মন্তব্য লিখতে লগইন অথবা রেজিস্টার করুন

মন্তব্যের তালিকা

মোঃ ইসমাইল মিয়া।, ২৯ জুন, ২০২০
২০০৭ সালে যারা কামিল পাশ করে মাদ্রাসায় সহকারি মৌলভী পদে কর্মরত আছে,তাদেরকে কামিলের স্কেল অথবা বিএড এর স্কেল দেওয়া হউক।কারন ২০১৮ সালের নীতিমালায় বলা হয়েছে যে,২০০৬ সাল পর্যন্ত যারা কামিল পাশ করেছে, তাদেরকে কামিলকে বিএড এর স্কেল দেওয়া হবে।এখন কথা হল যারা ২০০৭ সালে কামিল পরীক্ষা দিয়েছে তারাতো ২০০৬ সালের মতই একই সিলেবাসে মাদ্রাসা বোর্ড থেকে কামিল পরীক্ষা দিয়েছে।আবার ২০০৭ সালে যারা কামিল পরীক্ষা দিয়েছে, তাদের বিএড করার কোন সুযোগ নেই।তাই কর্মকর্তাদের নিকট আকুল আবেদন, ২০০৭ সালে যারা কামিল পরীক্ষা দিয়েছে, তাদেরকে বিএড এর স্কেল দেওয়া হউক।তা না হলে ২০০৭ সালের কামিল পাশ করা সহকারি মৌলভীগণ তাদের প্রাপ্য থেকে বঞ্জিত হবে।ধন্যবাদ
মোঃ আরিফুল ইসলাম, ২৭ জুন, ২০২০
অনুগ্রহ পূর্বক প্রত্যন্ত মফস্বল এলাকায় বালিকা বিদ্যালয়ের ক্ষেত্রে নীতিমালা শিথিল করত: পরীক্ষার্থীর সংখ্যা 25/30 করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি সবিনয় অনুরোধ জানাই। বিষয়টি সরকারের নজরে আনার জন্য দৈনিক শিক্ষার প্রতি অনুরোধ রইল।
Md Abu Dawd, ২৭ জুন, ২০২০
দাবি জানিয়ে ঘরে বসে থাকলে আমাদের কোন দাবি আদায় হবে না।
Luqueman, ২৫ জুন, ২০২০
কামিল সনদধারি একজন সহকারি ধর্মীয় শিক্ষক (স্কুল) বিএড ছাড়াই 10ম গ্রেড পান। বিপরিতে দাখিল মাদরাসার একই পদে একই সনদ ধারি সহকারি মৌলভি শিক্ষক পান 11তম গ্রেড। তাদেরকে 10ম গ্রেড পাওয়ার জন্য বিএড প্রশিক্ষন শার্ত করা হয়েছে।সেখানে ভর্তি পরীক্ষায় উত্তির্ণ হতে হয়।উত্তীর্ণ হতে না পারলে আবার এক বছর ভর্তী পরীক্ষার অপেক্ষা,,,,,,।তার পর যদি কখনো ভর্তীর সূযোগ মিলে ,পড়াশোনা ,পাশ,10ম গ্রেডের জন্য আবেদন। এটা কোন বিবেকবান? মস্তিস্কের চিন্তা।মাদরাসা শিক্ষকরা কেনো বৈষম্যের শিকার।কেনো অবহেলিত। বিবেকের দংশন থেকে মুক্ত হওয়ার জন্য দায়িত্বশীলদের ইনসাফ দৃষ্টিভঙ্গীর প্রয়োজন। মাদরাসার সহকারী মৌলভী শিক্ষকদের বিএড ছাড়াই সরাসরি 10ম গ্রেড প্রত্যাশা করছি।
Jewel Khan, ২৪ জুন, ২০২০
The Corrupted Are Well off In This Society. But Teachers (Ng) R Neglected. How Funny!
Md Abu Dawd, ২০ জুন, ২০২০
আপনাদের এ যুগোপযোগী এবং যৌক্তিক দাবি গুলো এমপিও নীতিমালা সংশোধনি কমিটির সরকারি কর্মকর্তা ও শিক্ষক নেতাদের মাথায় একবারও এলোনা কেন?এ সব নেতারা কার স্বার্থে কমিটির সদস্য হলেন?
