মন্তব্য লিখতে লগইন অথবা রেজিস্টার করুন

মন্তব্যের তালিকা

ASHRAFUL ALAM, ৩০ এপ্রিল, ২০১৯
গাছ কেটে জল ঢালা হল।
Mahabbat, ৩০ এপ্রিল, ২০১৯
বেসরকারি শিক্ষকদের মানষিক যন্ত্রণা দিয়ে আপনা শান্তি পান তাই না? কারন আপনারা রেজাল্টে বেসরবারি প্রতিষ্ঠানের সাথে পারেন না তাইতো মানষিক যন্ত্রণা দিয়ে তাদেরকে কিছুটা দাবিয়ে রাখতে চান। আর নেতাদেরকে অনুরোধ করছি সবাই মিলে শিক্ষদের পক্ষে থাকবেন। অল্প কিছু সুবিধা নিয়ে শিক্ষ সমাজের অভিশাপ নিয়ে না। মাননীয় প্রধান মন্ত্রীকে বুঝিয়ে পূর্ণ ঈদ বোনাস আনার চেষ্টা করুন আমরা জানি আমাদের প্রধান মন্ত্রী সর্বদাই আমাদের পাশে থাকবেন। আমরা যাতে পূর্ণ ঈদ বোনাস না চাই এ জন্যই এই ৪% কর্তনের ব্যবস্থা। মাননীয় প্রধান মন্ত্রী মহোদয়কে সকল ষরযন্ত্রের কথা খুলে বলুন, নিশ্চই তিনি আমাদের পাশে থাকবেন।
Rabindra Nath Tarofder, ৩০ এপ্রিল, ২০১৯
সাধারন শিক্ষকরা অতিরিক্ত 4%কর্তন কোনো মতে মেনে নিবে না।
Md. Mosharef Hossain Khan, BAKSIS-Barishal., ৩০ এপ্রিল, ২০১৯
সংগঠনের নাম উল্লেখ করলে রিপোর্টটিকে সুন্দর হতো
Md Ruhul Amin, ৩০ এপ্রিল, ২০১৯
স্কুল & কলেজের অতিরিক্ত কর্তনের জন্য তাদের নেতাদের ডেকেছেন,অথচ মাদরাসা শিক্ষা অধিদপ্তর একবার ও এমনটা প্রোজন মনে করেন নাই,এটা কেমন মনে হয়।
মোঃ সাইফুল আরিফ, ২৯ এপ্রিল, ২০১৯
(বেড়ায় যেন ঘাস না খায়)। হে আল্লাহ, নেতারা যেন সাধারণ (অসহায়) শিক্ষকদের যথার্থ প্রতিনিধিত্ব করতে পারেন!!!
OBAYED ULLAH, ২৯ এপ্রিল, ২০১৯
অতিরিক্ত 4% কর্তনের প্রজ্ঞাপন অনতিবিলম্বে বাতিল করা হোক
Md.Mahabub Alam, ২৯ এপ্রিল, ২০১৯
বকেয়া সহ বার্ষিক দুটি প্রবৃদ্ধি চাই।স্থায়ী পে-কমিশন হওয়ায় বেসরকারি স্কুল কলেজের শিক্ষকদের জাতীয় পে-স্কেলের মূল বেতন থেকে পিছিয়ে দেয়া হয়েছে। আবার১০% এর বোঝা মাথায় চাপিয়ে দেয়া হচ্ছে। আইন অনুযায়ী৬%এর বিনিময়ে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের মূল বেতনের ১০০ মাসের সমান আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়। এখন যদি১০%নিতে হয় তাহলে ১৬৭মাসের সমান আর্থিক সুবিধা প্রদান করতে আইন প্রনয়ন করুন। অন‍্যথায় অতিরিক্ত কর্তনের সিদ্ধান্ত বাতিল করুন। সকলের বেতন বৃদ্ধি পায়।আর আমাদের বেতন কমানোর প্রক্রিয়া চলছে। যা অমানবিক এবং অন‍্যায়।
