স্থায়ী দূরশিক্ষণ পদ্ধতি : যুক্তরাষ্ট্র ও মিত্রদের নতুন উদ্যোগ - মতামত - দৈনিকশিক্ষা


স্থায়ী দূরশিক্ষণ পদ্ধতি : যুক্তরাষ্ট্র ও মিত্রদের নতুন উদ্যোগ

মোকলেচুর রহমান মোল্লা, নিউইয়র্ক প্রতিনিধি |

করোনায় বিধ্বস্ত সারা পৃথিবীর মানুষ যেমন এক জরুরি স্বাস্থ্য সেবার মানবিক বিশ্ব দেখেছে, তেমনি এর পাশাপাশি প্রযুক্তি পুঁজিবাদ (Virtual Capitalism) এর আকাশচুম্বী সাফল্যও একই সাথে দেখছে। রাষ্ট্রের অন্যতম শিক্ষা কাঠামোসহ সব প্রতিষ্ঠানিক কাঠামো যেখানে প্রায় অকার্যকর হয়ে সাময়িকভাবে স্থবির হয়ে পড়ছে, সেখানে, বিশ্বের টেক জায়ান্টরা বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার মুনাফা করে বিশ্বের ধনী ব্যক্তিদের তালিকায় নতুন করে নাম লেখাচ্ছে ও তালিকার উপরের দিকে উঠে যাচ্ছে। আর রাষ্ট্র তার অপরিহার্য শিক্ষাব্যবস্থা কোনোমতে চালিয়ে নেয়ার জন্য প্রযুক্তি পুঁজিবাদের করুণার ওপর নির্ভর করছে। হ্যাঁ, আমি আসলে দূরশিক্ষণ (Distance Learning) বা অনলাইন শিক্ষার কথা বলছি। করোনার মহামারিতে, বিশ্বের অন্যতম প্রযুক্তি নির্ভর শহর নিউইয়র্কসহ গোটা আমেরিকার শিক্ষাব্যবস্থা তার হাজার বছরের ধারাবাহিকতা থেকে থমকে দাঁড়ায় এবং সেই শিক্ষাব্যবস্থাকে টেনে নেয়ার জন্য দূরশিক্ষণকেই বেছে নিয়েছে। যদিও বিভিন্ন নামে পরিচিত সেই দূরশিক্ষণ পদ্ধতি পৃথিবীব্যাপী নতুন কোনো শব্দ নয়। তবে, করোনা পরবর্তী বিশ্বে প্রযুক্তি নির্ভর।

প্রতিযোগিতামূলক শিক্ষাব্যবস্থায় নিত্য নতুন কৌশলে দূরশিক্ষণ পদ্ধতি নিয়ে নতুন করে বিচার বিশ্লেষণ করার সময় এসেছে। তাই আমার এই লেখায় সমসাময়িক বিশ্বে দূরশিক্ষণ-এর বর্তমান ব্যাপ্তি, ব্যবহৃত কৌশলসমূহ ও এর ইতিবাচক ও নেতিবাচক দিকগুলো নিয়ে আলোচনা করার চেষ্টা করব।

কারো বিশ্বাস হোক আর নাই হোক, ইন্টারনেট প্রযুক্তির উদ্ভাবনের ও প্রায় একশো বছর আগেই দূরশিক্ষণ পদ্ধতির শুরু হয়েছিল। এমনকি, টেলিফোন, টেলিভিশন ও কম্পিউটারের মতো প্রযুক্তি উদ্ভাবনের আগেই দূরশিক্ষণ পদ্ধতির প্রচলন ছিল। নানারকম মতভেদ থাকলেও, কিছু সূত্র মতে সতেরশো শতাব্দীর গোড়ার দিকে দূরশিক্ষণ পদ্ধতির ব্যবহারের নিদর্শন পাওয়া যায়। এ সময়ের পরে দূরশিক্ষণ এমস একটি পদ্ধতির মাধ্যমে চর্চা হতো যাকে বলা হতো ‘করেসপন্ডেস এডুকেশন’ (correspondence education).