Md. Muniruzzaman, ১৭ জুন, ২০২০
এমপিও নীতিমালা সংশোধন করে বেসরকারি কলেজ/ মাদ্রাসার এম. ফিল./পিএইচ ডি ডিগ্রীধারী প্রভাষকদের আট বছর পর অনুপাত ছাড়া সরাসরি সহকারী অধ্যাপক পদে পদায়নের ব্যবস্থা করবেন। সেই সঙ্গে অধ্যক্ষ ও উপাধ্যক্ষ পদে নিয়োগে অগ্রাধিকার দিবেন এবং সরকারি কলেজে দশ শতাংশ কোটায় নিয়োগের ব্যবস্থা করার জন্য সিংশ্লিষ্টদের সুদৃষ্টি কামনা করছি।
Md. Jashim Uddin, ১৬ জুন, ২০২০
কলেজ শিক্ষকদের উচ্চতর গ্রেড প্রদানের নামে শতাব্দির শ্রেষ্ঠতম উপহাসটি ঘটতে যাচ্ছে । দীর্ঘ ১০ বছর অপেক্ষার পর (কোন কোন শিক্ষক বিভিন্ন কারণে নন-এমপিও হিসেবে আরও বেশি দিন চাকরি করেন) মাত্র ১০০০ টাকার জন্য উচ্চতর স্কেলের আবেদন করতে বলা হচ্ছে বেসরকারি কলেজের শিক্ষকদের। বিষয়টি কী নীতি নির্ধারকদের মানবিকতাবোধকে মোটেও নাড়া দিচ্ছেনা? ৯ম গ্রেড থেকে ৮ম গ্রেড কিছুতেই উচ্চতর গ্রেড হিসেবে বিবেচিত হতে পারে না। অতীতে কোন দিন হয়ওনি। টাইম স্কেল চলাকালীন প্রভাষকরা ৯ম গ্রেড থেকে সরসারি ৭ম গ্রেড পেতেন। আশা করছি এ বিষয়ে চুড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণের পূর্বে আবার একটু ভেবে দেখবেন। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, মাননীয় শিক্ষা মন্ত্রী, শিক্ষা সচিবসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সুবিবেচনা প্রত্যাশা করছি।
Md. Jashim Uddin, ১৬ জুন, ২০২০
কলেজ শিক্ষকদের উচ্চতর গ্রেড প্রদানের নামে শতাব্দির শ্রেষ্ঠতম উপহাসটি ঘটতে যাচ্ছে । দীর্ঘ ১০ বছর অপেক্ষার পর (কোন কোন শিক্ষক বিভিন্ন কারণে নন-এমপিও হিসেবে আরও বেশি দিন চাকরি করেন) মাত্র ১০০০ টাকার জন্য উচ্চতর স্কেলের আবেদন করতে বলা হচ্ছে বেসরকারি কলেজের শিক্ষদের। বিষয়টি কী নীতি নির্ধারকদের মানবিকতাবোধকে মোটেও নাড়া দিচ্ছেনা? ৯ম গ্রেড থেকে ৮ম গ্রেড কিছুতেই উচ্চতর গ্রেড হিসেবে বিবেচিত হতে পারে না। অতীতে কোন দিন হয়ওনি। টাইম স্কেল চলাকালীন প্রভাষকরা ৯ম গ্রেড থেকে সরসারি ৭ম গ্রেড পেতেন। আশা করছি এ বিষয়ে চুড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণের পূর্বে আবার একটু ভেবে দেখবেন। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, মাননীয় শিক্ষা মন্ত্রী, শিক্ষা সচিবসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সুবিবেচনা প্রত্যাশা করছি।
Jewel Khan, ১৬ জুন, ২০২০
No 8th Grade , We Want Our Right.
Jewel Khan, ১৬ জুন, ২০২০
Reform Grade No - 8.
md.munsef ali, ১৬ জুন, ২০২০
প্রভাষক আজীবন প্রভাষক থকবে এ কোন আজব আইন,কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আর্কষণ করছি।
Md Abu Dawd, ১৬ জুন, ২০২০
সহকারী প্রধান শিক্ষকের বেতন অষ্টম গ্রেডে হওয়ার কোন যৌক্তিকতা নেই। এটি বিদ্যালয়ের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ এবং কঠিন পদবী।
MD.EDRISH ALI, ১৬ জুন, ২০২০
স্বীকৃতিপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানের অসহায় নন এমপিও শিক্ষকদের অবস্থার কথা কি কেউ চিন্তা করেন?তাদের জীবন জীবিকার মানের কোন ব্যবস্থা হবে কি?
