স্কুলের মিড ডে মিলে সেদ্ধ সাপ, অভিভাবকদের বিক্ষোভ - ভারতের শিক্ষা - Dainikshiksha


স্কুলের মিড ডে মিলে সেদ্ধ সাপ, অভিভাবকদের বিক্ষোভ

দৈনিকশিক্ষা ডেস্ক |

মিড ডে মিলের খাবারে মিলেছিল সেদ্ধ হওয়া সাপ। গত বুধবারের সেই ঘটনার প্রতিবাদে স্কুলে বিক্ষোভ দেখালেন স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশ। শুক্রবার তেহট্টের নাটনা অঞ্চলের নাটনা জুনিয়র বেসিক স্কুলের ঘটনা। শুক্রবার (১৭ আগস্ট) আনন্দবাজার পত্রিকায় প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা যায়।

স্কুল ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মিড-ডে মিলের খাবার অনেক ছাত্র-ছাত্রী বাড়িতে নিয়ে গিয়ে খায়। গত বুধবার এ রকমই এক ছাত্রী খাবার বাড়িতে নিয়ে যায়। খেতে গিয়ে দেখে খাবারে রয়েছে একটি সাপ। সে খবর ছড়িয়ে পড়তে স্থানীয় অভিভাবকদের একাংশ প্রধান শিক্ষকের সঙ্গে দেখা করতে আসেন। প্রধান শিক্ষক সে সময় স্কুলে ছিলেন না।

বিক্ষুব্ধ অভিভাবকেরা জানান, ১৫ই আগস্ট বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের উচিত ছিল অভিভাবকদের সঙ্গে দেখা করা। কিন্তু তাঁরা কেউই বিদ্যালয়ে অভিভাবকদের জন্য অপেক্ষা করেননি। প্রত্যেক শিক্ষকই সকাল আটটার মধ্যে বিদ্যালয় থেকে চলে যান। যদি বিদ্যালয়ের কোনও ভুল না-ই থাকত তা হলে তাঁরা অভিভাবকদের সঙ্গে দেখা করতে ভয় পাচ্ছিলেন কেন। 

যে ছাত্রীর খাবারে সাপ মিলেছিল তার বাবা নিতীশ ঘোষ বলেন, বড়সড় দুর্ঘটনা থেকে আমার মেয়ে-সহ অন্য ছাত্র-ছাত্রীরা রক্ষা পেয়েছে। স্কুল কর্তৃপক্ষ খাবারের বিষয়ে কিছু বলতে পারছেন না। প্রথমে তো আমাদের সঙ্গে দেখা পর্যন্ত করতে চান‌নি। এই কারণে আমাদের আজকের এই বিক্ষোভ।

স্কুল কর্তৃপক্ষের দাবি, বুধবার রান্নার লোকেরা সব কিছু পরিষ্কার করেই রান্না বসান। খাবার তৈরির পর শিক্ষক ও রান্নার কর্মীরা খেয়ে দেখেন। তার পর বাচ্চাদের দেয়া হয়। কীভাবে সাপ খাবারের মধ্যে এলো তা বোঝা যাচ্ছে না।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নন্দগোপাল বিশ্বাস বলেন, রান্নার ঘরের আশেপাশে সব জঙ্গল পরিষ্কার করা হবে। ভবিষ্যতে যাতে এই ধরনের দুর্ঘটনা না ঘটে তা বিষয়ে সতর্ক থাকব।




পাঠকের মন্তব্য দেখুন
এমপিওভুক্তির তালিকায় প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদন - dainik shiksha এমপিওভুক্তির তালিকায় প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদন মেডিকেলে ভর্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ - dainik shiksha মেডিকেলে ভর্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ মারধরে অসুস্থ হলে আবরারকে অন্য রুমে নিয়ে গিয়ে পেটাই : রবিন - dainik shiksha মারধরে অসুস্থ হলে আবরারকে অন্য রুমে নিয়ে গিয়ে পেটাই : রবিন কী আছে শিক্ষক গোকুল দাশের লাইব্রেরিতে, কেন বিক্রির বিজ্ঞাপন? - dainik shiksha কী আছে শিক্ষক গোকুল দাশের লাইব্রেরিতে, কেন বিক্রির বিজ্ঞাপন? ৪২ শতাংশই অন্য চাকরি না পেয়ে শিক্ষকতায় এসেছেন - dainik shiksha ৪২ শতাংশই অন্য চাকরি না পেয়ে শিক্ষকতায় এসেছেন ডিগ্রি ১ম বর্ষ পরীক্ষার ফল পুনঃনিরীক্ষণের আবেদন ২৭ অক্টোবর পর্যন্ত - dainik shiksha ডিগ্রি ১ম বর্ষ পরীক্ষার ফল পুনঃনিরীক্ষণের আবেদন ২৭ অক্টোবর পর্যন্ত শিক্ষার এক্সক্লুসিভ ভিডিও দেখতে দৈনিক শিক্ষার ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন - dainik shiksha শিক্ষার এক্সক্লুসিভ ভিডিও দেখতে দৈনিক শিক্ষার ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের নামে খোলা সব ফেসবুক পেজই ভুয়া - dainik shiksha জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের নামে খোলা সব ফেসবুক পেজই ভুয়া please click here to view dainikshiksha website