা কমিটির কার্যকারিতা, ৪. শিক্ষকের পেশাদারি, ৫. শিক্ষার্থীর কৃতিত্ব, ৬. সহশিক্ষা কার্যক্রম আর শিক্ষক ও ৭. অভিভাবকদের মধ্যে সম্পর্ক।

এ পরিদর্শন যে সর্বাত্মক ছিল, তা পরিদর্শন করা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সংখ্যা দেখেই বোঝা যাচ্ছে। পরিদর্শিত স্কুলের সংখ্যা দেশের সব স্কুলকেই নির্দেশ করে। মাউশির সে সামর্থ্য কতটুকু আছে, সে প্রশ্ন মুলতবি রেখেই মেনে নিচ্ছি যে তারা রাজধানী থেকে শুরু করে পাড়াগাঁয়ের সব মাধ্যমিক স্কুল পরিদর্শন করেছে। সেখানে তারা শুধু তৈরি করা প্রশ্নমালা বিলি করে উত্তর জোগাড় করেছে, নাকি ক্লাসে উপস্থিত থেকে শিক্ষকের পারঙ্গমতাও যাচাই করেছে, সেটা সংবাদে বলা হয়নি। কিন্তু যেটা বলা হয়েছে, তা হলো, এই সমীক্ষায় নেওয়া ৮৪ হাজার ৭২৩ জন শিক্ষকের মধ্যে সৃজনশীল বিষয়ে প্রশিক্ষণ পাওয়া শিক্ষক ছিলেন ৪৭ হাজার ৬০৩ জন, অর্থাৎ প্রতি স্কুল থেকে গড়ে আড়াই জন। অন্যরা সৃজনশীল শিক্ষা বা প্রশ্ন বিষয়ে আদৌ কোনো প্রশিক্ষণ পেয়েছেন কি না, তা স্পষ্ট জানা গেল না।

এ দেশে ‘সৃজনশীল’ ‘সৃজনশীল’ বলে চিৎকার শুরু ২০০৭ সাল থেকে। তারপর ২০১০ সালে মাধ্যমিকে বাংলা ও ধর্মশিক্ষায় ‘সৃজনশীল পদ্ধতি’তে প্রথম পরীক্ষা নেওয়া শুরু। ধীরে ধীরে নিচে এবং ওপরের ক্লাসে, অর্থাৎ প্রাথমিক সমাপনী ও উচ্চমাধ্যমিক স্তরেও সৃজনশীল পদ্ধতিতে পরীক্ষা গ্রহণ শুরু হয়। মনে রাখতে হবে, প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষকদের পেডাগজি প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা থাকলেও কলেজশিক্ষকদের জন্য সে ব্যবস্থা আদৌ নেই, সেটা তাঁদের চাকরির কোনো শর্তও নয়। অর্থাৎ, মাধ্যমিক শিক্ষক যাঁদের চাকরির শর্তই পেডাগজি প্রশিক্ষণ, তাঁদেরই সৃজনশীল শিক্ষক হিসেবে গড়ে তোলা যায়নি; যদিও বাহারি নামে গন্ডা গন্ডা প্রজেক্ট নিয়ে গত প্রায় এক দশকে হাজার হাজার কোটি টাকা এ খাতে লোপাট করা হয়েছে। আর কলেজ, অর্থাৎ উচ্চমাধ্যমিকের কথা না হয় না-ই উল্লেখ করলাম। কেননা, তাদের তো এ বিষয়ে মৌলিক প্রশিক্ষণই নেই। নায়েম বা এইচএসটিটিআই তাদের যে প্রশিক্ষণ দেয়, তা অর্থ এবং সময়ের অপচয় ছাড়া আর কিছু নয়।

তবে কি সৃজনশীল শিক্ষা বলে দুনিয়ায় আসলেই কিছু নেই? ব্লুম টেক্সোনোমি কি মিথ্যা? না, মিথ্যা তো নয়-ই এবং সৃজনশীল শিক্ষাই আসল শিক্ষা। কিন্তু বাংলাদেশে সৃজনশীল বলে যা চালু করার চেষ্টা করা হচ্ছে, এর নাম আর যা-ই হোক সৃজনশীল শিক্ষা বা সৃজনশীল প্রশ্ন নয়। এখানে ‘কাঠামোবদ্ধ প্রশ্ন’কে ‘সৃজনশীল’ বলে ধোঁকাবাজরা গোটা জাতিকে জিম্মি করেছে।

