মন্তব্য লিখতে লগইন অথবা রেজিস্টার করুন

মন্তব্যের তালিকা

Md. Anamul hoque, ১৯ মে, ২০২০
এমপিওভুক্ত নতুন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধান ও সহকারী প্রধানসহ অন্যান্য শিক্ষকদের ও এমপিও কোড জটিলতার সমাধান কিভাবে হবে এবিষয়েই প্রতিষ্ঠান প্রধান ও সহকারী প্রধানরা দুশ্চিন্তায় আছেন। চলমান নীতি মালায় এমপিও ইনডেক্স থেকেই অভিজ্ঞতা ধরা হয়। সে হিসাবে ইনডেক্স না থাকার অজুহাতে দীর্ঘ ১৫-২০ বছর পরে এমপিওভুক্ত হওয়া এসকল প্রতিষ্ঠান প্রধান ও সহকারী প্রধানরা এক ধাপ নিচের কোডে বেতন পাবেন। আরো ১২-১৫ বছর কর্মরত থাকলেই কেবল তারা স্ব পদের বেতন কোডে বেতনভাতা পাবেন । অথচ ঐ শিক্ষকগন ২/৪/৫ বছর পরে তাদের বেশিরভাগই অবসরে চলে যাবেন। এই মানবিক সংকট উত্তোরনে দৈনিকশিক্ষার সম্পাদক সাহেবের মাধ্যমে মাননীয় শিক্ষামন্ত্রী মহোদয় সহ সংশ্লিষ্ট সকলের নিকট উল্লেখিিত বিষয়টি সুবিবেচনার আবেদন করছি ।
কাজী মুহাম্মদ নূরুল হক, কেন্দ্রীয় সভাপতি, ননএমপিও মাদরাসা শিক্ষক সমিতি।, ১৮ মে, ২০২০
এ সকল সমস্যার সমাধান মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি নিয়েই করাই শ্রেয়। অর্থাত যথাযথ প্রক্রিয়ায় নিয়োগপ্রাপ্তদের যোগদানের তারিখ থেকে বয়সকাল গননা করাই এর একমাত্র সমাধান। তাহলে এ সকল শিক্ষকরা অতীতে যেমন একদিকে অর্থিক সুবিধা থেকে বঞ্চিত হয়েছে অপরদিকে ভবিষ্যতে অন্তত খালিহাতে অবসরে যাওয়ার অমানবিক ভাগ্য ভরন করতে হবেনা। এ ক্ষেত্রে সংস্থাপন মন্ত্রণালয়ের একটি নজিরও বিদ্যমান রয়েছে,। সেটি হলো কোন সংস্থা/প্রকল্প থেকে রাজস্বখাতে জনবল সংযুক্ত হলে আর্থিক সুবিধা না পেলেও বয়সকাল গননা করা হয়। তাই একযুগেরও বেশী সময় পর যে সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নতুন এমপিওভুক্ত হয়েছে সেসকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের যথাযথপ্রক্রিয়ায় নিয়োগকৃত শিক্ষকদের যোগদানের তারিখ থেকে বয়সকাল গননার বিষয়টি একটি পরিপত্রের মাধ্যমে সমাধা করার জন্য মাননীয় শিক্ষামন্ত্রী সহ সংশ্লিষ্ট সকলের নিকট মানবিক আবেন করছি । লেখকঃ কাজী মুহাম্মদ নূরুল হক, কেন্দ্রীয় সভাপতি, ননএমপিও মাদরাসা শিক্ষক সমিতি ও কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি, ননএমপিও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান শিক্ষক কর্মচারী ফেডারেশন
কাজী মুহাম্মদ নূরুল হক, কেন্দ্রীয় সভাপতি, ননএমপিও মাদরাসা শিক্ষক সমিতি।, ১৮ মে, ২০২০
এক. যে কারনেই হোক প্রতি বছর শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তির সক্ষমতা রাষ্ট্রের ছিলোনা বিধায় দীর্ঘ ১৫/২০ বছর পর এসকল প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত হয়েছে। সেজন্যই বয়সকাল গননা নিয়ে এ জটিলতা তৈরী হয়েছে। নিয়মিত বছর বছর এমপিওভুক্ত হলে এ জটিলতা হতোনা। দুই. যথাযথ প্রক্রিয়ায় নিয়োগপ্রাপ্ত হয়ে অধিকাংশ প্রতিষ্ঠান প্রধান দীর্ঘ ১৫/২০ বছর যাবত বিনা বেতনে এ সকল প্রতিষ্ঠানের পাঠদান অনুমতি, একাডেমিক স্বীকৃতি এমনকি এমপিওভুক্তির সকল শর্তপুরনের সক্ষমতা ধরে রেখেছে। তিন. তাই যথাযথ প্রক্রিয়ায় নিয়োগপ্রাপ্ত প্রধান ও সহকারী প্রধানদের নিয়োগের তারিখ থেকে বয়সকাল গননা করা না হলে তারা দুটি মারাত্নক ক্ষতির মধ্যে পড়বে । একেতো দীর্ঘ ১৫-২০বছর যাবত বিনা বেতনে রাষ্ট্রকে শিক্ষা বিস্তারে সহযোগিতা করে আসছে। অপরদিকে ভবিষ্যত আর্থিক ক্ষতি নিয়েই প্রধানের কাম্য অভিজ্ঞতা না হতেই অবসরে চলে যাওয়ার মতো অমানবিক ভাগ্য ভরন করতে হবে।
কাজী মুহাম্মদ নূরুল হক, কেন্দ্রীয় সভাপতি, ননএমপিও মাদরাসা শিক্ষক সমিতি।, ১৮ মে, ২০২০
কিন্ত এমপিওভুক্ত নতুন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধান ও সহকারী প্রধানের এমপিও কোড জটিলতার সমাধান কিভাবে হবে এবিষয়েই প্রতিষ্ঠান প্রধান ও সহকারী প্রধানরা দুশ্চিন্তায় আছেন। চলমান নীতি মালায় এমপিও ইনডেক্স থেকেই অভিজ্ঞতা ধরা হয়। সে হিসাবে ইনডেক্স না থাকার অজুহাতে দীর্ঘ ১৫-২০ বছর পরে এমপিওভুক্ত হওয়া এসকল প্রতিষ্ঠান প্রধান ও সহকারী প্রধানরা এক ধাপ নিচের কোডে বেতন পাবেন। আরো ১২-১৫ বছর কর্মরত থাকলেই কেবল তারা স্ব পদের বেতন কোডে বেতনভাতা পাবেন । অথচ ২/৪/৫ বছর পরে তাদের অনেকে অবসরে চলে যাবেন। এই মানবিক সংকট উত্তরনে মাননীয় শিক্ষামন্ত্রী মহোদয়সহ সংশ্লিষ্ট সকলের নিকট নিম্নবর্নিত বিষয়টি সুবিবেচনার আবেদন করছি ।