মন্তব্য লিখতে লগইন অথবা রেজিস্টার করুন

মন্তব্যের তালিকা

amin hossain, ১৫ মার্চ, ২০১৯
শিক্ষার মান বাড়ানো সরকারের সদিচ্ছা আসলে নেই । যদি থাকত তাহলে সবচেয়ে অদক্ষ ,কমশিক্ষত, অলস, ফাকিবাজ শিক্ষক দিয়ে পাঠদান চালাতো না । মোবাইল ইন্টারনেট নিয়ে ব্যাস্ত ক্লাসে । প্রাথমিকে এইচ এসসি পাস ও অনার্স, মাস্টার্স পাস করা ব্যাক্তিদের একই বাজারে একই দামে বিক্রি করত না । উচ্চ শিক্ষা আর মাধ্যমিক শিক্ষা কে সমান মর্যাদা দেওয়া কেরোসিন আর ঘি এর মুল্য সমান হওয়ার সামিল ।শিক্ষার বাজারের এই অবস্হা দেখে আগামী প্রজন্ম শিক্ষার প্রতি উৎসাহ হারিয়ে ফেলছে । উচ্চ শিক্ষিতরা নিরুপায় হয়ে মানসিক চাপ নিয়ে জব করছে । এইচ এস পাস শিক্ষক পড়াতে না পেড়ে ক্লাসে ফেইসবুক চালিয়ে সময় পাড় করছে । কে দেখে কার কান্ড এখানে আর কত ভালো চান ?
Shirin, ১৪ মার্চ, ২০১৯
যখন কোচিং বাণিজ্য ছিল না তখন শিক্ষার মান কিরূপ ছিল? বর্তমান শিক্ষা ব্যবস্থায় এরূপ উন্নত পরিবেশ ও উপকরণ থাকা সত্বেও কেন দিন দিন ধ্বংশের দিকে উপনীত হলো? যার একমাত্র সহজ উত্তর হল; শিক্ষা ব্যবস্থাকে বাণিজ্যতে পরিণত করা হয়েছে। সারা দেশ কোচিং-প্রাইভেট পদ্ধতিতে পুরো শিক্ষা ব্যবস্থা ডুবে গেছে। তাই এর থেকে মুক্ত করতে হলে সারা দেশে ঝটিকা অভিযান চালু রাখতে হবে। আর বন্ধ করার জন্য কটোর আইন করতে হবে। নতুবা এ ধরণের শিক্ষা ব্যবস্থা দিন দিন ধ্বংসের অতল গহ্বরে নিমজ্জিত হয়ে যাবে।
md.nuruzzaman, ১৪ মার্চ, ২০১৯
আসলে উপলব্ধি করার বিষয়। কিন্তু যারা শিক্ষা ব্যবস্থাকে দেশের চাহিদা অনুসারে বাস্তবায়ন করবে তাদের দায়িত্ব দেয়া হয়না।দায়িত্ব দেয়া হয়, যারা শিক্ষা বিষয়ে গভীরভাবে উপলব্ধি না করেই শুধু নীতি বাক্য দেয় তাদের। যারা দেশের জনগন ও শিক্ষা নিয়ে ভাবে সরকারের এমন শুভাকাঙ্খী অনেক আছে,তাদের দায়িত্ব দিলে জাতির ভাগ্য পরিবর্তন করা যাবে। আমি কিছু দায়িত্ববানদের কাছে মতবিনিময় করেছি কিন্তু তারা বলে কঙ্খিত লক্ষ্য অর্জন করতে বহু বছর লাগবে।আমার মনে হয় লক্ষ্য অর্জনের সিদ্ধান্ত প্রয়োগ করতে লাগবে এক বছর।পূ্ণ হতে সময় লাগবে সতের বছর।পূর্ণ সুফল ভোগ করবে আঠারো তম বছর থেকে। এই কার্যক্রম বাস্তবায়ন চলাকালে ষষ্ঠ/সপ্তম বছর থেকেই দেশে অনেক ইতিবাচক পরিবর্তন লক্ষ্য করা যাবে।