সৃজনশীল শিক্ষার প্রথম শর্ত সৃজনশীল বই, সৃজনশীল পাঠদান পদ্ধতি, সৃজনশীল প্রশ্ন এবং সে প্রশ্নের উত্তর মূল্যায়ন। সৃজনশীল শিক্ষার মূল কথা নিম্নতর ও উচ্চতর দক্ষতার মধ্যে পার্থক্য করতে জানা এবং কীভাবে শিক্ষার্থী নিজেই অনুসন্ধিৎসু হয়ে ওঠে, কীভাবে শিক্ষার্থী নিজে ভেবে, নিজে করে, নিজের মতো করে শিখতে পারে, তা শেখানো হয়। কীভাবে শিক্ষার্থী নিম্নতর দক্ষতা থেকে উচ্চতর দক্ষতা অর্জন করবে, তা-ই শেখানো হয়। তাই শিক্ষার্থীকে জীবনঘনিষ্ঠ প্রায় পৌনে তিন শ ক্রিয়াপদের মাধ্যমে প্রশ্ন করতে শেখানো হয়, যা তাদের সৃষ্টিশীল হতে প্রেরণা জোগায়। কিন্তু বাংলাদেশে সৃজনশীল বইয়ের নামে পাঠ্যবইকে বানানো হয়েছে ‘নোট বই’, যা এ দেশে প্রচলিত আইনে নিষিদ্ধ এবং দণ্ডযোগ্য। জাতীয় পাঠ্যক্রম ও টেক্সট বুক বোর্ডের যাঁরা এসব বইয়ের অনুমোদন দিয়েছেন, তাঁদের একজনেরও সৃজনশীল বই সম্পর্কে বিন্দুমাত্র জ্ঞান নেই।

এখন সময় এসেছে পুরো বিষয়টি তদন্ত করার। সময় এসেছে দায়ীদের কাঠগড়ায় তুলে কৈফিয়ত চাওয়ার। এখানে দুটি অপরাধ সংঘটিত হয়েছে: প্রথম অপরাধ, তারা জনগণকে মিথ্যা বলেছে, ধোঁকা দিয়েছে ও জাতিকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দিয়েছে। দ্বিতীয়ত, তারা কোটি কোটি টাকা লুণ্ঠন করেছে।

আমিরুল আলম খান, যশোর শিক্ষাবোর্ডের সাবেক চেয়ারম্যান।

সূত্র: প্রথম আলো

মন্তব্যঃ ৪৭টি
  1. সব কৃতিত্ব শিক্ষামন্ত্রনালয়ের সর্বোচ্চ ব্যক্তিটির। তাকে পুরস্কৃত করা যায়। says:

    সব কৃতিত্ব শিক্ষা মন্ত্রনালয়ের সর্বোচ্চ ব্যক্তিটির। তাকে পুরস্কৃত করা যায়।

  2. Anuarul islam says:

    সত্য‌ি কথা বলছ‌েন

  3. সফিকুল ইসলাম, প্রভাষক মিজমিজি পাইনাদী ফাযিল মাদ্রাসা, নারায়ণ গঞ্জ। says:

    আমার মনে হয় বিদেশ থেকে উচ্চতর ডিগ্রী নিয়ে এসে বাংলাদেশের কচিকাচাদের মাথা খেয়েছে।নিজেরা পাগল হয়েছে বাচ্চাদের ও মাথা নষ্ট করেছে। এর জন্য বাচ্চারা পড়াশোনায় মনোযোগী না।এর জন্যই লেখা পড়ার বেহাল দশা।প্রতিবছর বই পরির্তন করবে। আর ডিগ্রীধারীরা সিলেবাস করবে আর বইএর মধ্যে হাজারো ভুল থাকবে শিক্ষকা কিছুই না।

  4. ফয়েজ আহাম্মদ says:

    সৃজনশীলের আগে কেউ জ্ঞানী ছিলেন না। তাই সৃজনশীল এর আগমন।

  5. মোস্তাফিজুর রহমান।সহশিক্ষক(গনিত)দূর্গাপুর হাজী মোবারক আলী দা:মাদ্রাসা।বরিশাল01711857492 says:

