আমাদের সঙ্গে থাকতে দৈনিকশিক্ষাডটকম ফেসবুক পেজে লাইক দিন।


১৩৪ ভুয়া সনদধারী শিক্ষকের বিরুদ্ধে মামলা হচ্ছে

নিজস্ব প্রতিবেদক | আগস্ট ১৩, ২০১৭ | এমপিও

১৩৪ জন ভুয়া সনদধারী শিক্ষকের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। ভুয়া সনদধারী শিক্ষকরা বছরের পর বছর এমপিও ভোগ করে আসছেন। অধিকাংশেরই নিবন্ধন সনদ জাল বা ভুয়া। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভুয়া সনদ দেখিয়ে তারা চাকরি  নিশ্চিত ও এমপিওভুক্ত হয়েছেন। দারুল ইহসান বিশ্ববিদ্যালয়ের ভুয়া সনধারীও রয়েছে তালিকায়। ভুয়া সনদ চিহ্নিত করেছে পুলিশের স্পেশাল ব্রাঞ্চ। এমপিও বাবদ কে কত টাকা নিয়েছেন এবং কত টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরত দিতে হবে তা উল্রেখ করা হয়েছে পুলিশের অনুসন্ধান প্রতিবেদনে। পুলিশের কাছ থেকে তালিকা পাওয়ার পর অভিযুক্ত শিক্ষকদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশ দিয়েছে মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড।

শিক্ষকগণের নাম:

মাদারীপুরের পশ্চিম মাঠ ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসার শরীরচর্চা বিষয়ের সহকারি শিক্ষক মনোয়ারা।

টাঙ্গাইলের ধমবাড়ি উপজেলার হরিণাথালী আলিম দাখিল মাদ্রাসার সমাজ বিজ্ঞানের সহকারি শিক্ষক মোঃ আল মামুন।

কিশোরগঞ্জের চরফরাদী দাখিল মাদ্রাসার কম্পিউটার বিষয়ের সহকারি শিক্ষক আব্দুল কাদের।

মাদারীপুরের পশ্চিম মাঠ ইসলামিয়া সিনিয়র দাখিল মাদ্রাসার ইংরেজি বিষয়ের প্রভাষক মোঃ ফিরোজ প্রামাণিক, বাংলার প্রভাষক মো: আবুল হোসাইন, রাষ্ট্রবিজ্ঞানের প্রভাষক মো: আজাদুর রহমান, শরীরচর্চা বিষয়ের সহকারি শিক্ষক মনোয়ারা।

কিশোরগঞ্জের পাচল গোটা সিনিয়র মাদ্রাসার কৃষি শিক্ষা বিষয়ের সহকারি শিক্ষক মো: জাহিদুল হক, ধর্মের সহকারি শিক্ষক  মো: মোখলেছুর রহমান।

গাজীপুরের ছেলদিয়া আব্দুল মান্নান ভূঁইয়া বালকা দাখিল মাদ্রাসার কম্পিউটারের সহকারি শিক্ষক মনোয়ারা খাতুন। একই জেলার উজলী দিঘীরপাড়া জামেউল উলুম আলিম মাদ্রাসার অর্থনীতির প্রভাষক নির্মল চন্দ্র দাস, সমাজ বিজ্ঞানের সহকারি শিক্ষক সালমা সুলতানা, কম্পিউটারের সহকারি শিক্ষক মো: রফিকুল ইসলাম। ইকুরিয়া সিরাজিয়া বালিকা দাখিল মাদ্রাসার কম্পিউটারের সহকারি শিক্ষক মো: জয়নাল আবেদিন, গাওরার আলাউদ্দিন শাহী বালিকা দাখিল মাদ্রাসার কম্পিউটারের সহকারি শিক্ষক নুর আক্তার। ইসলামতাজ বালিকা দাখিল মাদ্রাসার সহকারি মৌলভী মো: আব্দুর রহিম এবং একই মাদ্রাসার কম্পিউটারের সহকারি শিক্ষক মো: জাকির আলম।

নেত্রকোনা জেলার রাজঘাট ডি, ইউ, আলিম মাদ্রাসার ইংরেজি বিষয়ের প্রভাষক মোহাম্মদ এমদাদুল হক বেগ।

শেরপুরের কামারের চর কে, এম আই, আলিম মাদ্রাসার কৃষি শিক্ষার সহকারি শিক্ষক মো: সাহিদ মিয়া।

জামালপুরের হাফেজা নগর দাখিল মাদ্রাসার গণিত ও বিজ্ঞানের সহকারি শিক্ষক মো: নজরুল ইসলাম।

ময়মনসিংহের খলিশাকুড়ি আফসারুল উলুম দাখিল মাদ্রাসার শরীর চর্চার সহকারি শিক্ষক মোহাম্মদ ফেরদাউসুল ইসলাম, একই বিদ্যালয়ের সামাজিক বিজ্ঞানের সহকারি শিক্ষক মোহাম্মদ উবায়দুল হক।কাঠালডাঙ্গা কুর্শাপুর হামিদিয়া বালিকা দাখিল মাদ্রাসার ইবতেদায়ী ক্বারী ফাতেমা আক্তার, কম্পিউটারের সহকারি শিক্ষক মাহফুজা আক্তার, সমাজ বিজ্ঞানের সহকারি শিক্ষক কামিম সুলতানা।

গাজীপুর কাপাসিয়া উপজেলার ৫ নং আফসার উদ্দিন আহমদ কারিগরি মহিলা মাদ্রাসার সহকারি শিক্ষক মুহম্মদ শরীফুজ্জামান।

ফরিদপুরের কুড়ানিয়ারচর কাদেরিয়া হাসনাবাদ দাখিল মাদ্রাসার কম্পিউটারের সহকারি শিক্ষক আলী আহমেদ।

মাদারীপুরের সাতবাড়ীয়া নুরে মোহাম্মদিয়া দাখিল মাদ্রাসার কম্পিউটারের সহকারি শিক্ষক জেসমিন।

ময়মনসিংহের বড়গ্রাম মহিউদ্দিন সিনিয়র মাদ্রাসার কম্পিউটারের সহকারি শিক্ষক লতিফা ইয়াসমিন।

শেরপুরের কৃষ্ণপুর ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসার কম্পিউটারের সহকারি শিক্ষক নিলা মমতাজ।

ময়মনসিংহের বাঘাদাড়িয়া ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসার কম্পিউটারের সহকারি শিক্ষক মোল্লা আবু হেনা মুস্তফা।

শেরপুরের কুশিউল উলুন দাখিল মাদ্রাসার কম্পিউটারের সহকারি শিক্ষক রেবেকা সুলতানা।

চাপাইনবাবগঞ্জের খালে আলমপুর দারুস সুন্নাত আলিম মাদ্রাসার, সন্নাসীতলা, ভোলাহাটের বিজ্ঞানের সহকারি শিক্ষক মোছা: এমেলী খাতুন।

রাজশাহীর বাঘমারা উপজেলার ইন্দিপুর দাখিল মাদ্রাসার কম্পিউটারের সহকারি শিক্ষক মো: এমরান আলী।

কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলার ভিতরবন্দ দারুসসুন্নাহ ফাজিল মাদ্রাসার গণিতের সহকারি শিক্ষক মো: আব্দুর রাজ্জাক, একই মাদ্রাসার সমাজের সহকারি শিক্ষক মোছা: ছামিনা খাতুন, বিজ্ঞানের সহকারি শিক্ষক মোছা: মিনা খাতুন, সহকারি মৌলভী মোসা: সারজিনা খাতুন।

রংপুরের পার্বতীপুর দারুস সুন্নাত দাখিল মাদ্রাসার ধর্মের সহকারি শিক্ষক মোছা: মরিয়ম নেছা।

রাজশাহীর পুটিয়ার বিরালদহ সৈয়দ করম আলী দারুস সুন্নাত ফাজিল মাদ্রাসার ধর্মের সহকারি শিক্ষক আঃ মালেক।

চাপাইনবাবগঞ্জের খড়কাডাঙ্গা দারুস সুন্নাহ আলিম মাদ্রাসার ইংরেজির সহকারি শিক্ষক মোঃ তাজামুল হক।

কুড়িগ্রামের রৌমারী কেরামতিয়া আদর্শ ফাজিলা মাদ্রাসার কম্পিউটারের সহকারি শিক্ষক মোঃ আবুল কালাম আজাদ। গোলের হাট ফাজিল মাদ্রাসার আরবির প্রভাষক নুরুল হুদা। শাহবাজার এ এইচ ফাজিল ডিগ্রি মাদ্রাসার সহকারি মৌলভী আফরোজা খাতুন।

জয়পুরহাটের আক্কেলপুর সিনিয়র মাদ্রাসার আরবীর প্রভাষক মো: মাসুদুর রহমান।

নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার  ছোটখাতা বহুমুখী ফাজিল মাদ্রাসার গণিতের সহকারি শিক্ষক মো: রফিকুল ইসলাম ও এক্ই মাদ্রাসার বাংলা সহকারি শিক্ষক মো. আলম বাদশা।

রংপুর জেলার  চন্দনপাটা মাটিয়াপপড়া এতরামিয়া দাখিলা মাদ্রাসার কম্পিউটারের সহকারি শিক্ষক মোছ: শেফালী বেগম।
নীলফামারী জেলার মিলা উপজেলার সুন্দরখাতা শফিকুল গনি স্বপন বহুমুখী ফাজিল মাদ্রাসার ইসলামের ইতিহাসের প্রভাষক মো. মাজেদুল ইসলাম।

