রাবি উপাচার্যসহ দুর্নীতিবাজদের অপসারণ চায় ছাত্র ফেডারেশন

রাবি প্রতিনিধি |

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনে দায়িত্বরত উপাচার্য প্রফেসর মো. আব্দুস সোবহান, প্রো-ভিসি প্রফেসর চৌধুরী মো. জাকারিয়া ও রেজিস্ট্রার এম এ বারীসহ দুর্নীতিতে অভিযুক্ত অন্যান্য কর্মকর্তাদের অপসারণ চায় ছাত্র ফেডারেশন।

শুক্রবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ দাবি জানান তারা।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ভিসি, প্রো-ভিসিসহ বর্তমান প্রশাসনের দুর্নীতি অনিয়মের বিরুদ্ধে গত বছর অক্টোবরে ছাত্ররা অনিয়ম ও দুর্নীতি বিরোধী আন্দোলন গড়ে তুলেছিল। বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশন অপরাপর প্রগতিশীল ও গণতান্ত্রিক ছাত্র সংগঠন, সাংস্কৃতিক সংগঠন এবং শিক্ষার্থীদের ঐক্যবদ্ধ করে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়কে অনিয়ম ও দুর্নীতিমুক্ত করতে ধারাবাহিক আন্দোলন কর্মসূচি পালন করে। যা সারা দেশে ছড়িয়ে পড়ে। পরবর্তীতে ইউজিসি বিষয়টি আমলে নিলে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে। তদন্ত কমিটির সম্প্রতি রিপোর্টে ভিসি, প্রো-ভিসি ও রেজিস্টারের দুর্নীতি ও অনিয়মের সত্যতার প্রামাণিত হয়। কিন্তু অভিযুক্ত প্রশাসনকে এখন পর্যন্ত অপসারণ করা হয়নি, যা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাবমূর্তিকে নষ্ট করে। 
এ বিষয়ে ছাত্র ফেডারেশন রাবি শাখার ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আশরাফুল আলম সম্রাট বলেন, 'প্রশাসনের সর্বোচ্চ কর্মকর্তাদের দুর্নীতি ও অনিয়মের ঘটনা শুধু ক্যাস্পাসের ভাবমূর্তিই নষ্ট করে না বরং পুরো শিক্ষা ব্যবস্থাকে হুমকির মুখে ফেলে দেয়। আমরা দায়িত্বরত কর্মকর্তাদের দুর্নীতির ও অনিয়মের তীব্র নিন্দা ও অপসারণের দাবি জানাই।'

সাধারণ সম্পাদক মহব্বত হোসেন মিলন বলেন, 'গতবছর বর্তমান প্রশাসনের দুর্নীতির বিরুদ্ধে আমরা ধারাবাহিক আন্দোলন চালিয়েছি। এসময় ছাত্র নেতৃবৃন্দের ওপর নানান চাপ তৈরি হলেও আমরা আন্দোলন থেকে পিছপা হইনি। একপর্যায়ে প্রশাসনকে লাল কার্ড দেখিয়ে আচার্য বরাবর খোলা চিঠি প্রেরণ করি এবং প্রশাসনের সমস্ত কার্যক্রমকে অবৈধ ঘোষণা করি। তখন ইউজিসি বা আচার্য কেউই আমাদের কথা শোনেননি! দেরিতে হলেও দুর্নীতি ও অনিয়মের ঘটনাটি প্রমাণিত হলো। কিন্তু এখন পর্যন্ত এই দুর্নীতিবাজরা স্বপদে বহাল আছে যা কোনোভাবেই বরদাস্ত করা যায় না। আমরা ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই সকল দুর্নীতিবাজের অপসারণ দাবি করছি।' 

