মন্তব্য লিখতে লগইন অথবা রেজিস্টার করুন

মন্তব্যের তালিকা

Nandan Banik, ২১ মে, ২০২০
ঢাকা শহরে বসে ব্রডব্যান্ড লাইনে সবল নেটে যুক্ত হয়ে কাজ করতে গেলে দেখি নেটের কারনে তেমন কোন কাজই করা যায় না । কারন নেটের speed এত বাজে অবস্থায় থাকে যে , দৈনিক শিক্ষা অন লাইনের মত এত জনপ্রিয় পত্রিকাটি পর্যন্ত পড়া যায় না । সেখানে সমগ্র দেশকে অন লা্রইনের অর্ন্তভূক্ত করে পড়া লেখা চালিয়ে নেয়ার প্রস্তাব হাস্যকর নয় কি ?
rezaemostafa, ২১ মে, ২০২০
শহর এলাকায় ভাড়াবাড়িতে পরিচালিত অধিকাংশ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান অর্থসংকটের মুখে একেবারে বন্ধ হয়ে যেতে পারে। এসব প্রতিষ্ঠান সরকারি কোনো আর্থিক সহায়তা পায় না। তবে এসব প্রতিষ্ঠানের পাঠদানের অনুমতি বা স্বীকৃতি আছে। তাছাড়া ইংলিশ ভার্শন, ইংলিশ মিডিয়াম,কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে স্কুল, কলেজ, বিভিন্ন ধরনের ডিপ্লোমা ইনস্টিটিউট, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে প্রফেশনাল কোর্স পাঠদানকারী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ নিজস্ব অর্থায়নে পরিচালিত অনেক প্রতিষ্ঠান অর্থাভাবে বন্ধ হয়ে যেতে পারে। এসব প্রতিষ্ঠানে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীদের পড়ালেখাও বন্ধ হয়ে যেতে পারে। বন্ধ হয়ে গেলও কিছু করার নেই। এসব প্রতিষ্ঠান প্রতিনিয়ত তারা শিক্ষার নামে দেশে গলাকাটা ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে। তারা দেশ থেকে বিলিয়ন বিলিয়ন টাকা নিয়ে যাচ্ছে। যার ছাপটা সরাসরি আসছে শিক্ষার্থীদের অভিবাবকদের উপর। তাই এই ধরনের লকডাউন আরো কয়েক বছর থাকলেও তাদের কোনো ক্ষতি নেই। প্রয়োজনে এই অবস্থায় তারা প্রতিষ্ঠান চালাতে না পারলে বন্ধ করে দিক। উল্লেখ্য এ ধরনের প্রতিষ্ঠানগুলোর দেশে অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতে হলে তাদের জন্য একটি টেকসই আইন করে দেওয়া দরকার। যাতে সাধারণ অভিবাবকরা তাদের গলাকাটা ব্যবসা থেকে রেহাই পায়।
rezaemostafa, ২১ মে, ২০২০
শহর এলাকায় ভাড়াবাড়িতে পরিচালিত অধিকাংশ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান অর্থসংকটের মুখে একেবারে বন্ধ হয়ে যেতে পারে। এসব প্রতিষ্ঠান সরকারি কোনো আর্থিক সহায়তা পায় না। তবে এসব প্রতিষ্ঠানের পাঠদানের অনুমতি বা স্বীকৃতি আছে। তাছাড়া ইংলিশ ভার্শন, ইংলিশ মিডিয়াম,কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে স্কুল, কলেজ, বিভিন্ন ধরনের ডিপ্লোমা ইনস্টিটিউট, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে প্রফেশনাল কোর্স পাঠদানকারী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ নিজস্ব অর্থায়নে পরিচালিত অনেক প্রতিষ্ঠান