কুড়িগ্রামের করপুরা ফাজিল মাদ্রাসার কম্পিউটারের সহকারি শিক্ষক আঃ ফাকের।

নাটোরের সিংড়া উপজেলার শালমারা ধামাইচ ইসলামিয়া সিদ্দিকিয়া দাখিল মাদ্রাসার কম্পিউটারের সহকারি শিক্ষক মো: মনিরুজ্জামান।

নওগাঁর প্রসাদপুর ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসার কম্পিউটারের সহকারি শিক্ষক সানজিদা ইয়াসমিন।

বগুড়ার দুপচাচিয়া উপজেলার মিয়াপাড়া জিয়াউদ্দিন আহসান শহীদ দাখিল মাদ্রাসার কম্পিউটারের সহকারি শিক্ষক মোসা: মেহেরুন নেছা।

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ বহুমুখী দাখিল মাদ্রাসার কম্পিউটারের সহকারি শিক্ষক মোছাঃ নুর নাহার বেগম।

দিনাজপুর হামিকপুর উপজেলার হাবিবপুর সিদ্দিকিয়া ফাজিলা মাদ্রাসার কম্পিউটারের সহকারি শিক্ষক মোঃ আব্দুর রউফ মন্ডল।

গাইবান্ধার শিবরাম আলহাজ্ব মোহাম্মদ হোসেন স্মৃতি স্কুল এন্ড কলেজের শরীরচর্চার শিক্ষক মোঃ মতিয়ার রহমান বসুনিয়া।

রাজশাহীর পঠিয়া উপজেলার ধোকড়াকুল আলিম মাদ্রাসার গ্রন্থাগারিক খন্দকার রাফিয়া নাজনিন।

নড়াইল লোহাগড়া উপজেলার এসএইচ বি আর আলিম মাদ্রাসার কম্পিউটারের শিক্ষক মোসাঃ আম্বিয়া খাতুন।

ভোলার চরনোয়বাদ ইসলামিয়া আলিম মাদ্রাসার কম্পিউটারের সহকারি শিক্ষক মাহে আলম।

বাগেরহাটের মোড়লগঞ্জ উপজেলার পঞ্চগ্রাম সম্মিলিত ইউ সুফিয়া আলিম মাদ্রাসার কম্পিউটারের সহকারি শিক্ষক মোঃ আবুল বাশার।

বরিশাল বাখরগঞ্জ উপজেলার মাসুয়াখালি আরশিদিয়া দাখিল মাদ্রাসার কৃষি শিক্ষার শিক্ষক আসমা আক্তার।

খুলনার ফুলতলা উপজেলার শিরোমনি আলিম মাদ্রাসার ইসলামের ইতিহাসের প্রভাষক ফাতিমা খাতুন।

পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলার কালারাজাহাট হোসাইনিয়া সিনিয়র মাদ্রাসার শরীর চর্চার সহকারি শিক্ষক আঃ সালাম।

সাতক্ষীরার তালা মহিলা দাখিল মা্দ্রাসার গণিতের সহকারি শিক্ষক মোঃ কারিমুল ইসলাম। কলারোয়া উপজেলার কাকডাঙ্গা ফাজিল মাদ্রাসার সহকারি শিক্ষক মাসকুরা খাতুন।

ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার উমরপুর গাফুরিয়া ফাজিল মাদ্রাসার সহকারি গ্রন্থাগারিক হাবিবুর রহমান।

বাগেরহাটের শরনখোলা উপজেলার ধানসাগর নলবুনিয়া আলিম মাদ্রাসার বিজ্ঞানের সহকারি শিক্ষক এ রহমান খান।

ফরিদপুরের শিয়ালদী আদর্শ আলিম মাদরাসার সহকারী শিক্ষক (কৃষি) মো. হাসান মৃধা, কিশোরগঞ্জের আলহাজ এমএ মান্নান মহিলা দাখিল মাদরাসার সহকারী শিক্ষক (গণিত) জাহাঙ্গীর আলম, নেত্রকোনা গগড়া মোজাফফরপুর দাখিল মাদরাসার সহকারী শিক্ষক (শরীরচর্চা) মো. সাখাওয়াত হোসেন, কিশোরগঞ্জের আহমাদু জুবাইদা ইসলামিয়া দাখিল মাদরাসার জুনিয়র মৌলভী শিক্ষক ফাতেমা আক্তার, কিশোরগঞ্জের করিমগঞ্জের নিয়ামতপুর সিনিয়র আলিম মাদরাসার আরবির প্রভাষক মো. শাহজালাল, শেরপুর শ্রীবদীর ভায়াডাংগা এএম আলিম মাদরাসার সহকারী শিক্ষক (ধর্ম) মো. মোফাজ্জল হক, ময়মনসিংহ গফরগাঁওয়ের যশরা আয়েশা হাসান দাখিল মাদরাসার ধর্ম শিক্ষক মো. আকরাম হোসেন, মানিকগঞ্জ শিবালয়ের কাজী শফিউদ্দিন দাখিল মাদরাসার এবতেদায়ী প্রধান অফিস সহকারী মো. ইসহাক মিয়া, শেরপুর জরাকুড়া আশরাফিয়া দাখিল মাদরাসার সহকারী শিক্ষক (কম্পিউটার) মাহবুবা সুলতানা, ময়মনসিংহের আল্লামা শাহ সূফী খাজা ছাইফুদ্দিন (রহ.) দাখিল মাদরাসার জুনিয়র শিক্ষক (ভাষা) নাজনিন সুলতানা, টাঙ্গাইল মধুপুরের সুনামগঞ্জ দাখিল মাদরাসার জুনিয়র শিক্ষক আশরাফুন্নাহার, ময়মনসিংহ হালুয়াঘাটের ধুরাইল জে. ইউ. আলিম মাদরাসার জুনিয়র শিক্ষক নাজমুন নাহার রীতা, হালুয়াঘাটের বনগ্রাম দাখিল মাদরাসার সহকারী শিক্ষক (সমাজ বিজ্ঞান) নুরসুদা বেগম, ফরিদপুর খতমী আবু জাফর সিদ্দিকীয়া সিনিয়র মাদরাসার সহকারী শিক্ষক শাহনাজ হাসান, মাদারীপুর খামারবাড়ী নেছারিয়া সিনিয়র মাদরাসার শরীরচর্চা শিক্ষক মোহাম্মদ আলী খান, ময়মনসিংহ কাচিনা কে. ইউ. ফাজিল মাদরাসার ইংরেজি প্রভাষক মুহাম্মদ রেজাউল করিম, ময়মনসিংহ গয়েশপুর দারুল উলূম ফাজিল মাদরাসার জুনিয়র শিক্ষক মৌলভী হাজেরা খাতুন, গাজীপুরের কাপাসিয়ার টোকনগর দারুল হাদিস আলিম মাদরাসার ইংরেজি প্রভাষক রুহুল আমীন, একই মাদরাসার বাংলার প্রভাষক মো. আশরাফুল আলম,  সহকারী মৌলভী মো. আবদুর রশীদ, সহকারী মৌলভী নাজমুন্নাহার, রাজবাড়ী তেঁতুলিয়া দারুসসালাম ইসলামিয়া দাখিল মাদরাসার সহকারী শিক্ষক (কম্পিউটার) জিয়াউর রহমান, রাজবাড়ীর শহীদ আবদুল হাকিম মহিলা মাদরাসার সহকারী শিক্ষক (কম্পিউটার) মো. দাউদ আলী, জামতলা দাখিল মাদরাসার শিক্ষক মো. আবদুল্লাহ আল মামুন, জামালপুর শেফালী মফিজ মহিলা আলিয়া মাদরাসার সহকারী শিক্ষক মো. শফিউজ্জামান, টাঙ্গাইল দেলদুয়ারের সিংহরাগী আব্বাসীয়া দাখিল মাদরাসার সহকারী শিক্ষক আবু বকর খান, ফরিদপুরের ভাবুকদিয়া ঠেনঠেনিয়া ফাজিল মাদরাসার সহকারী শিক্ষক সেলিনা সুলতানা, কিশোরগঞ্জ হোসেনপুর উপজেলা সদর দাখিল মাদরাসার সহকারী শিক্ষক মেহার পারভীন, ফরিদপুর মধুখালী শাহ হাবীব আলিম মাদরাসার কম্পিউটার শিক্ষক তৌহিদুল ইসলাম, কিশোরগঞ্জ পূর্ব চরপাড়তলা জালালউদ্দিন বালিকা দাখিল মাদরাসার শিক্ষক হুসাইন মো. মোস্তফা, ময়মনসিংহ ঈশ্বরগঞ্জের ধনিয়াকান্দি মাহমুদিয়া সিনিয়র মাদরাসার ইংরেজি প্রভাষক রায়হানা বেগম, লক্ষ্মীপুর জয়পুর দাখিল মাদরাসা শিক্ষক মাইন উদ্দিন মজুমদার, গাইবান্ধার পলাশবাড়ী পাঁচপীরের দরগাহ দাখিল মাদরাসার সহকারী শিক্ষক (উদ্ভিদ) আবদুল কাইয়ুম, ঠাকুরগাঁও হরিপুরের আসলে উদ্দিন প্রধান সিনিয়র আলিম মাদরাসার বিজ্ঞানের শিক্ষক মো. আলমাস আলী, সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর হরিণাহাটা মহিলা দাখিল মাদরাসার শরীর চর্চা শিক্ষক মো. মোশফেক ফারুকী, একই মাদরাসার কৃষিশিক্ষক মো. হাসান আলী, চাঁপাই নবাবগঞ্জ ভোলাহাটের আলমপুর দারুস সুন্নাত আলিম মাদরাসার কম্পিউটার প্রভাষক মো. শাহজাহান আলী, রাজশাহী বাগমারার ইন্দ্রপুর দাখিল মাদরাসার কম্পিউটার শিক্ষক মো. এমরান আলী, দিনাজপুর বিরামপুরের মুকুন্দপুর ফাজিল মাদরাসার সহকারী মৌলভী বেগম রহিমা পারভীন, চাঁপাই নবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর আলিনগর দারুল উলূম দাখিল মাদরাসার সহকারী মৌলভী এনামুল হক, লালমনিরহাট আদিতমারীর নামুড়ী দারুস সুন্নাত দাখিল মাদরাসার কম্পিউটার শিক্ষক মো. রমজান আলী, রাজশাহী পবার তেঁতুলিয়া ডাংগা সায়েদুল উলূম দাখিল মাদরাসার কম্পিউটার শিক্ষক মোছা. শাহানারা ইয়াসমীন, কুড়িগ্রাম উলিপুরের কর্পুরা করিমিয়া ফাজিল মাদরাসার কম্পিউটার শিক্ষক মো. আবদুল ফাকের, নাটোরের সিংড়ার শালমারা ধামাইচ ইসলামিয়া সিদ্দিকিয়া দাখিল মাদরাসার শিক্ষক মনিরুজ্জামান, জয়পুরহাট আক্কেলপুরের গুড়ুম্বা দারুস সুন্নাহ ফাজিল মাদরাসার শিক্ষক শাহজাহান আলী, ঠাকুরগাঁও বালিয়া ইসলামিয়া সিনিয়র আলিম মাদরাসার কম্পিউটার শিক্ষক রওশন আক্তার, দিনাজপুর নবাবগঞ্জের বাজিতপুর দাখিল মাদরাসার শিক্ষক দিলরুক আক্তার, ঠাকুরগাঁও বালিয়াডাঙ্গী মধুপুর নয়াদিঘী এম রফিক আলিম মাদরাসার শরীরচর্চা শিক্ষক সাদেকুল ইসলাম, বরিশাল বাকেরগঞ্জের মাছুয়াখালী আরশেদিয়া দাখিল মাদরাসার কৃষিশিক্ষক আসমা আক্তার, একই মাদরাসার শরীরচর্চা শিক্ষক মো. ফারুক হোসেন, ভোলার দৌলতখানের দক্ষিণ জয়নগর হোসাইনিয়া ফাজিল মাদরাসার কৃষিশিক্ষক মোহাম্মদ আলাউদ্দিন, ঝিনাইদহ মহেশপুরের খালিসপুর দাখিল মাদরাসার শরীরচর্চা শিক্ষক মো. আমিনুর রহমান, বরিশালের বাকেরগঞ্জের দেওলী মোহাম্মদীয়া আলিম মাদরাসার এবতেদায়ী প্রধান তাহেরা বেগম, পটুয়াখালীর দুমকি উত্তর মুরাদিয়া বশিরিয়া দারুস সুন্নাত আলিম মাদরাসার সমাজ বিজ্ঞানের শিক্ষক নাহিদ আক্তার লিটি, কুষ্টিয়া বাহাদুরপুর দাখিল মাদরাসার এততেদীয়া প্রধান মাসুদ রানা, বরগুনা আমতলীর উত্তর কালামপুর হাতেমিয়া দাখিল মাদরাসার কৃষিশিক্ষক মো. আসাদুজ্জামান, যশোর অভয়নগরের পাথালিয়া সিদ্দিকিয়া দাখিল মাদরাসার কম্পিউটার শিক্ষক লিপিয়া খাতুন, ঝিনাইদহ শৈলকুপার পাঁচপাখিয়া ফাজিল মাদরাসার কম্পিউটার শিক্ষক আতাহার হোসেন, সাতক্ষীরা কলারোয়ার ছোট রাজনগর দাখিল মাদরাসার কম্পিউটার শিক্ষক আক্তারুজ্জামান, বরগুনা বেতাগীর দেশান্তরকাঠী দারুল রহমাত দাখিল মাদরাসার শিক্ষক মো. শাহীন, মেহেরপুর সদরের রাজনগর দাখিল মাদরাসার কম্পিউটার শিক্ষক কামরুন্নাহার সুলতানা, ভোলা দৌলতখানের জয়নগর ইসলামিয়া ফাজিল মাদরাসার শিক্ষক মাহবুবুর রহমান, ভোলা সদরের মৌলভীরহাট হোসাইনিয়া ফাজিল মাদরাসার সহকারী শিক্ষক মো. সালাউদ্দিন, সাতক্ষীরা তালার আগোলঝাড়া দাখিল মাদরাসার কম্পিউটার শিক্ষক রুহুল আমিন গাজী ও বাগেরহাট মোড়েলগঞ্জের আমতলী ইসলামিয়া সিনিয়র মাদরাসার কম্পিউটার শিক্ষক তাওহীদুল ইসলাম।

