যৌথ ব্যবস্থাপনায় শিক্ষা কতটা কার্যকর - মতামত - দৈনিকশিক্ষা


যৌথ ব্যবস্থাপনায় শিক্ষা কতটা কার্যকর

মাছুম বিল্লাহ |

জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতিবিষয়ক সংস্থা ইউনেস্কোর ‘গ্লোবাল এডুকেশন মনিটরিং রিপোটং-২০২২’ প্রকাশিত হয়েছে গত ৩ জানুয়ারি। শিক্ষামন্ত্রী, মাউশি অধিদপ্তর ও নায়েমের ডিজিসহ দেশের শিক্ষাখাতের অনেকেই উপস্থিত ছিলেন। মূল প্রতিবেদনটি উপস্থাপন করেন ইউনেস্কো জেম রিপোর্টের পরিচালক ম্যানোস আন্তোনিনিস। গবেষণার বাংলাদেশ পর্ব নিয়ে কথা বলেন ব্র‌্যাক ইনস্টিটিউট অব এডুকেশনাল ডেভেলপমেন্টের মনজুর আহমেদ। ইন্টারেক্টিভ সেশন পরিচালনা ও সমাপনী বক্তব্য রাখেন ব্র্যাকের চেয়ারপার্সন ড. হোসেন জিল্লুর রহমান। অনুষ্ঠানে আমারও থাকার সুযোগ হয়েছিলো, আর তাই শিক্ষা সংশ্লিষ্ট বেশকিছু বিষয়ে সরাসরি আলোচনায় অংশ নেওয়া ও অনেকের বক্তব্য শুনতে পেরেছি। অনুষ্ঠানটি হয়েছে সোনারগাঁও হোটেলে। ইউনেস্কো বলছে, করোনা মহামারীর পর বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোয় শিক্ষার ব্যয় বেড়েছে, ফলে অনেক পরিবার সন্তানের শিক্ষার খরচ জোগাতে ঋণগ্রস্ত হয়ে পড়েছেন। 

প্রাইভেট টিউশনি, শিক্ষা উপকরণসহ শিক্ষাসংক্রান্ত খরচগুলো সরকারি-বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের জন্য একই। ফলে ক্রমবর্ধমান মূল্যস্ফীতিতে এটি অনেক পরিবারের জন্য বোঝা হয়ে দাঁড়িয়েছে। ইউনেস্কোর প্রতিবেদনে শিক্ষাখাতে বেসরকারি খাতের আধিপত্য বেশি থাকাকে পরিবারভিত্তিক শিক্ষাব্যয় বেশি হওয়ার অন্যতম কারণ হিসেবে দেখানো হয়েছে। এক্ষেত্রে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর শিক্ষাব্যবস্থার মধ্যে বেসরকারি খাতের ওপর সবচেয়ে বেশি নির্ভরশীল বাংলাদেশ। মাউশি অধিদপ্তরের ডিজি অবশ্য বাংলাদেশে শিক্ষার বেসরকারি খাত কথাটি পুন:সংজ্ঞায়নের কথা বলেছেন। তিনি বলতে চেয়েছেন, এমপিওর মাধ্যমে শিক্ষকদের পুরো বেতন দিচ্ছে সরকার, বিদ্যালয় ভবন তৈরি করছে সরকার, শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তি প্রদান করছে সরকার এবং শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে যে টিউশন ফি নেওয়া হয়, সেটিও শিক্ষকদের বাকী চাহিদা মেটাতে বিদ্যালয় রেখে দিচ্ছে। তাহলে এই বিদ্যালয়গুলোকে আমরা বেসরকারি বলব কী না প্রশ্ন রেখেছেন শ্রদ্ধেয় ডিজি। 

বক্তাদের কেউ কেউ বলেছেন, প্রাথমিক শিক্ষাকে জাতীয়করণ করে শিক্ষায় কমিউনিটির অংশগ্রহণ বাধাগ্রস্ত করা হয়েছে এবং প্রাথমিক শিক্ষা এক মানহীন শিক্ষায় পরিণত হয়েছে। যার ফলে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা প্রাক-প্রাথমিক ও প্রাথমিক পর্যায়ের শিক্ষা রাষ্ট্র পরিচালিত বিদ্যালয়ের পরিবর্তে বেসরকারি খাতে প্রতিষ্ঠিত বিদ্যালয়গুলোকে গুরুত্ব দিচ্ছে। জেম রিপোর্টেও চলে এসেছে যে, বাংলাদেশের প্রাক-প্রাথমিক পর্যায়ের শিক্ষার একটা বড় অংশ এখনো কিন্ডারগার্টেন ও ইংরেজি মাধ্যম প্রতিষ্ঠানের দখলে। প্রাথমিক বিদ্যালয় ব্যাপক জাতীয়করণের পরও প্রায় এক-চতুর্থাংশ শিশু পাঠদান নিতে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে যাচ্ছেন। 

