স্কুলের সৌন্দর্য বাড়লেও কমছে শিক্ষার মান - স্কুল - দৈনিকশিক্ষা


স্কুলের সৌন্দর্য বাড়লেও কমছে শিক্ষার মান

গাজীপুর প্রতিনিধি |

গাজীপুরের প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোর দেয়ালে দেয়ালে লাগছে নতুন রং, বাড়ছে সৌন্দর্য। কিন্তু দিন দিন কমছে শিক্ষার মান। বিশেষ করে অনেক বিদ্যালয়ে বেশকিছু শিক্ষকের পদ শূন্য থাকায় এ সংকট আরও দীর্ঘ হচ্ছে। অভিভাবকরা জানিয়েছেন, পদ শূন্য থাকার কারণে ব্যাহত হচ্ছে পাঠদান। শিক্ষক সংকটের কারণে ছেলে-মেয়েরা প্রকৃত শিক্ষা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। অন্যদিকে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার জানিয়েছেন সহকারী শিক্ষকের শূন্য পদে নিয়োগের কার্যক্রম চলমান। খুব শিগগিরই শূন্য পদগুলো পূরণ করা সম্ভব হবে। এছাড়া অনেক বিদ্যালয়ে বাউন্ডারি ওয়াল, ওয়াশব্লক, বিদ্যুৎ সংযোগ, শহীদ মিনার নেই। এসব বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ বরাবরে চাহিদা প্রেরণ করা হয়েছে বলেও জানা গেছে।

জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা যায়, গাজীপুর জেলায় ৭৭৫টি বিদ্যালয়ে অনুমোদিত ৭৭৫ জন প্রধান শিক্ষকের স্থলে কর্মরত আছেন ৭৩৭ জন, বর্তমানে প্রধান শিক্ষকের ৩৮টি পদ শূন্য রয়েছে। সহকারী শিক্ষকের ৪৪৩০টি অনুমোদিত পদের মধ্যে ৪১৬৪টি পদে কর্মরত আছেন, বর্তমানে সহকারী শিক্ষকের ২৬৬টি পদ শূন্য রয়েছে। জানা গেছে, অধিকাংশ বিদ্যালয়গুলোর ভবন শিশুদের জন্য আকর্ষণীয় করে লাল-সবুজে সজ্জিত করা হয়েছে। এতে শিশুদের উপস্থিতি বৃদ্ধি পেয়েছে। এর মধ্যে কালিয়াকৈর উপজেলায় ৯০টি, শ্রীপুর উপজেলায় ৮২টি, কাপাসিয়া উপজেলায় ৬০টি, গাজীপুর সদর উপজেলায় ৫০টি, কালীগঞ্জ উপজেলায় ৪০টি এবং টঙ্গীতে ৬টি অর্থাৎ জেলায় মোট ৩২৮টি বিদ্যালয় লাল-সবুজে সজ্জিত করা হয়েছে।

গাজীপুর সদর উপজেলার আতুরী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মো. ইদ্রিস আলী জানান, তাদের স্কুলে দীর্ঘদিন প্রধান শিক্ষক নেই। প্রধান শিক্ষকসহ আমাদের বিদ্যালয়ে ৫ জন শিক্ষকের পদ থাকলেও, কর্মরত আছেন তিনজন শিক্ষক। ৫ জনের কাজ তিন জনেরই করতে হচ্ছে।

গাজীপুর জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোহাম্মদ মোফাজ্জল হোসেন বলেন, গাজীপুর জেলার ৭৭৫টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ৭৩৭ জন প্রধান শিক্ষক এবং ৪১৬৪ জন সহকারী শিক্ষক দ্বারা সুন্দর ও সুষ্ঠুভাবে পরিচালিত হচ্ছে। ৩৮টি প্রধান শিক্ষক এবং ২৬৬টি সহকারী শিক্ষকের পদ শূন্য রয়েছে। নিয়োগ প্রক্রিয়া চলছে। অতি শিগগিরই পদগুলো পূরণ করা হবে।




পাঠকের মন্তব্য দেখুন
এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় পাস ৮২ দশমিক ৮৭ শতাংশ - dainik shiksha এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় পাস ৮২ দশমিক ৮৭ শতাংশ দাখিলে পাস ৮২ দশমিক ৫১ শতাংশ - dainik shiksha দাখিলে পাস ৮২ দশমিক ৫১ শতাংশ এসএসসি ভোকেশনালে পাস ৭২ দশমিক ৭০ শতাংশ - dainik shiksha এসএসসি ভোকেশনালে পাস ৭২ দশমিক ৭০ শতাংশ ১০৪টি প্রতিষ্ঠানে কেউ পাস করতে পারেনি - dainik shiksha ১০৪টি প্রতিষ্ঠানে কেউ পাস করতে পারেনি এসএসসির ফল পুনঃনিরীক্ষার আবেদন ৭ জুনের মধ্যে - dainik shiksha এসএসসির ফল পুনঃনিরীক্ষার আবেদন ৭ জুনের মধ্যে এখনই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলছে না : প্রধানমন্ত্রী - dainik shiksha এখনই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলছে না : প্রধানমন্ত্রী দাখিলের ফল জানবেন যেভাবে - dainik shiksha দাখিলের ফল জানবেন যেভাবে ৬ জুন থেকে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির প্রক্রিয়া শুরুর প্রস্তাব - dainik shiksha ৬ জুন থেকে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির প্রক্রিয়া শুরুর প্রস্তাব এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল জানবেন যেভাবে - dainik shiksha এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল জানবেন যেভাবে এসএসসি-দাখিল ভোকেশনালের ফল জানবেন যেভাবে - dainik shiksha এসএসসি-দাখিল ভোকেশনালের ফল জানবেন যেভাবে নন-এমপিও শিক্ষকদের তালিকা তৈরিতে ৯ নির্দেশ - dainik shiksha নন-এমপিও শিক্ষকদের তালিকা তৈরিতে ৯ নির্দেশ কলেজে ভর্তি : দৈনিক শিক্ষায় বিজ্ঞাপন পাঠান ইমেইলে - dainik shiksha কলেজে ভর্তি : দৈনিক শিক্ষায় বিজ্ঞাপন পাঠান ইমেইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছুটি বাড়ল ১৫ জুন পর্যন্ত - dainik shiksha বিশ্ববিদ্যালয়ের ছুটি বাড়ল ১৫ জুন পর্যন্ত ঘরে বসেই পরীক্ষা নেয়ার চিন্তা - dainik shiksha ঘরে বসেই পরীক্ষা নেয়ার চিন্তা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ছুটি ১৫ জুন পর্যন্ত, ৩১ মে থেকে অফিস-আদালত খুলছে - dainik shiksha শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ছুটি ১৫ জুন পর্যন্ত, ৩১ মে থেকে অফিস-আদালত খুলছে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের নামে খোলা সব ফেসবুক পেজই ভুয়া - dainik shiksha জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের নামে খোলা সব ফেসবুক পেজই ভুয়া please click here to view dainikshiksha website