মন্তব্যঃ ১২৮টি
  1. কল্যাণ says:

    মাত্র ১৩৪ জন। আমার মনে হয় আরো ভাল করে তল্লাসি করা উচিত।

    • মোঃ শাহাবুদ্দিন মিয়া says:

      মাদ্রাসারগুলো তো দেখলাম, তাও সামান্য, আশা করি সবগুলো এভাভেই হবে। ধন্যবাদ কর্তপক্ষকে, পাশাপাশি মাধ্যমিক, উচ্চ মাধ্যমিক ও কলেজ গুলোর এভাবে হাজার হাজার ভুয়া শিক্ষক রয়েছে। এবার তোমাদের পালা…….

  2. হারুন অর রশিদ,মালঞ্চ এম এ গফুর উচ্চ বিদ্যালয়।মেলান্দহ,জামালপুর says:

    আরো তদন্ত করে বিচার হওয়া উচিত।

  3. রনজীৎ মন্ডল says:

    সারা দেশে তল্লাশি করুন অনেক বেরিয়ে আসবে।

  4. রনজীৎ মন্ডল says:

    সারা দেশে তল্লাশি করুন। অনেক বেরিয়ে আসবে।

  5. jowel says:

    sorkar mas dea sak dakar cesta korse, boa nibondon donod dia oneke teaching desse

  6. মোঃ জসিম উদ্দিন,সহকারী শিক্ষক,বিজবাগ রাব্বানিয়া আলিম মাদ্রাসা,সেনবাগ,নোয়াখালী says:

    নিখুতভাবে তল্লাশি করলে আরও বেরিয়ে
    আসবে।

  7. মুহা.সাইফুল্লহ বিন জাকারিয়া.পিরোজপুর, মঠবাড়ীয়া. মুঠোফোন-01719-482639 says:

    তল্লাশীর শেষে যারা বৈধভাবে আইসিটি /কম্পিউটার পদে নিয়োগ প্রাপ্ত দের এমপিওদিন.

  8. হারুন ভাই নদনা says:

    আপনার মন্তব্যgood news

  9. Md. Motabberul Islam says:

    ভুয়া সনদধারীরা বহাল তবিয়তে চাকরি করছে আর আসল সনদধারীরা চাকরি পায়না। হায় এনটিআরসিএ হায় বাংলাদেশ।

  10. নুর হোসেন, সহ: শি:, পশ্চিম জাফলং উচ্চ বিদ্যালয়, সিলেট। says:

    ভুয়া বলতে কি দারুল ইহসান???

  11. মুসফিকুর রহমান says:

    এরকম ভুয়া সাটিফিকেট ধারিদের এমপিও কি বন্ধ করা হয়?

  12. বিধান সরকার says:

    ১৩৪ জন কেন, ভাল করে খুজলে ৩৪০০০ পাবেন ।

  13. আবুবকর সিদ্দিক says:

    134 জনের নামের তালিকা আমি মাদরাসা বোর্ডের ওয়েবসাইটে দেখেছি এই তালিকার 1 ও 2 নং ক্রমিকের নাম বাদ পরেছে।
    সকলের তালিকা প্রকাশ করা হউক এবং শাস্তিমুলক ব্যবস্থা গ্রহন করা হউক।

  14. গোলাম খাজা, জামাপুর সদর says:

    জামালপুর জেলার দেওয়ানগঞ্জ থানার হাতীভাংগা এ. বি. উচ্চ বিদ্যালয়টিতে চিরনি অভিযান চালালে, ভোলানটিয়ার শিক্ষকসহ কম পক্ষে ৩টি জাল সনদ ধারী শিক্ষকের তথ্য বেরিয়ে আসবে।

  15. মোঃ জাহিদ আলম says:

    জেলা ভিত্তিক যাচায় করুণ

  16. মাহমুদ says:

    ভূয়া শিক্ষক কি শুধুই মাদ্রাসায়?