মাধ্যমিক পর্যায়ে ৯৪ শতাংশ শিক্ষার্থীই পড়ছেন বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় পরিচালিত বিদ্যালয়ে। আর উচ্চ শিক্ষায় এক-তৃতীয়াংশের বেশি ডিগ্রি দিচ্ছে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়। সব মিলিয়ে দেশের শিক্ষাখাত এখনো অনেকাংশেই বেসরকারি প্রতিষ্ঠাননির্ভর। সরকারি বিদ্যালয়ে শিক্ষার মান সন্তোষজনক নয় বলায় শিক্ষামন্ত্রী একটি পরিসংখ্যান দিয়ে বলেছেন, এবার দেশের সরকারি-বেসরকারি পর্যায়ের মাধ্যমিক একটি অংশের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে।তাতে বেসরকারি পর্যায়ে আসন সংখ্যা ছিলো ৯ লাখ ২৫ হাজার ৭৮০। ভর্তির আবেদন পড়েছিলো ২  লাখ ৭৬ হাজার। আর সরকারিতে আসন সংখ্যা ছিলো এক লাখ ৭ হাজার ৯০৭জন, সেখানে আবেদন পড়েছে ৫ লাখ ৩৪ হাজার। তার মানে বেশি শিক্ষার্থী এবং বেশি অভিভাবক সরকারি বিদ্যালয়ে তাদের সন্তানদের পড়াতে চাচ্ছেন। এটি অবশ্য মাধ্যমিকের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য, প্রাথমিকে নয়।  

ড. হোসেন জিল্লুর রহমান  বিষয়টির ওপর চমৎকার এক মন্তব্য করে বলেছেন, এটি দুটি মেসেজ বহন করে। এক, সরকারি বিদ্যালয়ের প্রতি শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের আগ্রহ বেশি, বিশ্বাস বেশি। কারণ, সরকারিতে শিক্ষার মান ভালো। তার মানে হচ্ছে, দেশে সরকারি বিদ্যালয়ের সংখ্যা কমপক্ষে পাঁচগুন বাড়াতে হবে, যেটি সরকার করছে না। অন্য আর একটি মেসেজ বহন করে,সেটি হচ্ছে  এমপিওভুক্ত বিদ্যালয়ের দিকে শিক্ষার্থী কিংবা অভিভাবকদের আগ্রহ কম। তাহলে রাষ্ট্র এখানে যে অর্থ ব্যয় করছে, সেটি প্রশ্নসাপেক্ষ। জেম রিপোর্টের বাংলাদেশ অংশের মূল উপস্থাপক ড. মনজুর আহমদ বলেছেন, সরকারি ও বেসরকারি যৌথ উদ্যোগে যে শিক্ষা অর্থাৎ এমপিওভুক্ত বিদ্যালয়ে শিক্ষাদান বিষয়কে পূর্ণ অর্থবহ করতে হবে। এখানে আমিসহ আরও কেউ কেউ একই মন্তব্য করেছেন এবং একমত পোষণ করেছেন । 

আলোচনায় উঠে আসে, কেজরিওয়াল দিল্লির শিক্ষার চেহারা বদলে দিয়েছেন। এখন সেখানে ৯০ ভাগ শিক্ষার্থী রাষ্ট্র পরিচালিত বিদ্যালয়ে যান। পুরো শিক্ষার্থীবান্ধব করা হয়েছে প্রতিষ্ঠানগুলোকে। সেভাবে শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। মনিটরিং করা হচ্ছে ঠিকমতো। এই ইতিহাস আমাদের জানা উচিত বলে মন্তব্য করেছেন রাশেদা কে, চৌধুরী-যিনি গণসাক্ষরতার নির্বাহী পরিচালক। শিক্ষার্থীদের উপযুক্ত টয়লেটের ব্যবস্থা, ছিমছাম বিদ্যালয়, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা হয়েছে দিল্লির সরকারি বিদ্যালয়গুলোতে। আর এটি করা সম্ভব হয়েছে শিক্ষা ব্যবস্থাপনার বিকেন্দ্রীকরণের কারণে। 

ড. মনজুর আহমেদ বলেছেন, বাংলাদেশের মতো এত বিশাল বহরের শিক্ষাকে বিকেন্দ্রীকরণ করা প্রয়োজন জেলা পর্যায় থেকেই। সবকিছু কেন্দ্রীভূত হওয়ার কারণে  শিক্ষার অগ্রগতি ও মান ব্যাহত হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, বিশ্বের কোথাও শিক্ষার  দুটি মন্ত্রণালয় নেই। শিক্ষামন্ত্রী অবশ্য বলেছেন, রিলে রেসের মতো, প্রাথমিক একটি পর্যায় পর্যন্ত শিক্ষা সম্পন্ন করে আর একটি স্তরের হাতে ছেড়ে দেওয়া হচ্ছে , এটি একেবারে বিচ্ছিন্নভাবে ঘটছে না। 

