করোনা মহাবিপর্যয়ে অনলাইন এডুকেশন ছাড়া বিকল্প নেই - মতামত - দৈনিকশিক্ষা


করোনা মহাবিপর্যয়ে অনলাইন এডুকেশন ছাড়া বিকল্প নেই

দৈনিকশিক্ষা ডেস্ক |

বর্তমান বিশ্বে অনলাইনে সামেটিভ এক্সাম (মিড বা সেমিস্টার ফাইনাল) নেয়ার নির্ভরযোগ্য কোনো সিস্টেম এখনও তেমনভাবে দৃশ্যমান নয়। উন্নত বিশ্বের প্রায় সব বিশ্ববিদ্যালয় অনলাইনে ফরমাল ডিগ্রি দিচ্ছে। অনলাইন এডুকেশন সিস্টেমের ওপর পিএইচডি করার সুবাদে এবং আমেরিকা, কানাডা, ইংল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া ও বাংলাদেশের বিভিন্ন স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠান এবং এক্সপার্টদের সঙ্গে কাজ করার অভিজ্ঞতার আলোকে আমি একটি সিস্টেম ডিজাইন করেছি, যার নাম ‘মোবাইল এইডেড অনলাইন সামেটিভ এক্সাম (মাউসি)’। এটি ব্যবহার করে আমরা দেশে খুব ভালোভাবে অনলাইনে প্রচলিত পরীক্ষাগুলো নিতে পারি। উন্নত দেশে বিদ্যুতের সমস্যা নেই, প্রায় সবার পিসি বা ল্যাপটপ আছে আর সেখানে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট খুবই সহজলভ্য। উন্নত দেশের ভার্সিটিগুলো বেশিরভাগ সময় অনলাইন এক্সামের ক্ষেত্রে প্রক্টরিং সফটওয়ার যেমন- এক্সামিটি, প্রক্টরিও, প্রক্টরট্র্যাক ইত্যাদি ব্যবহার করে। প্রতি শিক্ষার্থীর প্রতিটি পরীক্ষা বাবদ যার খরচ পড়ে ১০-১৫ ডলার, যা অত্যন্ত ব্যয়বহুল। শনিবার (২১ নভেম্বর) যুগান্তর পত্রিকায় প্রকাশিত উপসম্পাদকীয়তে এ তথ্য জানা যায়।

উপসম্পাদকীয়তে আরও জানা যায়, প্রক্টরিং সফটওয়ারগুলো মূলত কম্পিউটার-বেজড পরীক্ষা নিয়ে থাকে। সাধারণত এ ধরনের সিস্টেমে আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্সের প্রয়োগ দেখা যায় এবং অনেক ক্ষেত্রে হিউম্যান ইনভলভমেন্টও থাকে। এটি লার্নিং ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের সঙ্গে লার্নিং টুলস ইন্টারাপ্যারাবিলিটি (এলটিআই) মাধ্যমে যুক্ত হয়। যেমন- প্রক্টরট্র্যাক সিস্টেমে চারটি মডিউল আছে : লেভেল-১, লেভেল-২, লেভেল-৩ এবং লেভেল-৪। আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্স এবং হিউম্যান ইনভলভমেন্টের প্রয়োগ ভেদে সফটওয়ারটির লেভেল ও তার মূল্য নির্ধারিত হয়, যা ৬-২০ ডলার পর্যন্ত হতে পারে প্রতি ঘণ্টায়। এছাড়া অতিরিক্ত সময়ের জন্য আলাদা বিল পরিশোধ করতে হয়। প্রাথমিক সেটআপ খরচও ৫ থেকে ১০ হাজার ডলারের কম নয়। এ ধরনের সফটওয়ারগুলো প্রথমে শিক্ষার্থীর বায়োমেট্রিক ভেরিফিকেশন সম্পন্ন করে এবং পরীক্ষা প্রদানে অনুমতি দেয়। এরপর একটি নির্দিষ্ট সময় পরপর কম্পিউটারের ওয়েব ক্যামেরার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদেরকে ভেরিফাই করে। আমি এ ধরনের পরীক্ষা কয়েকবার দিয়েছি এবং নিশ্চিত করে বলতে পারি, প্রক্টরিং সফটওয়ারনির্ভর পরীক্ষাগুলোর অনেক সীমাবদ্ধতা রয়েছে। যেমন- আপনি কোনো একটি পরীক্ষার সময় অন্যদিকে তাকিয়ে আছেন, সিস্টেমটি ভাববে আপনি চিটিং করছেন। আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্স অনেক দূর এগিয়ে গেছে সত্যি; কিন্তু এর সীমাবদ্ধতাও কম নয়। তাই বেশিরভাগ প্রক্টরিং সফটওয়ার কোম্পানিগুলো তাদের সিস্টেমে হিউম্যান ইনভলভমেন্ট ফিচারটি যুক্ত করেছে। যেহেতু উন্নত দেশে মানুষের পারিশ্রমিক অনেক বেশি, তাই স্বাভাবিকভাবেই কোম্পানিগুলো ঘণ্টাপ্রতি মূল্য অনেক বাড়িয়ে দেয়। আর কম্পিউটার-বেজড পরীক্ষার অনেক সীমাবদ্ধতা আছে, বিশেষ করে সামেটিভ এক্সাম এবং টেকনিক্যাল সাবজেক্টগুলোতে এটি বেশি প্রতীয়মান হয়।