অর্থাভাবে বন্ধ হয়ে যেতে পারে। এসব প্রতিষ্ঠানে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীদের পড়ালেখাও বন্ধ হয়ে যেতে পারে। বন্ধ হয়ে গেলও কিছু করার নেই। এসব প্রতিষ্ঠান প্রতিনিয়ত তারা শিক্ষার নামে দেশে গলাকাটা ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে। তারা দেশ থেকে বিলিয়ন বিলিয়ন টাকা নিয়ে যাচ্ছে। যার ছাপটা সরাসরি আসছে শিক্ষার্থীদের অভিবাবকদের উপর। তাই এই ধরনের লকডাউন আরো কয়েক বছর থাকলেও তাদের কোনো ক্ষতি নেই। প্রয়োজনে এই অবস্থায় তারা প্রতিষ্ঠান চালাতে না পারলে বন্ধ করে দিক। উল্লেখ্য এ ধরনের প্রতিষ্ঠানগুলোর দেশে অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতে হলে তাদের জন্য একটি টেকসই আইন করে দেওয়া দরকার যাতে সাধারণ অভিবাবকরা তাদের গলাকাটা ব্যবসা থেকে রেহাই পায়।
rezaemostafa, ২১ মে, ২০২০
যদিও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান অনলাইন ও সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে পাঠদান করছেন, অধিকাংশ শিক্ষার্থীর কোনো ডিভাইস নেই এবং নেটওয়ার্কিং সক্ষমতা নেই। তাছাড়া এই অনলাইন পদ্ধতির সাথে অধিকাংশ শিক্ষার্থী অভ্যস্ত নয়। শিক্ষার্থীরা টিউশন ফি দিচ্ছে না কয়েক মাস ধরে। যদি বন্ধের এই ঘোষণা আরও দীর্ঘায়িত হয়, তাহলে টিউশন ফি আরও বকেয়া হবে যা পরিশোধ করা শ্রমজীবী অভিভাবকের পক্ষে সম্ভব হবে না। দীর্ঘদিন লকডাউন থাকলে অনেকে চাকরি হারাতে পারেন। ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের ব্যবসায় বন্ধ হয়ে যেতে পারে।সাথে সাথে এসব পরিবারের শিক্ষার্থীদের পড়ালেখা বন্ধ হয়ে যেতে পারে। যেখানে লেখাপড়ার ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রে মত দেশ হাবুডুবু খাচ্ছে সেখানে আমাদের দেশের কথা বলে কোন লাভ নেই। শিক্ষা ব্যবস্থার ক্ষেত্রে অন্যান্য অবস্থা ক্ষেত্রে সরকার যতোটুকু সহযোগিতা করতে পারে তা নিয়ে নিজ নিজ অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতে হবে।
rezaemostafa, ২১ মে, ২০২০
ছুটি দীর্ঘমেয়াদী হলে শতভাগ শিক্ষার্থী অনলাইন টিচিং-লার্নিংয়ের আওতায় আনতে হবে। অনলাইনে সকল পরীক্ষা নিতে হবে। অসচ্ছল শিক্ষক -শিক্ষার্থীদের আর্থিক সহায়তার আওতায় আনতে হবে। অর্থনৈতিকভাবে অসচ্ছল প্রতিষ্ঠানকে সরকারি সহায়তা প্রদান করতে হবে। প্রয়োজনীয় ইলেক্ট্রনিক ডিভাইস ও ইন্টারনেট অ্যাকসেস নিশ্চিত করতে হবে। অন্যথায় ঝরেপড়া ঠেকানো অসম্ভব হয়ে পড়বে। উপরের আলোচনা যেমনি ঠিক আছে, তেমনি, একটি আবেগী মূলক কথাবার্তা। কেননা যুক্তরাষ্ট্রের মতো দেশে শিক্ষা ব্যবস্থা পুরো ভেঙে তছনছ হয়ে গেছে। শিক্ষা ব্যবস্থায় শিক্ষার্থীদের ঝরে পড়া ঠেকাতে যদি ওই ধরনের নিয়ম পালন করা হয় তাহলে কি ঝরে পড়া ঠেকানো যাবে, কিংবা আমাদের