    গনিতে সূজনশীল করা টা ঠিক হয় নি।গ্রামের ৯০ ভাগ ছেলে মেয়ে পাঠ্যবইয়ের প্রশ্ন পারলেও সৃজনশীল প্রশ্ন বুজে না।আর নৈবেত্তিক প্রশ্ন তো অর্নাস লেভেলের।পাগলামি ছাড়া আর কিছু না

  6. শিবুব্রত মন্ডল says:

    MCQ শতভাগ তুলে দেবার আবেদন জানাচ্ছি।

  7. বাপন কুমার বসু says:

    আসলে একটা প্রবাদ আছে, ” বামুনে মন্ত্র পড়ে, পাঠার কলায় শোনে “

  8. Mozammel Hoque says:

    আগে শুধু পাবনায় পাগলাগারদ ছিল, এখন দেখছি সৃজনশীল ছালু করে পুরো দেশটাই পাগল হয়ে গেছে। কেন, যখন সৃজনশীল ছিলনা তখন মানুষ শিক্ষিত হয়নি? এভাবে শিক্ষালয় আর ছাত্র গড়তে পারবে না, পারবে ফেসবুকার গড়তে। আধুনিকতার বাতাসে নীতি-নৈতিকতা উদাও হচ্ছে।

  9. মোঃ শামীম উল হাসান says:

    ব্যর্থতার মূল কারণ অতি মূল্যায়ন । কিছু লিখুক আর নাই লিখুক পরীক্ষকদের নম্বর দিত বাধ্য করা হয় । আর পড়াশোনা না করেই নম্বর পাওয়ায় ছেলে মেয়েরা পড়াশোনার আগ্রহ হারিয় ফেলে।

  10. আবুল কালাম আজাদ। says:

    সৃজনশীল পদ্ধতির নামে পুরা জাতিকে মেধাশূণ্য করা হচ্ছে বলে আমি মনে করি। সময় এসেছে এটা নিয়ে ভাবার।

  11. sanjit kanti deb, says:

    দেশটাতে যার যা খেয়াল তাই করছে। জবাদিহিতা নেই।

  12. মো: মজনু মিয়া says:

    সৃজনশীল নয় যেন হাইব্রিড পাস।

  13. safaet jamil says:

    বহুদিন পর একটা আপাদমস্তক সত্য ভাষন পড়ে অভিভূত হয়েছি । অশেষ ধন্যবাদ স্যার ।

  14. জিয়া ঊদ্দিন।জাহাজমারা ছেরাজুল উলুম আলিম মাদ্রাসা।হাতিয়া।নোয়াখালী। says:

    সঠিক বলছেন।

  15. রায়হান,সহশি,সরল আমিরিয়া উ/বি,বাঁশখালী,চট্টগ্রাম। says:

    সৃজনশীল ও মাল্টিমিডিয়া ক্লাশ এর নামে যা চলছে তার সবটাই লোকদেখানো ঢং।

  16. k.kabir says:

    অধিদপ্তর ডাটা সংগ্রহকারীর মাধ্যমে জরিপ করেছে, একদম সঠিক চিত্র। পদ্ধতি ও আধুনিক । দরকার শিক্ষকদের আধুনিক মানষিকতা।

  17. মণি রহমান says:

    কতিপয় বুদ্ধিজীবীর তথাকথিত সৃজনশীল পদ্ধতিই এ দেশের শিক্ষাটাকে সম্পূর্ণ খেলো!

  18. হুমায়ুন কবির says:

    সৃজনশীল পদ্ধতিতে পাঠদান এবং মাল্টিমিডিয়ার মাধ্যমে পাঠদান পদ্ধতি দুইটি দুই রকম।

  19. সাইফুল হক, সহকারি শিক্ষক, বিশ্বম্ভরপুর মডেল উচ্চ বিদ্যালয়, বিশ্বম্ভরপুর, সুনামগঞ্জ। says:

    শিক্ষক বলে সৃজনশীল।
    ছাত্র বলে মরণশীল।

  20. মোঃ মুসা হোসেন সহকারী শিক্ষক, (গণিত) রামপাল, বাগেরহাট। says:

    শিক্ষকদের বেতন দেবেন সবচেয়ে কম আর বলবেন ভালো শিক্ষক চাই তাই কি হয়??????