মোহাম্মাদ রুবেল মিয়া, ১৬ জুন, ২০২০
নবসৃস্ট পদ ল্যাব অ্যাসিস্ট্যান্ট এর যোগ্যতা মানবিক বিভাগ করার জোর দাবি জানাচ্ছি ।
Md.Rafiqul Islam, ১৬ জুন, ২০২০
শিখ্যক ইউনিয়ন এর বকতব্য সমপূর্ণ যৌকতিক । প্লীজ ৭ম গ্রেডে অটো প্রমোশন দিন । মো: রফিকুল ইসলাম
Md.Rafiqul Islam, ১৬ জুন, ২০২০
১০/১২ বছর চাকুরি করার পর প্রভাষক এর ৮ম গ্রেড প্রাপতি এবং ১০০০ টাকা বৃদ্ধি অসংগতিপূর্ণ অযৌক্তিক অমানবিক অগ্রহণযোগ্য । মো: রফিকুল ইসলাম ।
shameem.mirpur, ১৫ জুন, ২০২০
প্রশাসনিক পদে ( প্রধানশিক্ষক , সহকারী প্রধান শিক্ষক , সুপার , অধ্যক্ষ , উপাধ্যক্ষ ) এম .এড থাকলে অভিজ্ঞতা ২ বছর শিথিল করা ও নিয়োগে এম. এড ধারী প্রার্থীকে অগ্রাধিকার দেয়ার বিধান থাকা উচিত । তাছাড়া বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন অনুমোদিত ( পাবলিক ও প্রাইভেট ) বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বি. এড পাশ বা প্রশিক্ষণ নেয়ায় কোন বাধা নেই তা স্পষ্টভাবে এম. পিও নীতিমালায় উল্লেখ রাখা , তা না হলে ওই সব বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত প্রশিক্ষণার্থী ও পাশ করা প্রশিক্ষণার্থী বৈষম্যের শিকার হবে এবং হতাশায় ভুগবে ।
Mohammad Mojibur Rahman, ১৫ জুন, ২০২০
এখানে যতদূর জানি উচচতর স্কেল বলতে ২৩,০০০ টাকার স্কেল বোঝানো হচ্ছে ।আসলে ২৩,০০০ টাকার স্কেল কখনও উচচতর স্কেল হতে পারে না ।বেসরকারি কলেজের শিক্ষক বা নন ক্যাডার চাকরিতে ৯ম গ্রেড যোগদান অর্থাৎ ২২,০০০ টাকার স্কেল এবং শিক্ষা ক্যাডার বা অন্যান্য ক্যাডার যোগদান করেন ৮ম গ্রেডে অর্থাৎ ২৩,০০০ টাকার স্কেলে। তাহলে ৯ম এবং ৮ম গ্রেড ওপেনিং স্কেল ।আরও মজার ব্যাপার হলো জাতীয় স্কেল ২০০৯ অনুযায়ী বেসরকারি কলেজের শিক্ষকদের চাকরিতে যোগদান করতেন ৯ম গ্রেড ১১,০০০টাকার স্কেল এবং শিক্ষা ক্যাডার যোগদান করেন ৮ম গ্রেড ১২,০০০টাকার স্কেলে। বেসরকারি কলেজের শিক্ষকদের চাকরির বয়স 2 বছর হলেই ১২,০০০টাকার স্কেল পেতেন এবং ৮বছর হলে ১৫,০০০ টাকার স্কেল পেতেন ।এই ১২,০০০ ও১৫,০০০ টাকার স্কেল জাতীয় স্কেল ২০১৫ অনুযায়ী একই ধারাবাহিকতায় হয়েছে যথাক্রমে ২৩,০০০ ও ২৯,০০০ টাকার স্কেল ।সেখানে ১০ বছর চাকরি করার পর পাবেন ২৩,০০০টাকার স্কেল যাকে নাম দেওয়া হচ্ছে উচচতর স্কেল ।এটা আমার মনে হয় বেসরকারি কলেজের শিক্ষকদের সাথে পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ উপহাস ছাড়া কিছুই না।এই বিষয়টি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী,শিক্ষা মন্ত্রী, এবং শিক্ষা সচিব মহোদয় দেখবেন ।
আবু কামাল আজাদ, ১৫ জুন, ২০২০
আমাদের দাবি অনুপাত প্রথা বিলুপ্ত করে মেধার ভিত্তিতে পদোন্নতি ও দশ/বার বছর অভিজ্ঞতার আলোকে অধ্যক্ষএবং উপাধ্যক্ষ পদে নিয়োগোর প্রক্রিয়ার বাস্তবায়ন করা হোক।
A.T.M.MAFIZUL ISLAM, ১৫ জুন, ২০২০
khub druto asob siddhanto janie vuktovugi teacherder uddhar korar jor dabi janacci.
Ashraful islam, ১৫ জুন, ২০২০
প্রধান শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে পূর্বেের নিয়ম চালু চাই।
Sanjoy Kumar Roy, Lecturer in English, Bijoynagar Islamia Alim Madrasah, Kawkhali, Pirojpur., ১৫ জুন, ২০২০
বেসরকারি প্রভাষকদের ১০ বছর পরে উচ্চতর গ্রেডের নামে ৮ম গ্রেড কোন মতেই মেনে নেয়া হবেনা, এটা হতে পারেনা।কারন, ৮ম গ্রেডের চেয়ে বেশি বেতন স্কেল এখনই তারা ভোগ করছে।আগের মত ৭ম গ্রেডে উন্নীত করতে হবে।অনুপাত প্রথা বাতিল করে সকল বেসরকারি প্রভাষককে সহকারি অধ্যাপকের মর্যাদা দিতে হবে।আর এজন্য সমাধান একটাই, সম্পূর্ণ শিক্ষাব্যবস্থা জাতীয়করণ।