মন্তব্য লিখতে লগইন অথবা রেজিস্টার করুন

মন্তব্যের তালিকা

Shyamal Barua, ০৫ ডিসেম্বর, ২০২০
প্রভাষকদের উচ্চতর স্কেল প্রয়োজন হবেনা, আমি মনে করি। কারণ ১০ বছরে ইনক্রিমেন্ট পেয়ে বেতন হবে-৩৫৮৩৫.৬৮টাকা। আর APস্কেল- ৩৫৫০০। সুতরাং AP দেওয়া যুক্তিযুক্ত।
Md. Abdul Halim, ০১ ডিসেম্বর, ২০২০
অনুমোদনের সিস্টেম টা কি? সাবমিট হলো কিন্তু অনুমোদন হলো না কষ্ট করে লিখে লাভ কি? আপনাদের নীতিমালা ও কি একই রকম?
Md. Abdul Halim, ০১ ডিসেম্বর, ২০২০
২০১৮ সালের ৩০ জুন প্রভাষক পদে ৮ বছর পূর্ণ হলো. টাইম স্কেল তার আগ থেকে বন্ধ থাকার কারনে পেলাম না. এর পর নীতিমালায় বলা হলো টাইম স্কেলের জায়গায় উচ্চতর গ্রেড কিন্তু আগে ২২ হাজারের জায়গায় সবাই পেয়েছে ২৯ হাজার কিন্তু এবার বলা হলো ২২ হাজারের স্থলে ২৩ হাজার তাও ৮ বছরের স্থলে ১০ বছর. ২০২০ সালের ৩০ জুন যখন ১০ বছর পুর্ণ হলো এবারো নীতি মালার অস্স্টপতার কারনে উচ্চতর গ্রেড আর পাওয়া হলো না. এর মধ্যে সংশোধনী নীতি মালা এলো. এবার প্রভাষকদের টাইম স্কেল বা উচ্চতর গ্রেড বিষয়ে কিছুই বলা হলো না. এবার শুধু ৭:২ এর স্থলে ২:১ বলা হলো. ৬ জন প্রভাষকের মধ্যে আমি ৬ নম্বর. ভেবে দেখুন তো বৈষম্য কি এবং কাকে বলে? আগে যারা ৮ বছরে টাইম স্কেল পেলো, তারা আবার সহকারী অধ্যাপক বা জৈষ্ঠ প্রভাষক যে নামেই হোক স্কেল পাবে. আপনাদের মাথায় পদবীটাই ঢুকলো আর কিছুই ঢুকলো না. এদেশের শিক্ষা বা নীতি মালার বিষয়ে কিবা বলতে পারি.
taslimaict31, ০১ ডিসেম্বর, ২০২০
স্যার গত অক্টোবর ২০০৭সালে নিয়োগ পেয়ে আমি সেপ্টম্বর২০০৮এ এম পিও ভুক্তহই।তারপর২০১৫ সালে নতুন নিয়ম হয় টাইমস্কেল বন্ধ।২০১৮সালের নীতিমালা হয় নতুন করে। ২০২০সালের জানুয়ারীতে মাদরাসা শিক্ষকদের উ ্চ্চতর স্কেলের কথাবলা হয় আবার তা সেখানেই থেমেযায়। জুন২০২০অধিদপ্তর মন্ত্রনালয়ে স্পষ্টীকরন চেয়ে চিঠি পাঠায়।পরবর্তী সময়ে মাউশি মন্ত্রনালয়ে স্পষ্টীকরন চেয়ে চিঠি পাঠায় এবং যথাসময়ে উত্তরও পায় এবং তাতে মাাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিকের শিক্ষকগণ আবেদন করতে শুরু করেন।অথচ আমরা মাদরাসা শিক্ষকগণ ২৩ নভেম্বর পর্যন্ত সংশোধনীর আলোকেও আবেদন করতে পারছিনা।তাই যদি মদরাসা শিক্ষকদের হয়ে কিছু লিখতেন ৷ স্যার আমরা সকলে উপকৃত হতাম।
Abullaic, ২৯ নভেম্বর, ২০২০
আমরাই নির্যাতনের শিকার। আলিম মাদ্রাসার প্রভাষক মানেই মুহাদ্দিস,সহকারী অধ্যাপক, উপাধ্যক্ষ ও অধ্যক্ষ হওয়ার অধিকার নেই। নিবন্ধন নিয়ে এসে ও এত বৈষম্য! ভেবে দেখুন অনেকেই কামিল মাদ্রাসায় হাদিস বিভাগে অধ্যাপনার যোগ্যতা রাখেন,এমনটি অনেকেই ভাবেন না। 'ল'মেকাররা চিন্তিত কেন? আলিম মাদ্রাসার প্রভাষকরা আপনাদের জন্য লজ্জার কারণ।দাখিল মাদ্রাসার প্রীতি অনেক বেশিই,।জুনিয়ররা আপনাদের বস হবার যোগ্য। আপনাদের বুঝার তাওফিক দান করুক।