মন্তব্য লিখতে লগইন অথবা রেজিস্টার করুন

মন্তব্যের তালিকা

Dr. Muhammad Al-Amin, ১৩ জানুয়ারি, ২০২১
ধর্ম ও নৈতিক শিক্ষার প্রতি বর্তমান সরকার সবচেয়ে বেশি গুরুত্বারোপ করেছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বার বার বলেছেন, আমরা ধর্মীয় শিক্ষার প্রতি অন্যান্য যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছি। কিন্তু দুঃখের সাথে লক্ষ্য করছি, ষষ্ঠ থেকে নবম শ্রেণির ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য যে সাতটি বিষয়ের এ্যাসাইনমেন্ট তৈরি করার কাজ চলছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে, তার মধ্যে ধর্ম ও নৈতিক শিক্ষা অন্তর্ভুক্ত নেই। আমার আকূল আবেদন, ধর্ম ও নৈতিক শিক্ষাকে এ্যাইনমেন্টের বিষয়গুলোর সাথে সংযুক্ত করা হোক। সকল শ্রেণির ছাত্র-ছাত্রীদেরকে সাতটি নয়, আটটি বিষয়ের এ্যাসাইনমেন্ট দেয়া হোক।
Tabiatkowser, ১৩ জানুয়ারি, ২০২১
একই সঙ্গে মূল্যায়নের রেকর্ড সংগ্রহ ও সংরক্ষণের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে সংশ্নিষ্ট প্রতিষ্ঠানকে। অনলাইনে বা সামাজিক দূরত্ব মেনে শিক্ষার্থীদের অ্যাসাইনমেন্ট দেওয়া এবং গ্রহণ করতে বলা হয়েছে স্কুল ও মাদ্রাসাগুলোকে। এগুলো কথার কথা। একটি কথা আছে গোয়ালের গরু গোয়ালে নাই কেতাবে আছে। হ্যা, অ্যাসাইনমেন্ট গুলো যদি একদিন এক ক্লাসে এক ক্লাস করে যথাযথভাবে মূল্যায়ন করা হয় এবং শিক্ষা অধিদপ্তর এর দেয়ার নির্দেশনা মতে যদি অ্যাসাইনমেন্ট গুলো অক্ষরে অক্ষরে পর্যবেক্ষণ করে তাহলে এই এসাইনমেন্ট এর যথার্থ মূল্যায়ন প্রতিফলিত হবে বলে মনে করি। অন্যথায় এই অ্যাসাইনমেন্ট গুলো দেওয়া মানে অনর্থক সময়ক্ষেপণ করা ছাড়া আর কিছুই নয়। তাই যদিও এসাইনমেন্ট দেওয়া হয় তাহলে এই অ্যাসাইনমেন্ট গুলো যেন নোট গাইড ও কোন কারো পরামর্শ ছাড়া প্রতিটি শিক্ষার্থীদের থেকে মূল্যায়নের অংশটি যথাযথভাবে শিক্ষকরা যেন আদায় করে থাকেন সেই ধরনের ব্যবস্থা করার জন্য মাননীয় শিক্ষা অধিদপ্তর এর মহাপরিচালক এর নিকট অনুরোধ জানাচ্ছি।
Tabiatkowser, ১৩ জানুয়ারি, ২০২১
শিক্ষার্থীদের নোট-গাইড দেখে অ্যাসাইনমেন্ট লিখতে নিষেধ করা হয়েছে। নোট গাইড দেখে অ্যাসাইনমেন্ট তৈরি করা হলে তা বাতিল করা হবে বলেও জানানো হয়েছে। এক্ষেত্রে আবারও সেই অ্যাসাইনমেন্ট নতুন করে লিখে জমা দিতে হবে। কিন্তু আসলেই কি যথাযথ এই নিয়মটি মানা হয়েছে কি? মন্ত্রণালয় মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা দিয়েছে ঠিক, কিন্তু শিক্ষার্থী ও শিক্ষকরা এ ক্ষেত্রে বড় ধরনের ফাঁকি দিয়েছে মাত্র।