ইউনিভার্সিটি অব এডভান্সিং টেকনলজি (University of Advancing Technology) এর মাইক ইরউইন (Mike Erwin) ‘করেসপন্ডেস এডুকেশন’ (correspondence education) সম্পর্কে বলেন, এটা ছিল একটা খুবই সহজ শিক্ষা পদ্ধতি, যেখানে ছাত্ররা ডাকের মাধ্যমে শিক্ষকদের নির্দেশনা গ্রহণ করত এবং প্রয়োজনীয় প্রশ্ন ও অ্যাস্যাইনমেন্ট ডাকের মাধ্যমেই তারা শিক্ষকদের কাছে পাঠাতেন। শুরুতে এ পদ্ধতিটি এত মন্থর গতির ছিল যে, একবার যোগাযোগ সম্পন্ন করতেই প্রায় কয়েক সপ্তাহ লেগে যেত। কিন্তু, বিশ্বব্যাপী ডাক ব্যবস্থার ব্যাপক উন্নতি সাধনের সাথে এই দূরশিক্ষণ পদ্ধতিটি অনেক কম
সময়ে ও বহুদূর ব্যাপ্তিতে শিক্ষক ও ছাত্রের মধ্যে যোগাযোগ স্থাপনে সামর্থ্য হয় ও বিশ্বের অনেক দেশে এই পদ্ধতিটি জনপ্রিয় হয়ে ওঠে।

কারো কারো মতে, দূরশিক্ষণ পদ্ধতির শুরু হয়ে ছিল ১৮৪০ খ্রিষ্টাব্দে। তাদের মতে, স্যার আইজ্যাক পিটম্যান (Sir Isaac Pitman) নামের একজন ইংরেজ শিক্ষক ডাকের মাধ্যমে শর্টহ্যান্ড (shorthand) শিক্ষা দিতেন। মিউজিয়াম অব ডিসট্যান্স এডুকেশন (Museum of Distance Education) টাইমলাইন মোতাবেক, ইউনিভার্সিটি অব লন্ডন (University of London) সর্বপ্রথম ১৮৫৮ খ্রিষ্টাব্দে দূরশিক্ষণের মাধ্যমে শিক্ষাদানের কার্যক্রম চালু করেছিল। এরও ত্রিশ বছর পর, ১৮৮৮ খ্রিষ্টাব্দে, পেনসিলভেনিয়াভিত্তিক একটি প্রাইভেট স্কুল যার নাম, দি ইন্টারন্যাশনাল করেসপন্ডেস স্কুল (The Interynational Correspondence Schools) ইমিগ্র্যান্ট কয়লা শ্রমিকদের প্রশিক্ষণের লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠিত হয়। আর ১৯০৬ খ্রিষ্টাব্দের মধ্যে সেই স্কুলের ছাত্রের সংখ্যা গিয়ে দাঁড়ায় প্রায় ৯ লাখ। ১৯১১ খ্রিষ্টাব্দে অষ্ট্রেলিয়ার দি ইউনিভার্সিটি অব কুইন্সল্যান্ড (The University of Queensland) ডিপার্টমেন্ট অব করেসপন্ডেটস স্টাডিস (Department of Correspondence Studies) চালু করে। এই শিক্ষা পদ্ধতির অন্যতম সমস্যা ছিল এর এক মাত্রিক যোগাযোগ ব্যবস্থা। এখানে, ছাত্ররা শিক্ষককে সরাসরি প্রশ্ন করতে পারত না বা অন্যান্য ছাত্রদের সাথে পারস্পারিক যোগাযোগের কোনো সুযোগ ছিল না। এর পর থেকে সময়ের সাথে তাল মিলিয়ে প্রযুক্তির উন্নয়নের ধাপে ধাপে দূরশিক্ষণ পদ্ধতির অনেক উন্নয়ন ও ব্যাপক মাত্রা গ্রহণ করেছে।

তবে, ১৯৯০ খ্রিষ্টাব্দের দিক থেকে স্যাটালাইট ভার্চুয়াল ক্লাসরুম (satellite virtual classrooms), মোবাইল ফোন, ভিডিও কনফারেন্সিং এবং ইন্টারনেট ব্যবহারের মাধ্যমে দূরশিক্ষণ পদ্ধতির ব্যাপক উন্নতি সাধন হয়েছে। যদিও, যুক্তরাষ্ট্রে দূরশিক্ষণ পদ্ধতি ব্যবহারে ক্ষেত্রে ধীর গতি লক্ষ করা যায়। ১৯৮৭ খ্রিষ্টাব্দে সমগ্র যুক্তরাষ্টে ১০টিরও কম রাজ্যে দূরশিক্ষণ পদ্ধতির অনুমোদন মেলে। তার এক বছরের ও মাথায় সমগ্র স্টেটের প্রায় তিনভাগের দুইভাগ স্টেটে এবং ১৯৮৯ খ্রিষ্টাব্দের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সমগ্র স্টেটেই দূরশিক্ষণ পদ্ধতিতে শিক্ষাদানের প্রথা চালু করা হয়।

