আমাদের সঙ্গে থাকতে দৈনিকশিক্ষাডটকম ফেসবুক পেজে লাইক দিন।


৩৭ হাজার দফতরির চাকরি জাতীয়করণ দাবি

নিজস্ব প্রতিবেদক | ডিসেম্বর ২৮, ২০১৫ | বিবিধ

চাকরি জাতীয়করণ করার দাবি জানিয়েছেন ৩৭ হাজার প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দফতরি কাম প্রহরীরা। একই সঙ্গে অষ্টম পে-স্কেলের আওতায় বেতন-ভাতা দেয়ারও দাবি করেছেন তারা।

রোববার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি মিলনায়তনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় দফতরি কাম প্রহরী কল্যাণ সমিতি এ দাবি জানায়।

এতে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন সমিতির সভাপতি সাধন কান্ত বাড়ই। তিনি বলেন, সারা দেশে প্রায় ৩৭ হাজার প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দফতরি কাম প্রহরীরা কর্মরত আছেন। ২০১২-১৩ অর্থবছর থেকে পর্যায়ক্রমে তাদের নিয়োগ দেয়া হয়।

তাদের বেতন ধরা হয়েছে সাকুল্যে ৭ হাজার ২০০ টাকা। এর পারিশ্রমিকের বিপরিতে তাদের দিনরাত ২৪ ঘণ্টা কাজ করতে হয়। দিনরাত স্কুল পাহারা দিতে হয়। এমনকি তারা বছরে কোনো ধর্মীয় ছুটিও ভোগ করতে পারেন না। একমাত্র বেতনই তাদের সম্বল।

সরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেও তারা সরকারি কোনো সুযোগ-সুবিধা পান না। ফলে ৩৭ হাজার দফতরি কাম প্রহরী পরিবার-পরিজন নিয়ে অমানবিক জীবনযাপন করছেন।

এ অবস্থায় তারা চাকরি জাতীয়করণ করা ও অষ্টম বেতন স্কেলে বেতন প্রদানসহ সরকারি নিয়ম অনুযায়ী সুযোগসুবিধা এবং ভাতাদি প্রদানের দাবি জানান।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সিনিয়র সহসভাপতি নাসির উদ্দিন মোল্লা, সাধারণ সম্পাদক বাবর হোসেন, সমিতির নেতা মোহম মিয়া, রবিউল ইসলাম, আনিসুর রহমান, আরমান হোসেন, মুজিবুর রহমান, মো. বাবু, আল আমিন, আসাদুল হক, রাজু আহমেদ, মো. নূর নবী, মোস্তাক, আলী হোসেন প্রমুখ।

মন্তব্যঃ ৫টি
  1. মাহাবু says:

    কিছু সংখ্যক দপ্তরীরা বিদ্যালয়ে লেখা পড়ার পরিবেশ নষ্ট করেছে, এলাকার প্রভাব বিস্তার করে সহকারি শিক্ষকদের খারাপ আচরন করে বিদ্যালয়ে পরিবেশ নষ্ট করছে,, দপ্তরির ছাড়া ও স্কুল চলবে।

  2. মোঃহাসানুর রহমান says:

    দফতরি ও প্রহরী নামে শুদু কিছু স্কুলে দুই একজন ডিউটি তো করেনা যেমন সাতক্ষীরা জেলার সদরে বাটকেখালি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দুই সপ্তাহ আগে পানীর মটর চুরি হয়ছে তাহলে এখন আপনারা বলেন এই দপ্তারী ও প্রোহরীর কি করা উচিৎ।

  3. শাহান আহমেদ রাজু says:

    আসলে আমাদের এই সমাজের কিছু মানুষ গড়ার কারিগর (শিক্ষক-শিক্ষিকা) আছেন”
    ওনারা চাননা যে দপ্তরী পদটি জাতিয়করণ করা হোক,
    যাতে ওনারা দপ্তরীদের ঘরের চাকরের মতো করে কাজ করাতে পারেন।
    স্কুলে অনেক দপ্তরী আছেন যারা দিনরাত্রি কস্ট করে ও তাদের কপালে ঈদেরছুটি জুটেনা,
    আমরা সরকারি চাকরী নামে করতেছি কিন্তু সকল সরকারি সুযোগ সুবিধা থেকে বঞ্চিত,
    আমরা চাই আমাদের এই পদটি দিবারাত্রি (২৪ঘন্টা) থেকে ৮ ঘন্টা করা হোক,
    আমরা ৩৭ হাজার দপ্তরীদের প্রানের দাবি আমাদের এই পদটি কে খুব তারাতারি জাতিয়করণ করা হোক।
    বিশ্বনেতা বাংলাদেশের সফল প্রধানমন্ত্রী বজ্ঞবন্ধু কন্যা ও ৩৭ হাজার দপ্তরীদের আশার আলো,
    জননেত্রী শেখ হাসিনার সদয় দৃস্টি কামনা করি।

  4. মো:আবু বকর সিদ্দিক says:

    এখানে অনেকে রকম কথা লিখেছন,,,ভাইসব মানুষ বলতেই মানুষ ভুল করে,,, আমাদের দপ্তরিদের মধ্যে অনেকেই অল্প শিক্ষিত,,, তাই না বুঝে অনেক সময় ভুল করে থাকি।আপনারা শিক্ষকগন আমাদের দিক নির্দেশনা দিবেন।ভুল গুলো ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন।মুল কথা:-মাননীয় প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনা কাছে আকুল আবেদন,,,আমরা অসহায় গরীব পরিবারের ছেলে।আমাদের এই চাকুরির উপর ৬ থেকে ৭ জন লোক নির্ভর শীল। আমরা ৪-৫ বছর যাবত খুব কষ্ট সহ্য করে দিন রাত ২৪ ঘন্টা ডিউটি করে যাচ্ছি। আমরা ও এই দেশের নাগরিক।প্রায় ৩৭ হাজার লোক আমরা নিরালশ পরিশ্রম করে যাচ্ছি।
    শেষ কথাঃ (দপ্তরি কাম প্রহরি) এই পদটি সরকারি করে দিতে আপনার (প্রধান মন্ত্রি) মর্জি হয়।

আপনার মন্তব্য দিন