মন্তব্য লিখতে লগইন অথবা রেজিস্টার করুন

মন্তব্যের তালিকা

Md.Golam faruk mithun, ০২ জানুয়ারি, ২০২১
মাননীয় শিক্ষামন্ত্রী মহোদয় আমরা স্বাধীনতার ৪০ বছর পর একটি শিক্ষানীতি পেয়েছি এই আওয়ামী লীগ সরকারের অধীনে।তা প্রণয়ন করাও ১০ বছর হয়ে গেল। অথচ অনেক কিছুই বাস্তবায়ন করা হয়নি। শিক্ষানীতি অনুযায়ী ডিগ্ৰি কলেজ গুলো কে ধাপে ধাপে অনার্স মাস্টার্স কলেজে রূপান্তরিত করা হবে বলে সেই প্রক্রিয়া চলমান। এখন আবার বলছেন জেলায় জেলায় বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন করা হবে। তাহলে সাংঘর্ষিক বিষয়ে পরিণত হবে। অবশ্যই জেলা পর্যায়ে বিশ্ববিদ্যালয় হতেই পারে এবং কলেজ গুলোতে কারিগরি শিক্ষা যুক্ত হলে তা আরও ভালো উদ্যোগ হবে। কিন্তু ২০১০ সালের শিক্ষানীতি অনুযায়ী শিক্ষকদের সবোর্চ্চ মর্যাদা ও সহযোগী অধ্যাপক ও অধ্যাপক পদে পদোন্নতির বিষয়ে এখনো কোনো পদক্ষেপ নেয়া হয়নি। যা অত্যন্ত হতাশার। স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী পালন করতে যাচ্ছি অথচ শিক্ষকদের সবোর্চ্চ মর্যাদা দেয়া হলো না। এর চেয়ে আর লজ্জার কি হতে পারে। এই জন্যই কি মুক্তিযুদ্ধোরা দেশ স্বাধীন করে ছিল। জয় বাংলা।
Md.Golam faruk mithun, ০২ জানুয়ারি, ২০২১
মাননীয় শিক্ষামন্ত্রী মহোদয় আমরা স্বাধীনতার ৪০ বছর পর একটি শিক্ষানীতি পেয়েছি এই আওয়ামী লীগ সরকারের অধীনে।তা প্রণয়ন করাও ১০ বছর হয়ে গেল। অথচ অনেক কিছুই বাস্তবায়ন করা হয়নি। শিক্ষানীতি অনুযায়ী ডিগ্ৰি কলেজ গুলো কে ধাপে ধাপে অনার্স মাস্টার্স কলেজে রূপান্তরিত করা হবে বলে সেই প্রক্রিয়া চলমান। এখন আবার বলছেন জেলায় জেলায় বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন করা হবে। তাহলে সাংঘর্ষিক বিষয়ে পরিণত হবে। অবশ্যই জেলা পর্যায়ে বিশ্ববিদ্যালয় হতেই পারে এবং কলেজ গুলোতে কারিগরি শিক্ষা যুক্ত হলে তা আরও ভালো উদ্যোগ হবে। কিন্তু ২০১০ সালের শিক্ষানীতি অনুযায়ী শিক্ষকদের সবোর্চ্চ মর্যাদা ও সহযোগী অধ্যাপক ও অধ্যাপক পদে পদোন্নতির বিষয়ে এখনো কোনো পদক্ষেপ নেয়া হয়নি। যা অত্যন্ত হতাশার। স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী পালন করতে যাচ্ছি অথচ শিক্ষকদের সবোর্চ্চ মর্যাদা দেয়া হলো না। এর চেয়ে আর লজ্জার কি হতে পারে। এই জন্যই কি মুক্তিযুদ্ধোরা দেশ স্বাধীন করে ছিল। জয় বাংলা।