মন্তব্য লিখতে লগইন অথবা রেজিস্টার করুন

মন্তব্যের তালিকা

রিপন মন্ডল, ১৪ ডিসেম্বর, ২০১৯
অভিনব দূর্নীতিবাজ এক কর্মকর্তা বলতে বরিশাল জেলা শিক্ষা অফিসারকে বুঝিয়েছি।
রিপন মন্ডল, ১৩ ডিসেম্বর, ২০১৯
নিউজটা পড়ে মজা পেলাম। অভিনব দূর্নীতিবাজ এক কর্মকর্তা। দূর্নীতি ঢাকার জন্য কত চেষ্টা।
খান মো. আজাদ, ১৩ ডিসেম্বর, ২০১৯
টাঙ্গাইলের একটি দৈনিক পত্রিকায় নীতিমালা পরিপন্থীভাবে প্রাইভেট পড়ানো বিষয়ে একটি সরেজমিন প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছিল দুদক টাঙ্গাইল বিষয়টি অবহিত থাকার পরও কোনো ব্যবস্থা নিয়েছে বলে জানা যায়নি। প্রাইভেটও বন্ধ হয়নি। প্রাইভেট পড়িয়ে যারা অবৈধভাবে প্রচুর সম্পদ, বহুতল বাড়ির মালিক হয়েছেন, আবার আয়ের সাথে সামঞ্জসহীন বিপুল সম্পদের মালিক হয়েছেন তা নিয়ে কোনো মহলের নজর পড়ছে বলে মনে হয় না। তাহলে এসব অবৈধ কাজ বন্ধ হবে কীভাবে? চেয়ারম্যান দুদক মহোদয় দৃষ্টি দিবেন কী?
হাবিবুর রহমান ,দিনাজপুর, ১৩ ডিসেম্বর, ২০১৯
বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধানদের দূর্নীতির খোঁজ নেন। ৯৯% দূর্নীনিবাজ খুঁজে পাবেন। জেলখানা ভড়িয়ে দিতে পারবেন। কিন্তু কবে থেকে? সব তো অবসরের অপেক্ষায়।
মিজানুর রহমান সিকদার, ১৩ ডিসেম্বর, ২০১৯
ভালো লাগলো।
আব্দুল জব্বার, বরিশাল সদর, ১২ ডিসেম্বর, ২০১৯
দেশের শিক্ষা ব্যবস্থাকে ঠিক করতে হলে প্রথমেই শিক্ষা অফিসারদের ঠিক করতে হবে। যেমন বরিশাল শিক্ষা অফিসারকে নিয়ে এই পত্রিকার নিউজ লিংক http://m.dainikshiksha.com/শিক্ষা-কর্মকর্তার-ঘুষ-কেলেঙ্কারি-ও-সাংবাদিকের-ডাবল-স্ট্যান্ডার্ড/176091/