  17. Anukul mondal says:

    তদন্ত করলে আরও বের হবে।

  18. মোঃ হান্নান মিয়া পাটিকেলবারি দরগাহ দাখিল মাদ্রাসা নেছারাবাদ,পিরোজপুর says:

    আপনার মন্তব্য ধন্যবাদ স্যার। ১৩৪ নয় আমার মনে হাজার হাজার আছে। বিষেশ করে নিবন্ধন সনদ আছে ১ লাক বেশি।ভাল করে তালাশ দিন। কারন নিবন্ধন কর্তৃপক্ষ চোর। পরীক্ষা হবার ৪/৫ পর গোপন নাম্বার দিয়ে প্রার্থীর কাছ থেকে লাক লাক নেয় টাকা নিয়া সব অফিসার টাকা ভাগ করে নিয়া তারা সঠিক সনদপত্র দিয়া দেয়। আপনারা সই গুলো যাচাই করবেন। স্যার নন এমপিও প্রতিষ্ঠানের এমপিও কবে পাব।

  19. Anukul mondal says:

    তদন্ত করলে আরা বের হবে।

  20. মোঃ শফিকুল ইসলাম, সহঃশিক্ষক। বাংগালপাড়া ইসলামিয়া দাঃমাঃ অষ্ঠগ্রাম, কিশোর গঞ্জ। says:

    # মাত্র ১৩৪ জন। আমার মনে হয় আরো ভাল করে তল্লাসি করা উচিত।

  21. M.A.H Saruar, Trishal, Mymensingh says:

    শুধুমাত্র এই 134 জনই নয় এরকম হাজার হাজার শিক্ষক আছে যারা নকল সনদপত্র দিয়ে দীর্ঘদিন যাবত চাকরি করে যাচ্ছে।আর সরকারও এই সব নকল সনদধারিদের চাকরি দিয়ে সব রকম সুযোগ সুবিধা দিয়ে যাচ্ছে।অথচ আমরা এত কষ্ট করে পড়াশোনা করে, সময় ও অর্থ ব্যয় করে সনদ অর্জন করেছি, এনটিআরসির বৈধ সনদ নিয়ে বছরের পর বছর ধরে অপেক্ষা করছি নিয়োগের আশায় কিন্তু সরকার আমাদের নিয়োগ না দিয়ে হাজার হাজার অবৈধ সনদধারীদের অবৈধভাবে নিয়োগ দিছে। আমরা দিনের পর দিন কত লাঞ্ছনা বঞ্চনার শিকার হচ্ছি। তাই সরকারের প্রতি আমাদের প্রতিটা নিবন্ধনধারীর আকুল আবেদন উপজেলা কোটা বাতিল করে সমন্বিত মেধা তালিকা করে খুব তাড়াতাড়ি যেন আমাদের নিয়োগ নিশ্চিত করে। আমরা বাংলাদেশের যে কোন এলাকাতেই নিয়োগ নিতে প্রস্তুত।আমরাও দেশের জন্য কিছু করতে চাই। সরকার যেন আমাদের নিয়োগ দিয়ে সেই সুযোগটা করে দেয়।আমি বিশ্বাস করি আমাদের বর্তমান সরকার ইচ্ছা করলে এটা কোন ব্যাপারই না কারন এর আগে সরকার একসঙ্গে ছাব্বিশ হাজার প্রাইমারি স্কুল জাতীয়করন করেছে ও 50000+ শিক্ষক প্রাথমিকে নিয়োগ দিয়েছে। তাই আমি বিশ্বাস করি বর্তমান সরকার যদি আমরা নিবন্ধন সনদধারীদের প্রতি একটু সুনজরে তাকায় তাহলেই নিয়োগ পেয়ে যাব ইনশাআল্লাহ।

  22. Karttic chandra chakra barty. says:

    আপনার মন্তব্য ভুয়া সনদধারী বহু প্রধান শিক্ষক ও সহকারি শিক্ষক আছে, ২০১৩ সাল থেকে তাদের তল্লাশি করুন, দেখবেন অধিকাংশেরই জাল সনদ ধরা পড়বে।

  23. afaz sherpur says:

    সনদ ভূয়া হতে পারে কিন্তু তাদের চাকরিতো ভূয়া না | অনেক দামে কেনা চকরিটা চলে গেলে তাদেরকে ভূয়া শিক্ষকের অপবাদ নিয়ে সমাজে ঘুরতে হবে |

  24. মো. হাফিজুর রহমান, প্র/ শি,বারইহাটি এ. এ. কে উচ্চ বিদ্যালয়, গফরগাঁও, ময়মনসিংহ। says:

    ময়মনসিংহ জেলায় চিরুনি তল্লাশি চালালে ভূয়া নিবন্ধন ধারী সহ অন্যান্য ঘাপলা পাওয়া যাবে।

  25. বিষ্ণপদ আচার্য্য says:

    আপনার মন্তব্য
    যারা আসল সার্টিফিকেট দিয়ে নিবন্ধন করেছে তাদের চাকুরী কোন খবর নাই অথচ জাল সনদ দিয়ে অনেকে চাকুরী করেছ।

    ১০ম নিবন্ধনধারী।
    সহকারী শিক্ষক (কম্পিউটার)।

  26. মোঃ মানিক উদ্দিন says:

    কি আর মন্তব্য করা যায়। সব মাদ্রাসার প্রধানের জন্য এরকম দুর্নীতি হয়েছে।

  27. আবু বকর says:

    ১৩৪ নয়, ১০০০০০ হ‌বে। এ‌দের বা‌হির ক‌রে, সৃষ্টপ‌দের শিক্ষক‌দের এম‌পিওভূক্ত করুন। ১৩/১১/২০১১ এর প্রজ্ঞাপন বা‌তিল ক‌রে ডি‌গ্রি তৃতীয় শিক্ষক সহ সকল সৃষ্টপ‌দের শিক্ষক‌দের এম‌পিওভূক্ত করুন।

  28. Abdur Razzaque says:

    amar sondeho ache. ader shasti hobe ki na. amar biswas songkhya aro onek besi hobe. please sorkari taka adai kore prokrito shikhokhder beton din

  29. মোঃআসাদুজ্জামান সরকার। সহকারি শিক্ষক,লেংগা বাজার বি এস উচ্চ বিদ্যালয়। গাইবান্ধা সদর। says:

    তন্ন তন্ন করে খোজা হোক।

  30. মোঃআসাদুজ্জামান সরকার। সহকারি শিক্ষক,লেংগা বাজার বি এস উচ্চ বিদ্যালয়। গাইবান্ধা সদর। says:

    ভাল ভাবে খোজ নিন। আরো বেশি হেব।

  31. Mehedi Hasan komol(জামালপুর) says:

    the action should be increased and the authority had it spreaded any little more throw out the country.

  32. এল এন says:

    ভাই কারে বলি দুঃখের কথা গাইবান্ধা সুন্দরগঞ্জ এ প্রায় প্রতেকটি প্রতিষ্ঠানে কমপক্ষে ১-২ টি শিক্ষকের নিবন্ধন জাল। দেখার কেউ নেই।

  33. শাকিল মাহমুদ says:

    ভুয়া সার্টিফিকেটধারীদের চাকরি কেড়ে নিয়ে এ পর্যন্ত সরকারের কাছ থেকে যত টাকা নিয়েছে সব ফেরত নিয়ে জেলে পাঠিয়ে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেয়া উচিত। সাথে ntrca কর্মকর্তা কর্মচারীদের যারা জড়িত।

  34. নজির আহাম্মেদ says:

    ভাল করে তদন্ত করুন স্কুল কলেজ,মাদ্রাসাসহ কমপক্ষে ৩৩০০০ হাজার হবে।যারা শিক্ষক নামে বাটপার তাদের আইনের আওতায় এনে শাস্তি দিন।

  35. মুহাম্মদ শাহ আলম says:

    এ তো দেখি শুধু মাদ্রাসার খবর। স্কুল ও কলেজের খবর কি? এই অপরাধের শাস্তির খবরও শিক্ষা ডটকম এর মাধ্যমে জানতে চাই। আমাদের দেশে শুধু চমকপ্রদ খবর বের হয় পরে আর কোন আপডেট থাকে না।

  36. মোঃ মশিউর রোমান (আই সি টি শিক্ষক) says:

    13.11.11er proggapon batil kora ict and science teacher der mpo din.

  37. Narottam chandra barman says:

    এ সংখ্যাটা আরোও অনেক বেশি হতে পারে।

  38. আজহার says:

    আমার মনে ওখানে ১লাখ ৩৪হজার হবে। আবার পুলিশ বলে কথা

  39. hannan miah says:

    মিঠাপুকুর এর নিবন্ধন স ন দ ধারীদের প্রায় ৯৯% ভুয়া।যাছাই করলে প্রমান মিলবে।

  40. আমিরুল ইসলাম says:

    হাজার হাজার জাল সনদধারী শিক্ষক আছে। এদেরকে বাতিল করে বৈধ নিবন্ধন সনদধারীদের নিয়োগ দিয়ে বেকারত্ব দূর করুন

  41. মো: আল মামুন রেজা, সহক‌রি শিক্ষক, ফ‌কিরবাড়ী মাধ্য‌মিক বিদ্যালয় , মোরেলগন্জ , বাগেরহাট | says:

    এরাই বর্তমান যুগের আসল রাজাকার

  42. khasru says:

    Amader non mpo der beton caren are eder jail neog den .

  43. shahazul islam says:

    ভাল ভাবে তদন্ত করুন এবং তাদের কে চাকুরীচূত্য করুন এবং মেধাবিদেরকে নিয়োগ দিন।

  44. আইয়ুব আলী says:

    প্রতিটি প্রতিষ্ঠানে তদন্ত করা হোক এবং প্রমাণিত হলেই জেল জরিমানা দেশের উন্নতির জন্য সঠিক আইনের প্রয়োগ চাই (১০ম নিবন্ধন সহকারি শিক্ষক)

  45. Sohag Sarker says:

    সারাদেশে যতটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (বিশেষত হাইস্কুল) রয়েছে নিরপেক্ষ অনুসন্ধান করলে গড়ে ২ জন শিক্ষকের জাল সনদ পাওয়া যাবে। কিন্তু বিড়ালের গলায় ঘন্টা বাধবে কে ?

