মন্তব্য লিখতে লগইন অথবা রেজিস্টার করুন

মন্তব্যের তালিকা

md zakir hossen, ১৭ আগস্ট , ২০১৮
2006 সালে দারুলের বিরুদ্ধে মামলা হয় তখন কেন প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম বন্ধ করে দেওয়া হল না? ২০১৬ সালে রায় হয় এই ১০ বছর যারা পাশ করেছে তাদের জন্য একটা সমাধান দেওয়া উচিৎ।কারন প্রতিষ্ঠানেরর কর্মকর্তারা দোষ করতে পারে এজন্য শিক্ষার্থীদের জীবন ধ্বংশ করে দেওয়া কি উচিৎ হবে?
md zakir hossen, ১৭ আগস্ট , ২০১৮
2006 সালে দারুলের বিরুদ্ধে মামলা হয় তখন কেন প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম বন্ধ করে দেওয়া হল না? ২০১৬ সালে রায় হয় এই ১০ বছর যারা পাশ করেছে তাদের জন্য একটা সমাধান দেওয়া উচিৎ।কারন প্রতিষ্ঠানেরর কর্মকর্তারা দোষ করতে পারে এজন্য শিক্ষার্থীদের জীবন ধ্বংশ করে দেওয়া কি উচিৎ হবে?
Hasan Mahamud, ১৬ আগস্ট , ২০১৮
শিক্ষায় চুরি জায়েজ আছে বলে মনে হয়। যারা না পড়ে টাকা ও ঘুষের মাধ্যমে সনদ নিলো তাদের বাঁচাতে ঘুষখোররা উঠে পড়ে লেগেছে। যে এই জাল সনদের পক্ষে কথা বলে তাদের বিচার হওয়া উচিত। অবিলম্বে এই কুলাঙ্গার ভুয়া সনদ ধারি বাদ দিয়ে শিক্ষা থেকে কলঙ্ক মুক্তো করার জন্য শিক্ষামন্ত্রীর সাহায্য কামনা করছি।
SHAH. MD. ZIAUR RAHMAN, ১৫ আগস্ট , ২০১৮
দারুলের সনদে অনেকে চাকরী করতেছে। বাকিদের সুযোগ দেন। আইন সবার জন্য সমান। কারোটা চলবে আবার কারোটা চলবে না।এটা কি ঠিক।
md.a alim, ১৮ এপ্রিল, ২০১৮
শিক্ষার্থী দের দোষ কোথায় ? প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া দরকার।