  21. md anwar hossein says:

    The best students need to come to teaching profession otherwise our education will lose the present standard.

  22. মো: হারুন অর রশিদ বেপারী says:

    এটা নিয়ে এখন ভাবুন,, বাদ দিবেন না রাখবেন?

  23. Akteruzzaman.Akter says:

    কলেজ শিক্ষকদের ব্যাপক প্রশিক্ষন
    প্রয়োজন।
    প্রাইমারী স্কুলের পি টি আই প্রশিক্ষন,
    হাই স্কুলের বি এড প্রশিক্ষন,
    কলেজের ,,,,,,,,,,,,,?
    বিশ্ব বিদ্যালয়ের এম ফিল, পি রিচ ডি, সহ
    দেশ বিদেশে উচ্চতর প্রশিক্ষন ।

  24. আক্তারুজ্জামান, প্রভাষক (অর্থনীতি) says:

    কলেজ শিক্ষকদের ব্যাপক প্রশিক্ষন
    প্রয়োজন।
    প্রাইমারী স্কুলের পি টি আই প্রশিক্ষন,
    হাই স্কুলের বি এড প্রশিক্ষন,
    কলেজের ,,,,,,,,,,,,,?
    বিশ্ব বিদ্যালয়ের এম ফিল, পি রিচ ডি, সহ
    দেশ বিদেশে উচ্চতর প্রশিক্ষন ।

  25. Dulal Chandra Pramanik says:

    যথার্থ বলেছেন।ধন্যবাদ।

  26. Bipro das Biswas says:

    হবুচন্দ্র রাজা বললেন, গবুচন্দ্রকে ডেকে লেখাপড়া বন্ধকরে দাও রাজ্যতে আজ থকে, সেই ক্রান্তীকাল চলছে আজ বাংলায়।

  27. মোঃ সাইফুল আলম says:

    স্যারে বক্তব্যের সংগে এক মত। সনাতন পদ্ধতি ফিরিয়ে আনা হোক।

  28. মোঃ সাইফুল আলম says:

    সৃজনশীল প্রশ্ন নামে জাতিকে মেধা শূন্যে ধাবিত করা হচ্ছ।

  29. Akmal Hossen Assistant Teacher (English) Satrajitpur High School Shibganj,Chapainawabganj says:

    শিক্ষক বলে সৃজনশীল।
    ছাত্র বলে মরণশীল।

  30. হাবীব says:

    Ei taka dea sara desher pratistan jateo karan kare nerbigne desh calano jaito

  31. jaman says:

    সৃজনশীল পদ্ধতি বাস্তবায়ন হতো যদি শিক্ষকদের বিষয়ভিত্তিক দক্ষতা যথেষ্ট হতো। যে সকল শিক্ষক এনটিঅারসিএ নিয়োগের অাগে নিয়োগ হয়েছে বেশিরভাগ তারা তেমনি যা দিয়ে শিক্ষার কোন পরিবর্তন অানা কষ্টকর।
    প্রশিক্ষণ করার পর শিক্ষকেরা চেষ্টা না করা এবং ৯৫% শিক্ষকেরা নিজে প্রশ্ন না করা।

  32. শেখসাদী says:

    এত লেখালেখি না করে সৃজনশীল বন্দ করার জন্য মামলা করেন। চাদা লাগলে আমিও দেব।

  33. মোঃ জাহিদুল ইসলাম says:

