মন্তব্য লিখতে লগইন অথবা রেজিস্টার করুন

মন্তব্যের তালিকা

Md. Harun, Barishal Sador., ২১ জানুয়ারি, ২০২০
চুরি বিদ্যা মহা বিদ্যা যদি না পরে ধরা। কিন্তু উনি অবশেষে ঠিকই খেয়েছেন ধরা। মুজিব বর্ষ শুরুর আগেই এদের দৃষ্টান্ত মূলক বিচার চাই। "জয় বাংলা"
আবু তালেব মৃধা , বাকেরগঞ্জ, বরিশাল।, ১৯ ডিসেম্বর, ২০১৯
এই শিক্ষা কর্মকর্তার এতটাই ভয়ংকর যে শিক্ষকরা জেলা শিক্ষা অফিসে যাওয়া প্রায় বন্ধ করে দিয়েছেন। আমার একটা ফাইল নিয়ে ঘুরতে ঘুরতে পায়ের জুতা ক্ষয় হয়ে গেছে । তবু তাঁর নাগাল পাইলাম না। শপথ করছি আর জেলা শিক্ষা অফিসে যাব না।
আব্দুল জব্বার, বরিশাল সদর, ১৫ ডিসেম্বর, ২০১৯
স্যার নিজের দূর্নীতি ঢাকতে আমাদের প্রধান শিক্ষককে বাধ্য করেছে তার পক্ষে লিখিত দিতে। দুনিয়া এখন কোথায় আছে।
হুমাইরা আক্তার, ১৫ ডিসেম্বর, ২০১৯
আমাদের স্কুল থেকেও এই স্যারকে জেএসসি ও এসএসসি পরীক্ষার সম্মানী দিতে হয়। এমনিতেই বরাদ্দ থাকে কম তার উপর ওনাকে মোটা অংকের সম্মানী না দিলে তিনি ক্ষেপে যান । তাই সাধারন শিক্ষকদের বঞ্চিত করে তাকে সম্মানী দিতে সবাই বাধ্য। এ বিষয়ে মাউশির হস্তক্ষেপ চাচ্ছি ।
মতিউর রহমান পাটোয়ারী, ১৪ ডিসেম্বর, ২০১৯
বরিশালের শিক্ষক সমাজকে জিম্মি করে তিনি যা শুরু করেছেন তা অসহনীয় পর্যায়ে চলে গেছে। কিন্তু মাউশি চোখ কান বন্ধ করে বসে আছে। দুর্নীতিবাজ ও ঘুষখোর এই কর্মকর্তা এতো দুর্নীতির পরেও কিভাবে স্বপদে বহাল থাকে মাথায় আসে না। মাউশির কাজ কি তাহলে এদের পৃষ্ঠপোষকতা করা।
আজহার উদ্দিন খান, ১৩ ডিসেম্বর, ২০১৯
এই জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা বরিশালে যোগদানের আগে কেন্দ্র থেকে কোন দিন সম্মানী দিতে হয়নি। তিনিই বরিশালে এসে এই বিধান চালু করেছেন। শিক্ষক মণ্ডলী তার কাছে নিরুপায়।
কফিল উদ্দিন আহমেদ, পাবনা, ১০ ডিসেম্বর, ২০১৯
আমাদের মাদ্রাসা কেন্দ্র থেকে জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মহোদয়কে এ বছর সম্মানী দিতে দেরী হয়েছিলো। তাই তিনি অন্য এক মাদ্রাসার সুপার দিয়ে ফোন করিয়ে বারবার সম্মানীর জন্য তাগাদা দিয়েছিলেন । পরে অফিসে গিয়ে সম্মানীর টাকা দিয়ে আসছি। যদিও তার জন্য কোন বরাদ্দ ছিল না ।
শাহরিয়ার আলম, ০৬ ডিসেম্বর, ২০১৯
শাহরিয়ার আলম, প্রধান শিক্ষক, পটুয়াখালী। আমি এই ডিইও আনোয়ার স্যার কে খুব ভালোভাবে চিনি । ওনার কাছে কোন কাজ নিয়ে গেলে আজ না কাল বলে শুধু ঘুরাত। আর ‘সম্মানী’ বাণিজ্য তো ছিলই । শিক্ষকরা একপর্যায় খুব ক্ষিপ্ত হয়ে গিয়েছিল। পটুয়াখালী থেকে বদলী হবার আগে কিছুদিন শিক্ষকদের ভয়ে পুলিশ পাহারায় অফিস করতেন। আনোয়ার স্যার আর স্বভাব বদলাতে পারলেন না ।
MD+Hafizur+Rahman, ৩০ নভেম্বর, ২০১৯
পি এসে সি পরীক্ষার ডিউটি বিল ১৫০টাকা অথচ জে এসে সির ৭০টাকা এর কারন অবশ্য‌ই এই কর্মকর্তাদের জন্য।
MD+Hafizur+Rahman, ৩০ নভেম্বর, ২০১৯
একজন শিক্ষা কর্মকর্তার চরিত্র যদি এমন হয় তবে শিক্ষার মান কিভাবে উন্নত হবে।
Bichakshan Mandal, ২৮ নভেম্বর, ২০১৯
শিক্ষা করমকরতা ও কেন্দ্র সচিবদের সাজা ইওয়া উচিত।
হাবিবুর রহমান ,দিনাজপুর, ২৮ নভেম্বর, ২০১৯
সরকারি স্কুল কলেজে পরীক্ষার সন্মানী বন্ঠনের সুস্পস্ট নীতিমালা থাকলেও বেসরকারি পর্যায়ে নাই।তাই এই অন্যায় জুলুম।সে নীতিমালায় এধরনের সন্মানী দেয়ার কোন নিয়ম নাই।আবার নীতিমালা থাকার পরেও অনেক সরকারী প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা ইচ্ছামত সন্মানী বন্ঠন করেন এবং শিক্ষক কর্মচারীদের ঠকিয়ে নিজের পকেট ভারী করেন।পরীক্ষার সন্মানী যেন হরিলুটের মহাযজ্ঞ।অসহায় শিক্ষক কর্মচারীরা চেয়ে চেয়ে দেখে।কে শুনবে তাদের কষ্টকথা।
Mokbul Ahmed, ২৮ নভেম্বর, ২০১৯
এই সমস্যা সারা দেশে!! পরীক্ষার ৮০% আয়ের টাকা খরচ হয় ২ নম্বর খাতে!!
আমিরুল আলম খান, ২৮ নভেম্বর, ২০১৯
জেলা প্রশাসক, ইউএন, ম্যাজিস্ট্রেট সাহেবরাও প্রতি পাবলিক পরীক্ষায় হাজার হাজার টাকা সম্মানী দিতে কেন্দ্রগুলোকে বাধ্য করে।
Habibur Rahman Khan, ২৮ নভেম্বর, ২০১৯
বোকারা খেটে মরে, বুদ্ধিমানে ফায়দা লুটে।