মন্তব্য লিখতে লগইন অথবা রেজিস্টার করুন

মন্তব্যের তালিকা

মোঃ শাহিনুর ইসলাম, ০৬ অক্টোবর, ২০১৯
একদম ঠিক কথাই বলেছেন। সেই ক্ষেত্রে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে নির্ধারিত ডিগ্রীধারী/শিক্ষিত একজনকে যেন সভাপতি করা হয়। সেই লক্ষে আইন চালু করা হউক।
মো: সুমন হোসেন, ০৬ অক্টোবর, ২০১৯
মন্ত্রী মহোদয় যথার্থই বলেছেন। এ থেকে পরিত্রানের এজন্য দরকার অর্ধশিক্ষত বা অশিক্ষিত গর্ভনিং বডির বিলুপ্তি।
আবু সাঈদ, ০৫ অক্টোবর, ২০১৯
জনাব ফজর আলী একটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের নতুন সভাপতি হলেন। এই সুবাধে তিনি প্রথম দিন দুপুর বেলায় সকল শিক্ষক-কর্মচারীদেরকে লাঞ্চ করাবেন। ঐ দিন সকালে শিক্ষক-কর্মচারীদের সংখ্যা জানতে চান প্রধান শিক্ষকের নিকট। প্রধান শিক্ষক বললেন "আমরা শিক্ষক-কর্মচারী মোট ১৫ জন, ২জন C.L এ গেলেন"। দুপুরে এক সাথে ১৩ জন শিক্ষক-কর্মচারী খেতে বসলেন। সভাপতি বলেন, "হেড মাস্টার সাহেব, সেই সকালে ২জন C.L এ গেলেন, তারা তো এখনো এলেন না, আচ্ছা, বলুনতো C.L কতদূর? এই ফজর আলীর মত সভাপতিরা প্রতিষ্ঠানে বিশৃংখলা সৃষ্টি করে। শিক্ষকদেরকে অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করে। এমনকি গায়েও হাত তোলে। ব্যপারটি মাননীয় মন্ত্রী মহোদয় উপলব্ধি করতে পারায় তাকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি।
মোঃ লহির উদ্দিন, ০৫ অক্টোবর, ২০১৯
কমিটির সদস্যদের শিক্ষাগত যোগ্যতা নির্ধারণ করাই যুক্তিযুক্ত।