মন্তব্য লিখতে লগইন অথবা রেজিস্টার করুন

মন্তব্যের তালিকা

Monzurul Islam, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০১৮
একজন নিম্মান সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর যোগ্যতা হলো এইচ এস সি পাশ এবঙ কম্পিউটার দক্ষতা চাওয়া হয়। তার নতুন বেতন মাত্র ১৬ গ্রেডে। তারপর হয়তো আটবছরের ১৫ কোড হয় তার অনেক কাজ এবঙ দায়িত্ব থাকে কিন্তু তার উপর কি কি দায়িত্ব লিমিটেশন নেই তর উপর প্রধানরা অনেক দায়িত্ব ঘারে চাপান। কিন্তু তার দায়িত্বগুলোক কিকি তা স্পষ্ট বুঝিয়া দিলে আমারা খুব খুশি হব। আমাদের ভাগ্যে স্বল্প বেতন কোড থাকায় আমাদের কেউ দেখার নেই।
S M Tauhidul Islam, ০৮ সেপ্টেম্বর, ২০১৮
এম পি ও ভুক্ত শিক্ষকদের বদলির আইনটি দ্রুত কার্যকর করা হোক।
মো: আশ্রাফুল আলম, ২৯ আগস্ট , ২০১৮
মাদ্রাসার অধ্যক্ষ জেনারেলদের মানায়না কারন একজন অধ্যক্ষ হতে হলে কুরআন হাদীস আরবি বিষয়ে পারদর্শী হতে হয় যা জেনারেল শিক্ষদের নাই তাই নিতীমালাটা সঠিক
মোঃ আশরাফুল হক, প্রভাষক(গণিত), ১০ আগস্ট , ২০১৮
মৌলিক অধিকার হরণ করার অধিকার কারও নেই। সবার জন্য সমান সুবিধা থাকতে হবে । জেনারেলরা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মাস্টার্স করে কেন প্রশাসনিক পদে থাকবে না? সুপার কখন অধ্যক্ষ হতে পারে না। আদালত অবশ্যই ন্যায় বিচার করবে, মামলা করেন ব্যয় আমরা সবাই বহন করব।
Md. Abul Kalam Azad, ০৩ আগস্ট , ২০১৮
একদিকে বেসরকারী তাও আবার মাদরাসার জেনারেল প্রভাষক- মানে অতৃপ্তি আর বঞ্চনা । কেন বলছি- মাদরাসার প্রশাসনিক পদে আবেদন করার যোগ্যতাতো নেই, আবার কালো আইন ৫:২ এর ফলে আগে থেকেই অ্যারাবিক শিক্ষকদের দখলে সহ: অধ্যাপকের পদ ।
MD.BELAL UDDIN, ০৩ আগস্ট , ২০১৮
শুরু থেকেই মাদরাসায় সাধারণ শিক্ষকরা বৈষম্যের শিকার । ১৯৮৯ ইং সনের পূর্বে পাশ করা একজন কামিল পাশ আরবি প্রভাষকের শিক্ষাগত যোগ্যতার সমমান ছিল ডিগ্রি এবং তাদের এ সার্টিফিকেট হল মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের । অথচ তাঁরা মাস্টার ডিগ্রির স্কেল ভোগ করেছে এবং পরবর্তিতে অধ্যক্ষ হয়ে গেছে । প্রকারান্তরে সাধারণ শিক্ষকরা বিশ্ববিদ্যালয়ের অনার্স -মাস্টার ডিগ্রি নিয়েও উপাধ্যক্ষ বা অধ্যক্ষ হতে পারে নাই ।বিষয়টি উচ্চ মহলের বিবেচনার দাবী রাখে ।
MD.BELAL UDDIN, ০৩ আগস্ট , ২০১৮
শুরু থেকেই মাদরাসায় সাধারণ শিক্ষকরা বৈষম্যের শিকার । ১৯৮৯ ইং সনের পূর্বে পাশ করা একজন কামিল পাশ আরবি প্রভাষকের শিক্ষাগত যোগ্যতার সমমান ছিল ডিগ্রি এবং তাদের এ সার্টিফিকেট হল মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের । অথচ তাঁরা মাস্টার ডিগ্রির স্কেল ভোগ করেছে এবং পরবর্তিতে অধ্যক্ষ হয়ে গেছে । প্রকারান্তরে সাধারণ শিক্ষকরা বিশ্ববিদ্যালয়ের অনার্স -মাস্টার ডিগ্রি নিয়েও উপাধ্যক্ষ বা অধ্যক্ষ হতে পারে নাই ।বিষয়টি উচ্চ মহলের বিবেচনার দাবী রাখে ।
Mahbubul Alam, ০৩ আগস্ট , ২০১৮