  46. AKAS says:

    MADRASA KENO JATIOKORONKRITO COLLEGE GULOTEO EKADHIK LUCTURER ER NIBONDHON VHUA. EGULO VALO KORE JACHAI KORA HOK. JADER TEACHING DEAR JOGGOTAO NAI.

  47. Md Kamarujjaman,Agailjhara says:

    Find out and punish them who r false.
    Please, As soon as nationalize the mpo teachers.

  48. Md Kamarujjaman,Agailjhara says:

    Find out and punish them who r false.
    Please, As soon as nationalize the mpo teachers..

  49. রফিকুল says:

    ধর্ম শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অধর্মর কাজ !!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!

  50. মু মুজাহিদ says:

    ভোলার তজুমদ্দিনে একটু তদন্ত করলে মনে হয় ২০থেকে ২৫ জন পাওয়া যাবে

  51. Md.Anamul Hoque.Assistant teacher. says:

    আপনার মন্তব্য: জাল সনদধারীদের নিয়োগ বাতিল করে আসল সনদধারীদের নিয়োগ দেন ৷ তাহলে আর কেহ ঐ পথে পা বাড়াবে না ! অভিযান অব্যাহত থাকা চাই ৷আরও বেড়িয়ে আসবে ৷

  52. সাইদ মাহমুদ, সহ- শিক্ষক,রুদ্রকর নীলমনি উচচ বিদ্যালয়,সদর,শরিয়তপুর says:

    ভুয়া সনদ ধারীদের চাকরিচ্যুত করা উচিত

  53. মোহাম্মদ হিলালে ফেরদৌস says:

    অবৈধ সনদ যারা নিয়েছে তাদের বিচার হওয়াটাই সাভাবিক। তার আগে যারা অবৈধ সনদ বিতরনের সাথে জরিত তাদের বিচার হওয়া এবং যেসকল কর্মকর্তা,কর্মচারি অবৈধ নিয়োগের সাথে জরিত তাদের বিচার হলে এই দুর্নিতি নির্মুল করা সম্ভব হবে বলে আমার মনে হয়।

  54. আব্দুল জলিল says:

    এই সংখ্যাটা১৩৪হবেনা বরং হাজার ৩৪কেও ছাড়াবে তাই আইনের ভাইদের প্রতি অনুরোধ আপনারা একটু গভীর ভাবে তল্লাশি চালান তাহলে দেখবেন দলের কালো বিড়াল কিভাবে বেরিয়ে আসে

  55. Md. Alauddin says:

    শুধু মাদ্রাসার কেন, স্কুল ও কলেজেও অনেক জাল ও ভূয়া সনদদারী রয়েছে। সকলের তালিকা এক সাথে করে প্রকাশ করলে অনেক পদ শূন্য হবে এবং ঘাটতি নিবন্ধনদারীদের মধ্যে থেকে পূরন করা সম্ভব।

  56. মোঃ নাজিম উদ্দিন says:

    ধরা খাওয়াদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে হয়ত আরও পাওয়া যাবে?

  57. রেজাউল says:

    অনেক জাল সনদধারী কম্পিউটার শিক্ষক আছে তাদেরকেও ধরা হোক

  58. এম.সোলায়মান এম.এ says:

    পটুয়াখালীর গলাচিপায় ডাকুয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে যদি চিরুনি অভিযান নেন তাহলে ১০০% ভুয়া সনদের মালিক ধরা পরবেই

  59. Ab Jalil says:

    দেশের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এরকম ভুয়া সনদধারী শিক্ষক-কর্মচারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে কি?

  60. অাবদুর রাজ্জাক সহঃশিঃ চর অালগী ইছামুদ্দীন উচ্চ বিদ্যালয়,বৈরাগীরচর,কটিয়াদী,কিশোরগঞ্জ। says:

    সারাদেশেই অভিযান চালানো উচিত,তাহলে ভুয়া নিবন্ধনধারী অারো বেরিয়ে অাসবে।

  61. আজিমুল says:

    সুন্দলপুর ধলিগাতী আলিম মাদ্রাসা, মনিরামপুর, যশোর এর অধ্যক্ষ মাওঃ ওয়াদুদ এর সনদপত্র নিয়োগ যোগদান পত্র সবইতো অবৈধ জালিয়াত তবুও বহাল তবিয়াতে এই নাশকতাকারী !

  62. মোঃ ময়নুল হক says:

    আমার এলাকায় জাল সনদ দিয়ে চাকুরী করিতেছে কিন্তু অভিযোগ কোথায় দিলে তাকে ধরতে পারবে।করো কাছে ঠিকানা থাকলে প্লিজ বলেন।

  63. আসাদুর রহমান says:

    এ ভাবে ভূল দেওয়া হয়েছে দাখিল
    মাদ্রাসার ইংরেজি বিষয়ের
    প্রভাষক মোঃ ফিরোজ
    প্রামাণিক, বাংলার প্রভাষক
    মো: আবুল হোসাইন,
    রাষ্ট্রবিজ্ঞানের প্রভাষক মো:
    আজাদুর রহমান

    মাদারীপুরের পশ্চিম মাঠ
    ইসলামিয়া সিনিয়র দাখিল
    মাদ্রাসার ইংরেজি বিষয়ের
    প্রভাষক মোঃ ফিরোজ
    প্রামাণিক, বাংলার প্রভাষক
    মো: আবুল হোসাইন,
    রাষ্ট্রবিজ্ঞানের প্রভাষক মো:
    আজাদুর রহমান, শরীরচর্চা
    বিষয়ের সহকারি শিক্ষক
    মনোয়ারা।

  64. মো: জসিম উদ্দীন , মোড়েলগঞ্জ, বাগেরহাট, says:

    শুধুমাত্র এই 134 জনই নয় এরকম হাজার হাজার শিক্ষক আছে যারা নকল সনদপত্র দিয়ে দীর্ঘদিন যাবত চাকরি করে যাচ্ছে। আর সরকারও এই সব নকল সনদধারিদের চাকরি দিয়ে সব রকম সুযোগ সুবিধা দিয়ে যাচ্ছে । অথচ আমরা এত কষ্ট করে পড়াশোনা করে, সময় ও অর্থ ব্যয় করে সনদ অর্জন করেছি, এনটিআরসির বৈধ সনদ নিয়ে বছরের পর বছর ধরে অপেক্ষা করছি নিয়োগের আশায় কিন্তু সরকার আমাদের নিয়োগ না দিয়ে হাজার হাজার অবৈধ সনদধারীদের অবৈধভাবে নিয়োগ দিছে।

    পিরোজপুর জেলার ইন্দুরকানী উপজেলার টগড়া কামিল মাদরাসার লাইব্রেরিয়ান এর সনদটিও জাল । খুলনা থেকে কেনা দারুল এহসান এর সনদ দিয়ে 2014 সালের 14 ই জুন যখন প্রথম তিনি নিয়োগের জন্য ইন্টারভিউ বোর্ডে যান টগড়া কামিল মাদরাসায় , তখন বোর্ডের সদস্যরা নাসির সাহেবের সনদটি জাল হওয়ার কারনে নিয়োগ দেয়নি। পরিশেষে তড়িগড়ি করে বিশাল অংকের টাকার বিনিময়ে দারুল ইহসান এর মুল ক্যাম্পাস থেকে কিনে এনে আবার 6 মাসের মাথায় টগড়া কামিল মাদরাসায় ইন্টারভিউ দিয়ে চাকুরিটি বাগিয়ে নিয়েছেন।

  65. সিকদার হুমায়ুন কবির,সহকারী প্রধান শিক্ষক,এ.ডি.এম.উচ্চ বিদ্যালয়,মির্জাপুর,টাংগাইল। says:

    এই ভূয়া সনদধারী শিক্ষকদের আইনের আওতায় এনে কঠিন শাস্তি দেয়া হোক এবং যারা ভূয়া সনদ দিয়েছে তাদেরকেও আইনের আওতায় এনে শাস্তি দেয়া হোক।

  66. MD.SHAHIDUL ISLAM,Senior Assistant Teacher,Chapadaha B.L. High School, GAIBANDHA. says:

    আগে ভূয়া সনদ প্রদান কারিকে শাস্তি দিন ।

  67. মোঃ আঃ রাজ্জাক says:

    আর ভালোভাবে তদন্ত করুন ৷আর পাওয়া যাবে ৷

  68. আঃ হক says:

    হায়রে দেশ ভুয়া সনদে চাকুরী করে আর সনদ নিয়ে বেকার ঘুরে! যারা সনদ দিয়েছে তাদের আগে বিচার হোক

  69. NAHAR says:

    what does DIA…………………..Its only for giving………………..

