মন্তব্য লিখতে লগইন অথবা রেজিস্টার করুন

মন্তব্যের তালিকা

MD.EDRISH ALI, ০৮ সেপ্টেম্বর, ২০১৯
5242টি প্রতিষ্ঠান স্বীকৃতির পরেও এমপিও দিতে কেনো এতো শর্তো আরোপ করা হয়?এই হতো ভাগা শিক্ষকদের অবস্থা কি হবে ?এদের পরিবার নিয়ে এখন কোথায় যাবে কি করবে? বিনা চিকিৎসায় অনেকে হয়তো মারাও যাবে পরিবারের ভবিষ্যত কি হবে?
মোঃ মুঞ্জুর ইলাহী, ০৮ সেপ্টেম্বর, ২০১৯
সব চেয়ে বড় দূর্নীতি করে মিনিস্ট্রি অডিটরমহোদয়। তারা অডিটের নামে প্রতি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে এক থেকে দুই এমপিও দাবি করে। বিভিন্ন সমস্যা দেখিয়ে এ টাকা দাবি করে। টাকা দিলে সমস্যার সমাধান তারা নিজেরাই করে দেয়। অডিটররা জানে না কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এক মাসের বেতন ছাড়া কিভাবে সংসার চালাবে। তাছাড়া কোন অডিটররা কি শিক্ষা অধিদপ্তরকে জানিয়েছে যে এই সমস্যা আছে। টাকা না দিলে তাদের বিরুদ্ধে অধিদপ্তরকে অভিযোগ করে। টাকা দিলে করতেন না। তবে অনলাইনের মাধ্যমে অনেক সহজেই সকল সমস্যার সমাধান হবে। থাকলেও প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তামহোদয় তা সহজেই সমাধানের পথ পাবে।সুপরিচিত অনলাইন পত্রিকার মাধ্যমে এই নামধারী অডিট ব্যবস্থার বিনাশ কামনা করছি। এদেরকে কি দূদক দেখে না, না পুশতেছে? সাধারণ জনগণের ভরসা যেখানে, সেখানেও যদি এর ছোয়া পায় তবে তারা যাবে কোথায় ! একটু ভেবে দেখুন তো, অডিটরদের কাছ থেকে অধিদপ্তর কি পাচ্ছে? যদিও কোন সমস্যা থেকেও থাকে টাকা দিলে তা ঠিক হয়ে যায়। টাকা না দিলে অভিযোগ আসে। এ অডিট ব্যবস্থার বিনাশ কামনা করে অনলাইন ব্যবস্থা চালু চাই। ধন্যবাদ দৈনিক শিক্ষাকে, ধন্যবাদ মাননীয় মন্ত্রিকে।
মোঃ শাহিদুল ইসলাম, ০৮ সেপ্টেম্বর, ২০১৯
কোন মজরদারীতে শিক্কার মান ফিরে আসবে না। দরকার গুণ সম্পন্ন মেধাদী শিক্ষক। গুণ সম্পন্ন শিক্ষক পেতে শিক্ষকতায় সমাজের আগ্রহ থাকা চাই। প্রশ্ন হলো এ পেশার প্রতি মানুষের আগ্রহের মাত্রা কত টুকু? মনে হয় তলানীতে। কেন এ অবস্থা? সেটা দূর না করে এখানে যা কিছু হচ্ছে সবই দুর্বৃত্তায়ন। নিয়োগে অযোগ্যদের আত্ত্বীকরণ। নিয়োগ পেয়ে ঐ দুর্বৃত্ত বিনিয়গের অর্থ সুদে আসলে তুলতে জোর করে কোচিং করানো ছাড়া উপায় কী বলুন। সুতরাং মেধাবীদের এ পেশায় আগ্রহী করে তুলতে শিক্ষকদের মর্যাদা দিতে হবে সচিবের সমান বা তারও উপরে। যাতে মেধাবীরা সচিব না হয়ে শিক্ষকতার প্রতি আকৃষ্ট হবে। সচিব/ জজ/মন্ত্রী যে কোন পেশার লোক শিক্ষককে দেখে দাড়িয়ে সালাম জানাবে । জজের কাঠগোড়ায় শিক্ষক যদি কালে ভদ্রে বিচারের সম্মুখীন হন, তাকে বসতে চেয়ার দিবেন জজ। তা হলেই সম্ভব গুণগত শিক্ষা, অন্যথায় সবই কথার কথা, প্যাচাল পারা হচ্ছে মাত্র।
এস.কে.এম, ০৮ সেপ্টেম্বর, ২০১৯
হে মাতা এমপিওভুক্ত বিষয়ে সঠিক খবরটা দ্রুতই জানাবেন। আমরা অনেক কষ্টে আছি।
হাবিবুর রহমান ,দিনাজপুর, ০৭ সেপ্টেম্বর, ২০১৯
কি কি বিষয়ে মনিটরিং হবে তা আগে নির্ধারন করতে হবে।প্রতিষ্ঠানের আয় ব্যয়,ভূয়া ভাউচারের মাধ্যমে অর্থ উত্তোলন হচ্ছে কি না,শিক্ষকরা বিভিন্ন সন্মানী আইন মোতাবেক পাচ্ছে কি না,প্রধান অনিয়ম করে অতিরিক্ত সন্মানী নিচ্ছে কি না,শিক্ষকদের উপস্থিতি এবং উপস্থিতি বিষয়ে প্রধানের মনিটরিং হচ্ছে কি না,ক্লাস ঠিকমতো হচ্ছে কি না,ক্লাসে শিক্ষক শিক্ষার্থীর অনুপাত ১:৪০ থাকছে কি না,এনসিটিবি এর নির্দেশনা মোতাবেক সাপ্তাহিক ক্লাস সংথ্যা ঠিক থাকছে কি না সব বিষয়ে মনিটরিং না হলে মন্ত্রনালয়ের মনিটরিং আইওয়াসে পরিনত হবে।
md. aminul islam, ০৭ সেপ্টেম্বর, ২০১৯
মন্ত্রী মহোদয় কে ধন্যবাদ