দেশে প্রত্যন্ত এলাকায় নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ ও ইন্টারনেটের কমবেশি সমস্যা আছে আর খুব কম শিক্ষার্থীর নিজস্ব কম্পিউটার বা ল্যাপটপ আছে। তবে প্রায় সবার স্মার্টফোন আছে এবং বর্তমানে দেশের সব প্রান্তে মোবাইল ইন্টারনেট মোটামুটি অনেক সহজলভ্য। কম্পিউটার-বেজড পরীক্ষা পদ্ধতিতে শুধু দু-একটা কুইজ নিয়ে শিক্ষার্থীদের প্রকৃত মূল্যায়ন করা সম্ভব নয়। আর যদি টেকনিক্যাল সাবজেক্ট যেমন- ম্যাথ, ফিজিক্স, আইটি’র কথা চিন্তা করা হয়, তবে ছাত্রছাত্রীদের এ সব বিষয়ে কম্পিউটারে পরীক্ষা নেয়া খুবই দুরূহ। এছাড়া পরীক্ষাপ্রতি একজন ছাত্রের পক্ষে ১২০০ টাকা (১৫ ডলার ১-২ ঘণ্টার জন্য) দেয়া সম্ভব নয়। সুতরাং এই অপশনটি বাদ দেয়া সমীচীন হবে। তবে অনেক কানাডিয়ান/অস্ট্রেলিয়ান ইউনিভার্সিটি বিশ্বের অনেক দেশে তাদের স্টাডি সেন্টার করেছে, যা মূলত পরীক্ষার জন্যে ব্যবহৃত হয়। যেহেতু বাংলাদেশি ভার্সিটিগুলো অনলাইন এডুকেশন প্রোভাইড করে না এবং বিদেশে অবস্থানরত শিক্ষার্থীদের নিয়ে তাদের তেমন কোনো কর্মকাণ্ড সচরাচর দৃশ্যমান নয়, তাই স্টাডি সেন্টার খুব একটা দরকার হয় না। তবে বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের দেশব্যাপী স্টাডি সেন্টার রয়েছে।