মহব্বত আরো বলেন, 'দুর্নীতিবাজের জায়গায় যাতে আরো কোন দুর্নীতিবাজ বসতে না পারে সেজন্য প্রশাসনের স্বৈরতান্ত্রিক কাঠামোকে ভেঙে ফেলতে হবে এবং রাকসু কার্যকর করে ছাত্র প্রতিনিধি দ্বারা সিনেট পূর্ণাঙ্গ করে সিনেট সদস্যদের মতামতের ভিক্তিতে ভিসি নির্বাচনসহ প্রশাসনিক কার্যক্রম চালাতে হবে। সর্বোপরী ক্যাম্পাসে গণতান্ত্রিক কাঠামো বিনির্মাণ করতে হবে।


পাঠকের মন্তব্য দেখুন
পরীক্ষার নাম এসএসসিই থাকবে, ওয়েটেজ ৫০ শতাংশ - dainik shiksha পরীক্ষার নাম এসএসসিই থাকবে, ওয়েটেজ ৫০ শতাংশ ফরেনসিক অডিটে ফাঁসছেন দশ হাজার জাল সনদধারী - dainik shiksha ফরেনসিক অডিটে ফাঁসছেন দশ হাজার জাল সনদধারী কওমি মাদরাসা : একটি অসমাপ্ত প্রকাশনা গ্রন্থটি এখন বাজারে - dainik shiksha কওমি মাদরাসা : একটি অসমাপ্ত প্রকাশনা গ্রন্থটি এখন বাজারে দৈনিক শিক্ষার নামে একাধিক ভুয়া পেজ-গ্রুপ ফেসবুকে - dainik shiksha দৈনিক শিক্ষার নামে একাধিক ভুয়া পেজ-গ্রুপ ফেসবুকে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্টের পিএইচডি ফেলোশিপ - dainik shiksha প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্টের পিএইচডি ফেলোশিপ সাংবাদিকদের ঘুষ বিষয়ক ভাইরাল ভিডিও, ইরাব কোনো বিবৃতি দেয়নি - dainik shiksha সাংবাদিকদের ঘুষ বিষয়ক ভাইরাল ভিডিও, ইরাব কোনো বিবৃতি দেয়নি জড়িত মনে হলে চেয়ারম্যানও গ্রেফতার: ডিবির হারুন - dainik shiksha জড়িত মনে হলে চেয়ারম্যানও গ্রেফতার: ডিবির হারুন কলেজ পরিচালনা পর্ষদ থেকে ঘুষে অভিযুক্ত সাংবাদিককে বাদ দেওয়ার দাবি - dainik shiksha কলেজ পরিচালনা পর্ষদ থেকে ঘুষে অভিযুক্ত সাংবাদিককে বাদ দেওয়ার দাবি পছন্দের স্কুলে বদলির জন্য ‘ভুয়া’ বিবাহবিচ্ছেদ - dainik shiksha পছন্দের স্কুলে বদলির জন্য ‘ভুয়া’ বিবাহবিচ্ছেদ জাতীয়করণ আন্দোলনের শিক্ষক নেতা শেখ কাওছার আলীর বরখাস্ত অনুমোদন - dainik shiksha জাতীয়করণ আন্দোলনের শিক্ষক নেতা শেখ কাওছার আলীর বরখাস্ত অনুমোদন হিট স্ট্রোকের ঝুঁকি কমাতে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনা - dainik shiksha হিট স্ট্রোকের ঝুঁকি কমাতে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনা সনদ বাণিজ্য : কারিগরি শিক্ষা বোর্ড চেয়ারম্যানের স্ত্রী কারাগারে - dainik shiksha সনদ বাণিজ্য : কারিগরি শিক্ষা বোর্ড চেয়ারম্যানের স্ত্রী কারাগারে সপ্তম শ্রেণিতে শরীফার গল্প থাকছে, বিতর্কের কিছু পায়নি বিশেষজ্ঞরা - dainik shiksha সপ্তম শ্রেণিতে শরীফার গল্প থাকছে, বিতর্কের কিছু পায়নি বিশেষজ্ঞরা please click here to view dainikshiksha website Execution time: 0.0025389194488525