বারাজান এস.সি উচ্চ বিদ্যালয়, কালীগজ্ঞ,লালমনিরহাট।এই বিদ্যালয়ে একটি দৃষ্টিনন্দন আধুনিক ভবন প্রয়োজন।, ২৯ এপ্রিল, ২০১৯
একদফা, একদাবী জাতীয়করণ চাই।
mduddin, ২৯ এপ্রিল, ২০১৯
কর্তন করে আলোচনা,এ আবার কি?নিশ্চয় প্যাদানি দিবে! কখন যে কি হয় তা বলা যায় না।
Zaman Khan, ২৯ এপ্রিল, ২০১৯
স্যার অবশ্যই ৪% কত'ন এর বিরুদ্ধে জোরালো ভূমিকা রাখবেন আমরা শিক্ষকসম্প্রদায় সেটাই আশা করি।
মো: রমজান আলী, ২৯ এপ্রিল, ২০১৯
বাবেশিকফোকে বাদ দিয়ে কোন আলোচনা সফল ও গ্রহনযোগ্য হবেনা।
জাহিদ ইসলাম, ২৯ এপ্রিল, ২০১৯
আপনারা যেন পরিচালকদের সাথে বসে গোটা শিক্ষকদের আশা নষ্ট করেন না।।।
Gobinda Mazumder, ২৯ এপ্রিল, ২০১৯
মাননীয় মহা পরিচালক মহোদয় অতিরিক্ত ৪% চাদা কর্তনের বিষয়ে শিক্ষক নেতাদের নিয়ে আগামীকাল সভা করবেন এটা তো ভাল কথা। কিন্তু এমপিও ভুক্ত শিক্ষকদের উচ্চতর স্কেল প্রাপ্তির বিষয়ে যে সম্মতি দিয়েছন, তা তো এখনও কার্যকরী হলোনা। দয়াকরে এ বিষয়ে দ্রুত পদক্ষেপ নিন। কেননা আমরা হাজার শিক্ষকরা প্রায় ৪ বছর ধরে টাইম স্কেল থেকে বঞ্চিত রয়েছি।
মোঃ ‌আজাদ ‌সরকার, ২৯ এপ্রিল, ২০১৯
এম পি ও ভুক্ত শিক্ষকদের বাসা,চিকিৎসা,উৎসব,পেনশন এগুলির কোন সমাধান না করেই,কোন কর্তন করাই উচিৎ নয়। ৫% ইনক্রিমেন্ট দিয়ে,সেই টাকা ফেরত নেয়ার কৌশল হচ্ছে,অতিরিক্ত ৪% কর্তন।যারা এই কর্তনের কূট-কৌশল গ্রহণ করেছে,তাদেরকে অবাঞ্চিত ঘোষনা করতে হবে,৯৮% শিক্ষার দায়িত্ব পালন করছে যে শিক্ষকগণ,তাদের সঙ্গে চরম অন্যায় করছে শিক্ষামন্ত্রণালয়ের কিছু দুষ্টু আমলা,সফল প্রধানমন্ত্রী,জাতির জনকের সুযোগ্য কন্যা,শেখ হাসিনার ইমেজ নষ্ট করতেই এরা সব সময় কাজ করে যাচ্ছে,এখনই এই জামাত-বি এন পির এজেন্ট,আমলাগণকে চিহ্নিত করতে হবে।
Md.Shahjahan Kabir, ২৯ এপ্রিল, ২০১৯
পূর্ণাঙ্গ উৎসব ভাতা,বাড়ি ভাড়া,বদলি সহ অন্যান্য বিষয় নিয়ে আলোচনা হতে পারে।
subhas Chandra chowdhury, ২৯ এপ্রিল, ২০১৯
সকল নেতাদের নিকট বিনীত অনুরোধ,শুধু ২% কর্তন করে কল্যান তহবিল রেখে বাকী গুলো ব্যক্তিক একাউন্টভিত্তিক ভবিষ্য তহবিল গঠন করে গ্র্যাচুইটি ও পেনশন চালু করার দাবী জানান।কারন সরকার এখন নিয়োগ দিচ্ছেন।সুতরাং সরকারি কর্মকর্তা কর্মচারীরা যদি বিনা জমায় ২৬৫ মাসের বেসিক বেতন হিসাব করে গ্র্যাচুইটি ও পেনশন পেতে পারেন তাহলে এমপিওভুক্তদের অপরাধ কি?