আমাদের সঙ্গে থাকতে দৈনিকশিক্ষাডটকম ফেসবুক পেজে লাইক দিন।


সমস্যা নিরসনে ৫ দফা দাবি প্রাথমিক শিক্ষকদের

নিজস্ব প্রতিবেদক | আগস্ট ১২, ২০১৭ | সমিতি সংবাদ

প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষকদের নানা সমস্যা নিরসনে বাংলাদেশ প্রাথমিক বিদ্যালয় সহকারি শিক্ষক সমিতি থেকে ৫ দফা দাবি জানানো হয়েছে।

শুক্রবার (১১ আগস্ট) রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবে আয়োজিত বঙ্গবন্ধু ও প্রাথমিক শিক্ষা শীর্ষক আলোচনা সভায় ৫ দফা দাবি তুলে ধরেন সংগঠনটির নেতারা।

সহকারি শিক্ষকদের ৫ দফা দাবিগুলো হল- প্রধান শিক্ষকের পরের ধাপে সহকারি শিক্ষকদের বেতন স্কেল নির্ধারণ, বিভাগীয় পদোন্নতি, প্রাথমিক শিক্ষকদের নন ভোকেশনাল ডিপার্টমেন্ট হিসেবে ঘোষণা, বিদ্যালয়ের সময়সূচি সকাল ১০টা থেকে দুপুর ৩টা ও শিক্ষক সুরক্ষা আইন প্রণয়ন।

আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা ইকবাল সোবহান চৌধুরী বলেন, মুক্তিযুদ্ধের পর জরাজীর্ণ একটা দেশের ৩৭,০০০ প্রাথমিক বিদ্যালয়কে জাতীয়করণের পাশাপাশি প্রায় লক্ষাধিক শিক্ষকের চাকরি জাতীয়করণ বঙ্গবন্ধুই করেছিলেন। ৭৫ এর ১৫ই আগস্ট বঙ্গবন্ধুকে হত্যা না করলে দেশের শিক্ষা ব্যবস্থা আরো বেশি উন্নত হত।
তিনি আরও বলেন, বঙ্গবন্ধু চাইলে পাকিস্তানি সরকারের প্রস্তাব মেনে আরাম আয়েশে থাকতে পারতেন। কিন্তু তিনি এই দেশের জনগণের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করেননি। তিনি দেশের মানুষের কথা সব সময় ভাবতেন। তার মেয়ে শেখ হাসিনারও বাবার মতো সব স্বপ্ন বাংলাদেশের মানুষকে কেন্দ্র করে। দেশে প্রতিনিয়ত উন্নয়ন হচ্ছে। উন্নয়নের ধারাবাহিকতা বজায় থাকবে।

শিক্ষক সমিতির নেতারা প্রধান শিক্ষকদের সাথে সহকারি শিক্ষকদের বেতন বৈষম্য তুলে ধরে বলেন, ১৯৭৩ সালে প্রধান শিক্ষকদের পরের ধাপেই সহকারি শিক্ষকরা বেতন পেতেন আর টাকার অংকের ব্যবধান ছিল মাত্র ১০ টাকা। কিন্তু বর্তমানে প্রধান শিক্ষকদের তিন ধাপ নিচে সহকারি শিক্ষকরা বেতন পান। যা টাকার অংকে ২৩০০ টাকা। তারা এই বৈষম্য নিরসনে প্রধানমন্ত্রীর সাথে সাক্ষাত করানোর জন্য তথ্য উপদেষ্টাকে অনুরোধ করেন।

শিক্ষক নেতৃবৃন্দের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন, সিনিয়র সহ সভাপতি নুরুল ইসলাম, ইব্রাহিম খলিল, আরিফুজ্জামান কাকন, এ্যামিলি দেওয়ান, আব্দুল আজিজ, জাকির হোসেন, সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক আব্দুল কাদের, ফিরোজ আলম, মতিউর রহমান, জহিরুদ্দিন টিপু, কামরুজ্জামান, সালেহ আক্তার মুক্তা, ফাতেমা চৌধুরী পিনু, নিরঞ্জন রায়, মাসুদুর রহমান, মো. ফিরোজ, মিজানুর রহমান, আবুল ফারাহ প্রমুখ।

মন্তব্যঃ ১৮টি
  1. সাহাবুল says:

    অচিরেই আমরা এই ৫ দফা দাবির বাস্তবায়ন চাই

  2. ওবায়েদ উল্লাহ সহকারি শিক্ষক বুড়িরহাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। নাগেশ্বরী. কুড়িগ্রাম। says:

    সহকারি শিক্ষক পদটিকে যোল বছর পর ১। সহকারি প্রধান শিক্ষক, দশ বছর পর ২। সিনিয়ার সহকারি শিক্ষক এবং শুরুতেই ১। সহকারি শিক্ষক করা হউক।
    প্রতে্যক ধাপেই একটি করে বেতন গ্রেড রেখে বিযয়টির নিষ্পত্তি করা সম্ভম বলে আমি মনে করি।

  3. ওবায়েদ উল্লাহ সহকারি শিক্ষক says:

    সহকারি শিক্ষক পদটিকে যোল বছর পর ১। সহকারি প্রধান শিক্ষক, দশ বছর পর ২। সিনিয়ার সহকারি শিক্ষক এবং শুরুতেই ১। সহকারি শিক্ষক করা হউক।
    প্রতে্যক ধাপেই একটি করে বেতন গ্রেড রেখে বিযয়টির নিষ্পত্তি করা সম্ভম বলে আমি মনে করি।