  70. আঃ হক says:

    আমার মনে হয় ঘুসখোর ছারা ভালো লোক দিয়ে তদন্ত করলে ৬০,০০০ হাজারই বেরোবে

  71. ফিরোজ আহমেদ, সহকারী শিক্ষক, রাহিলা খাতুন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, ঈশ্বরদী-পাবনা। says:

    আরও ভালো করে দেখা হোক।

  72. মোঃ মনিরুজ্জামান,শালমারা ধামাইচ ইসলামিয়া সিদ্দিকিয়া দাখিল মাদরাসা,সিংড়া,নাটোর says:

    আমার কম্পিউটার বিষয়ে সঠিক সনদ রয়েছে যাহা ব্রডশীট জবাবের সঙ্গে দেয়া হয়েছে কিন্তু মন্ত্রনালয়ের দৃষ্টি আকর্ষন করেনি। দৈনিক শিক্ষার সম্পাদক সাহেব, বিষয়টি দয়াকরে দেখলে আমি খৃবই উপকৃত হতাম এবং জালসনদধারীর দায়হতে মুক্তি পেতাম।

  73. মোঃ শফিকুল ইসলাম, সহঃশিক্ষক। বাংগালপাড়া ইসলামিয়া দাঃমাঃ অষ্ঠগ্রাম, কিশোর গঞ্জ। says:

    অবৈধ সনদ যারা নিয়েছে তাদের বিচার হওয়াটাই সাভাবিক। তার আগে যারা অবৈধ সনদ বিতরনের সাথে জরিত তাদের বিচার হওয়া এবং যেসকল কর্মকর্তা,কর্মচারি অবৈধ নিয়োগের সাথে জরিত তাদের বিচার হলে এই দুর্নিতি নির্মুল করা সম্ভব হবে বলে আমার মনে হয়

  74. মোঃ শফিকুল ইসলাম, সহঃশিক্ষক। বাংগালপাড়া ইসলামিয়া দাঃমাঃ অষ্ঠগ্রাম, কিশোর গঞ্জ। says:

    অবৈধ সনদ যারা নিয়েছে তাদের বিচার হওয়াটাই স্বাভাবিক। তার আগে যারা অবৈধ সনদ বিতরনের সাথে জরিত তাদের বিচার হওয়া এবং যেসকল কর্মকর্তা,কর্মচারি অবৈধ নিয়োগের সাথে জরিত তাদের বিচার হলে এই দুর্নিতি নির্মুল করা সম্ভব হবে বলে আমার মনে হয়।

  75. sarwar alam says:

    আপনার মন্তব্যja ai sonot dey tader age bicher kora hok

  76. অধ্যক্ষ মোঃ সিদ্দিক উল্লাহ। says:

    ভুয়া সনদ শুধু মাদরাসায়? ভালো ভাবে যাচাই করে ব্যবস্তা নেয়া হউক।

  77. কল্যাণ says:

    NTRC হল ভুয়া সনদের কারখানা। এর সনদ নিয়ে চাকরী করে এমন শিক্ষকদের ৬০% ই ভুয়া সনদে এম পি ও পেয়েছে।

  78. নূর মোঃ শামীম says:

    নিয়োগের আগেই সনদ Verification হলে ভালো হতো।

  79. মো:আবুল বাশার says:

    কি আর বলবো দুক্ষের কথা। আমরা প্রায় ৪০ জন একি সনে একি নেকটরের সনদ দিয়ে চাকরি নিলাম আর প্রথিষ্ঠান অডিট করলো নিরিক্ষা অধিদপ্তরের দুই জন কর্মকর্তা ।তাদের সবার সার্টিফিকেট সঠিক হলো আর আমাদের দুইজনার সার্টিফিকেট ভূয়া হলো এই হলো নিরিক্ষা অধিদপ্তরের নিরিক্ষা ।আমরা জাল সনদের অপবাদ মাথায় নিয়ে ঘুরবো আর তারা আমাদের দেখে হাসবে।আপনারা সবাই এমনকি সরকারও জানে নটট্রামস বর্তমান নেকটর একটি বিতর্কিত প্রতিষ্টান ২০০২ সালের আগের সকল সনদ গ্রহন যোগ্য আমরা সনদ পেয়েছি ২০০০ সালে ব্যবস্থা যদি নিতে হয় তাহলে প্রথমে সেই সকল ইনডেক্স ধারি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে আগে নিন যারা আমাদের ঠকিয়ে লক্ষ লক্ষ টাকা আয় করছে।আমরা সরকারি নিবন্ধন নং দেখে ভর্তি হয়েছি ।এবং আমরা সনদের সাথে তাদের প্রত্যয়ন পত্রও নিয়েছি ।সবচেয়ে বডকথা হলো আমরাতো সার্টিফিকেট যাছাই করতে পারিনা।সে উপয়তো আমাদের নেই।আর কম্পিউটার সনদ কোনো একাডেমিক সনদ নয়।এটা একটা ছয় মাসের প্রশিক্ষন মাত্র।পরি শেষে সরকার মহদয়কে বলবো ব্যবস্থা নিতে হলে প্রথমে নিবন্ধন ধারি প্রতিষ্ঠান এবং পরে অনুসন্ধান কর্মকর্তা এরপর আমরা একিসময় যারা সনদ নিয়েছি তাদের সবার বিরুদ্ধে নিন।আমার প্রতিষ্ঠানের নাম নেটওয়ার্ক কম্পিটার সেন্টার নিবন্ধন নং ৩১৫।পরিচালক প্রফেসর জনাব বজলুর রশিদ বাদশা ।মোডেলগঞ্জ বাগেরহাট।আমাদের মোডেলগঞ্জের সকল নেকটরের সার্টিফিকেট কর্তিপক্ষকে পুনরায় যাচাই করার জন্য অনুরোধ করবো।

  80. Md.Jowel Rana says:

    শুধু মাদ্রাসায় কেন স্কুল গুলোতে চিরনি অভিযান চালালে ভুয়া সনদধারী লাখ ছাড়িয়ে যাবে ।

  81. ZK Prodan says:

    We know the of teachers having fake certificates is 40,000.So, why action against only 134 teachers ? why not against 40,000 ?

  82. ZK Prodan says:

    We know the number of teachers having fake certificates is 40,000.So, why action against only 134 teachers ? why not against 40,000 ?

    Hoping immediate action against all.

  83. মোঃ আঃ আলীম ,রাজিবপুর সবুজবাগ দাখিল মাদরাসা says:

    আমার মনে হয় উপজেলা ভিত্তিক চিরনী অভিযান চালাইলে সব জালসনদধারী বের হয়ে পড়বে । জালসনদধারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করা হোক।

  84. ataur says:

    even oneak academic certificate o JAL ace

  85. md.omar faruk says:

    জাল নিবন্ধন দিয়ে যত লোক চাকুরি নিয়েছে তার 1%এখনও বের হয়নি।ভাল করে খুঁজুন।

  86. মোঃ জাকের হোসেন, উপাধ্যক্ষ, সেনবাগ ফাযিল মাদ্রাসা। says:

    এ চোরদের সকলকে ঝাড়ুদার হিসেবে পদোন্নতির (?) ব্যবস্থা করা হোক।

  87. মোঃ মাহাতাব উদ্দীন,সহঃশিঃ,বালিয়াচান্দা উচ্চ বিদ্যালয়,পোরশা, নওগাঁ। says:

    শুধু ১৩৪ জন নয়, আর ও হাজার হাজার জনের জাল সনদ আছে।

  88. মো হিদুল ইসলাম says:

    মাত্র ১৩৪ জন য়েক হাজার তিক্রম কবেব
    Sylhet districter more school & colleger teacher jal cirtifecete dea cakori karteche so pls investegation proper and farely

  89. md. sohorab hossain says:

    The actual number is more than 134.

  90. Khasru says:

    যাদের দস্তখতে এম পি ও হয়েছে সকলকেই আইনের আওতায় আনা উচিৎ।

  91. এম মোস্তাফিজুর রহমান,কুয়াকাটা খানাবাদ ডিগ্রি কলেজ। says:

    পটুয়াখালীর জেলা সহ সারা দেশে আরও তদন্ত চাই।১৩৪ নয়
    এক লক্ষেও থামবে না।
    শুধু শিক্ষক কেন
    এর সাথে জড়িত জাল সার্টিফিকেট তৈরি চক্র কর্মকরতা- কর্মচারি
    এবং জাল সার্টিফিকেটেট মাধ্যমে এম পি ও দান কারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকরতা কর্মচারিদের কঠোর শাস্তি দাবি করছি।

  92. MD. JASHIM UDDIN says:

    শিক্ষা ব্যবস্থায় এত দুর্নীতি হলে জাতির কাছে কি উত্তর দিব।
    কম্পিউটার শিক্ষকদের এত অবনতি যা ভাষায় প্রকাশ করতে পারছি না। এভাবে অভিযান চলতে থাকলে দেখা যাবে পুরানা সকল কম্পিউটার শিক্ষক অবৈধ । আর যারা সঠিক নিবন্ধন করেও বিনা বেতনে চাকরি করতেছে তাদের এমপিও দিচ্ছে না সরকার।

  93. আখতারু আলম সহকারী গ্রন্থাগারিক ককক্সবাজার ইসলামীয়া মহিলা কামিল মাদরাসা কক্সবাজার। says:

    কক্সবাজার ইসলামীয়া মহিলা কামিল মাদরাসার অবৈধ অফিস সহকারি ও অবৈধ. অধ্যক্ষের নাম তালিকায় নাই কেন? টাকা দিয়ে গত নিরক্ষক কে কিনেছেন মনে হয়। এত স্পষ্ট জালিয়াতি বাংলায় কোথাও আছে কী?