    সৃজনশীল প্রশ্ন প্রণয়ন ছাত্র ছাত্রীদের অমনোযোগীতার জন্য দায়ী নয়। ছাত্র ছাত্রীদের অমনোযোগীতার জন্য দায়ী হচ্ছে পরীক্ষার প্রশ্ন আউট হওয়া। আধুনিক প্রযুক্তির অপব্যবহারে ছাত্র ছাত্রীরা অমনোযোগিতা বেড়ে গেছে। বর্তমান ছাত্র ছাত্রীরা ইন্টারনেটে এতটা আসক্ত হয়ে গেছে যে ক্লাসে বসে শিক্ষকের অগোচরে, পড়তে বসে পড়ার টেবিলে মা বাবাকে ফাঁকি দিয়ে, বন্ধুদের সাথে আড্ডায় বসে, ঘুমাতে গিয়ে রাত জেগে জেগে ঘুম নষ্ট করে প্রায় দিনের ২৪ ঘন্টার আঠার ঘন্টাই ইন্টারনেট ব্রাউজ করছে। ইন্টারনেটের ভাল দিক গুলোব্যবহার না করে তারা অপ্রয়োজনীয় দিকগুলো ও বয়স অনুপযোগী ওয়েবসাইট গুলো দ্বারা বেশি আকৃষ্ট হচ্ছে। আর মাধ্যমিক পর্যায়ে ছাত্র ছাত্রীরা বল্গাহীন ঘোরার মতো। এদেরকে যদি লাগাম দিয়ে টান দেওয়া না হয় তাহলে দিক বিদিক ছুটতে থাকে। তাই তাদের বেড়ে উঠা কোন ফর্মুলা অনুসারে না হয়ে আকাবাকা পথে হয়। যার কারনে তারা হয়ে পরে নীতিহীন। শিক্ষদের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ ও নৈতিকতা শিখে না। শিক্ষকদের নির্দেশ অমান্য করে। অমনোযোগী হয়ে এরা বই পরে জ্ঞানের রস আস্বাদনের যে তৃপ্তি ও আরও জ্ঞান অর্জনের আগ্রহ অনুভব করে না।

  34. Masud Akanda says:

    উপরোক্ত রিপোর্টটি ১০০% সত্য। আমরা এ থেকে পরিত্রাণ চাই। আর শ্রদ্ধেয় স্যারকে অসংখ্য ধন্যবাদ কারণ, সময়োপযোগী তথ্য উপস্থাপনের জন্য।

  35. আবু সুফিয়ান (সহকারি শিক্ষক, পতন উষার উচ্চ বিদ্যালয়,কমল গঞ্জ) says:

    কিছু প্রশ্ন বাংলাদেশ মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তাদের কাছে।।
    কখন হবে কার্যকর নতুন শিক্ষা নীতি?
    শুধু খসরাই থাকুক, তাই না।
    ব্যবসায় শাখা কে কবে প্যাটার্ন ভুক্ত শুন্য পদ হিসেবে ঘোষনা করা হবে?
    ১৩/১১/১১ এর কালো পরিপত্র বাতিল কি হবে?
    দূর হবে কি শাখা শিক্ষক দের দুর দশা?
    শাখা শিক্ষকদের কি আদৌ এম,পি,ও দেওয়া হবে?
    এ সব উত্তর কি কতৃপক্ষ দিতে পারবে??
    মিলবে না এসব প্রশ্নের উত্তর,
    হায় রে বাংলা দেশের শিক্ষা ব্যবস্তা !!!

  36. Abu Sufian.. Assistant teacher..Patanuher High School..kamalgonj.. says:

    কিছু প্রশ্ন বাংলাদেশ মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তাদের কাছে।।
    কখন হবে কার্যকর নতুন শিক্ষা নীতি?
    শুধু খসরাই থাকুক, তাই না।
    ব্যবসায় শাখা কে কবে প্যাটার্ন ভুক্ত শুন্য পদ হিসেবে ঘোষনা করা হবে?
    ১৩/১১/১১ এর কালো পরিপত্র বাতিল কি হবে?
    দূর হবে কি শাখা শিক্ষক দের দুর দশা?
    শাখা শিক্ষকদের কি আদৌ এম,পি,ও দেওয়া হবে?
    এ সব উত্তর কি কতৃপক্ষ দিতে পারবে??
    মিলবে না এসব প্রশ্নের উত্তর,
    হায় রে বাংলা দেশের শিক্ষা ব্যবস্তা !!!