দক্ষিণ এশিয়ায় সন্তানদের লেখাপড়ার জন্য অভিভাবকরা বেসরকারি স্কুলকে প্রাধান্য দেন। মূলত ইংরেজি ভাষা শিক্ষা এবং উচ্চতর শ্রেণির প্রতীক হিসেবে  তারা এস স্কুল প্রাধান্য দেন। ফলে বাড়ছে এ ধরনের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। বাংলাদেশেও বাড়ছে এ ধরনের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা। তবে, মাধ্যমিক শিক্ষায় এ প্রবণতা বেশি। 

আমাদের দেশে মাধ্যমিক পর্যায়ের ৯৪ শতাংশ শিক্ষার্থী বেসরকারি স্কুলে পড়াশুনা করেন। সরকারি স্কুলের তুলনায় এনজিও পরিচালিত স্কুলে খরচ তিনগুন বেশি, বেসরকারি কিন্ডারগার্টেনগুলোতে ৯ গুণ বেশি বেসরকারি পর্যায়ে দেশের প্রাক-প্রাথমিকের শিক্ষার্থীর হার ৫৫ শতাংশ, প্রাথমিক পর্যায়ে ২৪ শতাংশ, মাধ্যমিক পর্যায়ে ৯৪ শতাংশ এবং উচ্চশিক্ষায় ৩৬ শতাংশ। ২০০০ থেকে ২০১০ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত শিক্ষকদের পরিবারগুলোর জন্য ব্যয় গ্রামীণ এলাকায় ২৮-৫৪ শতাংশ, শহরাঞ্চলে তা ৪৮-৬৭ শতাংশ বেড়েছে। যেখানে ২০১৭-১৮ খ্রিষ্টাব্দে ভারতে উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে ১৩ শতাংশ শিক্ষার্থী প্রাইভেট শিক্ষকের কাছে পড়াশুনা করছেন। বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে  পাঠদানের ক্ষেত্রে পরিবারগুলোকে ঋণ করতে হয়। দক্ষিণ এশিয়ার প্রায় ৬ শতাংশ পরিবার বিদ্যালয়ের ফি মেটাতে ঋণ করে থাকেন। বাংলাদেশের প্রায় এক তৃতীয়াংশ  পরিবার  ঋণ করে বেসরকারি পলিটেকনিকে সন্তানদের পড়াশুনা করান। ভুটান,পাকিস্তান ও শ্রীলংকায় এসব প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের জন্য স্বল্প সুদে ঋণ দিতে সরকারি ঋণ কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। বিশ্বজুড়ে প্রযুক্তিনির্ভর লেখাপড়ার আগ্রহ বাড়ছে। বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো  নথিভুক্ত না থাকায় শিক্ষার্থীরা নির্বাচিত কারিগরি বৃত্তিমূলক শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ কোর্সের জন্য উপবৃত্তি পান না। এ প্রতিষ্ঠানগুলো শিক্ষার্থীদের থেকে আদায় করা  বিভিন্ন ধরনের ফির ওপর বেশি নির্ভরশীল। অর্থাৎ এ ক্ষেত্রেও আমরা পিছিয়ে আছি। ভুটানে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে দ্বিগুণ শিক্ষার্থীর অংশগ্রহন। তাদের শিক্ষানীতিতে সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোকে  এক ছাতার নিচে নিয়ন্ত্রণের কথা বলা হয়েছে। 