দূরশিক্ষণ শব্দটি সবার কাছে পরিচিত হলেও বলা প্রয়োজন যে, মোটা কথায় দূরশিক্ষণ হলো এমন সব শিক্ষার্থীদের জন্য যারা শারীরিকভাবে সবসময় ক্লাসে উপস্থিত থাকতে অক্ষম। যা বর্তমানে ডিস্ট্রিবিউটেড লানিং, ই-লানিং, ম-লানিং, ওপেন ইউনিভার্সিটি, ওপেন লানিং ও ভার্চুয়াল লানিংসহ নানা নামে ডাকা হয়। তবে এর সবই সাধারনত শব্দগত ও পদ্ধতিগতভাবে দূরশিক্ষণ পদ্ধতি সমার্থক। যে নামেই ডাকা হোক কি না, প্রত্যেক দূরশিক্ষণ পদ্ধতির যে সকল বৈশিষ্ট্য বিদ্যমান তা হলো; শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের বিচ্ছিন্ন অবস্থান, কোনো একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রভাব, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীর সংযোগের জন্য কোনো মাধ্যমের ব্যবহার, দ্বি-মাত্রায় যোগাযোগ, শিক্ষার্থী দলগত না বরং একক ব্যক্তি এবং শিক্ষকের শৈল্পিক রূপ। কারো কারো মতে, দূরশিক্ষণ শিক্ষাব্যবস্থা হলো তাদের জন্য যারা স্বাধীন সময়ে ও মুক্তচিন্তায় অনুসন্ধান ও গবেষণার মাধ্যমে জ্ঞান অর্জনে আগ্রহী। আবার অনেকের মতে, মিলিটারি সদস্য, গ্রামের শিক্ষার্থী, যারা শারীরিকভাবে স্কুলে উপস্থিত হতে অক্ষম তাদের জন্য দূরশিক্ষণ। আবার বিধবা বা স্বামী বিচ্ছিন্ন মা যারা সন্তান ফেলে রেখে ক্লাসে উপস্থিত হতে পারে না তারাও দূরশিক্ষণ পদ্ধতিতেই শিক্ষাগ্রহণ করে থাকে।

২০০৭-০৮ খ্রিষ্টাব্দে, প্রাইমারি রিসার্চ গ্রুপের এক সার্ভে মতে, যুক্তরাষ্ট্রে কলেজ লেভেলে দূরশিক্ষণ শিক্ষাথীদের প্রায় ৬০ শতাংশই ছিল নারী। এই দূরশিক্ষণ পদ্ধতির একটা লম্বা ইতিহাস থাকলেও, যুক্তরাষ্ট্রের কলেজগুলোতে দূরশিক্ষণে শিক্ষা প্রদানের রীতি ১০০ বছরেরও পুরানো। ১৯৯০ খ্রিষ্টাব্দ থেকে যুক্তরাষ্ট্রে দূরশিক্ষণ মাধ্যমে প্রদানকৃত ডিগ্রি হলো মাস্টার্স ডিগ্রি। আবার, যুক্তরাষ্ট্রে দূরশিক্ষণ মাধ্যমে সর্বাধিক সংখ্যক এমবিএ ডিগ্রি প্রদান করেছে।

