মন্তব্য লিখতে লগইন অথবা রেজিস্টার করুন

মন্তব্যের তালিকা

MD.EDRISH ALI, ২২ ফেব্রুয়ারি, ২০২০
কি করি আজ ভেবে না পাই? পরিবার নিয়ে কোথায় যাই?স্বীকৃতিপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানে শিক্ষকদের সম্মানি ভাতার কোনো খবর নাই!তবুও আমরা উন্নয়নের মডেল হয়ে বিশ্বের দরবারে মাথা উচু করে আছি তাই!মিজান স্যারের লেখার মধ্যে যা আছে তাতে কি শিক্ষক সমাজের আত্বোসম্মান বাঁচে?উনার মতো পদে আছেন যারা তারা আছেন মহাসুখে আমরা স্বীকৃতিপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানে যারা আছি তারা পরিবার নিয়ে মরছি ধুকে ধুকে!কি হবে আমাদের জীবনের গতি?সামনে আছে তৈল ছাড়া আগের জামানার বাতি!
MD.EDRISH ALI, ২২ ফেব্রুয়ারি, ২০২০
স্যার আপনি তো বাড়ি গাড়ি নিয়ে পরিবার পরিজন নিয়ে শান্তিতে দিন কাটাইতেছেন,স্বীকৃতিপ্রাপ্ত শিক্ষকদের জীবনমান নিয়ে কখনো চিন্তা করেছেন কি?আপনারে তো সাপে কাটে নাই তাই সাপের বিষের যন্ত্রনা আপনার জানা নাই!
Safiul Islam Babu, ২১ ফেব্রুয়ারি, ২০২০
"অনেকে অন্য কোথাও সুযোগ না পেয়ে শিক্ষকতাকে উপার্জনের মাধ্যম হিসেবে নিয়েছে" সমগ্র শিক্ষক সমাজের প্রতি, স্যারের এই ধরনের অপমানজনক কথাবার্তার তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি এবং স্যারকে ধিক্কার জানাই যে............
rezaemostafa, ২০ ফেব্রুয়ারি, ২০২০
স্যারের সাথে আমি একমত সত্যি কথাই বলেছেন শিক্ষার কারিগরদের ভালো পারফরম্যান্স বাড়াতে দক্ষতা অর্জন করতে হবে এবং তাদের প্রতি কড়া ভাবে নজর রাখতে হবে।
নিমাই চন্দ্র দেবনাথ, ২০ ফেব্রুয়ারি, ২০২০
এ দায় আপনার, আমার, আমাদের।
Mizanur rahman, ২০ ফেব্রুয়ারি, ২০২০
স্যার, সম্মান সহকারে বলছি পেটে ভাত না থাকলে কোন কিছুই সম্ভম না। বেসরকারী শিক্ষকদেরকে অনেকেই বাকা চোখে দেখে। কারণ তাদের সরকারীভাবে তেমন কোন মর্যাদা নাই। স্যার সাধারণত বর্তমানে একটা পরিবার চালাতে ৩০০০০ টাকা লাগে আর আমি পাচ্ছি ১৭০০০ টাকা । তাহলে আপনিই বলুন কেমন করে চলা যায়। মােট কথা সরকারী করা ছাড়া ভাল কিছুই আশাঁকরা যায় না ।
Mst. Rashida Khanom, ২০ ফেব্রুয়ারি, ২০২০
কীভাবে হবে শিক্ষকতা ব্রত? পেটে ভাত দিতে হবে। সকল পেশার চেয়ে এ পেশার শিক্ষকদের মূল্যায়ন বাড়াতে হবে। জজ, ডিসি , সচিব,মন্ত্রী, শিক্ষককে মাস্টার সাহেব না বলে স্যার বলে সম্বোধন করতে হবে। এ পেশাকে সেখানে পৌঁছানর জন্য অনেক কাজ এখনো বাকী। জাতীয় করণ করতে হবে শিক্ষাকে।সকল শিক্ষক কর্মচারী নিয়োগ দিবে সরকার। ১০ বছর পর সকল শিক্ষক হবে যোগ্য। ১৫ বছর পর সকল শিক্ষক হবে শাণিত। ২০ বছর পর শিক্ষা হবে রোগ মুক্ত। কিন্তু আমলারা /যারা নিজেদেরকে বিজ্ঞ ভাবেন তাঁরা বলেন- বেসরকারি শিক্ষকরা অযোগ্য, এদের সরকারি করার কোন অর্থই হয়না।একটু ভাবুনতো যতদিন সরকারি না হবে যোগ্য শিক্ষক/ যোগ্য লোক এ পেশায় কী ততদিন আসবে? অবশ্যই না না না.............এবং না আবার শিক্ষা আইনে বানিজ্যিক কোচিং করা হয়ছে বৈধ। অযোগ্য শিক্ষক যাদের বলা হচ্ছে প্রধান শিক্ষকের নেতৃত্বে তাদেরকে দেয়া হয়েছে বৈধ লাইসেন্স যাতে তারা আইনের ফাঁক ফোকর দিয়ে বাধ্য করে পড়াতে পার শিক্ষার্থীদের
মাওলানা মো.আজহারুল করিম,সহকারী শিক্ষক, (ই.ও নৈ.শি.) খালেদ হায়দার মেমোরিয়াল উচ্চ বিদ্যালয়, রামপুরা,ঢাকা।, ২০ ফেব্রুয়ারি, ২০২০
# প্রথমত ২০ ফেব্রুয়ারি বুধবার নয়। বৃহস্পতিবার.... **দ্বিতীয়ত স্যারের প্রতি সম্মান রেখেই বলছি আপনার কথা সঠিক বলে মানতে পাচ্ছি না... কেননা, সকল শিক্ষক অযোগ্য নয়। তারা অন্য পেশা না পেয়ে নয় বরং শিক্ষকতা পেশাকে ভালোবেসেই এই মহান পেশায় আত্মনিয়োগ করেছেন... তবে হ্যা সৃজনশীল পদ্ধতিতে শিক্ষকদের আরও প্রশিক্ষণ প্রয়োজন....