আলোচনায় উঠে আসে যে, সরকারি ও বেসরকারি যৌথ ব্যবস্থাপনায় শিক্ষার অনন্য মডেল হচ্ছে এমপিওভুক্ত বিদ্যালয়। সেটিকে আর মিনিংফুল কীভাবে করা যায়, আরও অর্থবহ ও কার্যকার করা যায় সেটি দেখতে হবে। দক্ষিণ এশিয়ার অন্যান্য দেশেও প্রাইভেট কোচিং আছে, তবে এ খাতে বাংলাদেশের অভিভাবকদের ব্যয় করতে হয় সবচেয়ে বেশি। এ হার এখানে ৬৭ শতাংশ। আর গ্রামীন এলাকায় ৫৪ শতাংশ শিক্ষার্থীদের প্রাইভেট পড়তে হয়। শ্রীলংকায় শহরে ৬৫ শতাংশ, গ্রামে ৬২ শতাংশ, পাকিস্তানে সরকারি স্কুলের শিক্ষার্থীদের ২৫ শতাংশ ও বেসরকারি স্কুলের শিক্ষার্থীদের ৪৫ শতাংশ এবং ভারতে উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রেও ১৩ শতাংশ শিক্ষার্থী প্রাইভেট পড়েন। পাকিস্তানে শিক্ষাব্যয়ের ৫৭ শতাংশ ব্যয় করে পরিবার, বাংলাদেশে এটি ৭১ শতাংশ। আমাদের শিক্ষাকে বৈশ্বিক পরিস্থিতির সঙ্গে খাপ খাওয়ানোর জন্য এবং শিক্ষাকে আনন্দময় করার ও প্রাইভেট কোচিং বন্ধ করার জন্য নতুন শিক্ষাক্রম চালু করা হয়েছে। যেখানে পরীক্ষার পরিবর্তে শিখন-কার্যক্রমকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এ শিক্ষাক্রম অনুসারে শ্রেণিকক্ষেই শিক্ষার্থীদের মূল্যায়ণ করবেন শিক্ষকরা।তবে,এগুলো সবই আশার কথা। নতুন শিক্ষাক্রমে পরীক্ষা কম থাকলেও প্রাইভেট কোচিং বন্ধ হবে কী না সেই বিষয়টি নিয়ে যৌক্তিক কারণেই অনেক অভিভাবক সন্দিহান। কারণ, বিদ্যালয়ে ৮০ থেকে ৯০ জন শিক্ষার্থীদের জন্য একজন শিক্ষক আর ক্লাসের সময়কাল ৪০-৪৫ মিনিট। ফলে ক্লাসরুমে পাঠদান কতটা শেষ করা যাবে সেটিও প্রশ্নসাপেক্ষ। একজন শিক্ষক কতজন শিক্ষার্থীদের দিকে সরাসরি নজর দিতে পারবেন,সেটিও প্রশ্নসাপেক্ষ। শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ যেভাবে হচ্ছে, সেখানেও প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে।

অনেক শিক্ষার্থীর পক্ষে অনেক কিছুই বুঝা সম্ভব হয়না শ্রেণিকক্ষে,তাই প্রাইভেট পড়তেই হয়। এ বিষয়গুলো কীভাবে অ্যাড্রেস করা হবে সেই প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে। এসব ক্ষেত্রে শিক্ষকদের নিজ উদ্যোগে অনেক কিছু শিখতে হবে এবং জানতে হবে-তা না হলে শিক্ষার বিদ্যমান সমস্যা খুব একটা সমাধান হবে বলে মনে হচ্ছে না। এ ধরনের গবেষণার ফল আমাদের সেনসেটাইজ করে, কিন্তু সমাধানের পথ কিন্তু আমাদেরই বের করতে হবে। 

লেখক : প্রেসিডেন্ট, ইংলিশ টিচার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ ( ইট্যাব)


পাঠকের মন্তব্য দেখুন
পাঠ্যবইয়ে ভুল সংশোধন ও গাফিলতি তদন্ত কমিটিতে যারা - dainik shiksha পাঠ্যবইয়ে ভুল সংশোধন ও গাফিলতি তদন্ত কমিটিতে যারা জালিয়াতি করে পদোন্নতি : এমপিও বন্ধ হচ্ছে অধ্যক্ষ-শিক্ষকের - dainik shiksha জালিয়াতি করে পদোন্নতি : এমপিও বন্ধ হচ্ছে অধ্যক্ষ-শিক্ষকের স্কুল-কলেজ থেকে মাদরাসায় আসা শিক্ষকদের ইনডেক্স পরিবর্তন : তথ্য চায় অধিদপ্তর - dainik shiksha স্কুল-কলেজ থেকে মাদরাসায় আসা শিক্ষকদের ইনডেক্স পরিবর্তন : তথ্য চায় অধিদপ্তর আইএমএসে স্কুল-কলেজের তথ্য হালনাগাদ ২০ ফেব্রুয়ারির মধ্যে - dainik shiksha আইএমএসে স্কুল-কলেজের তথ্য হালনাগাদ ২০ ফেব্রুয়ারির মধ্যে পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্য দৈনিকশিক্ষার নতুন উদ্যোগ - dainik shiksha পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্য দৈনিকশিক্ষার নতুন উদ্যোগ দৈনিক শিক্ষাডটকম-এর যুগপূর্তির ম্যাগাজিনে লেখা আহ্বান - dainik shiksha দৈনিক শিক্ষাডটকম-এর যুগপূর্তির ম্যাগাজিনে লেখা আহ্বান এরশাদকে নিয়ে মন্তব্যের জেরে সংসদে হট্টগোল - dainik shiksha এরশাদকে নিয়ে মন্তব্যের জেরে সংসদে হট্টগোল please click here to view dainikshiksha website Execution time: 0.0043590068817139