দশ দাবিতে আন্দোলনে যাচ্ছেন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা - স্কুল - দৈনিকশিক্ষা


দশ দাবিতে আন্দোলনে যাচ্ছেন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা

নিজস্ব প্রতিবেদক |

সহকারী শিক্ষকদের বেতনস্কেল দশম গ্রেডে উন্নীতকরণ, নিয়োগবিধি সংশোধন ও  সহকারী শিক্ষক নিয়োগসহ দশ দফা দাবিতে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা আন্দোলনে নামতে যাচ্ছেন। শনিবার ঢাকা রিপোটার্স ইউনিটির ‘সাগর রুনি’ মিলনায়তনে সংবাদ সম্মেলনে আন্দোলনের এমন হুঁশিয়ারি দেন শিক্ষকরা।

সংবাদ সম্মেলনে বক্তরা বলেন, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের ২০১৪ সাল থেকে ২০১৫ পর্যন্ত প্রাপ্য টাইমস্কেল প্রদান সংক্রান্ত বিষয়ে অর্থ মন্ত্রণালয় কর্তৃক জারিকৃত ২০২০ সালের ১৪১নং পত্র প্রত্যাহার করতে হবে।

আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় সমিতির দশ দফা দাবিগুলো হলো- 

১। সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পদোন্নতি প্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকদের টাইমস্কেল প্রদানসহ অন্যান্য প্রধান শিক্ষকদের ০৯/০৩/২০১৪ হতে ১৫/১২/২০১৫ পর্যন্ত সময়ের প্রাপ্য টাইমস্কেল প্রদানের বিষয়ে অর্থ মন্ত্রণালয় কর্তৃক জারিকৃত ১৫/১০/২০২০ তারিখের ১৪১ নং পত্রটি জরুরি ভিত্তিতে প্রত্যাহার করে টাইমস্কেল প্রদানের ব্যবস্থা করা।

২। (ক) বর্তমানে প্রধান শিক্ষকদের যোগ্যতা ও দায়িত্বের কথা বিবেচনা করে ৮ম গ্রেডে উন্নীত করা, (খ) সহকারি প্রধান শিক্ষকের পদ সৃষ্টিসহ ৯ম গ্রেডে বেতনস্কেল নির্ধারণ করা, (গ) স্নাতক/স্নাতকোত্তর শিক্ষাগত যোগ্যতার প্রেক্ষিতে সংগত কারণেই সহকারি শিক্ষকদের বেতনস্কেল বর্তমান বেতনস্কেলের ১০ম গ্রেডে উন্নীত করা।

৩। চলতি দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকদের দ্রুত পদোন্নতির ব্যবস্থা করা।

৪। সমন্বিত নিয়োগ বিধিতে শুধুমাত্র সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগ প্রদান করে উক্ত পদ থেকে প্রাথমিক শিক্ষা প্রশাসনের সর্বোচ্চপদ পর্যন্ত শর্তহীনভাবে পদোন্নতির মাধ্যমে পূরণ করা।

৫। প্রাথমিক শিক্ষা সম্পর্কীয় বিভাগীয় নীতিনির্ধারণী সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে সাংগঠনিক প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করা।

৬। সরকারি প্রাথমিক শিক্ষকদের অবিলম্বে নন-ভোকেশনাল কর্মচারী হিসাবে ঘোষণা করে অন্যান্য সরকারি কর্মচারীদের ন্যায় সুযোগ-সুবিধা প্রদান করা।

৭। অবিলম্বে দেশের সকল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৮ম শ্রেণি পর্যন্ত প্রাথমিক শিক্ষা কার্যকর করা।

৮। অন্যান্য সরকারি কর্মচারীদের ন্যায় সরকারি প্রাথমিক শিক্ষকদের শুক্র ও শনিবার সাপ্তাহিক দুদিন সরকারি ছুটি ঘোষণা করা ও দিনে সর্বোচ্চ ৪টি পিরিয়ড পাঠদানের ব্যবস্থা করা।

৯। সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক কল্যাণ ট্রাস্টিবোর্ড কার্যক্রম গতিশীল করা।

১০। শিক্ষকদের বিভিন্ন বিভাগীয় প্রশিক্ষণে শুধুমাত্র শিক্ষকদের মধ্যে থেকে প্রশিক্ষক নির্বাচন, শিক্ষকদের বিনোদন ভাতার জটিলতা নিরশন, প্রশিক্ষণের পর উচ্চধাপে বেতন নির্ধারণ করা।

প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের সংগঠনের সভাপতি ওয়েছ আহমেদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে মূল বক্তব্য পাঠ করেন সমিতির মহা-সম্পাদক মোঃ আনোয়ার হোসেন ভূঁইয়া। সংবাদ সম্মেলনে আরও বক্তব্য রাখেন নির্বাহী সভাপতি মোঃ জাহিদুর রহমান বিশ্বাস, সমিতির সিনিয়র সহ-সভাপতি মোফাজ্জল হোসেন, সিনিয়র যুগ্ম মহা-সম্পাদক মোহাম্মদ জসীম উদ্দিন, সাংগঠনিক সম্পাদক রফিকুর রহমান, সৈয়দ জাকারিয়া, মঞ্চলাল দে, জাকারিয়া ভূঁইয়া, রাবেয়া বেগম, মতিউর রহমান, আহমেদ কিবরিয়া বকুল, মমিনুল হক, সহ-সভাপতি সোহিনুর রহমান খান, আব্দুল কাইয়ূম, আবুল কালাম আজাদ, তপন কুমার সরকার, সহ-অর্থ সম্পাদক মোঃ আনোয়ার উল্লাহ ও দপ্তর সম্পাদক এনামুল হক প্রমুখ। 




পাঠকের মন্তব্য দেখুন
এসএসসি-এইচএসসি পরীক্ষা দু’একমাস পেছাতে পারে - dainik shiksha এসএসসি-এইচএসসি পরীক্ষা দু’একমাস পেছাতে পারে প্রথম থেকে নবম শ্রেণি পর্যন্ত লটারির মাধ্যমে ভর্তি : শিক্ষামন্ত্রী - dainik shiksha প্রথম থেকে নবম শ্রেণি পর্যন্ত লটারির মাধ্যমে ভর্তি : শিক্ষামন্ত্রী এসএসসির ৭৫ শতাংশ ও জেএসসির ২৫ শতাংশে এইচএসসির ফল - dainik shiksha এসএসসির ৭৫ শতাংশ ও জেএসসির ২৫ শতাংশে এইচএসসির ফল অষ্টম শ্রেণি উত্তীর্ণদের সার্টিফিকেট দেবে শিক্ষাবোর্ডগুলোই - dainik shiksha অষ্টম শ্রেণি উত্তীর্ণদের সার্টিফিকেট দেবে শিক্ষাবোর্ডগুলোই অ্যাসাইনমেন্ট মূল্যায়নে শিক্ষকদের জন্য নতুন নির্দেশনা - dainik shiksha অ্যাসাইনমেন্ট মূল্যায়নে শিক্ষকদের জন্য নতুন নির্দেশনা মাদরাসায় জ্যেষ্ঠ প্রভাষকের পদ - dainik shiksha মাদরাসায় জ্যেষ্ঠ প্রভাষকের পদ এমপিওর অর্ধেক টাকা পাওয়ার শর্তে জাল সনদধারীকে নিয়োগ দিয়েছিলেন অধ্যক্ষ - dainik shiksha এমপিওর অর্ধেক টাকা পাওয়ার শর্তে জাল সনদধারীকে নিয়োগ দিয়েছিলেন অধ্যক্ষ please click here to view dainikshiksha website