  94. উমর ফারুক says:

    অভিনন্দন পুলিশের স্পেশাল ব্রাঞ্চ কে। আরও ভাল করে তদন্ত করা উচিৎ , তাহলে হাজার হাজার এ ধরনের শিক্ষক বের হবে। আশা করি এ ধরনের শিক্ষকের বিরুদ্ধে কঠিন ব্যবস্থা নেয়া হবে।

    • Md. Shahjahan Shaju,(Lecturer Sociology )R A Goni School and college,Sundiapur , Sadullapur ,Gaibandha. says:

      Md. Shahjahan Shaju,(Lecturer Sociology )R A Goni School and college,Sundiapur , Sadullapur ,Gaibandha. :

      ভুয়া সনদধারীরা চাকরি করছে আর আসল সনদধারীরা চাকরি পায়না,শিক্ষা প্রতিষ্টান এম পি ও হয় না ,আসল সনদ নিয়ে চাকরি হচ্ছে না ,মাননীয় প্রধান মন্ত্রী , শিক্ষা মন্ত্রী ,অর্থ মন্ত্রী ও অন্নান্ন মন্ত্রী মহাদয় এর নিকট আমার আকুল আবেদন আমাদের বেবস্তা করে দেবেন ,আমরা আপনার সন্থান। অনেক কষ্টে আসি পরিবার নিয়ে।

  95. মো:সরওয়ার উদ্দীন,সিনিয়র সহ:শিক্ষক(ইংরেজী)বেংগুরা সি:মাদ্রাসা,বোয়ালখালী,চট্টগ্রাম says:

    দেশে প্রায় ৫০০০০ এই রকম আছে!

  96. Kazi Sahadad Hossain says:

    এর সাথে জড়িত জাল সার্টিফিকেট তৈরি চক্র কর্মকরতা- কর্মচারি
    এবং জাল সার্টিফিকেটেট মাধ্যমে এম পি ও দান কারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকরতা কর্মচারিদের কঠোর শাস্তি দাবি করছি

  97. তফাজজল হোসেন সহ শিক্ষক বালাগনজ সিলেট says:

    সিলেটের অনেক হাইসকুলে আছে ভুয়া সনদধারী শিক্ষক।

  98. Md.Shaidur Rahman says:

    সবগুলো প্রতিষ্টানেরর সুপার, সহসুপার, প্রধান শিক্ষক,সহকারী প্রধান শিক্ষক,সহকারী শিক্ষক সকলের নিয়োগ সহ সার্টিফিকেট যাচাই করা হউক।

  99. মোঃ তাজুল ইসলাম says:

    অভিনন্দন পুলিশের স্পেশাল ব্রাঞ্চ কে।আমার মনে হয় এবার জাল সনদ দারী কেও-ই ছাড় পাবেনা। তবে প্রত্যেক উপজেলায় সরকারী প্রশাসনের মাধ্যমে প্রত্যেক প্রতিষ্ঠানে অভিযান চালালে অরো ধরা পরবে। ইতিমধ্যে যারা ধরা পরে গিয়াছে তাদের সরকারী টাকা ফেরতের ব্যবস্থা করে তাদের স্থলে বৈধ সনদ দারীদের নিয়োগের ব্যবস্থা করা হউক।

  100. মোঃমন্জিল হোসেন says:

    স্কুল, কলেজ গুলোতেও কি চিরুনি অভিজান হবে।

  101. মোঃ মন্জিল হোসেন, সাঁথিয়া,পাবনা। says:

    স্কুল, কলেজ গুলোতে ও কি চিরুনি অভিযান হবে।

  102. মোঃ আনিসুর রহমান যাদু অফিস সহকারী says:

    ভুয়া সনদে যারা সহকারী গ্রন্থাগারিক পদে ১০ কোডে বেতন তুলে খাচ্ছে তাদের ও বিরুদ্বে ব্যবস্থা নেওয়া উচিত ।

  103. Nibash Chandra Bairagi. Rajbari. says:

    ভালই হচ্ছে ।

  104. Md. Shahjahan Shaju,(Lecturer Sociology )R A Goni School and college says:

    ভুয়া সনদধারীরা চাকরি করছে আর আসল সনদধারীরা চাকরি পায়না,শিক্ষা প্রতিষ্টান এম পি ও হয় না ,আসল সনদ নিয়ে চাকরি হচ্ছে না ,মাননীয় প্রধান মন্ত্রী , শিক্ষা মন্ত্রী ,অর্থ মন্ত্রী ও অন্নান্ন মন্ত্রী মহাদয় এর নিকট আমার আকুল আবেদন আমাদের বেবস্তা করে দেবেন ,আমরা আপনার সন্থান। অনেক কষ্টে আসি পরিবার নিয়ে।

  105. Md. Shahjahan Shaju,(Lecturer Sociology )R A Goni School and college,Sundiapur , Sadullapur ,Gaibandha. says:

    ভুয়া সনদধারীরা চাকরি করছে আর আসল সনদধারীরা চাকরি পায়না,শিক্ষা প্রতিষ্টান এম পি ও হয় না ,আসল সনদ নিয়ে চাকরি হচ্ছে না ,মাননীয় প্রধান মন্ত্রী , শিক্ষা মন্ত্রী ,অর্থ মন্ত্রী ও অন্নান্ন মন্ত্রী মহাদয় এর নিকট আমার আকুল আবেদন আমাদের বেবস্তা করে দেবেন ,আমরা আপনার সন্থান। অনেক কষ্টে আসি পরিবার নিয়ে।

  106. জিয়াউররহমান,তেতুলিয়া দাখিল মাদ্রাসা,বালিয়াকান্দি,রাজবাড়ী। says:

    আমার মন্তব্য টি খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না কেন? জানতে চাই।

    • জিয়াউর রহমান,সহকারী শিক্ষ্ক, তেঁতুলিয়া দাখিল মাদ্রাসা,বালিয়াকান্দি,রাজবাড়ী। says:

      আমার কম্পিউটার সনদটি ইতিমধ্যে জেলা শিক্ষা অফিসার মহোদয় রাজবাড়ী, মাউশি স্মারক নং-৯এ/৫৪/অডিটএম/২০১৫/৫৭২/২ চিঠির মাধ্যমে যুবউন্নয়ন অধিদপ্তর থেকে যাচাই করেছেন। যাহার স্মারক নং-৩৪,০১,০০০০,০২৭,৩৮,২৩৩,১৫-৪৫৭ তারিখ নং-৩০/০৮/২০১৫ এবং সনদের সিরিয়াল নং-১৮৩২৪। যাহার একটি কপি যুবউন্নয়ন অধিদপ্তরে সংরক্ষিত রয়েছে। তার পরেও মাদ্রাসা বোর্ড বলছে আপনার বে-সরকারী শিক্ষক নিবন্ধন জাল। যার নিয়োগ ০১/১২/২০০৩ ইং সালে এবং নিবন্ধন শুরু ২০০৫ এর মার্চ থেকে তার নিবন্ধন কি ভাবে জাল হয়। এখানে উল্লেখ্য যে, ২০০৩ ইং সালে নিয়োগ বিধি ছিল স্নাতক ডিগ্রী সহ নট্রামস বা সরকার নির্ধারিত প্রতিষ্ঠান হতে প্রশিক্ষন প্রাপ্ত হতে হবে। নিরীক্ষা অধিদপ্তর আমার প্রথম সনদটি(যুবউন্নয়ন) যাচাই না করে দ্বিতীয় সনদটি্র উপর ভিত্তি করে জাল লিখে দিলেন টাকা না প্রদান করায়, যে প্রথম সনদটি ইতিমধ্যে মাউশি যাচাই করে প্রতিবেদন শিক্ষা মন্ত্রনালয়ে পাঠিয়েছেন। আমি এই শিক্ষা বান্ধব পত্রিকার কাছে অনুসুন্ধান প্রতিবেদন দাবী করছি। ইতিপূর্বে আমি আরো দুই বার এই বিষয়ে লিখে ছিলাম।

  107. মোঃ কামরুজ্জামান। মঠবাড়ীয়া,পিরোজপুর। says:

    একজন শিক্ষক ১০ বছর আগে সার্টিফিকেট দিয়ে কম্পিউটার সেকসনে চাকুরী নিয়েছে এখন বলে জাল সার্টিফিকেট। ভাল যারা সার্টিফিকেট দিয়েছে দোষ তাদের। একজন শিক্ষক সমাজে নাজেহাল হলে সরকার বাহাদুর এর ভাবমুর্তি নষ্ট হবে। সরকারী প্রতিষ্ঠান থেকে ০৬ মাসের কোর্স করলেই তো হয় এই সুযোগ টুকু দেয়া উচিৎ। তা ছাড়া প্রায় সকল আইসিটি শিক্ষক সরকারী ভাবে অনেক ট্রেনিং দিয়েছে। মাননীয় প্রধান মন্ত্রী ও শিক্ষা মন্ত্রী এই সু্যোগ টুকু দিবেন বলে সবাই আশা বাদী।

  108. মোঃ কামরুজ্জামান। মঠবাড়ীয়া,পিরোজপুর। says:

    ভূয়া না। একটা সময় বেধে দিলে ৬ মাসের কোর্স সকল শিক্ষক সরকারী প্রতিষ্ঠান থেকে করে নিতে পারবে। যারা কোর্স করবে না তাদের অবশ্যই শাশ্তি হওয়া উওচিৎ।

  109. মো:মিজানুর রহমান, প্রভাষক( ইতিহাস বিভাগ) হাতীবান্ধা আলিমুদ্দিন কলেজ, হাতীবান্ধা,লালমনিরহাট। says:

    শুধু,১৩৪ জন নয়, ভূয়া তো ভূয়াই। ভূয়া সনদধারী সকলকে আইনের আওতায় আনা দরকার। বাংলাদেশে সঠিক বা সরকার কর্তৃক অনুমোদিত প্রতিষ্ঠান থেকে পাস করা সনদধারীদের অভাব নেই। তাহলে ভূয়া কেন?