আমার অনলাইন এক্সাম কনসেপ্টটি খুবই সহজ। এখানে শিক্ষার্থীদের লাগবে একটা স্মার্টফোন (ওয়েবক্যাম ও সাউন্ড এনাবল থাকতে হবে), মোবাইল ইন্টারনেট এবং কলম-খাতা, আর কিছু না। তারা বাংলাদেশের যে কোনো প্রান্ত থেকে পরীক্ষা দিতে পারবে। এক বা একাধিক শিক্ষক বাংলাদেশের যে কোনো জায়গা থেকে একটা ল্যাপটপ বা পিসির মাধ্যমে পরীক্ষা (১৬-২৫ জন শিক্ষার্থী) তদারকি করতে পারবেন। ভার্সিটি প্রদত্ত ই-মেইল এবং ফেস অথেনটিকেটের মতো বায়োমেট্রিক টেকনোলজির কারণে পরীক্ষার্থী বাদে অন্য কেউ ইচ্ছা করলেই পরীক্ষা দিতে পারবে না, ফ্রড ডিটেকশন করা সহজ হবে। এছাড়া সিস্টেমটিতে রয়েছে স্মার্ট অ্যাটেনডেন্স অ্যাপ (ভূ-অবস্থানসহ), গ্রিড ভিউ, ক্লোজ অবজারভেশন ভিউ, রেকর্ডিং, টাইম স্ট্যাম্প বেজড লগ জেনারেশনসহ অনেক ফিচার। এই সিস্টেমে অসদুপায় অবলম্বন করে পার পাওয়ার সম্ভাবনা খুবই ক্ষীণ। শিক্ষার্থীদের একসঙ্গে সব প্রশ্ন দেয়া হয় না এবং উত্তরপত্র ধাপে ধাপে জমা নেয়া হয়। পরীক্ষার আগে রুম, টেবিল ও খাতা ভালোভাবে দেখে নেয়া হয়। অন্য কোনো মোবাইল এবং কম্পিউটার ওই রুমে বা টেবিলে রাখা নিষিদ্ধ। শিক্ষার্থীরা মোবাইলের ওয়েবক্যাম ও মাইক্রোফোন ব্যবহার করে সবসময় ভিডিও কনফারেন্সিং যেমন গুগল মিট বা জুম প্রযুক্তির মাধ্যমে শিক্ষকের সঙ্গে যুক্ত থাকে। কোনো কারণে ইন্টারনেট সংযোগ বিচ্ছিন্ন হলে ১-২ মিনিটের মধ্যে পুনরায় যুক্ত হতে হবে অন্যথায় তারা পরীক্ষা চালিয়ে যাবে কিন্তু পরীক্ষার ওই অংশের জন্য তাকে শ্রেণি শিক্ষকের ইন্টারভিউ ফেস করতে হবে পরে কোনো সুবিধাজনক সময়ে, যার সংখ্যা ক্লাসপ্রতি ১-২ জনের বেশি হবে না। এগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে রেকর্ড হবে, ফলে শিক্ষকদেরকে খুঁজতে হবে না- কে কখন ডিসকানেক্ট হচ্ছে, টাইম স্ট্যাম্প বেজড লগ জেনারেশন থেকে সহজে পাওয়া যাবে।

ভিসি মহোদয়ের অনুমতিক্রমে আমি সিস্টেমটি টেস্ট করেছি বঙ্গবন্ধু ডিজিটাল ইউনিভার্সিটিতে- আমার ইনস্ট্রাকশনাল টেকনোলজি কোর্সের প্রথমবর্ষের শিক্ষার্থীদের ওপর। ৪৯ জনের মধ্যে ৪২ জন পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিল এবং সবাই উত্তরপত্র সঠিকভাবে জমা দিয়েছে অনলাইনে পরীক্ষা শেষ হওয়ার ২-৩ মিনিটের মধ্যে। পুরো প্রক্রিয়ার মধ্যে ন্যূনতম জটিলতা নেই- একেবারে সহজ। সফলতার হার ১০০ শতাংশ, তবে ৭ শিক্ষার্থী বিভিন্ন কারণে পরীক্ষা দেয়নি। এখানে শিক্ষকদের কোন শিক্ষার্থীর উত্তরপত্র কোনটি তা খুঁজে দেখার দরকার হবে না, সব সুন্দরভাবে মূল্যায়নের জন্য স্বয়ংক্রিয়ভাবে প্রস্তুত থাকবে। এ পদ্ধতিতে তাদের উত্তরপত্র মূল্যায়ন করতে প্রথাগতভাবে খাতা দেখা ও রিপোর্ট তৈরি করতে যে সময় লাগে, তার এক-তৃতীয়াংশ সময় লাগবে। এটা সত্য, দেশের সব জায়গায় মোবাইল নেটওয়ার্ক সমান নয়, তবে কিছুটা বুদ্ধির পরিচয় দিলে এই সিস্টেমে পরীক্ষা দেয়া খুবই সহজ।