  4. মোঃ নজরুল ইসলাম, সহ: শিক্ষক, ঈশ্বরগঞ্জ, ময়মনসিংহ। says:

    আমাদের দাবীগুলো মানতে হবে, মানতে হবে।

  5. মো: মাসুদুর রহমান says:

    (১) ৮ বছর পর “সিনিয়র সহকারি শিক্ষক” (২) ১২ বছর পর সহকারি প্রধান শিক্ষক (পদ শূন্য থাকা সাপেক্ষে) (৩) ১৬ বছর পর প্রধান শিক্ষক (পদ শূন্য থাকা সাপেক্ষে) (৪) ২০ বছর পর সহকারি উপজেলা শিক্ষা অফিসার/ সহকারি ইন্সট্রাক্টর (পদ শূন্য থাকা সাপেক্ষে) (৫) ২৪ বছর পর উপজেলা শিক্ষা অফিসার/ ইন্সট্রাক্টর (পদ শূন্য থাকা সাপেক্ষে) এভাবে সহকারি শিক্ষকদের সমস্যা সমাধান হতে পারে। সহকারি শিক্ষক পদ হবে এন্ট্রি পদ। অন্যান্য পদে সরাসরি নিয়োগ বন্ধ করতে হবে।

  6. ইকবাল হোসেন says:

    অচিরেই এই ৫ দফা দাবির বাস্তবায়ন চাই।

  7. মোঃ মিলন হোসেন says:

    ১| বেতন বৈষম্য দূরিকরন৷
    ২| বিভাগীয় পদোন্নতি এবং বদলীর জটিলতা নিরসন৷
    ৩| বিদ্যালয়ের সময়সূচি সকাল ১০টা থেকে দুপুর ৩টা পর্যন্ত৷
    ৪| শিক্ষক সুরক্ষা আইন প্রণয়ন এবং যথাযত বাস্তবায়ন।
    উক্ত বিষয়গুলি অনতিবিলম্বে বাস্তবায়ন করার অনুরোধ জানাচ্ছি৷

  8. মো.আলাল মিয়া, সহকারী শিক্ষক দেওয়ানগজ্ঞ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়।দেওয়ানগজ্ঞ,জামালপুর says:

    সঠিক দাবি।

  9. মামুন says:

    দাবিগুলো একেবারে যৌক্তিক।যত তাড়াতাড়ি সরকার এগুলো পূরণ করবে তত তাড়াতাড়ি প্রাথমিক শিক্ষার মান উন্নয়ন হবে।

  10. kawsar says:

    আপনার মন্তব্য
    কয়েক দিন পর একটা করে বিদ্যালয় দিয়া দিবে

  11. MD Hayat says:

    দাবিগুলো যৌক্তিক । যত তাড়াতাড়ি সরকার এগুলো পূরণ করবে তত তাড়াতাড়ি প্রাথমিক শিক্ষার মান উন্নয়ন হবে।

  12. মো: রফিকুল ইসলাম says:

    চমৎকার বলেছেন। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ঘোষনা বাস্তবায়ন হচ্ছে না কেন?

  13. মো: জাহাঙ্গীর হোসাইন says:

    সমাধান অতি সহজ। প্রধান শিক্ষককে এক/দুই ধাপ নিচে নামিয়ে দিলেই হল। তাহলেই দুরত্বটা কমে যাবে। তাদের মনে হয় এমন আশা নেই যে, চাকুরীর শেষ জীবনে এসেও প্রধান শিক্ষক হবেন। আসলে যারা চাইতেই জানেনা তারা পাবেন কিভাবে? তাদের দাবীর মধ্যে এ কথা নেই যে, আমরা ১১/১০ গ্রেড চাই। মাননীয় প্রধান মন্ত্রীর ঘোষনা অনুসারে প্রধান শিক্ষকদের ২য় শ্রেণি হিসাবে ১০ গ্রেড দেয়া হোক। প্রাইমারী সহকারী শিক্ষকরা কি জানেন কলেজের, মাদরাসার, সরকারি হাই স্কুলের, বে-সরকারি হাই স্কুলের প্রধানদের এবং প্রভাষক/সহকারী শিক্ষকদের বেতন গ্রেডে কয় ধাপ পার্থক্য? সরকারি হাই স্কুলের ১ জন সহকারী শিক্ষকের চেয়ে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের পদটি কি কম গুরুত্বপূর্ণ। যারা অন্তত ৫-১০ জন শিক্ষক ২০০ থেকে ৮০০ জন শিক্ষার্থী ও তাদের অবিভাবকদের, প্রশাসনের লোকদের, স্থানীয় রাজনীতিবিদদের সামাল দিতে হয় অথবা সমন্বয় করে চলতে হয়। আমি মনে করি প্রভাষকদের সমপর্যায়ের অথবা ১ ধাপ উপরে থাকা উচিত। নইলে একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান উত্তম রূপে পরিচালিত হবে কিভাবে। প্রধান শিক্ষক পদে স্নাতক পাশ না হলে পদন্নতি দেয়াও শোভন নয়।

  14. Asraful Alam says:

    শিক্ষার মান উন্নয়নে দাবীগুলো তাড়াতড়ি বাস্তবায়ন করা হোক।

  15. kamal says:

    আমাদের দাবী বুঝতে হবে।মানতে হবে।না দিলে আন্দলনে যেত হবে।

আপনার মন্তব্য দিন