দেশে সেই ধরনের সামর্থ্য আছে কিনা তাও একবার দেখা হল না। কারণ যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের মতো দেশ হিমশিম খাচ্ছে সেখানে আমাদের মত দেশ নিয়ে কোন চিন্তা থাকার তো কথাই নেই। আমাদের দেশ আমেরিকা রাশিয়া ক্যানাডা সিঙ্গাপুর ভারতের মতো দেশ নয়। তাই এধরনের আকাশ কুসুম কল্পনা করা মোটেও ঠিক নয় এটি একটি স্বপ্ন ছাড়া আর কিছু নয়।
rezaemostafa, ২১ মে, ২০২০
ছুটি দীর্ঘমেয়াদী হলে শতভাগ শিক্ষার্থী অনলাইন টিচিং-লার্নিংয়ের আওতায় আনতে হবে। অনলাইনে সকল পরীক্ষা নিতে হবে। অসচ্ছল শিক্ষক -শিক্ষার্থীদের আর্থিক সহায়তার আওতায় আনতে হবে। অর্থনৈতিকভাবে অসচ্ছল প্রতিষ্ঠানকে সরকারি সহায়তা প্রদান করতে হবে। প্রয়োজনীয় ইলেক্ট্রনিক ডিভাইস ও ইন্টারনেট অ্যাকসেস নিশ্চিত করতে হবে। অন্যথায় ঝরেপড়া ঠেকানো অসম্ভব হয়ে পড়বে। উপরের আলোচনা যেমনি ঠিক আছে, তেমনি, একটি আবেগী মূলক কথাবার্তা। কেননা যুক্তরাষ্ট্রের মতো দেশে শিক্ষা ব্যবস্থা পুরো ভেঙে তছনছ হয়ে গেছে। শিক্ষা ব্যবস্থায় শিক্ষার্থীদের ঝরে পড়া ঠেকাতে যদি ওই ধরনের নিয়ম পালন করা হয় তাহলে কি ঝরে পড়া ঠেকানো যাবে, কিংবা আমাদের দেশে সেই ধরনের সামর্থ্য আছে কিনা তাও একবার দেখা হল না। কারণ যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের মতো দেশ হিমশিম খাচ্ছে সেখানে আমাদের মত দেশ নিয়ে কোন চিন্তা থাকার তো কথাই নেই। আমাদের দেশ আমেরিকা রাশিয়া ক্যানাডা সিঙ্গাপুর ভারতের মতো দেশ নয়। তাই এধরনের আকাশ কুসুম কল্পনা করা মোটেও ঠিক নয় এটি একটি স্বপ্ন ছাড়া আর কিছু নয়।
rezaemostafa, ২১ মে, ২০২০
ছুটি দীর্ঘমেয়াদী হলে শতভাগ শিক্ষার্থী অনলাইন টিচিং-লার্নিংয়ের আওতায় আনতে হবে। অনলাইনে সকল পরীক্ষা নিতে হবে। অসচ্ছল শিক্ষক -শিক্ষার্থীদের আর্থিক সহায়তার আওতায় আনতে হবে। অর্থনৈতিকভাবে অসচ্ছল প্রতিষ্ঠানকে সরকারি সহায়তা প্রদান করতে হবে। প্রয়োজনীয় ইলেক্ট্রনিক ডিভাইস ও ইন্টারনেট অ্যাকসেস নিশ্চিত করতে হবে। অন্যথায় ঝরেপড়া ঠেকানো অসম্ভব হয়ে পড়বে। উপরের আলোচনা যেমনি ঠিক আছে, তেমনি, একটি আবেগী মূলক কথাবার্তা। কেননা যুক্তরাষ্ট্রের মতো দেশে শিক্ষা ব্যবস্থা পুরো ভেঙে তছনছ হয়ে গেছে। শিক্ষা ব্যবস্থায় শিক্ষার্থীদের ঝরে পড়া ঠেকাতে যদি ওই ধরনের নিয়ম পালন করা হয় তাহলে কি ঝরে পড়া ঠেকানো যাবে, কিংবা আমাদের দেশে সেই ধরনের সামর্থ্য আছে কিনা তাও একবার দেখা হল না। কারণ যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের মতো দেশ হিমশিম খাচ্ছে সেখানে আমাদের মত দেশ নিয়ে কোন চিন্তা থাকার তো কথাই নেই। আমাদের দেশ আমেরিকা রাশিয়া ক্যানাডা সিঙ্গাপুর ভারতের মতো দেশ নয়। তাই এধরনের আকাশ কুসুম কল্পনা করা মোটেও ঠিক নয় এটি একটি স্বপ্ন ছাড়া আর কিছু নয়।