আমার দুঃখ হয় সচিবদের জন্য, তারা দেশের কর্তা। অথচ এক দেশে জনগের জন্য দুই নীতিমালা প্রকাশ। মাদরাসা নীতিমালা-২০১৮ তে সহপ্রধান/প্রধান হবে শুধু মৌলভীগণই। একজন জেনারাল শিক্ষকের কামিল পাস থাকলেও সহপ্রান/প্রধান পদে যেতে পারবে না। কিন্তু ২০১০ শিক্ষা নীতিমালায় এশুবিধাটা ছিল। অপর দিকে স্কুল/কলেজ নীতিমালায় সকল সহকারী শিক্ষক, সহপ্রধান/প্রধান হতে পারবে, এখানে সহকারী মৌলভীদগণও,এ সহপ্রধান/প্রধান হতে পারবে। তাহলে মাদরাসায় জেনারাল শিক্ষকদের যোগ্যতা থাকলে কেন পারবে না। আপনারা দেশের মকুট। কাদের সুবিধায় এ নীতিমালা প্রকাশ। আমরা জেনারাল থেকে পাস বলে আমাদের কী অপরাধ? সমানদের সকল দরজা খুলে দিলেন। এ কালো নীতিমালা বাতিল করুন, দেশের জনগের কল্যাণ করুন।
Jalal Uddin, ০১ আগস্ট , ২০১৮
আমরা আজব একটা দেশে বাস করছি।মাদরাসার একজন অফিস সহকারীর গ্রেড ১৬ আর জুনিয়র শিক্ষকেরও গ্রেড ১৬।আবার উৎসব বোনাস অফিস সহকারী পান ৫০ শতাংশ আর জুনিয়র শিক্ষকরা পান ২৫ শতাংশ।তাহলে একজন নিম্নমান অফিস সহকারী যতটাকা বেতন পান একজন জুনিয়র শিক্ষক তাও পান না।অথচ মাদরাসা প্রধানরা কাটান বেশি জুনিয়র শিক্ষকদের।তাই সরকারের উচিত এই সব বৈষম্য দূর করা।
Rafiqul Islam, ২৯ জুলাই, ২০১৮
টাইম স্কেলের ক্ষেত্রে ২0১০ সালের নীতিমালা চাই।
Rafiqul Islam, ২৯ জুলাই, ২০১৮
মাদরসার জেনারেল প্রভাষকদের যোগ্যতা ভিত্তিক অধ্যক্ষ/উপাধ্যক্ষ পদে নিয়োগ চাই। প্রয়োজন হলে জেনারেল প্রভাষকেরে ক্ষেত্রে ইসলামিক স্টাডিসে স্নাতকোত্তর যোগ্যতা দিয়ে হলেও প্রমোশনের ব্যবস্থা করুন।
raju, ২৭ জুলাই, ২০১৮
মাদরাসার সচিব,উপসচিব,যুগ্মসচিব সবাইতো জেনারেল থেকে এসেছেন,তারা কেন কোন আইনে ২০১০ সালের নীতিমালা সংশোধন করেছেন?মাদ্রাসায় এত নিয়ম কেন?২০১৮ সালের জনবল নীতিমালার ২২ পৃষ্ঠার ৩৫ তম কলামের পরিবর্তন চাই।বিশ্বঃবিঃ থেকে যারা ডিপ্লোমা করেছেন তাদের ও মাদ্রাসায় গ্রন্থাগারিক পদে নিয়োগ দিতে হবে,একদেশে একই পদে দ্বৈতনীতির দ্রুত পরিবর্তন চাই,মাদরাসা এত নীতি পাইলো কই?
মো: রিয়াজুর রহমান, ২৭ জুলাই, ২০১৮
পোস্ট তো করি কিন্তু অনুমোদন পাইনা তার কারন কি?
মো: রিয়াজুর রহমান, ২৭ জুলাই, ২০১৮
অনুরোধ করে বলি আমার পোস্টটি দৃষ্টিতে নিবেন।একজন অফিস সহকারি কাম-কম্পিউটার অপারেটরের নীট বেতন ১০২৪২ টাকা। যোগ্যতা এইচ এস সি পাস ও কম্পিউটার দক্ষ। একজন পিয়ন ৮ম পাস তার বেতন প্রায় ১০০০০ টাকা। সার্টিফিকেট ও দক্ষতার মূল্য নাই। ইহাতে বর্তমান বাজারে কি হয় । কে বুঝবেন দু:খের কথা কারন আমাদের কথা কোন সভা সমিতি আমলে চিন্তা করেন না।
Mohammad Harunur Rashid, ২৬ জুলাই, ২০১৮
মাদরাসার জেনারেল শিক্ষকদের বি এড / এম এড থাকা সাপেক্ষে প্রশাসনিক পদে তথা সহ সুপারও উপাধ্যক্ষ পদে নিয়োগের সুযোগ চাই। মোঃ হারুনুর রশিদ --- রানিরহাট, রাঙ্গুনিয়া, চট্টগ্রাম।
raju, ২৬ জুলাই, ২০১৮
খুব দ্রুত পরিবর্তন চাই,দেলোয়ার হোসেন স্যারকে ও dainik shiksha কে অসংখ ধন্যবাদ,তিনি সহকারি গ্রন্থাগারিকদের বঞ্চিত করার বিষয়টি ভিডিও চিএে তুলে ধরার জন্য,একদেশে একই পদে দুই নীতি,মাদ্রাসা বোর্ড থেকে পাস করে স্কুল কলেজে গ্রন্থাগারিক পদে চাকুরী করতে পারবে,আর আমরা স্কুল,কলেজ,বিশ্ব বিঃ থেকে পাস করে মাদ্রাসায় গ্রন্থাগারিক পদে চাকুরী করতে পারবো না,এই কালো নীতিমালা প্রকাশের অপরাধী অধিকার দিলো কে?এই নীতিমালার ৩৫ তম কলাম পরিবর্তনের অনুরোধ করে গতকাল মাদ্রাসার নীতি প্রনয়নকারী সিলধারী ৫ জন সচিবকে যথাক্রমে ৫ টি চিঠি পাঠিয়েছি,আশা করি নীতিমালাটির ৩৫ তম কলাম পরিবর্তন করে সবার সমান অধিকারের বিষয়টি তুলে ধটবেন।
shafi Mahmod, ২৬ জুলাই, ২০১৮
সহজ শর্তে বেসরকারি শিক্ষকদের এম.পি .ও ভুক্ত অবস্থায় দ্রুত বদলি চাই।