এগুলো হলো শুধু একটা লস্বা সময় ধরে চলে আসা গতানুগতিক দূরশিক্ষণ শিক্ষাব্যবস্থার রূপ যেখানে কলেজ ডিগ্রি, পিএইচডি গ্রহণ ও কোর্সভিত্তিক বা পেশাভিত্তিক প্রশিক্ষণের প্রবণতাই সবচেয়ে বেশি লক্ষ করা গেছে। এই পদ্ধতিতে এসোসিয়েট ডিগ্রি প্রদান ও ব্যবসা, আইটি, ন্যায়বিচার এবং স্বাস্থ্যসেবামূলক চাকরির উচ্চচাহিদা আছে এমন প্রশিক্ষণ সনদ প্রদানের ঝোঁক দেখা গেছে। জেনসলার লরেন (Gensler, Lauren) বলেন, দূরশিক্ষণ এর চলমান ধারা একবিংশ শতাব্দী পর্যন্ত এসে পৌঁছেছে। তিনি বলেন, ২০০৬ খ্রিষ্টাব্দ নাগাদ যুক্তরাষ্ট্রে ৮৯ শতাংশ সরকারি কলেজ ও ৬০ শতাংশ বেসরকারি কলেজ দূরশিক্ষণ পদ্ধতির শুরু করে। অন্য এক গবেষণায় দেখা যায় যে, আইবিএম (IBM), কোডাক (Kodak) এবং ফরচুন ৫০০ (Fortune 500) কোম্পানিরা দূরশিক্ষণ পদ্ধতি ব্যবহার করে বিভিন্ন কার্যক্রমে বছরে ৪০ বিলিয়ন ডলারের বেশি খরচ করে থাকে।

শুধু যুক্তরাষ্ট্রে নয় এমনকি সারাবিশ্বেই কলেজ লেভেলের নিচে এই শিক্ষা পদ্ধতির ব্যবহার একেবারে ছিল না বললেই চলে। কিন্তু, করোন মহামারি সেইখানে একটা বড় ঝড় হিসেবে ধাক্কা দিয়ে সারাবিশ্বকে কাঁপিয়ে দেয়। আর সবাই বক্সের বাইরে এসে তাদের লাখ লাখ স্কুল শিক্ষার্থীকে এগিয়ে নেয়ার জন্য বিভিন্ন সৃজনশীল কৌশলে দূরশিক্ষণ পদ্ধতি একমাত্র হাতিয়ার হিসেবে বেছে নিয়েছে। যে যত বেশি সৃজনশীল ও প্রযুক্তি কৌশলই ব্যবহার করুক না কেন, সকলেই প্রথাগত দূরশিক্ষণ পদ্ধতির মূল দর্শনকেই গ্রহণ করে নিয়েছে। এর ফলে সারা বিশ্বই তাদের শিক্ষা কার্যক্রম বাস্তবায়নের এক নতুন ধরনের অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। আর এই অভিজ্ঞতার নেতিবাচক ও ইতিবাচক দিক নিয়েই সবাই ব্যাপকভাবে কাজ করে যাচ্ছে। আর বিশ্বব্যাপী প্রচেষ্টা দূরশিক্ষণ পদ্ধতিকে এমন একটি উচ্চমাত্রায় নিয়ে যাবে যাতে এটা শুধু উচ্চশিক্ষার মাধ্যম হিসেবেই নয় বরং শিক্ষার সকল স্তরেই গ্রহণযোগ্য ও সর্বজনীন শিক্ষা মাধ্যম হিসেবে গৃহীত হবে বলে আমার বিশ্বাস। কারণ, নিউইয়র্ক শহরসহ যুক্তরাষ্টের প্রায় সকল শহরেই দূরশিক্ষণ পদ্ধতিতে শিক্ষার ব্যয় নির্বাহের জন্য প্রথাগত শিক্ষার জন্য বরাদ্দকৃত ব্যয় সংকুচিত করা হয়েছে। শুধু তাই নয়, নতুন শিক্ষা বছরে, ১ মিলিয়নের বেশি শিক্ষার্থীর নিরাপত্তার কথা সর্বাধিক গুরুত্ব দিয়ে কি ধরনের কৌশল গ্রহণ করবে তা নিয়ে শিক্ষার উপর মহলে ব্যাপক বিশ্লেষণ চলছে। আর সে ক্ষেত্রে, বিগত তিনমাসের বেশি সময় ধরে দূরশিক্ষণ পদ্ধতিতে শিক্ষা প্রদানে সার্বিক বাস্তব অভিজ্ঞতাকে গুরুত্ব সহকারে সংস্কার মূলক ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে বিশ্লেষণ করে যাচ্ছে। তাই, দূরশিক্ষণ পদ্ধতি প্রথাগত ঐতিহাসিক ধরনের বিশ্লেষণের চেয়ে বিগত তিন মাসের প্রযুক্তি নির্ভর দূরশিক্ষণ পদ্ধতির বাস্তবায়নের অভিজ্ঞতাকে বিশ্লেষণ অনেক জরুরি হয়ে পড়েছে। আর এই অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে দূরশিক্ষণ পদ্ধতির সংস্কার সাধন করে শুধু নিউইর্য়ক সিটির উচ্চশিক্ষারই অগ্রগতি সাধন করা না বরং ভবিষ্যতে বিভিন্ন উদ্ভূত পরিস্থিতে নিউইয়র্ক সিটিসহ গোটা যুক্তরাষ্ট্র ও তাদের মিত্র রাষ্ট্রসমূহ নির্বিঘ্নে যাতে তাদের শিক্ষাব্যবস্থা চালিয়ে নিতে পারে তার প্রয়াস চালিয়ে যাচ্ছে।

