মন্তব্য লিখতে লগইন অথবা রেজিস্টার করুন

মন্তব্যের তালিকা

মাইনুল ইসলাম মানিক, ০৩ জুন, ২০১৯
এদেশে আজ পর্যন্ত শিক্ষা অধিদপ্তরকে ঘুষ দেয়া ছাড়া এমপিওভুক্ত হতে পেরেছেন, এমন কোন শিক্ষক নেই, হলফ করে বলতে পারি। আমার এক বন্ধু কথিত টাকা হতে এক হাজার টাকা কম দেয়ায় ওর এমপিও নয়মাস ঝুলেছিল। শেষ পর্যন্ত আবার নতুন করে নিয়োগ পরিক্ষার মাধ্যমে যোগদান করেছিল। শিক্ষা অধিদপ্তরের নিয়োগ বানিজ্য ওপেন-সিক্রেট। সবাই জানে, সবাই চুপ।
সাকলাইন, ০৩ জুন, ২০১৯
"এক হাতে তালি বাজে না"। প্রথমত দোষ কার? প্রধান শিক্ষকদের/শিক্ষকদের না কর্মকর্তাদের? যার সরল কথা বা উত্তর হচ্ছে প্রধান শিক্ষকদের/শিক্ষকদের। কেননা প্রধান শিক্ষকরা/শিক্ষকরা কেননা তারা যেখানে অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করবে তার জায়গায় তারা কখনো কখনো অতি চুরি ভক্তি দেখাতে কিংবা শিক্ষা অফিসের কর্মকর্তা,কর্মচারির সাথে সখ্যতা গড়ে তোলার জন্য প্রধান শিক্ষকরা/শিক্ষকরা এই অনীতিমূলক তথা ঘুষ প্রদানের পথ বেছে নেয়। এখন প্রশ্ন হল শিক্ষকতো সবারই অহংকার। তিনিই নীতি শিখান। এখন যদি তিনি নিজেই অনীতির পথে হাটেন তাহলে তাকে নীতি শিখাবে কে? আরো প্রশ্ন থেকে যায় যে প্রধান শিক্ষকদের/শিক্ষকদের কোন প্রয়োজন ছাড়া শিক্ষা অফিসে আসার কি দরকার? অতচ দেখা যায় দু-নম্বরি কাজের জন্য তারা অনেক সময় উপজেলায়/জেলায়/ঢাকায় শিক্ষা অফিসে ব্যস্ত হয়ে থাকে। অন্যদিকে বিদ্যালয়ের কর্মপ্রণালি ইচ্ছামত চলে ও ঘাটতি থেকে যায়। তাই উপরোল্লেখিত কথার প্রেক্ষিতে বলতে চাই আমাদের সম্মানিত শিক্ষকদের অবস্থা যদি এভাবেই হয় তাহলে দোষটা কি সরকারের-শিক্ষা কর্মচারির না প্রধান শিক্ষকদের/শিক্ষকদের কথাটি একবার ভেবে দেখার বিষয় হিসেবে মনে করি। ধন্যবাদ সবাইকে।
Abdur Rahim, ০২ জুন, ২০১৯
হায়রে কপাল মাননীয় শিক্ষামন্ত্রীর নিজের জেলায় শিক্ষক হয়রানি করে পার পেয়ে যাবে তা হতে দেয়া যাবে না। কোন কোন কর্মকর্তারা প্রধান শিক্ষকদের ফোন করে করে দেখা করতে বলেছেন তদন্ত করে দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তি দিতে হবে।
হাবিবুর রহমান ,দিনাজপুর, ০২ জুন, ২০১৯
ম্যানেজিং কমিটি কিছু না । প্রধান নিজেই সকল অপকর্মের হোথা ।
মোঃ ‌আজাদ ‌সরকার, ০২ জুন, ২০১৯
কখন কিছু একটু দৃষ্টি গোচর হয়? যখন খবরটি ভাইরাল হয়,এই টাকা গুলিন প্রধান শিক্ষক,সভাপতি থেকে শুরু করে মাউশি পর্যন্ত সবাই পান,এই ঘুষ উনারা অধিকার ভাবেন,
সাকলাইন, ০২ জুন, ২০১৯
এভাবে সারা দেশে প্রসাশনের কর্তৃপক্ষরা ফ্রি স্টাইলে এমপিও বাণিজ্য চালিয়ে যাচ্ছে। শিক্ষকরা নিরীহ জাতি। তাদের এই অভীযোগ শুনার মত আছে কারা? তাই এ ধরণের অত্যাচার থেকে বাচতে হলে জাতীয়করণের কোন বিকল্প পথ আছে বলে মনে হয় না।