  110. Mominul Islam কামারের চর উচ্চ বিদ্যালয় , শেরপুর । says:

    ২০১৩ সাল থেকে পরবর্তী নিবন্ধনধারীদের নিবন্ধন পরীক্ষার খাতা চেক দেওয়া হলে অনেক ভুয়া নিবন্ধন সার্টিফিকেট বের হয়ে আসবে ।

  111. আরাফাত মোবা:০১৭১২৫৫০০৬৭ says:

    ভুয়া সনদের তথ্য দেওযার জন্য যোগাযোগের ঠিকানা কেউ জানলে দয়া করে আমাকে দিন।

  112. Balaram Chandra,Tilakpur Muslim High School,Naogaon. says:

    Thanks for certificate inspection.It should be continuous.

  113. ওবাইদুল হক says:

    ঘুষ না দেওয়ায় অদৃশ্য কারণে এনটিআরসিএ কর্তক সুপারিশকৃত কিশলয় আদর্শ শিক্ষা নিকেতনে সর্বোচ্চ নম্ব্রধারী ও ইংরেজী বিষয়ে ১ম স্থান অর্জনকারী হওয়া সত্ত্বেও আমাকে এম,পি,ও হতে বাদ

  114. আহসান হাবীব says:

    আমার কথা হ‌চ্ছে, এখন যে‌হেতু এম‌পিওভূক্ত শিক্ষা প্র‌তিষ্ঠা‌নে শিক্ষক নি‌য়োগ বন্ধ র‌য়ে‌ছে;

    সেখা‌নে ডি‌গ্রি তৃতীয় শিক্ষক, আই‌সি‌টি শিক্ষক, শাখা শিক্ষক, ফিন্যান্স এন্ড ব্যাং‌কিং, উৎপাদন ব্যবস্থাপনা ও বিপণন সহ সব মি‌লি‌য়ে আমার ম‌নে হয় ১০০০০ শিক্ষকও হ‌বেন না, যাঁরা এম‌পিওভূ‌ক্তির অ‌পেক্ষায় র‌য়ে‌ছেন।

    আমা‌দের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী কি পা‌রেন না মাত্র এই ১০০০০ শিক্ষক‌দের মু‌খে অন্ন তু‌লে দি‌তে ?

    অথচ প্র‌তি বছরই এম‌পিওর শত শত কো‌টি টাকা গা‌য়েব হ‌য়ে যায়।

  115. Md. Tibar says:

    Master Para Girls High School, EIIN-124767 , Computer Teacher, Certificat Jal .

  116. মুহাম্মদ আজগর হুছাইন says:

    এর সাথে জড়িত জাল সার্টিফিকেট তৈরি চক্র কর্মকরতা- কর্মচারি
    এবং জাল সার্টিফিকেটেট মাধ্যমে এম পি ও দান কারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকরতা কর্মচারিদের কঠোর শাস্তি দাবি করছিশুধুমাত্র এই 134 জনই নয় এরকম হাজার হাজার শিক্ষক আছে যারা নকল সনদপত্র দিয়ে দীর্ঘদিন যাবত চাকরি করে যাচ্ছে।আর সরকারও এই সব নকল সনদধারিদের চাকরি দিয়ে সব রকম সুযোগ সুবিধা দিয়ে যাচ্ছে।অথচ আমরা এত কষ্ট করে পড়াশোনা করে, সময় ও অর্থ ব্যয় করে সনদ অর্জন করেছি, এনটিআরসির বৈধ সনদ নিয়ে বছরের পর বছর ধরে অপেক্ষা করছি নিয়োগের আশায় কিন্তু সরকার আমাদের নিয়োগ না দিয়ে হাজার হাজার অবৈধ সনদধারীদের অবৈধভাবে নিয়োগ দিছে। আমরা দিনের পর দিন কত লাঞ্ছনা বঞ্চনার শিকার হচ্ছি। তাই সরকারের প্রতি আমাদের প্রতিটা নিবন্ধনধারীর আকুল আবেদন উপজেলা কোটা বাতিল করে সমন্বিত মেধা তালিকা করে খুব তাড়াতাড়ি যেন আমাদের নিয়োগ নিশ্চিত করে। আমরা বাংলাদেশের যে কোন এলাকাতেই নিয়োগ নিতে প্রস্তুত।আমরাও দেশের জন্য কিছু করতে চাই। সরকার যেন আমাদের নিয়োগ দিয়ে সেই সুযোগটা করে দেয়।আমি বিশ্বাস করি আমাদের বর্তমান সরকার ইচ্ছা করলে এটা কোন ব্যাপারই না কারন এর আগে সরকার একসঙ্গে ছাব্বিশ হাজার প্রাইমারি স্কুল জাতীয়করন করেছে ও 50000+ শিক্ষক প্রাথমিকে নিয়োগ দিয়েছে। তাই আমি বিশ্বাস করি বর্তমান সরকার যদি আমরা নিবন্ধন সনদধারীদের প্রতি একটু সুনজরে তাকায় তাহলেই নিয়োগ পেয়ে যাব ইনশাআল্লাহ।

  117. Md Reazul Alam says:

    bhua kibhabe holo 1st tader bichar hoya uchit.Madrasha 1st keno? kisui hobe na, taka neyar r akta koushol.

  118. [email protected] says:

    গত ১৩/০৮/১৭ তারিখে দৈনিকশিক্ষা ডটকমে ১৩৪জন ভুয়া শিক্ষকের নাম এসেছে। এ তালিকায় আমার নাম এসেছে।মো, আল মামুন,সহকারি শিক্ষক (সমাজবিজ্ঞান) হারিনাতেলি আর,এম দাখিল মাদ্রাসা, ধনবাড়ি,টাংগাইল এসেছে।আমি এই প্রতিবেদন এর প্রতিবাদ জানাই।কারন আমার সকল সনদ সঠিক ও নিভুল। আমার নিবন্ধন এর রোল নম্বার-১১০৮০৩৪১,রেজি:-৭০০৩৭৩১/২০০৭,সহকারি শিক্ষক(সমাজকল্যাণ)।এই তথ্যের আলোকে তদন্ত করলে সঠিক তথ্য বেরিয়ে আসবে ইনশাআল্লাহ।আমি দৈনিক শিক্ষাডটকম, মাদ্রাসা শিক্ষাবোর্ড ও পুলিশের বিশেষ টীমকে বিশেষ ভাবে অনুরোধ করবো,আপনারা অধিকতর তদন্ত করে সঠিক তথ্য বের করে আনুন।
    আমি যদি হয়রানির শিকার হই,তাহলে আইনের আশ্রয় নিতে বাধ্য হব।বিষয়টি অতীব জরুরী।

  119. Md.al mamun. says:

    প্রতিবাদ …………………………………………………..গত ১৩/০৮/১৭ তারিখ দৈনিক শিক্ষা ডটকমে ১৩৪জন ভুয়া শিক্ষকের নাম এসেছে।আমি এ তালিকায় একজন শিক্ষক।আমার নাম মো, আল মামুন,সহকারি শিক্ষক (সমাজবিজ্ঞান) হারিনাতেলি আর,এম দাখিল মাদ্রাসা, ধনবাড়ি,টাংগাইল। আমার নামে যে তালিকা এসেছে তা সঠিক ও সত্য নয়।আমি এর তীব্র প্রতিবাদ জানাই।কারন আমার সকল সনদ সঠিক ও নিভুল। আমার শিক্ষক নিবন্ধন এর রোলনম্বর–১১০৮০৩৪১,রেজি :৭০০৩৭৩১/২০০৭ সহকারি শিক্ষক (সমাজকল্যাণ)। এই তথ্যের আলোকে তদন্ত করলে সঠিক ও নিভুল তথ্য বেরিয়ে আসবে ইনশাআল্লাহ। আমি দৈনিক শিক্ষাডটকম, মাদ্রাসাশিক্ষাবোর্ড ও পুলিশের বিশেষ টিমকে বিশেষ ভাবে অনুরোধ করবো, আপনারা বিষয়টি সঠিক ভাবে তদন্ত করুণ যাতে আমি অযথা হয়রানির শিকার না হই।আমি যদি হয়রানির শিকার হই তাহলে আইনের আশ্রয় নিতে বাধ্য হব। বিষয়টি অতীব জরুরী।

  120. Md.Shahjahan Shaju Lecturer (Sociology) R A Goni School and college UP: Sadullapur . Dis:Gaibandha says:

    আপনাদের কাছে সব সম্ভব এমনি একজন সাহসী সরকার। মানুষ দরদী সরকার আপনি।মাননীয় প্রধান মন্ত্রী , মাননীয় শিক্ষা মন্ত্রী এবং মাননীয় অর্থ মন্ত্রীর নিকট আমার আকুল আবেদন আমাদের বেবস্তা করে দেবেন ,আমরা আপনার সন্থান। অনেক কষ্টে আসি পরিবার নিয়ে। শিক্ষা প্রতিষ্টান এম পি ও ভুক্ত করুন ।

  121. karuna deb says:

    সঠিক তদন্ত হোক

আপনার মন্তব্য দিন