  37. অরুন কুমার বিশ্বাস says:

    সৃজনশীল জাতীকে ধ্বংশ করেছে। কারণ শিক্ষকই যেখানে সৃজনশীল বোঝেনা সেখানে শিক্ষার্থীকে কি বুঝাবে? কারণ ছাত্রদেরকে পড়ানো হয় একটা আর প্রশ্ন করা হয় আর একটা। কোমল মতি শিক্ষার্থী তাদের কিএমন বুদ্ধির বিকাশ ঘটানো সম্ভব যে তারা পড়ানোর বাইরে নিজেই কিছু সৃষ্টি করতে পারবে। আর এ জন্যইতো উদ্দিপকে যা থাকে তাই তারা লিখে দিয়ে আসে। এর মত বাজে পদ্ধতি আর আছে বলে আমার মনে হয়না। তাই এটি দ্রুত বাদ দেওয়া দরকার। এ পদ্ধি জাতিকে ধ্বংশ করার শেষ প্রান্ততে নিয়ে গেছে।

  38. S M Anisul Haque says:

    সঠিক চিত্র।সৃজনশীল নামে জাতিকে ধোকা দিচ্ছে ওরা

  39. মো: কাউসার খান, চরভদ্রাসন, ফরিদপুর says:

    যথার্থ ও সঠিক কথা লেখার জন্য সারকে ধন্যবাদ। এই মরণশীল পদ্ধতি বাতিল হোক।

  40. সাইফুল্লাহ says:

    আপনার মন্তব্য প্রশ্ন সহজ করে গাইড বই এর কম্পানী বন্ধ করতে হবে তাহলে আস্তে আস্তে শিক্খার উন্নতি শুরু হতে পারে।

  41. মো: আইয়ুব আলী says:

    সৃজনশীল মানেই জাতিকে মেধাশুন্য করা।একথা ঢাকার অনেক নামি দামি প্রতিষ্টানের প্রধানেরা বিভিন্ন সময় মন্তব্য করেছেন। কিন্তু নোট গাইড ও কোচিং ব্যবসা জমজমাট রাখা পাশের হার বাড়ানো ইত্যাদি কারনে সৃজনশীল পদ্ধতি টিকিয়ে রাখা হয়েছে।

  42. আরিফুল ইসলাম, (প্রভাষক বাংলা ),আব্দুল হামিদ খান হাই স্কুল এন্ড কলেজ ,মেস্টা,জামালপুর says:

    সৃজনশীল প্রশ্ন ছাত্র /ছাত্রীরা ভাল করে বুঝে না।কেননা স্যার যদি না বুঝে ছাত্ররা কীভাবে বুঝবে।তবে সৃজনশীল প্রশ্ন যদি সঠিক ভাবে বাস্তবায়িত করা যায় তাহলে অবশ্য এর ফল পাওয়া যাবে।

  43. পংকজ সাহা, সহকারি অধ্যাপক says:

    স্যারকে শ্রদ্ধাভরে সমর্থন করি

  44. Ariful Islam Sarker ,Assist. Teacher, Nurpur Girls' High school, Rangpur says:

    সত্যকথা এমন অকপটে বলার মানুষও আছে- এটা ভেবে পুলকিত বোধ করছি।

  45. sujohn says:

    সৃজনশীল বাতিল চাই

  46. তুহিন আহমেদ says:

    মাদ্র‍াসায় গনিত সৃজনশীল দেয়া ঠিক হয়নি
    ,কারণ মাদরাসায় যে সকল ছাত্র‍ ছাত্র‍ী পড়ে তারা অধিকাংশই গরীব, তারা টাকা খরচ করতে হিমশিম খায়,ফলে তারা ক্লাস নির্ভর।ভাল ছাত্র স্কুলে ভর্তি হয়,ফলে তারা৭০%স্কুলে ও private পড়ে পাসের উপযুক্ত হয়। কিন্তু মাদরাসা র ছাত্ররারে পড়ানো আর উলুবনে মুক্ত ছড়ানো একিই কথা! বিশ্বাস না হয় ১মাস করে বিভিন্ন মাদরাসা য় যান তবেই বুুজবেন কত ধানে কত চাল! তাই মাদরাসায় সৃজনশীল গণিতকে ১০০%না বলুন।

  47. Shahjahan,Guardian says:

    দেশের শিক্ষা ব্যবস্থা ধ্বংস এর ধারপান্তে। যোগ্যতাসম্পন্ন শিক্ষক দরকার ও তার জন্য সরকারি ও বেসরকারি বৈষম্য না করে, সবাইকে একই সুযোগসুবিধে দেওয়া দরকার। যোগ্যতাসম্পন্ন শিক্ষামন্ত্রী দরকার।

আপনার মন্তব্য দিন