মন্তব্য লিখতে লগইন অথবা রেজিস্টার করুন

মন্তব্যের তালিকা

Asma, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০১৯
মোঃ শরিফুল ইসলাম,বিভাগীয় প্রধান,বাংলা,পাংশা সরকারি কলেজ,পাংশা,রাজবাড়ী- আপনি মনে হয় এ বিষয়ে অনেক কিছু জানেন। আপনাকে তাহলে সরকার এ বিষয়ে সাক্ষী হিসেবে বিবেচনা করা উচিত।
Shariful Islam, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০১৯
নতুন অধ্যক্ষকে কলেজের সার্বিক বিষয় পরিচালনা ও তথ্য প্রদান করে সহযোগিতা করেন ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আতাউল হক খান চৌধুরী । অভিযুক্ত আইবুর রহমানের ছুটির মেয়াদ বাড়ানো হয় আতাউল হক খান চৌধুরী এ কলেজে যোগদান করার আগেই ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ এ.কেেএম শফিকুল মোরশেদের দায়িত্ব থাকাকালে।জনাব আতাউলের যোগদানের আগে থেকেই আইবুর রহমানের এম.পি.ও তোলা হতো। আমি এ কলেজে আইবুর রহমানের সাথেই ১৯৯৪ সালে যোগদান করেছি।- মোঃ শরিফুল ইসলাম,বিভাগীয় প্রধান,বাংলা,পাংশা সরকারি কলেজ,পাংশা,রাজবাড়ী।
Shariful Islam, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০১৯
আতাউল হক খান চৌধুরী এ কলেজে যোগদান করেন ২০১৬ সালের আগস্ট মাসে। ২০১৮ সালের অক্টোবর পর্যন্ত তিনি মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরে সংযুক্ত থেকে এ কলেজের অধ্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি যখন যোগদান করেন তখন ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ ছিলেন এ.কেেএম শফিকুল মোরশেদ।
Shariful Islam, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০১৯
আতাউল হক খান চৌধুরী এ কলেজে যোগদান করেন ২০১৬ সালের আগস্ট মাসে। ২০১৮ সালের অক্টোবর পর্যন্ত তিনি মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরে সংযুক্ত থেকে এ কলেজের অধ্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি যখন যোগদান করেন তখন ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ ছিলেন এ.কেেএম শফিকুল মোরশেদ।
Shariful Islam, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০১৯
সংবাদটি দেখে অনেকেরই মনে হতে পারে,অভিযুক্ত ব্যক্তি আতাউল হক খান চৌধুরীই বোধহয় সকল অনিয়মের মূলে। ২০১৫ সালের অক্টোবর মাসে এ কলেজটি জাতীয়করণ হয় আর অভিযুক্ত আইবুর রহমান ছুটি ভোগ করতে থাকেন ২০১১ সাল থেকে।
হাবিবুর রহমান ,দিনাজপুর, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০১৯
অধ্যক্ষরা পারেন না এমন কোন কাজ শিক্ষাক্ষেত্রে নাই।দিনকে রাত,রাতকে দিন,হারামকে হালাল,হালালকে হারাম,নীতিমালাকে বৃদ্ধাঙ্গুলি প্রদর্শন কোন কাজটি তারা পারেন না।তা সরকারি হোক আর বেসরকারি হোক।সামান্য কম বা বেশি।দেখেশুনে মনে হয় তাদের সমস্ত কর্মে র ইনডেমনিটি দেয়া্ আছে।তা সে সৎকর্মই হোক আর অসৎকর্মই হোক।একজন অনৈতিক অধ্যক্ষকে মাথার উপর রেখে কোন শিক্ষকের পক্ষে কি আদৌ তার শিক্ষার্থীকে নৈতিকতা শেখানো সম্ভব ?