অনলাইন বা ফেস টু ফেস এডুকেশনে শিক্ষকদের প্রফেশনাল ডেভেলপমেন্ট খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিশেষ করে বর্তমান সময়ে একাডেমিয়া ও ইন্ডাস্ট্রি প্রাকটিসের দূরত্ব নিরসনে এবং শিক্ষকদের নৈতিক মূল্যবোধ ও প্রফেশনালিজম তৈরিতে। এক্ষেত্রে ম্যাসিভ ওপেন অনলাইন কোর্স (মুক) খুবই উপযোগী প্লাটফর্ম হতে পারে। বিখ্যাত মুক প্রোভাইডারগুলো যেমন এডেক্স, কোর্সেরা, উডাসিটি, ফিউচারলার্ন, ইউডেমির মাধ্যমেও রেগুলার অনলাইন প্রোগ্রাম অফার করা যায়। আমরা ইতোমধ্যে কোর্সেরা প্লাটফর্মের প্রায় ৪০০০ কোর্স শিক্ষক-ছাত্রছাত্রীকে দিয়েছি। এছাড়া বিডিইউ’র নিজস্ব মুক প্লাটফর্ম এবং অনলাইন এডুকেশনকে আরও বেগবান করতে এডেক্সের (হার্ভার্ড এবং এমআইটি যৌথ প্রয়াস) সঙ্গে স্থায়ীভাবে পার্টনারশিপ তৈরি করার চেষ্টা করে যাচ্ছি।

বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে অনলাইন এডুকেশন সেক্টরে প্রায় ১২ বছর কাজ করার অভিজ্ঞতার আলোকে আমি মনে করি, অনলাইন এডুকেশনে তেমন কোনো সমস্যা নেই, যে প্রতিষ্ঠান এটি পরিচালনা করবে তার রিকগনিশনটা এক্ষেত্রে বেশি গুরুত্বপূর্ণ। রাতারাতি কোনো বিশ্ববিদ্যালয় অনলাইন এডুকেশনে যাওয়া ঠিক নয়, ধীরে ধীরে ছাত্র-শিক্ষক-স্টাফদেরকে এর জন্য প্রস্তুত করতে হবে। এক্ষেত্রে স্টেবল প্লাটফর্ম এবং প্রয়োজনীয় দক্ষ জনবল থাকা অত্যাবশকীয়, দুর্ভাগ্যক্রমে এটাই আমাদের দেশে সবচেয়ে বড় অভাব। দেশে শিক্ষিত বেকারের সংখ্যা নেহাত কম নয় অথচ দক্ষ লোকবল খুঁজে পাওয়া যায় না। আমরা যেন আর বেশি ‘আনএমপ্লয়েবল এডুকেটেড’ তৈরি না করি, সেদিকে নজর দিতে হবে। দুনিয়ার অনেক নামকরা বিশ্ববিদ্যালয় (হার্ভার্ড, এমআইটি) এবং ইন্ডাস্ট্রি (গুগল, অ্যামাজন, মাইক্রোসফট) তাদের বিভিন্ন প্রোগ্রাম অনলাইনে অফার করছে। অনলাইন এডুকেশনে কোয়ালিটি নিশ্চিত করা তুলনামূলকভাবে অনেক সহজ। মনে রাখতে হবে, প্রতি বছর আমাদের দেশে প্রায় দশ লাখ ছাত্রছাত্রী উচ্চ মাধ্যমিক পাস করে, আর আমরা সর্বসাকুল্যে এক দেড় লাখের জন্য উচ্চশিক্ষার ব্যবস্থা করতে পারি। সবাইকে যে উচ্চশিক্ষা নিতে হবে তা-ও নয়। তবে বাংলাদেশে বর্তমান প্রেক্ষাপটে (৩জি/৪জি’র যুগে, বিশেষ করে বিভিন্ন ক্রান্তিকালীন সময়ে) সবার জন্য নিরবচ্ছিন্ন কার্যকর শিক্ষাব্যবস্থা করতে হলে অনলাইন এডুকেশনের বিকল্প নেই। সরকারের পক্ষ থেকে ডিজিটাল এডুকেশন বাস্তবায়নে সব ধরনের পৃষ্ঠপোষকতা ও নীতিমালা নির্ধারণে অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে। যেমন- ডিজিটাল এডুকেশন প্লাটফর্মগুলো একসেস করতে নামমাত্র মূল্যে শিক্ষার্থীদের ইন্টারনেট সুবিধা দেয়া, শিক্ষকদের প্রোমোশনে অনলাইন ট্রেনিং সার্টিফিকেশন অন্তর্ভুক্ত করা, সক্ষমতা অনুসারে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে প্রাথমিকভাবে ন্যূনতম ৩০ ভাগ কোর্স অনলাইনে পরিচালনা করা এবং ক্রমান্বয়ে তা বৃদ্ধি করা, কোয়ালিটি অ্যাসুরেন্সটাকে গুরুত্ব দেয়া ইত্যাদি।