(চলবে...)

মোকলেচুর রহমান মোল্লা, নিউইয়র্ক প্রতিনিধি, দৈনিক শিক্ষাডটকম। 




পাঠকের মন্তব্য দেখুন
করোনায় আরও ৩৭ জনের মৃত্যু, নতুন শনাক্ত ২ হাজার ৯৪৯ - dainik shiksha করোনায় আরও ৩৭ জনের মৃত্যু, নতুন শনাক্ত ২ হাজার ৯৪৯ দৈনিক শিক্ষায় প্রতিবেদন প্রকাশের পর : তথ্য গোপন করে নেয়া অনুদানের টাকা ফেরত - dainik shiksha দৈনিক শিক্ষায় প্রতিবেদন প্রকাশের পর : তথ্য গোপন করে নেয়া অনুদানের টাকা ফেরত আশ্রয়কেন্দ্র হিসাবে বন্যা দুর্গত এলাকায় স্কুল-কলেজ খুলে দেয়ার নির্দেশ - dainik shiksha আশ্রয়কেন্দ্র হিসাবে বন্যা দুর্গত এলাকায় স্কুল-কলেজ খুলে দেয়ার নির্দেশ পরীক্ষা ছাড়া শিক্ষার্থীদের প্রমোশনের সিদ্ধান্ত হয়নি : শিক্ষা মন্ত্রণালয় - dainik shiksha পরীক্ষা ছাড়া শিক্ষার্থীদের প্রমোশনের সিদ্ধান্ত হয়নি : শিক্ষা মন্ত্রণালয় একাদশে শিগগিরই ভর্তি কার্যক্রম শুরু হবে : শিক্ষামন্ত্রী - dainik shiksha একাদশে শিগগিরই ভর্তি কার্যক্রম শুরু হবে : শিক্ষামন্ত্রী প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষা বন্ধের পরিকল্পনা নেই : গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী - dainik shiksha প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষা বন্ধের পরিকল্পনা নেই : গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী স্কুলছাত্রের মৃত্যুতে পরোক্ষ দায়ী সেই যুগ্মসচিব নৌঅধিদপ্তরের মহাপরিচালক - dainik shiksha স্কুলছাত্রের মৃত্যুতে পরোক্ষ দায়ী সেই যুগ্মসচিব নৌঅধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যক্ষ-উপাধ্যক্ষ হতে পারছেন না প্রভাষকরা: রুলের জবাব দেয়নি সরকার - dainik shiksha অধ্যক্ষ-উপাধ্যক্ষ হতে পারছেন না প্রভাষকরা: রুলের জবাব দেয়নি সরকার শিক্ষায় বঙ্গবন্ধুর অবদান নিয়ে লেখা আহ্বান - dainik shiksha শিক্ষায় বঙ্গবন্ধুর অবদান নিয়ে লেখা আহ্বান বিনামূল্যে আন্তর্জাতিক মানের ডিজিটাল কনটেন্ট দিচ্ছে টিউটর্সইঙ্ক - dainik shiksha বিনামূল্যে আন্তর্জাতিক মানের ডিজিটাল কনটেন্ট দিচ্ছে টিউটর্সইঙ্ক শিক্ষকদের ফ্রি অনলাইন প্রশিক্ষণ চলছে - dainik shiksha শিক্ষকদের ফ্রি অনলাইন প্রশিক্ষণ চলছে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের নামে খোলা সব ফেসবুক পেজই ভুয়া - dainik shiksha জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের নামে খোলা সব ফেসবুক পেজই ভুয়া please click here to view dainikshiksha website