অনলাইন এডুকেশন আমাদের দেশের জন্য আশীর্বাদ হতে পারে, যদি এ সেক্টরে আমরা একটু মনোযোগ দিই। এক্ষেত্রে সারা দেশে উচ্চগতিসম্পন্ন নিরবচ্ছিন্ন ইন্টারনেটের সহজলভ্যতার পাশাপাশি শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের অনলাইন এডুকেশনের প্রতি ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি এবং প্রিপেয়ার্ডনেস খুবই গুরুত্বপূর্ণ। মনে রাখতে হবে, করোনাভাইরাসের মতো মহাবিপর্যয়ে অনলাইন এডুকেশন ছাড়া যেমন আমাদের বিকল্প নেই, স্বাভাবিক অবস্থায়ও এটির প্র্যাকটিস আমরা যেন চালু রাখি। শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে শুধু এটুকুই বলব- ‘তোমরা বাড়িতে নিরাপদে থাকো এবং অনলাইনে পড়াশোনা চালিয়ে যাও।’

লেখক : অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান , অনলাইন এডুকেশন এক্সপার্ট ও বিভাগীয় প্রধান (ভারপ্রাপ্ত), আইসিটি ও শিক্ষা বিভাগ, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ডিজিটাল ইউনিভার্সিটি, বাংলাদেশ




পাঠকের মন্তব্য দেখুন
আসছে বছর থেকেই পাঠ্যপুস্তকে অন্তর্ভুক্ত হচ্ছে প্রোগ্রামিং - dainik shiksha আসছে বছর থেকেই পাঠ্যপুস্তকে অন্তর্ভুক্ত হচ্ছে প্রোগ্রামিং ৩ ডিসেম্বর পর্যন্ত সংসদ টিভিতে মাধ্যমিকের ক্লাস রুটিন - dainik shiksha ৩ ডিসেম্বর পর্যন্ত সংসদ টিভিতে মাধ্যমিকের ক্লাস রুটিন এসএসসির ৭৫ শতাংশ ও জেএসসির ২৫ শতাংশে এইচএসসির ফল - dainik shiksha এসএসসির ৭৫ শতাংশ ও জেএসসির ২৫ শতাংশে এইচএসসির ফল ইবতেদায়ি ও দাখিল শিক্ষার্থীদের পঞ্চম সপ্তাহের অ্যাসাইনমেন্ট প্রকাশ - dainik shiksha ইবতেদায়ি ও দাখিল শিক্ষার্থীদের পঞ্চম সপ্তাহের অ্যাসাইনমেন্ট প্রকাশ প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের বেতনও ইএফটিতে - dainik shiksha প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের বেতনও ইএফটিতে ইবতেদায়ি সমাপনী পরীক্ষার দায়িত্ব মাদরাসা বোর্ডের - dainik shiksha ইবতেদায়ি সমাপনী পরীক্ষার দায়িত্ব মাদরাসা বোর্ডের প্রতি স্কুলের তিন শিক্ষককে করতে হবে কৈশোরকালীন পুষ্টি প্রশিক্ষণ - dainik shiksha প্রতি স্কুলের তিন শিক্ষককে করতে হবে কৈশোরকালীন পুষ্টি প্রশিক্ষণ please click here to view dainikshiksha website